Shakil MBBS FY
Medical Student | Mentor |
Dhaka Medical College
K-79
10/07/2026
09/07/2026
রানিং ব্যাচ হিসাবে সর্বশেষ ডিএমসি ডে 💝
08/07/2026
Ready to DMC day (10july,2026)
30/06/2026
📍বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (এক্স পিজি) হাসপাতালের এই বিশাল অক্সিজেন সিলিন্ডারটির ধারণক্ষমতা প্রায় ২০,০০০ লিটার (২০ টন) যা স্বাভাবিকভাবেই ভর্তি রোগীদের মাত্র ২–৩ দিনের প্রয়োজন মেটাতে পারে।
🫁 অথচ একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৩০০–৪০০ লিটার অক্সিজেন গ্রহণ করে থাকি।
💸 যদি ধরে নেওয়া হয়, ১ লিটার অক্সিজেনের দাম মাত্র = ১ টাকা,
তাহলেও আমাদের প্রতিদিন অক্সিজেন বাবদ খরচ হতো =৩০০–৪০০ টাকা!
মাসে অক্সিজেন বাবদ খরচ হত ৯- ১২ হাজার টাকা, আর বছরে 1,08,000-2,40,000 টাকা।
🪄 কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তা তাঁর অসীম দয়ায়, এই অমূল্য নিয়ামতটি আমাদের দিচ্ছেন একদম বিনামূল্যে।
🤲🏿আলহামদুলিল্লাহ! শ্বাস নেওয়ার প্রতিটি মুহূর্তই আসলে বিস্ময়কর নিয়ামত গুলোর মধ্যে একটি।
#আলহামদুলিল্লাহ
29/06/2026
আমাদের মানবদেহের সবচেয়ে নমনীয় পেশী-থলিগুলোর একটি হলো মূত্রথলির বেশি,এটি মূলত অনৈচ্ছিক পেশি ;খালি অবস্থায় আলুবোখরার মতো কুঁকড়ে থাকা মূত্রথলি পূর্ণ হলে একটি কমলা লেবুর আকার পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে। ডেট্রুসর পেশীর স্তর এই অসাধারণ প্রসারযোগ্যতা নিশ্চিত করে, এবং ট্রানজিশনাল এপিথেলিয়াম কোষগুলো (অনেক গুলো স্তরে সাজানো & উপরে গুম্বুজের মত দেখতে) প্রসারণের সাথে সাথে চ্যাপ্টা হয়ে পুরো ভেতরের দেয়াল ঢেকে রাখে। সাধারণত ৩০০-৪০০ মিলিলিটার মূত্র জমলে স্নায়ু সংকেত পাঠায় মস্তিষ্কে পরে মস্তিষ্ক সেটা প্রসেস করে আবার মুত্র থলির পেশীতে পাঠায়; কিন্তু প্রয়োজনে এটি ৬০০-৮০০ মিলিলিটার পর্যন্তও ধরে রাখতে পারে। এত ছোট পরিসরে এতটা নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ ও অভিযোজনযোগ্যতা, প্রকৃতির প্রকৌশল আল্লাহ তাআলা সত্যিই অতুলনীয়।
#মানবশরীর
26/06/2026
Life is unpredictable!
