Asthma solution
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asthma solution, Health/Beauty, Chittagong, Chittagong.
13/02/2023
কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। যার ফলে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে তা হাড়ের উপর প্রভাব ফেলে ফলে হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। পরবর্তিতে বৃদ্ধ হওয়ার পরও তা অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমিয়ে দেয়। কেননা কাজু বাদামে আছে ভিটামিন-কে, যা হাড়ের জন্য অনেক উপকারি উপাদান।
13/02/2023
হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব নয়:
শীতকালে হাঁপানি রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। হঠাৎ সর্দি-কাশি বা ভাইরাস আক্রমণ থেকেও অনেকের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। শীত না যাওয়া পর্যন্ত হাঁপানি রোগীদের সতর্কতা দরকার।
হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালি অতিরিক্ত সংবেদনশীল। এর ফলে কোনো উত্তেজক যেমন ঘরে জমে থাকা ধুলা, সিগারেটের ধোঁয়া, কলকারখানার রাসায়নিক বা গ্যাস, ঠান্ডা বাতাস, ফুলের রেণু বা পশুপাখির সংস্পর্শে আসায় হঠাৎ করে রোগীর শ্বাসনালি সংকুচিত হয়ে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি করতে পারে। যার শ্বাসনালি যেসব জিনিসের প্রতি সংবেদনশীল, সেসব জিনিসকে বলা হয় অ্যাজমা ট্রিগার বা অ্যালার্জেন। এসব অ্যালার্জেন একেকজনের বেলায় একেক রকম হতে পারে। এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।
লক্ষণ:
কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ বোধ হওয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় গলা-বুকে শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া। কিছু ক্ষেত্রে কাশি ছাড়া অন্য লক্ষণগুলো তাৎক্ষণিকভাবে থাকে না, বিশেষ করে কাফ ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা থাকলে।
যেসব কারণে বাড়তে পারে:
1) ভাইরাসের সংক্রমণ, ঠান্ডা আবহাওয়া, বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশগত কারণ, মানসিক চাপ, মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম
2) নির্দিষ্ট কোনো খাবারের কারণেও হতে পারে।
অ্যাজমা রোগীদের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে এবং নিয়মিত ফলোআপ জরুরি।
13/02/2023
গাজর খাওয়ার ৭ টি উপকারীতা 🥕🥕
১. গাজরে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরে কোলাজেন তৈরি হওয়া বৃদ্ধি করে। ফলে শরীরে কোথাও ক্ষত হলে তা দ্রুত ভালো হয়। এ ছাড়া গাজর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
২. গাজর আঁশে পরিপূর্ণ। গবেষণা অনুযায়ী, ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা বেশি পরিমাণে ফাইবার খেলে গ্লুকজ মেটাবলিজম উন্নতি লাভ করে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের গাজর খাওয়া আবশ্যক।
৩. গর্ভাবস্থায়ও খেতে পারেন গাজর। গর্ভাবস্থায় গাজরের রস পান খুবই উপকারী। এতে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হয় না। যেসব মা শিশুকে দুধপান করান, তাদের নিয়মিত গাজরের রস পান করা উচিত।
৪. গাজর হজম ক্ষমতা বাড়ায়। গাজর খেলে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, বদহজম ইত্যাদি নিরাময় হয়। লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর গাজরের রস, গাজরের স্যুপ পান করলে উপকার হয়।
৫. গাজরের উপকারী উপাদানগুলো ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অংশ নেয়। এ ছাড়া শ্বাসনালির প্রদাহ ভালো করে।
৬. গাজর দাঁতের সুরক্ষা দেয়। দাঁত পরিষ্কারক হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস বা পাথর জমতেও বাধা দেয়।
৭. গাজরে ক্যারোটিনয়েড রঞ্জক পদার্থ রয়েছে। এ উপাদানটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়
12/02/2023
মধুর উপকারীতা।
১)মধুতে বিদ্যমান রয়েছে বিভিন্ন প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এর ফলে নিয়মিত খাঁটি মধু পানে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।
২)মধু আমাদের শরীরে তৎক্ষনাৎ শক্তি যোগায়, শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শরীরে তাপ উৎপন্ন করে ।
৩)মধু আমাদের শরীরে খাবারের হজমশক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়তা করে ৷
