Parbattabani.com

Parbattabani.com

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Parbattabani.com, Chittagong.

Photos from Parbattabani.com's post 17/05/2026

পার্বত্য চট্টগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী শহিদ সৈনিক আলতাফ ও শহিদ সৈনিক তৌহিদ-এর তৃতীয় শাহাদাত বার্ষিকী

ঢাকা, ১৬ মে ২০২৬ (শনিবার): আজ পার্বত্য চট্টগ্রামে কর্তব্য পালনকালে শাহাদাতবরণকারী শহিদ সৈনিক মোঃ আলতাফ হোসেন এবং শহিদ সৈনিক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সাগরের তৃতীয় শাহাদাত বার্ষিকী। গত ১৬ মে ২০২৩ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রামের রুমা উপজেলার সিলোপি পাড়া এলাকায় কেএনএ সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি দখলের উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি অভিযানে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত আক্রমণের মুখে স্কাউট হিসেবে দায়িত্ব পালনরত সৈনিক মোঃ আলতাফ হোসেন এবং সৈনিক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সাগর গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে দ্রুত হেলিকপ্টারযোগে তাঁদের উদ্ধার করা হলেও হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁরা শাহাদাত বরণ করেন। এই অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ তাঁদের মরণোত্তর সেনা গৌরব পদকে ভূষিত করা হয়।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। দেশমাতৃকার সেবায় তাঁদের কর্তব্যনিষ্ঠা, সাহসিকতা ও আত্মোৎসর্গ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
কার্টেসী:- Bangladesh Army

16/05/2026

এদিকে দৃষ্টি দিন।।

হাফসা খাতুন (২২), ছেলে আছে সাথে ২বছর বয়স সহ নিখোঁজ আজ ৮/০ ৯ দিন।
স্বামী আজিজুল (৩০)

গুলশাখালী ইউনিয়ন সোনারগাঁও ৩নং ওয়ার্ড।

বড় ভাই মো.আক্কাস আলী (৩০)
বাবা মৃত শাহাবুদ্দীন
01646675737

এবিষয়ে লংগদু থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। কোন আত্মীয় স্বজনের বাসায় অথবা কেউ কোথাও দেখ থাকলে দ্রুত সময়ে উপরোক্ত নাম্বারে অথবা আমাকেও জানাতে পারেন।

শেয়ার অথবা কপি পেস্ট করে সহযোগিতা করবেন।

12/05/2026

সন্তুলারমার ভারত সফর অজানা রহস্যে ঘেরা!!

পার্বত্য চট্টগ্রামের জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতায় সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা-এর ঘন ঘন ভারত সফর। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস)-এর সভাপতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তার অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তার প্রতিটি পদক্ষেপ, বিশেষ করে বিদেশ সফর, স্বাভাবিকভাবেই জনমনে কৌতূহল, উদ্বেগ এবং নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সফর যেখানে তিনি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন এই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা ৩ মে ২০২৬ আবারও ভারতে গিয়েছে। তার ফ্লাইট শিডিউল অনুসারে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতায় (নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) গিয়ে নামেন।

ফ্লাইট বিবরণ: সিজিপি-ডিএসি: নভোএয়ার ফ্লাইট ভিকিউ-৯১০, সময় ০৩:১১৫৫-০৩:১২৫৫। ডিএসি-কলকাতা: ইন্ডিগো ফ্লাইট ৬ই১১০৬, সময় ০৩:১৭৩৫-০৩:১৮১০।
সন্তু লারমার এই সফর নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র জানায়, তিনি প্রায়ই ভারতে যান। সে চিকিৎসা ও পারিবারিক কাজের কথা বলা হলেও, তার পরিবারের সদস্যদের ভারতে বসবাস এবং সম্ভাব্য সম্পত্তির বিষয়টি অনেকের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে।সন্তু লারমার মেয়ে জুলিয়ানা লারমা ও তার স্বামী (সাবেক শান্তিবাহিনী সদস্য প্রধীর তালুকদার) কলকাতা এলাকায় বসবাস করেন। এ কারণে তিনি নিয়মিত সেখানে যান। পূর্বের সফরগুলোতেও চিকিৎসা, পিতৃতর্পণসহ পারিবারিক অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে থেকে পরিবারের সদস্যদের ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাস কতটা যৌক্তিক?