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ৪১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, MS phase B resident, BCS 39th ফারা ফেরদৌস (৩২) আপুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট থেকে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। এখনো পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যায় নাই। আল্লাহ তাকে মাগফেরাত নসিব করুন।
মিটফোর্ডে এসে এখন পর্যন্ত ব্যাচমেটের মৃত্যু দেখলাম, জুনিয়রের মৃত্যু দেখলাম, সিনিয়রেরও মৃত্যু দেখলাম। মৃত্যুর মিছিল থামছেই না যেন। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে একটু সুন্দর দীর্ঘ জীবনের পর একটি সুন্দর মৃত্যু নসিব করেন।
#ঢাকা মেডিকেলের ৩য় বর্ষে থাকাকালীন প্রথম যখন মেডিসিন ওয়ার্ড ফাইনাল হয়, তার আগের রাতে বিড়ালের ওপর General Examination করার মুহূর্ত।
আমরা ডাক্তাররা রোগীর রোগ নির্ণয়ের জন্য সম্পূর্ণ শরীরের কিছু পরীক্ষা করে থাকি,যাতে টেস্ট করানোর আগেই আমরা রোগ সম্পর্কে একটা ধারণা নিতে পারি। পরে টেস্টগুলো দিয়ে আমরা রোগ সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হই।
এখানে সবগুলা স্টেপ করা হয়নি। পরীক্ষার আগের রাতে পড়া শেষ করে ঘুমানোর আগে দেখি বিছানায় বিড়ালটা খুব আরামে বিছানায় ঘুমিয়ে আছে ভাবলাম ওর উপরেও একটু মজা নেয়া যাক 😅
✊
লাইফে আসলে কাউকে লুজার ভাবার কিছু নেই। কেউ হয়ত আন্ডারগ্র্যাডে থাকতেই GRE/IELTS এর প্রিপারেশন নিয়ে পাশ করার সাথেসাথেই বিদেশে চলে গেছে। আবার কেউ দেশের 'সর্বোচ্চ' (?) সরকারি চাকরি ক্যাডার সার্ভিসে জয়েন করেছে। এদেরকে আমরা স্থুলচিন্তায় সফল বলি।
ভার্সিটি লাইফের অনেক ক্ষুরধার বন্ধুকে দেখবেন আপনার দুনিয়াবি so called সফলতার সংজ্ঞায় পিছিয়ে পড়েছে। একবার তাদের পেছনের কারণটা বোঝার চেষ্টা করুন। হয়ত কারো জবে ঢোকা অনেক দরকার ছিল। পরবর্তীতে জবের প্রেশারে তার রিদম হারিয়ে যায়। হয়ত কারো গোলই ছিল না আপনি যেটাকে গোল বানিয়েছেন। হয়ত কারো পারিবারিক কোনো সমস্যার কারনে চরম মেন্টাল স্ট্রেসে নিজেকেই হারিয়ে ফেলেছে।
আপনি উসাইন বোল্টের কাধে ২০ কেজি বোঝা চাপায় যদি রেস দেন, মোটামুটি নিশ্চিত যে আপনিই জিতবেন। কিন্তু তারমানে এই না যে, আপনি আসলে তার থেকে বেশি 'যোগ্য'। হয়ত আপনার বন্ধু, আপনার ভাইটির কাধে সেই ২০ কেজির বোঝা চেপে আছে।
লাইফ একটা জার্নি। কখন কে কোথায় চলে যাবে আগে থেকে বলা যায় না, আর বলা উচিতও না। এত জাজ করার কী আছে?
আমরা আসলে নিজের যোগ্যতার থেকে আল্লাহর রহমতের কারণেই টিকে আছি। তাই স্মরণ করি আল্লাহর সেই বাণীকে-
"অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।" (সূরা লকমান ৩১:১৮)...
©
18/03/2026
ডাক্তারি প্রফেশন টা কে আপনারা অনেকে বাইরে থেকে যেমন দেখেন,সবসময় তেমনটা হয় না।একেকজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হয়ে ওঠার পিছনে এরকম হাজারো ডিপ্রেশনের কাহিনী লুকানো থাকে।কেউ মানিয়ে নিতে পারে,কেউ পারে না।কেউ সহ্য করতে না পেরে এমন আত্মহননের পথ বেছে নেয়।তাই মেডিকেল কলেজগুলোতে ছাত্র অবস্থায় এবং এমবিবিএস পাশ করার পর একজন তরুণ চিকিৎসকের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া অতীব জরুরী বলে মনে করি।এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা তার পরিবারের সদস্যদের।বাবা মা ভাই বোন স্ত্রী কিংবা স্বামী সবারই উচিত এই ভালনারেবল সময়ে তার পাশে থাকা,তাকে সাহস যোগানো।সাহস দিতে না পারলেও অন্ততপক্ষে তার ক্যরিয়ার বা ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নিয়ে তাকে নীচু অনুভব না করানো উচিত। সবাই ভালো থাকুক,ভালো থাকুক পৃথিবী 🤲
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমাদের কে-৭৫ ব্যাচের ডাঃ সজীব দত্ত ভাই গতকাল রাতে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।যতদূর শুনেছি ডিপ্রেশন থেকে নাকি ভাইত আত্মহত্যা করেছে। এখনও শকড্ আমি নিউজটা জানার পর থেকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
