Fatema Ahmed Rimu
আসসালামু আলাইকুম,
আমার পেইজ এ সবাইকে স্বাগতম।
নোয়াখালী জেলা সম্পর্কে জানতে ফেইজটিতে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।�
মেট্রোরেল চলাচলের সময় কম্পনরোধে ব্যবহৃত স্প্রিং (বিয়ারিং প্যাড) ছিটকে পড়ে এক পথচারীর মৃ #ত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সামন এ ঘটনা ঘটে।
নি #হ #ত তরুণের বয়স আনুমানিক ৩৫-৪০ বছর হবে। তবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোয়া ১২টার দিকে বিারট আকারের স্প্রিংটি ছিটকে পড়ে। এসময় ফুটপাত দিয়ে ওই তরুণ ব্যাগ করে হেঁটে যাচ্ছিলেন। স্প্রিংটি তার মাথায় আ #ঘা #ত করে পাশের একটি চাপ-সিঙ্গারা দোকানে আঘাত করে। এতে ও-ই দোকানের সামনের কাঁচ ভেঙে দুইজন আ #হ #ত হন। আর মাথায় আ #ঘা #ত লাগা ওই তরুণ ঘটনাস্থলেই তাৎক্ষণিক মা #রা যান। নিচে পড়া স্প্রিংটির ওজন ৪০-৫০ কেজি হবে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
©
22/10/2025
৬১ বছর বয়সে পুত্র সন্তানের বাবা হলেন জেমস..আলহামদুলিল্লাহ
বি-চ্ছে-দে-র পর মার্কিন নাগরিক নামিয়া আমিনকে বিয়ে করেছিলেন তিনি 🙂
সিলেট যদি হয় লন্ডন এবং মাদারীপুর যদি হয় ইতালি, তাহলে আমেরিকার আরেক নাম ইউনাইটেড অব নোয়াখালী...!!
🔥🔥🔥🔥
#নোয়খালীবিভাগচাই
01/09/2025
#ফেসবুকগাইড #দুঃখ
😆😆
#ফেসবুকগাইড #নোয়াখালী
চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোথাও গরমে , ডায়রিয়ায় মোট কথা পানিশূন্যতা হলে ডাবের পানি খাইতে হবে, কোথাও লিখা নাই। একটা ডাবে ১০০-১৫০ টাকা দিয়ে কিনে খাওয়ার মতো পুষ্টি উপাদান কিছুই নেই।
এর চেয়ে আধা লিটার বিশুদ্ধ পানিতে একটা ৫ টাকার স্যালাইন খাওয়া রিহাইড্রেশন এর জন্য উপকারী, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ।
শখ করে ডাব খান। সেন্টমার্টিন কক্সবাজার যেয়ে খান। কিন্তু অসুস্থতায় এটাকে ঔষধ বানানোর কিছু নাই।আমাদের এই হুজুগ সাপ্লাই আর ডিমান্ড এর দফারফা করে, ডাবের দাম আকাশে তুলে দিয়েছে। অথচ ডাবের পানিতে অতিরিক্ত পরিমাণে পটাশিয়াম শিশুদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এটা কিডনি রোগী এবং হার্টের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হত পারে ।
অন্যদিকে খাবার স্যালাইন বানানো হয় মানবশরীর প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান এর অনুপাত বুঝে, ঠিক রেখে।যা কয়েকগুণ দ্রুত শরীরের পানি শূন্যতা দুর করে।
ডায়রিয়া, জ্বর পানিশূন্যতায় খাবার স্যালাইন খান খাওয়ান। ডাব নয়.
© ডক্টরস ডায়েরী
19/08/2025
আমি সিলেটি ফুরি সিলেট বাড়ি আমার কিন্তু জানি না বাড়ি কোথায় আমি অনেক ছোট বেলায় হারিয়ে গেছি এখন আমার বসয় 22 বছর এখন জানতে পারি আমি সিলেটি আমি আমার পরিবারের কাউকে ছিনি না জানি না মনে নাই আমার,,, শুধু ছোট বেলার ছবি আছে আমার কাছে যদি আমার পরিবারের কেউ আমাকে চিনতে পারে 😅2003 সালে আমাকে পায় তারা সিলেট ঘুরতে গিয়ে আসার সময় কোনো এক রাস্তায় আমাকে পায় যখন তারা গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে বাড়ি আসবে তখন আমি রাস্তায় অন্য পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম কান্না করতেছি তখন আমার এখনকার যে আব্বু আম্মু ওনারা আমাকে রাস্তার ওপাশে গিয়ে কোলে নেন আর আমাকে আমার নাম জিগ্গেস করেন আমি তখন কথা বলতে পারি না তাই কিছুই বলতে পারি নাই আমার পরনে লাল একটা জামা ছিল আর পায়ে কালো একজোড়া জুতা ছিল ,, আমার আব্বু আম্মু বলছেন যে পাশে বাজার ছিল হয়তো বা আমি আমার পরিবারের কারো সাথে বাজারে আসছিলাম ,, আমার এখনকার আব্বু আম্মু তারা অনেক সময় অপেক্ষা করেন কেউ আসে কি না রাস্তায় কিন্তু কেউ আসে না পরে তারা আমাকে নিয়ে আসেন ,,😢আমার জন্মতারিখ ০৮/১০/২০০৩ যেদিন তারা আমাকে পায় ওই তারিখ টাইতে আমার জন্মদিন পালন করেন
কেউ যদি চিনে থাকেন তাহলে আমার ইনবক্সে এ যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো
বর্তমান নাম-সাবরিনা রহমান আফরিন।
©️©️©️©️
ভারত পাকিস্তান সিমান্তে মেঘ বিস্পোরন ....