প্রথমত, এই সফরগুলোর পেছনের আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে চিকিৎসা ও পারিবারিক বিষয় উল্লেখ করা হলেও, বাস্তবতায় বিষয়টি এতটা সরলভাবে দেখছেন না অনেকেই। জানা যায়, সন্তু লারমার পরিবারের কিছু সদস্য, বিশেষ করে তার মেয়ে জুলিয়ানা লারমা ও জামাতা ভারতে বসবাস করেন। ফলে তার ভারত যাওয়া আংশিকভাবে পারিবারিক সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত এটি সত্য তেমনি তার পরিবার ভারতে এটিও রহস্যময়। তবে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একজন নেতার পরিবারের সদস্যদের বিদেশে স্থায়ী বসবাস কতটা গ্রহণযোগ্য এবং এটি তার রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব তৈরি করছে কিনা।

দ্বিতীয়ত, এই সফরগুলোকে ঘিরে আনুগত্যের প্রশ্নটি বারবার সামনে আসছে। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তি-এর অন্যতম স্বাক্ষরকারী হিসেবে সন্তু লারমা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন এবং দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাতের অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। কিন্তু তার ঘন ঘন ভারত সফর, অতীতে শান্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ, এবং পারিবারিক অবস্থান সব মিলিয়ে তার অবস্থান নিয়ে নতুন করে সন্দেহের অবকাশ তৈরি করছে। অন্যদিকে তার সমর্থকরা বলছেন, তিনি এখনো চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন এবং এই সফরগুলোকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে সবাই।

তৃতীয়ত, সম্পত্তি ও স্বচ্ছতার প্রশ্নও এই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। যদিও তার নিজের নামে ভারতে সম্পত্তি থাকাও রহস্যময়, তবে পরিবারের সদস্যদের সেখানে বসবাসের কারণে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় তার প্রভাব থাকার কারণে জনগণের একটি অংশ মনে করছে, তার সম্পদ ও পারিবারিক অবস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। একজন জননেতা হিসেবে তার কাছে এই জবাবদিহিতা প্রত্যাশা করাটা অযৌক্তিক নয়।

চতুর্থতঃ দেশে বিভিন্ন অর্থ ভারতে প্রচার করছে সন্তুলারমা। পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে তার বিশেষ অংশ ভারতে পাঠানো হয়। সেখানে তার মেয়ে ও ৭ামাতা অস্ত্র ক্রয় করে পাহাড়ের বিভিন্ন স্থান দিয়ে প্রচার করে জেএসএস এর জন্য। এটিও অনুসন্ধানে উঠে আসে। কারণ এর আগে বেশ কয়েকবার জেএসএস ভারতে অস্ত্র সহ বিএসএফ এর হাতে আটক হয়েছিল।

অন্যদিকে, বিষয়টিকে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বা পারিবারিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পূর্ণ বাস্তবতা ধরা পড়ে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি ভূ-রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল অঞ্চল, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা সমস্যা বিদ্যমান। এই অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সংযোগ রয়েছে। অতীতে সংঘাতের সময় বহু পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল, যা দুই অঞ্চলের মধ্যে একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে কোনো নেতার ভারত সফর পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়।

তবে এখানেই প্রশ্ন আসে স্বচ্ছতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছ থেকে প্রত্যাশা থাকে যে, তার বিদেশ সফরের উদ্দেশ্য, বৈঠক এবং কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা হবে। যখন এই স্বচ্ছতা অনুপস্থিত থাকে, তখনই সন্দেহ, গুজব এবং বিভ্রান্তি তৈরি হয়। সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা গেছে, সন্তু লারমার সফরগুলো অনেক সময় এমন সময়ে হচ্ছে যখন পার্বত্য অঞ্চলে উত্তেজনা বা অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও এটি কাকতালীয় হতে পারে, তবে জনমনে এর ভিন্ন ব্যাখ্যা তৈরি হওয়াটাও স্বাভাবিক।

ইতোমধ্যে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বিধান সভা চলছে এ সময় সন্তুলারমার ভারত সফরও সবার কাছে রহস্যজন। অনেকে বলছেন তার ভারত সফর সেখানকার তার অনুসারীদের ভোটের খেলায় নির্দেশনা ও প্রচন্দের প্রার্থীদের বিজয় করার কাজ ও রয়েছে।

এখানে রাষ্ট্রের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মতো একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য যেকোনো রাজনৈতিক নেতার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ একটি সংবেদনশীল বিষয়। যদি কোনো সফর বা কার্যক্রম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়, তাহলে তা তদন্ত ও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই পুরো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত, উন্নয়ন বৈষম্য এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করা এই জনগোষ্ঠীর প্রধান চাওয়া শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা সংগঠনের কার্যক্রম যদি এই লক্ষ্য পূরণে সহায়ক না হয়, তাহলে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

পরিশেষে বলা যায়, এই ইস্যুতে আবেগ নয়, বরং রাষ্ট্র, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক সবার দরকার চোখকান খোলা রাখা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নের পথ সুগম করা।

12/05/2026

সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বলয় না থাকলে পার্বত্যচট্টগ্রাম হবে পূর্ব তিমুর ও দক্ষিণ সুদানের মত অবিকল স্বাধীন রাষ্ট্র।

