Natural food

Natural food

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Natural food, Health/Beauty, Chittagong.

আমাদের প্রোডাক্ট বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি প্রাপ্ত। 100% মানিব্যাগ গ্যারান্টি, অরিজিনাল চেক করে নিতে পারবেন। আপনাদের গোপন সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সর্বদা নিয়োজিত

25/04/2026
07/04/2026

রসুনের স্বাস্থ্য উপকারিতা
চলুন জেনে নেওয়া যাক রসুনের অজানা সব পুষ্টিগুনাগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা:

১. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি
রসুন পুষ্টিগুণে ভরপুর, যা আপনার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে পারে। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, বি৬, ম্যাঙ্গানিজ ও সেলেনিয়াম। এসব উপাদান ইমিউনিটি বাড়াতে অবদান রাখে। নিয়মিত রসুন খেলে সর্দি ও ফ্লু দূরে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১৪৬ জনের ওপর চালানো এক গবেষণায় যাঁরা প্রতিদিন রসুনের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন, তাঁদের ঠান্ডা-সর্দি লাগার হার ৬৩ শতাংশ কম।

২. ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ
রসুন অনেক রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে। এটি ক্যানসার, ডায়াবেটিস, বিষণ্নতার মত রোগের ঝুঁকি কমায়।ডায়াবেটিস রোগীরা কাঁচা রসুন খেলে তাঁদের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে থাকা অ্যালিসিন যৌগ সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন ৩-৪ টি রসুন চিবিয়ে খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩. কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
কাঁচা রসুন কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমাতে পারে। এটি টোটাল কোলেস্টেরল ও এলডিএল কোলেস্টেরল (যাকে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল বলা হয়) কমাতে সাহায্য করে এবং সম্ভাব্যভাবে এইচডিএল কোলেস্টেরল (যাকে ‘ভালো’ কোলেস্টেরল বলা হয়) বাড়িয় দেয়।

৪. অ্যান্টিবায়োটিকের ভূমিকা রাখতে
রসুনে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। রসুনে থাকা অ্যালিসিন বিভিন্ন রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা দেয়। এটি সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং অসুস্থতার তীব্রতা কমিয়ে দেয়। রসুনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলো খুবই কার্যকর। রসুন সালমোনেলা এবং ই. কোলাইয়ের মত খাদ্যজনিত রোগজীবাণুগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।

৫. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
উচ্চ রক্তচাপ এমন একটি রোগ, যেটি নিয়ন্ত্রণ না করলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে। রসুন উচ্চ রক্তচাপ খুব দারুণভাবে কমাতে পারে। কাঁচা রসুনের প্রধান রাসায়নিক উপাদান অ্যালিসিন, যা রক্তনালিগুলো শিথিল করতে ও রক্তপ্রবাহ উন্নত করতে সহায়তা করে।

৬. যৌন রোগ থেকে মুক্তি
যারা যৌন সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন রাতে রসুন খেলে ভালো ফল পেতে পারেন। বিভিন্ন হরমোনাল অসামঞ্জস্যতা প্রতিরোধ করার সাথে সাথে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। মেনোপজের সময় রসুন খেলে উপকার পাওয়া যায়।

রসুনে থাকা নানান উপাদান পুরুষদের ফার্টিলিটির সমস্যা ঠিক করতে সাহায্য করে। এটি টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ায় এবং শুক্রাণুর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে রসুন খুবই উপকারী।

৭. শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণ
রসুনের সালফার যৌগ শরীরকে টক্সিন (বিষাক্ত বর্জ্য) দূর করতে সাহায্য করে। রক্তে থাকা সিসার মাত্রাও কমাতে পারে রসুন। এর ডিটক্সিফাইংয়ের প্রভাবে গ্লুটাথিয়নের উৎপাদন বাড়ে। এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা যকৃৎকে বিষাক্ত বর্জ্য অপসারণে সাহায্য করে।

৮. যক্ষ্মা প্রতিরোধ
আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা পাবেন।

৯. অন্ত্রের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ
খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়, যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

১০. শ্বসন প্রক্রিয়ার উন্নতি
রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