#🙏🙏
জয়েন ফ্যামিলিতে একজন নারী যখন বউ হয়ে আসে তখন এ্যাডজাস্টমেন্টের ধরণটা ভিন্ন । দুটো পরিবারের রান্না তো কখনোই এরকম হয়না, এক এলাকার হলেও হয়না। কিছু না কিছু তফাৎ তো থাকেই। এই রান্নার ব্যাপারটাতেই এ্যাডজাস্টমেন্ট হয় সংসারের নতুন আসা নারীটার একেবারেই একতরফা। শ্বশুরবাড়ির মতো রান্না খাওয়া থেকে শেখা সবই বউদের বেলাতেই, সপ্তাহে সাতদিনই। এই সাতদিনের মধ্যে একদিনও কী পরিবারের সবাই মিলে নতুন বউয়ের নিজস্ব রান্নার ধরনের খাবারটা খেতে পারেনা? একদিন না হোক, একবেলাও পারেনা?
পারেনা তা নয়, পারতেই চায়না। এ্যাডজাস্টমেন্টটা হবে শুধুমাত্র বাড়ির বউয়ের। নতুন একটা মানুষ আসলে যে পরিবারের সবারও তার সাথে এ্যাডজাস্ট করতে সেই চিন্তা কখনো কারোর মাথাতেও আসবেনা। কারণ, বোধহয় এখানে বাড়ির বউদের রান্নাঘরের হাড়িপাতিলের চেয়ে আলাদা করে কিছু ভাবা হয়না!
কেয়া নামের একটা মেয়ে ২৫ বছর বয়েসি। মেয়েটার ৪টা বাচ্চা ছিলো। এতো অল্প বয়সে ৪টা বাচ্চা হওয়ার কারণ তার স্বামীটির কন/ডম পরলে ফিল আসতোনা।
কেয়া ভিকারুননিসায় পড়তো। স্কুলে পড়ার সময়ে গান গাইতো, হ্যান্ডবল খেলতো। কিন্তু অল্প বয়সে সংসার জীবনে ঢোকার পর আর পড়াশোনাটাও করতে পারেনাই। কারণ, ওর সংসার সামলাইতে হয় আবার বছর-বছর বাচ্চাও জন্ম দিতে হয়।
তারপরেও হয়তো কেয়া এ্যাডজাস্ট করে সুখী হতে পারতো, কার সুখ কোথায় কে বলতে পারে! কিন্তু, কেয়ার ব্যবসায়ী স্বামীর আবার বিরাট মাথাগরম। মাথাগরম হলেই বউয়ের গায়ে "একটু-আধটু" হাত তুলে ফেলতোই। সাথে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার তো আছেই। কেয়া এসব ওর নিজের পরিবারকে জানিয়েছিলো, কিন্তু ওর পরিবার এ্যাডজাস্ট করতেই বলেছিলো। এতোগুলো বাচ্চা হয়ে গেছে এ্যাডজাস্ট না করে উপায় কী!
কেয়া এতো এ্যাডজাস্ট করে হেরেছে নাকি জিতেছে জানিনা, তবে এটা জানি কেয়া ম/রে গেছে। উঁহু, কেয়া ম/রে যায়নি, কেয়াকে গলাটি/পে মে/রে ফেলা হয়েছে। মে/রেছে ওর মাথাগরম স্বামী। পুরুষ মানুষের মাথাগরম হলে একটু গলাটি/পে ধরতেই তো পারে, কেয়া কেমন বউ যে এ্যাডজাস্ট না করে ম/রে গেলো! এমন নারীদের বউ হওয়ার যোগ্যতাই তো নেই!
16/08/2025
🥹🥹🥹🥹
#নোয়াখালী
Click here to claim your Sponsored Listing.