৪)যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন, মধু তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারি। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তার মাধ্যমে মধু শরীরের রক্তশূণ্যতা দূর করে।
মধু আমাদের শরীরে রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে হৃদপেশির কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে।
৫)মধুতে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদানসমূহ। নিয়মিত মধু পানে আমাদের শরীরে এসব খজিনের (কপার, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি) অভাব পূরণ হয়৷
৬)মুখের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ঘায়ের চিকিৎসায় মধু খুবই কার্যকরী এবং মধু আমাদের দাঁতকে মজবুত করে।
৭)মৌসুমি সর্দি, জ্বর উপশমে তুলসি পাতার রসের সঙ্গে খাঁটি মধু মিশিয়ে কয়েকদিন নিয়মিত পান করলে এটা দারুণভাবে কাজ করে।
৮)যারা ফুসফুসের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন এমনকি যাদের ফুসফুস করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ তাদের জন্যও মধু খুবই কার্যকরী৷
৯)মধু দিয়ে গাঁজানো রসুন নিয়মিত সেবনে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন নিরাময়, শরীরের ওজন কমানো, রক্তের কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমানো, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি উপকারিতা পাওয়া যায়।
১০)মধু শিশুদের হাড়ের গঠন মজবুত করে, দৃষ্টিশক্তি এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
12/02/2023
দারুচিনির উপকারীতা 🔥
শুধু রান্নায় নয়, শরীর ও ত্বক উভয়ের জন্যই দারুচিনির অনেক উপকারিতা রয়েছে। দারুচিনি সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভেষজ। দারুচিনিতে রক্তের শর্করার রোধক সহ অসাধারণ ঔষধি গুণাবলী রয়েছে যা, প্রদাহ কমাতে এবং স্নায়বিক স্বাস্থ্য উন্নীত করতে সহায়তা করে। মানুষের স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য দারুচিনির কিছু উপাদান,
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখে ,অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, ওজন কমাতে সহায়ক।
12/02/2023
হাঁপানি কিভাবে প্রবেশ করে?
মানবদেহে হাঁপানি তিনভাবে প্রকাশ হতে পারেঃ
আপাত সুস্খ লোকের হঠাৎ শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়ে কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পরে কষ্ট উপশম এবং রোগী আবার নিজেকে সুস্খ মনে করেন।
শ্বাসকষ্ট হঠাৎ আরম্ভ হয়ে আর কমে না; উপরন্তু বেড়ে যেতে থাকে। কোনো ওষুধে হাঁপানি কমে না। যদি এ অবস্খা বারো ঘণ্টার বেশি স্খায়ী হয়, তবে সে ধরনের হাঁপানিকে বলা হয় স্ট্যাটাস অ্যাজম্যাটিকাস বা অবিরাম তীব্র হাঁপানি।
একশ্রেণীর রোগীর শ্বাসপথে বাতাস চলাচলে সব সময়েই অল্প বাধা থাকে। বহু দিন এ অবস্খা থাকার ফলে কষ্টের অনুভূতি কম হয় এবং রোগী অল্প কষ্ট অনুভব করেন। কোনো কারণে শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে আরো বাধার সৃষ্টি হলে তখনই হাঁপানির কষ্ট অনুভূত হয়।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।
11/02/2023
কালো জিরাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সারের মতো রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে সহায়ক। আপনার যদি কফের সমস্যা থাকে, তাহলে কালো জিরার ব্যবহার আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে। এছাড়া এটি রক্তের টক্সিন পরিষ্কার করতে কাজ করে। সকালে খালি পেটে খেলে এটি ব্যবহার করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
এলোভেরার উপকারিতা
ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রর্তা বজায় রাখে ।
।ত্বকের তৈলাক্ত দূর করে।
।চোখের নিচে কালো দাগ দূর করে।
।কুচকানো ত্বকের টানটান করতে সাহায্য করে
।মেছতা দূর করে।
।মুখের তিল ও দানাদানা ভাবে দূর করে।
11/02/2023
আসুন জেনে নেই এলাচির আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারীতা সম্পর্কে-
১. পরিপাকের উন্নতি ঘটায় এলাচির বায়ুনাশকারী গুণ আছে বলে পরিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এটি পেটফাঁপা কমায় এবং শূলবেদনা নিরাময়ে সাহায্য করে। এটি পিত্তরসের প্রবাহ বৃদ্ধি করে চর্বি ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পরিপাকে সাহায্য করে। এজন্যই এলাচি পরিপাক তন্ত্রের সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশয়, এসিডিটি, বদহজম এবং বিভিন্ন ধরণের পাকস্থলীর সংক্রমণ এর আদর্শ সমাধান হিসেবে কাজ করে। পরিপাকের সমস্যা সমাধানে শুধু এলাচি খেতে পারেন, এলাচি গুঁড়া খাবারে ছিটিয়ে দিতে পারেন অথবা এলাচির চা পান করতে পারেন। এলাচির তীব্র মিষ্টি গন্ধ থাকে বলে বেশিরভাগ মানুষ এমনকি শিশুরাও পছন্দ করে এলাচি।
২. নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে যদি আপনার নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থাকে এলাচি ব্যবহার করে দেখুন। এটি ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদানে ভরপুর থাকে বলে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। এছাড়াও এর শক্তিশালী গন্ধ নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে। এলাচি বীজের তেল ও নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে। প্রতিবার খাওয়ার পর এলাচি মুখে নিয়ে চাবাতে পারেন। এলাচ চা পান করতে পারেন অথবা দিনে দুই বার উষ্ণ এলাচ চা দিয়ে কুলকুঁচি করে নিতে পারেন। এটি কার্যকরী মুখ পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করবে।
৩. ক্ষুধার উন্নতি ঘটায় এলাচ উষ্ণ পরিপাক টনিক হিসেবে কাজ করে বলে বদহজম, পেটফাঁপা এবং এসিডিটির সমস্যা মোকাবেলায় সাহায্য করে ক্ষুধামন্দা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পরিপাক রসের নিঃসরণের উন্নতি ঘটায়। যদি আপনার ক্ষুধা কমে যায় তাহলে স্যুপে এলাচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে পারেন অথবা কয়েকটি এলাচি চিবিয়ে খেতে পারেন।
৪. ডিটক্সিফাই হতে সাহায্য করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় এলাচি ডিটক্সিফিকেশনের মাধমে শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে। এটি ম্যাংগানিজের ও চমৎকার উৎস বলে এনজাইম উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ময়লা সাফ করতে ও ফ্রি র্যাডিকেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন এককাপ এলাচ চা পান করলে আপনার শরীর সুস্থ ও পরিষ্কার থাকবে।
৫. কিডনির স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে এলাচ কিডনির জন্য ভালো, কারণ এটি মূত্র ত্যাগকে উদ্দীপিত করে এবং ব্লাড প্রেশার কমতে সাহায্য করে। এছাড়াও কিডনিতে জমা হওয়া ক্যালসিয়াম ও ইউরিয়া দূর করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত এলাচ গ্রহণ করলে বিভিন্ন ধরণের কিডনির সমস্যা,
09/02/2023
বিগত কয়েক দশকে এজমা ও এলার্জি রোগ ও রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সময়ের অধিক ক্ষমতার ঔষধ উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসায় কার্যকর প্রমাণিত হলেও এরোগ সমূহের নিরাময় ও পুরাপুরি আরোগ্য লাভে অকার্যকর।
অধুনা ব্যবহৃত ঔষধসমূহ এজমা ও এলার্জি রোগের উপশম ও নিয়ন্ত্রণে ‘সক্ষম’, কিন্তু ‘রোগ-প্রকৃতি’ (Disease process) পরিবর্তনে সম্পূর্ণভাবে অসমর্থ। ফলে ভুক্ত-ভুগিরা ঔষধ-নির্ভরতায় আজীবন এ রোগের সাথে যুদ্ধ করে চলে।
রোগের ‘মূল-প্রকৃতি পরিবর্তনে’ সক্ষম এমন একটি চিকিৎসা-ব্যবস্থার অভাব অনেকদিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল। যাতে এ ধরণের রোগ থেকে সম্পূর্ণ নিরাময় বা আরোগ্য লাভ সম্ভব হয়। যা বহুল প্রত্যাশিত ও সময়ের দাবি।
‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ (Allergen Immunotherapy AIT) বিশেষ ধরনের এলার্জি চিকিৎসা, যা ইতিপূর্বে Hyposensitization বা Desensitization নামে অভিহিত এবং অধুনা Allergy Vaccine নামে পরিচিত।
‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ (AIT)- এজমা ও এলার্জিক রোগীর অসংযত, বিচ্যুত ‘প্রতিরোধ ব্যবস্থা’কে (Immune System) ইতিবাচক সংযত ও পরিমিত পরিবর্তনে যথাযথ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ রোগের ‘মূলীয় প্রকৃতি পরিবর্তনে’ (Disease process Modifying) কার্যকর বলেই এজমা ও এলার্জি –এ পদ্ধতিতে আরোগ্যলাভে সক্ষম। ইহাই অধুনা বিজ্ঞান ভিত্তিক এলার্জি চিকিৎসা।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
বিভিন্ন খাদ্যের কারণে হতে পারে এ'লার্জি। যেমন গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, বোয়াল মাছ, চিংড়ি মাছ, মসুরের ডাল, পুঁইশাক, মিষ্টিকুমড়া, পাকা কলা, আনারস, বেগুন, নারিকেল, হাঁসের ডিম।
অ্যা'জমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এ'লার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা । তাই এ'জমা রোগীদের প্রথমেই এ'লার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এ'লার্জি হয় ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000
