Talking Piont

Talking Piont

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Talking Piont, Health/Beauty, Chittagong.

12/04/2025

কি বিপজ্জনক অবস্থা !!
,
মামা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অবস্থা খুবই খারাপ। সামনে আমাদের খুব বি প দ। মামা সারাদিনে প্রচুর ছাত্রছাত্রী আমার রিকশায় উঠে।

রিকশায় বসে তারা এত এত খারাপ ভাষায় এবং অশ্লী*ল বিষয় নিয়ে মোবাইলে কথা বলে যে, শুনতে আমারই ল জ্জা লাগে। তারা একবারও ভাবে না যে, তাদের কথাগুলো আমার কান পর্যন্ত আসছে।

রিকশা চালালেও তো আমি তাদের বাবার বয়সী। কেউ কেউ তুই করে কথা বলে। দাম না করে রিকশায় উঠে বলে : টানো।

গন্তব্যে যাওয়ার পর সঠিক ভাড়া চাইলেও অনেক কম টাকা দিয়ে চলে যায়। নিতে না চাইলে দৌড়ে মা*রতে আসে। মাঝে মাঝে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা থা প্প ড় মা*রে!

- বলতেই কান্না করে দিলেন দিনাজপুরের বিরামপুর থেকে রিকশা চালাতে আসা মন্তাজ আলী। জানালেন, তাদের এমন কাণ্ড দেখে এখন নিজের সন্তানকে নিয়ে ভয় পাচ্ছেন তিনি।

গতকাল মন্তাজ আলীর রিকশায় চড়ে মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কষ্টের কথা বলেন।

✍️ মাহাবুর আলম সোহাগ।

12/04/2025

অবাক করা তথ‌্য (সংগৃ‌হীত)
৪০০০ বছরের ইতিহাস ৪ মিনিটে— এক যাযাবর জাতি কীভাবে আজকের ফিলিস্তিন ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হলো?

ইহুদী, খ্রিস্টান ও মুসলিম— এই তিনটি ধর্মেরই জাতির পিতা ছিলেন হযরত ইবরাহীম (আঃ)।
তাঁর দুই পুত্র:
১. ইসহাক (আঃ) — যাঁর বংশধররা পরিচিত বনি ইসরাইল নামে।
২. ইসমাইল (আঃ) — যাঁর বংশধরদের মধ্য থেকেই আগমন ঘটে সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর।

হযরত ইসহাক (আঃ)-এর ছেলে ইয়াকুব (আঃ) এর আরেক নাম ছিল ইসরাইল।
তাঁর ১২ পুত্রের মধ্য থেকে বংশ বিস্তার ঘটে, যাদের নিয়ে গঠিত হয় বনি ইসরাইল।
এই ১২ জনের মধ্যে একজন ছিলেন ইয়াহুদা।
এই ইয়াহুদার বংশই সংখ্যায় বড় হয়ে উঠায় পুরো বংশ পরিচিতি পায় ইহুদী নামে।

তবে মনে রাখুন:
সব ইহুদী বংশধরই ইহুদী ধর্মাবলম্বী নয়, আবার সব ইহুদী ধর্মাবলম্বীও ইয়াহুদার বংশধর নয়।

তাদের ইতিহাস শুরু হয় কেনান নামক স্থানে, যা বর্তমানে ফিলিস্তিন।
পরে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা ও তার ভাইয়েরা মিশরে চলে যায়, যেখানে তাদের ভাই ইউসুফ (আঃ) তখন রাজা ছিলেন।
তাঁদের এই অবস্থান ভালোই ছিল— যতক্ষণ না ক্ষমতায় আসে ফেরাউন।

ফেরাউনের আমলে বনি ইসরাইলদের ওপর নেমে আসে চরম অত্যাচার।
আল্লাহ তখন তাঁদের মুক্তির জন্য পাঠান হযরত মূসা (আঃ)-কে এবং দেন তাওরাত কিতাব।
মূসা (আঃ) আল্লাহর সাহায্যে ফেরাউনকে নীলনদে ডুবিয়ে বনি ইসরাইলদের মুক্ত করেন।

কিন্তু এরপরই শুরু হয় আসল বিপর্যয়।
মূসা (আঃ) এর ওফাতের পর তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে গরু পূজা ও অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়।
ধীরে ধীরে তাদের ভেতরে দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার লোভ তৈরি হয়।
ফলে বাইরের জাতিগুলো সুযোগ নিয়ে তাদের বারবার দাসে পরিণত করে, নির্যাতন করে।

এরপর আল্লাহ পাঠান দাউদ (আঃ) ও তাঁর পুত্র সুলাইমান (আঃ)— যাঁদের শাসনে তারা কিছুটা শান্তি ও মর্যাদা ফিরে পায়।
কিন্তু সুলাইমান (আঃ) এর মৃত্যুর পর আবারও তারা শয়তানপূজা ও ধর্ম বিকৃতিতে জড়িয়ে পড়ে।
তাদের ধর্মগুরুরা তাওরাতে নিজেদের সুবিধামতো সংযোজন-বিয়োজন করতে শুরু করে।