বাংলাদেশের এক-দশমাংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম সৌন্দর্যের লীলাভূমি সম্ভাবনাময় এক অঞ্চল। পার্শ্ববর্তী দুটি দেশের সীমান্তবর্তী খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে শকুনের নজর পড়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভৌগোলিক বিবেচনায় এই অঞ্চলের গুরুত্ব অনেক। তাই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে অবৈধ অস্ত্র এবং বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতা দিয়ে বাংলার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। এই ভূস্বর্গ রক্ষা করতে এই অঞ্চলে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম। অত্রাঞ্চলে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বলয় না থাকলে পার্বত্যচট্টগ্রাম হবে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব তিমুর কিংবা দক্ষিণ সুদানের মত অবিকল স্বাধীন রাষ্ট্র। আর বাংলাদেশে হারাবেই ভূস্বর্গ এক-দশমাংশ।

অনেক লেখাই উল্লেখ করা হয় পার্বত্য বাঙ্গালীদের দুর্বল করতে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীগোষ্ঠী একাধিক গ্রুপে বিভক্ত করে দিয়েছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় পার্বত্য বাঙ্গালীদের মধ্যে এমন একটি সেন্টিমেন্ট তৈরি করে দেওয়া হয়েছে যে, সেনাবাহিনীর পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রয়োজনীয়তা নেই! পার্বত্য বাঙ্গালীদের মধ্যে যারা সচ্ছল তারা সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনা। তারা এটা অনুভব করেনা যে, সেনাবাহিনী না থাকলে তাদের নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হবে৷

পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে গিয়ে এবং এ অঞ্চলের রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার স্বার্থে সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বরাবরই স্বজাতি কর্তৃক হয়রানির শিকার হয় এবং অপ্রিয় সত্য হল একটি মহল কর্তৃক ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয় বেশি।

বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনীর পক্ষে কথা বলার কারণে থামানোর অংশ হিসেবে গভীর ষড়যন্ত্র করা হয় প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে৷ যারা এই ষড়যন্ত্র করে তারা সকলেই চিহ্নিত। যারাই ষড়যন্ত্র করেছে তাদের কাছে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তি স্বার্থ এবং সন্ত্রাসীদের স্বার্থ প্রাধান্য ছিল বেশি। খ্যাতিমান কবি মহাদেব সাহার কবিতাটি প্রতিবাদীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে
হুলিয়া,
হৃদয়ের তর্জমা নিষিদ্ধ আর মননের সম্মুখে প্রাচীর
বিবেক নিয়ত বন্দী, প্রেমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা;
এখানে এখন পাখি আর প্রজাপতি ধরে ধরে
কারাগারে রাখে-
সবাই লাঞ্ছিত করে স্বর্ণচাঁপাকে;
সুপেয় নদীর জলে ঢেকে দেয় বিষ, আকাশকে
করে উপহাস।
আলোর বিরুদ্ধাচারী আঁধারের করে শুধু স্ততি,
বসন্তের বার্তা শুনে জারি করে পূর্বাহ্নে কারফিউ,
মানবিক উৎসমুখে ফেলে যতো শিলা ও পাথর-
কবিতাকে বন্দী করে, সৌন্দর্যকে পরায় শৃঙ্খল।

পার্বত্য বাঙ্গালীদের একাধিক গ্রুপে বিভক্ত করে দিয়ে সন্ত্রাসীরা ইবলিশের মত খিলখিল করে হাসছে আর বাঙ্গালী দালাল, মীরজাফর ও সুবিধাভোগীরা রাষ্ট্রের স্বপক্ষের বাঙ্গালীদের দমনে মগ্ন।

11/05/2026

ছিনেমার কাহিনীকে হার মানিয়েছে এক প্রেমিক প্রেমিকার কাহিনী

10/05/2026

খাগড়াছড়িতে উপজাতি কতৃক জোরপূর্বক গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত গামারী ঢালা এলাকার বসতভিটা ও এ মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, “উপজাতীয় সন্ত্রাসী” পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করে আসছে। তারা জোরপূর্বক বসতভিটা ও বাগানের গাছ কেটে নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়দের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলেও দাবি করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বাগিস চাকমা ও বিনয় কুম্ভ চাকমা গংদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত গামারী ঢালা এলাকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এ সময় এলাকাবাসী বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মানববন্ধনে স্থানীয় নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

07/05/2026

পানছড়িতে গুলিতে নিহত ১, ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় সশস্ত্র হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত মোঃ ইমন হোসেন (২৫) ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর সদস্য ছিলেন বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমন হোসেন উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং রুহুল আমিনের ছেলে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের ভাষ্যমতে, ভোরে নিজ বাড়ির সামনে অবস্থানকালে ইউপিডিএফ প্রসীত মূল সন্ত্রাসী দলের একদল অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আকস্মিক এ হামলার পর এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অমর চাকমা অভিযোগ করেন, প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তার দাবি, পাহাড়ে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করেই প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে।

যদিও এ অভিযোগের বিষয়ে ইউপিডিএফ (প্রসীত) পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মরদেহ উদ্ধারসহ ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

09/11/2025
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Chittagong