রসুন খাওয়ার নিয়ম
সাধারণত রসুনের উপকারিতা পাওয়ার জন্য সকালে খালিপেটে খেতে বলা হয়। রসুনে যে সালফার কম্পাউন্ড থাকে চিবিয়ে খেলে সেটার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য খেতে না পারলে মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ভর্তা, শাক রান্না ও মুড়ি মাখানোতে কাঁচা রসুন মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
রসুন ভাজলে বা রান্না করলে তাপে এটির প্রধান রাসায়নিক উপাদান অ্যালিসিনের এর গুণাগুণ নষ্ট হয়। কাঁচা রসুন কেটে ১৫ মিনিট খোলা জায়গায় ছড়িয়ে রেখে তারপর খাওয়া হলে অ্যালিসিন সহজে হজম হয়।
রসুনের আচার খেলে এর জীবাণুনাশক গুনাগুণ পাওয়া যায় না। তবে অন্যান্য উপকারিতা পাওয়া যাবে।

02/04/2026

✅ কালোজিরা মানেই কালো হীরা!
জেনে নিন কালোজিরার উপকারিতা:।।।

কালো জিরাকে বলা হয় ‘মৃত্যু ছাড়া সর্ব রোগের মহৌষধ’। আবার অনেকে একে বলে, কালো হীরা।
প্রাচীনকাল থেকেই নানা অসুখ-বিসুখে কালো জিরাকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন চিকিৎসক-কবিরাজরা। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ- সব অঙ্গের রোগ নিরাময়ে জুড়ি নেই কালো জিরার।

সর্দি-কাশি, আমাশয়, ফুসফুসের প্রদাহ, মাথার যন্ত্রণা থেকে শুরু করে জন্ডিস সব রোগেরই উপযুক্ত দাওয়াই এই কালো জিরা।নিচে কালো জিরার কিছু গুণ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

● কালো জিরা ভর্তা আমরা অনেকেই শখ করে খাই। রান্নার মশলার মধ্যে কালো জিরার গুণাগুণের তুলনা নেই। কালো জিরা শুধু ক্ষুধা বাড়ায় তা নয়, পেটের বায়ুনাশক ও ফুসফুসের রোগেও মহাউপকারী।

● আমাশয়ের সমস্যায় কালোজিরা মহৌষধ। এ সময় কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে

৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

● সর্দি-কাশিরর জন্য গ্লান্ড ফুলেছে? সে ক্ষেত্রে কালোজিরা ও চাল পোড়া সমান পরিমাণে নিয়ে বেটে প্রলেপ দিলে এক দিনের মধ্যে ফোলা ও ব্যথা উভয়ই উপশম হয়।

● কালোজিরা বেটে কামড়ের জায়গায় লাগিয়ে দিলে অল্প সময় পরই বিছার হুলের জ্বালা কমে যায়।

● কালোজিরা বেটে মাথায় নিয়মিত মালিশ করলে চুল পড়া কমে ও নতুন চুল গজায়।

● গরম জলে কালোজিরা নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যথার উপশম হয়।।।।।।।

● ঘিয়ের সঙ্গে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে মুখ উজ্জ্বল হয় ও রং ফর্সা হয়।

● কাঁচা সর্দি থেকে মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা কাপড়ে পুঁটলি করে বেঁধে শুকোতে হবে। হাতে রগড়ে নিয়ে সেই গন্ধটা শুকলে উপকার পাওয়া যায়।

● যে সব মহিলা অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভোগেন, তাদের পিরিয়ড শুরুর পাঁচ-সাত দিন আগে থেকে অল্প গরম জলে ৫০০ মিলিগ্রাম কালোজিরা মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খেলে পিরিয়ড নিয়মিত হবে।

● কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। এতে ১০০ গ্রাম সরষের তেলে ২৫-৩০ গ্রাম কালোজিরা ভেজে সে তেল ছেঁকে নিয়ে ব্যবহার করতে হয়।

● ভিনেগারে ভিজিয়ে কালোজিরা খেলে কৃমি নষ্ট হয়।

● স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরা ২০ মিলিলিটার মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এ রোগ সারে। এতে সর্দি-কাশিও থাকবে একশ গজ দূরে।

● কালোজিরা বেটে খেলে জন্ডিস, প্লীহাবৃদ্ধি ভালো হয়।

● নিয়মিত কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়।

।।।।

07/03/2026

মধু খাওয়ার সবচেয়ে বড়*&%ভুলগুলোর একটা হলো—খুব গরম/ফুটন্ত পানিতে মধু মেশানো। মধু কুসুম গরম পানিতে মেশান (≈ ৪০°C-এর নিচে), ফুটন্ত পানিতে নয় (≈ ১০০°C)। কেন? চলুন সহজভাবে দেখি।।।।



✅ কেন মধু কুসুম গরম পানিতে মেশানো ভালো?