তাদের বিকৃত দাবির মধ্যে অন্যতম:
"আল্লাহ ইসহাক (আঃ)-কে স্বপ্নে দেখিয়েছেন, কেনান (ফিলিস্তিন) তাদের প্রমিজড ল্যান্ড— সেটি তারা জয় করে নেবে!"
এই বিকৃত ভাবনার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে "Jacob’s Ladder Theory"।

এরপর ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে তারা শাস্তি পেয়ে এসেছে—

ব্যাবিলনের হাতে গণহত্যা

রোমানদের হাতে বিতাড়ন

আরব অঞ্চল থেকে বিতাড়ন

ইউরোপে গিয়েও ঠাঁই না পাওয়া

তাদের স্বভাব ছিল খুব কৌশলী।
যেখানে আশ্রয় পেত, সেখানেই ধীরে ধীরে প্রতিবেশীদের জমি দখল করতো।
তারা ছিল ব্যবসায় দক্ষ, অর্থবান, আর সেই অর্থ দিয়েই স্থানীয়দের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতো।
এই আচরণের কারণে বারবার বিতাড়িত হতে হয়েছে।

তবে এখানেই শেষ নয়।
এই জাতি একসময় বুঝে ফেলে—
"শিক্ষা ও অর্থই পারে সমাজকে নিয়ন্ত্রণে আনতে!"
তারা ধর্ম লুকিয়ে ইউরোপে শিক্ষা, ব্যবসা ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি অর্জন করতে থাকে।
১৮ শতকের শেষে থিওডোর হার্জেল নামে একজন ইহুদী শুরু করেন জিওনিজম আন্দোলন,
যার মূল লক্ষ্য— ফিলিস্তিনে আবারও ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

বিশ্বযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্য অস্ত্র তৈরির কাঁচামাল গ্লিসারিন জার্মানি থেকে পাচ্ছিল না।
তখন ইহুদী বিজ্ঞানী চাইম ওয়াইজম্যান বিকল্প হিসেবে এসিটোন আবিষ্কার করেন।
যুদ্ধে বড় অবদান রাখার পর তিনি পুরস্কার হিসেবে ফিলিস্তিনকে ইহুদীদের জন্য বরাদ্দ করার দাবি করেন!

এরপর আসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
সেখানে ইহুদীদের উপর হলোকাস্ট চালায় হিটলার।
প্রায় ৬০ লাখ ইহুদী হত্যা**র অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাপী তাদের প্রতি সহানুভূতি তৈরি করা হয়।

এই সময়টাকেই ব্যবহার করে জিওনিজম আন্দোলন পায় তীব্র গতি।এই সময় তারা ফিলিস্তিনিদের বাড়ি ভাড়া করে থাকতো। এরপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে বাড়ি কিনে নিত। কিছু কিছু জায়গায় তারা শক্তিশালী হয়ে বাড়িঘর দখল করা শুরু করে এরপর ফিলিস্তিনিরা আন্দোলন ও প্রতিবাদ করে যে তাদের ঘর বাড়ি দখল করে নেওয়া হচ্ছে এই সংকট সমাধানে ব্রিটেন ও জাতিসংঘ ঘোষণা করে:
১২ কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জমি, আর মাত্র ৬ লাখ ইহুদীর জন্য ৪৫%!
এই অন্যায়েই জন্ম নেয় ইসরাইল রাষ্ট্র— যার প্রথম প্রেসিডেন্ট হন সেই চাইম ওয়াইজম্যান!

ইসরাইল রাষ্ট্র ঘোষণার ৬ মিনিটের মধ্যেই আমেরিকা স্বীকৃতি দেয়।
তারপর ধাপে ধাপে তারা ফিলিস্তিনিদের জমি, ঘর, অধিকার কেড়ে নিতে শুরু করে।

আর আজ— গাজা, রাফাহ, পশ্চিম তীর — সব ধ্বংস করে দিয়ে নিজেদের রাষ্ট্রকে দানবীয় রূপে দাঁড় করিয়েছে!

আর আমরা?
মুসলিম বিশ্বের নেতারা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন।
আমরা চোখের সামনে গণহত্যা দেখেও সোচ্চার হচ্ছি না!

---

ইতিহাস জানো, চোখ খুলে শত্রুকে চেনো।
আর নিজের বিবেককে প্রশ্ন করো— আর কত চুপ থাকবে?

#ইতিহাস #ইহুদী #জিওনিজম #ফিলিস্তিন #ইসরাইল #হলোকাস্ট #দাজ্জাল #মুসলিমবিশ্ব #গাজা

Category

Culinary Team

Attire

Website

Address

Chittagong
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Talking Piont posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Chittagong.