H M Mabub
পেইজটি ফলো করে সাথে থাকুন
05/04/2026
আলহামদুলিল্লাহ! এখন থেকে হজ্জ বা উমরাহ পালনে গেলে সরাসরি মক্কাতেই নামা যাবে। মক্কায় নিজস্ব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেদ্দা থেকে আর বাসে করে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে না। 🕋✈️
সাথে মক্কা মেট্রো রেলের কাজও শুরু হচ্ছে। আল্লাহর মেহমানদের জন্য সবকিছু কত সহজ হয়ে যাচ্ছে! আল্লাহ সবাইকে পবিত্র মক্কা শরীফ জিয়ারত করার তৌফিক দান করুন। আমিন
# মক্কাতুল মুকাররম # হজ্জ #
05/04/2026
আপনি যদি পলিটিক্স খুব ভালোভাবে বুঝতে চান, তাহলে ‘সূরা ফিল’ পড়ুন।
আর বিজনেস খুব ভালোভাবে বুঝতে চান, তাহলে ‘সূরা কুরাইশ’ পড়ুন।
পড়ুন মানে এই না এগুলোর শুধু অনুবাদ, তাফসির পড়া। বরং তাফসির পড়ার পর সেগুলোর তাদাব্বুর করা। এই দুই সূরাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সীরাতের সাথে মিলিয়ে পড়া।
কেমন?
সূরা ফিল বুঝতে চাইলে ইয়েমেনের ইতিহাস, তৎকালীন জিও-পলিটিক্স পড়তে হবে।
সূরা কুরাইশ বুঝতে চাইলে সিল্করোড সম্পর্কে পড়তে হবে। তখনকার যুগে বিশ্ব অর্থনীতি কীভাবে চলতো, আরবরা সেই বিশ্ব অর্থনীতিতে কীভাবে ইমপ্যাক্ট ফেলে।
সূরা কুরাইশ পড়তে গেলে পাবেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরিবারের লিগ্যাসি। এককথায় হাশিম ইবনে আব্দে মানাফের ইতিহাস।
সূরা ফিল পড়তে গেলে পাবেন আব্দুল মুত্তালিবের ইতিহাস।
কুরআনের এই দুই সূরা আমাদের বেশিরভাগের মুখস্থ।
কিন্তু, এই দুই সূরা যদি আমরা খুব ভালোভাবে পড়ি, আমরা কুরআনের প্রেমে পড়বো, সীরাতের প্রেমে পড়বো।
বর্তমান যুগে তেল, জ্বালানি সমস্যা। বেকারত্বের সমস্যা। আপনি এই দুই সূরা যদি খুব ভালোভাবে পড়েন, বর্তমান পৃথিবীর সুপারপাওয়ার, কীভাবে বিশ্ব চলছে, সেগুলোর পেছনের অর্থনীতি সম্পর্কে বুঝতে পারবেন।
তখন মনে হবে কুরআন এবং সীরাত স্রেফ বাসার সেলফে রাখার কোনো বই না। এগুলো জীবন্ত, আজকের যুগের জন্য যেমন প্রাসঙ্গিক, ১০০ বছর পরও সমান প্রাসঙ্গিক।
# # # #
21/05/2024
আমার স্ত্রী প্রাইমারি টিচার।
রাতে ডিনারের শেষে আমার স্ত্রী ক্লাস ওয়ানের খাতা দেখছিলো।
খাতা দেখতে দেখতে আমার মিসেসের চোখ দুটো ছলছল করে করে উঠেছে।
আমি কাছেই বসে টিভি দেখছিলাম। মিসেসের দিকে নজর যাওয়াতে দেখি আমার স্ত্রী চোখের জল মুছছে।
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে কাঁদছো কেনো!!!
আমার মিসেস বললো.. ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষায় এক রচনা এসেছে। "my wish"
--তো কাঁদার কি হলো!!
--সব খাতা গুলো দেখলাম। সবাই ভালো লিখেছে। --তো?
--একজনের খাতা দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। চোখ দুটো জলে ভরে উঠলো।
--আচ্ছা বলো কি লিখেছে ওই বেবি।
মিসেস রচনা পড়তে শুরু করলো.....
আমার ইচ্ছা আমি স্মার্টফোন হবো।
আমার বাবা মা স্মার্টফোন খুব ভালোবাসে। কিন্তু আমায় ভালোবাসে না।
যেখানে যায় আমার বাবা তার স্মার্টফোন সঙ্গে করে নিয়ে যায়। কিন্তু আমায় সঙ্গে করে নিয়ে যায় না।
ফোন এলে আমার মা তাড়াতাড়ি গিয়ে ফোন ধরে। কিন্তু আমি কান্না করলেও আমার কাছে আসে না মা।
আমার বাবা স্মার্টফোনে গেম খেলে। কিন্তু আমার সাথে খেলে না। আমি বাবাকে বলি আমায় একটু কোলে নাও না বাবা। কিন্তু বাবা আমায় কোলে নেয় না। স্মার্টফোনটাই সব সময় বাবার কোলে থাকে।
মা কে গিয়ে বলি, মা মা চলো না আমার সাথে একটু খেলবে। কিন্তু আমার মা আমার উপর রেগে গিয়ে বলে, দেখতে পাচ্ছিস না আমি এখন তোর মামার সাথে চ্যাটে কথা বলছি।
আমার বাবা মা রোজ স্মার্টফোন টাকে যত্ন করে মোছামুছি করে। কিন্তু আমায় একটুও আদর করে না।
আমার মা যখন বাবার সাথে ফোনে কথা বলে তখন মা স্মার্টফোনে বাবাকে চুমু দেয়। কিন্তু আমায় একদিনও চুমু দেয়নি মা।
আমার বাবা মাথার কাছে স্মার্টফোন নিয়ে ঘুমায়। কিন্তু আমায় কোনোদিনও জড়িয়ে ধরে ঘুমায় না।
আমার মা রোজ চার পাঁচবার স্মার্টফোন টিকে চার্জ দেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে আমায় খাবার দিতে ভুলে যায় মা। কিন্তু স্মার্টফোন টিকে চার্জ দিতে ভুলে না আমার মা।
তাই আমি স্মার্টফোন হবো।
আমার ইচ্ছা স্মার্টফোন হয়ে বাবা মায়ের সাথে সবসময় থাকতে চাই।
স্ত্রীর মুখে লেখাটি শোনার পর আমি খুব ইমোশনাল হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম..
--কে লিখেছে এই রচনাটি ?
--আমাদের সন্তান।
আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম কিছুক্ষন। অনেক কিছুই ভেবে চলেছি। আমার আর আমার স্ত্রীর চোখে তখন জলের ধারা নামতে শুরু করেছে।
★------------★★ 🍂🍂🍂 # মাহবুব
লেখাটা পড়ে কেমন লাগলো,প্লিজ জানাবেন সবাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