কুসুম গরম পানির তাপমাত্রা সাধারণত এমন থাকে যাতে মধুর প্রাকৃতিক গুণাগুণ অনেকটাই বজায় থাকে।

1) এনজাইম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশিরভাগই*&%অক্ষত থাকে

মধুতে প্রাকৃতিকভাবে কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। কুসুম গরম পানিতে মেশালে এগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে।

2) প্রাকৃতিক গুণাগুণ বজায় থাকে

মধুর স্বাভাবিক কার্যকারিতা (হালকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ, প্রাকৃতিক উপাদান) কুসুম গরম পানিতে তুলনামূলক বেশি “স্টেবল” থাকে।

3) স্বাদ ও ঘ্রাণ ভালো থাকে

কুসুম গরমে মধুর স্বাদ-গন্ধ ঠিক থাকে। ফুটন্ত পানিতে স্বাদ/গন্ধ বদলে যেতে পারে।

4) সহজে পান করা যায়

কুসুম গরম পানি গলায় আরাম দেয়—বিশেষ করে সকালে বা ঠান্ডা লাগলে।



❌ কেন ফুটন্ত/খুব গরম পানিতে মধু মেশানো ঠিক নয়?

ফুটন্ত পানি মানেই উচ্চ তাপ—এটা মধুর কিছু উপকারী উপাদানকে*&%ক্ষতি*&%করতে পারে।

1) উচ্চ তাপে এনজাইম*&%নষ্ট*&%হয়

মধুর এনজাইমগুলো তাপ-সংবেদনশীল। তাই বেশি গরমে এগুলো ভেঙে*&%যেতে পারে—ফলে মধু “মিষ্টি” থাকলেও তার প্রাকৃতিক গুণ কমে যায়।

2) কিছু পুষ্টি/অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কমে যেতে পারে

অতিরিক্ত তাপে কিছু উপাদানের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।

3) স্বাদ পরিবর্তিত হতে পারে

ফুটন্ত পানিতে মধু দিলে কখনও কখনও স্বাদ একটু পোড়া/কারামেলাইজড ধরনের লাগতে পারে।

4) গুণগত মান কমে যায়

মধু তখন শুধু “মিষ্টি” হিসেবে থাকবে—কিন্তু যে কারণে অনেকে মধু খেতে চান (প্রাকৃতিক উপকারিতা), সেটার একটা অংশ কমে যেতে পারে।



🌡️ আদর্শ নিয়ম: কতটা গরম হলে ঠিক?
• কুসুম গরম মানে: হাত ডুবালে গরম লাগবে, কিন্তু সহ্য হবে
• সহজ টিপস: ফুটানো পানি হলে ৫–৮ মিনিট ঠান্ডা করে তারপর মধু দিন
• লক্ষ্য রাখুন: ≈ ৪০°C-এর নিচে থাকলে ভালো



🍯 কীভাবে খাবেন (সহজ রেসিপি)

✅ ১ কাপ কুসুম গরম পানি
✅ ১ চা চামচ খাঁটি মধু
✅ চাইলে ২–৩ ফোঁটা লেবু (ঐচ্ছিক)
➡️ ভালো করে নেড়ে*&%পান করুন



⚠️ ছোট্ট সতর্কতা
• ডায়াবেটিস/ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে মধু খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন
• ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু দেওয়া উচিত নয়



✅ শেষ কথা

মধু মেশাতে হলে—কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন, ফুটন্ত নয়।
তাহলেই মধুর স্বাদও থাকবে, আর প্রাকৃতিক গুণাগুণও বেশিরভাগ বজায় থাকবে।।।।।

Photos from Natural food's post 07/03/2026
02/03/2026

নিজে সুস্থ হোন! প্রিয়জনকে সুখে রাখুন।

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে অসংখ্য মানুষ সুস্থ হয়েছেন...!ব্যবহারে আপনি পাবেন: দ্রুত ফলাফল এবং দীর্ঘস্থায়ী সমাধান মানসিক শান্তি এবং আত্মবিশ্বাসের গ্যারান্টি..

নিজেকে ফিট করুন প্রাকৃতিক উপায়ে। এটি বাংলাদেশে সাইন্সল্যাব পরি-ক্ষিত শত/ভাগ কার্যকরী, কোন সাইড ইফে/ক্ট নেই।

* আমাদের সাপ্লিমেন্ট
সারাদেশের মধ্যে ফ্রি হোম ডেলিভারি! অর্ডার করতে ক্লিক করুন Massage Now বাটনে অথবা কল করুন 📲01856357444

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Chittagong