Magnessa Organic Care
প্রাকৃতিক উপাদানের ভেজষ উপাদানকে আধুনিক পদ্ধতিতে তৈরী প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী। We at MagneSSa believe wellbeing of people is vital.
We are not just another supplement company; we work for generation that wants more. We hold on to quality, more transparency, more sustainability and more taste. MagneSSa delivers safe , effective ,nutritional supplements ,environment friendly , cruelty free home care and personal products to help you on your journey towards your health you. We believe being healthy is being happy.
08/10/2026
ম্যাগনেসা ক্যালসিময়াম ভিটামিন ডি-৩, জিংক এবং অর্গানিক ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ বিশ্বমানের একটি পণ্য।
Organic Calcium (60 Tab)
আমাদের দেশে বিশাল সংখ্যক মানুষ ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ এই খনিজ পদার্থের ঘাটতি দেখা দিলে হাইক্যালসিমিক টিটেনিসহ নানা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তখন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা জরুরী হয়ে পড়ে। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা বাড়ে। বিশেষ করে নারীদের রজ নিবৃত্তির পর হাড়ে সঞ্চিত ক্যালসিয়াম কমে গিয়ে হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়।
প্রধান উপকারিতা
* ম্যাগনেসা ক্যালসিয়াম হাড়ের খনিজ ঘনত্ব বাড়াতে এবং হাড়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
* হাড়ে চিড় ধরার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে (যা হাড়ের খনিজ ঘনত্ব কম থাকার কারনে বেড়ে যায়)
* দেহের স্বাভাবিক শারীরিক কাঠামো বজায় রাখতে সহায়তা করে।
* পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে অস্টিওপোরোসিস ও আথ্রাইটিস প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
* ম্যাগনেসা অর্গানিক ক্যালসিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলে ।
* হাড়ের ঘনত্ব পুনঃস্থাপনের দ্বারা ক্ষয়ে যাওয়া হাড় পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
*ক্যালসিয়াম কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।
* ক্যালসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করে।
ভিটামিন ডি-৩ এর উপকারীতাঃ
হৃৎপিন্ড সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। ভিটামিন ডি-৩ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক সুস্বাস্থ্য বাড়িয়ে তোলে। ভিটামিন ডি-৩ ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্লাড সুগারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
জিংক এর উপকারীতাঃ
জিংক এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা দৈহিক বৃদ্ধি, হাড়ের বৃদ্ধি, পালক বিন্যাস, এনজাইমের গঠন ও তার কাজ এবং রুচি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেরোটিন তৈরি ও তার পরিপক্কতা, ক্ষত সারানো, আবরনি কোষের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজের দ্বারা জিংক ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে। ম্যাগনেসা অর্গানিক ক্যালসিয়ামের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন একটি স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত জীবন ধারা।
খাবারের নিয়মঃ সকালে এবং রাতে ১ টি করে ট্যাবলেট খাবারের পর (কুসুম গরম পানি দিয়ে খাওয়া উত্তম)।
Ingredients: Pistacia lentiscus, Piper betle, Areca catechu, Bambusa bambos, Mytilus margaritiferus, Cacurbita pepo (seeds), Anacardium occidentale, Terminalia arjuna, Strychnos nuxvomica, Cholecaciferol, Zinc, Vitamin-D3 and other essential ingredients.
(S.N: Organic Calcium is a nutritional Supplement, not Intended to Treat, Prevent or Cure any Disease).
#
07/10/2026
HAIR TONIC (150 ML)
চুলের যত্নে আজকাল নিত্য ব্যবহার্য উপাদান হয়ে উঠেছে হেয়ার টনিক। রুক্ষ চুলে উজ্জ্বলতা ফেরাতে ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক খুবই কার্যকর। সামান্য একটু হেয়ার টনিকের ছোঁয়াতেই আপনার চুল হয়ে উঠতে পারে ঝলমলে এবং প্রাণবন্ত ।
ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক তৈরী হয়েছে এলোভেরা, আমলা, তিল, পিপারমিন্ট অয়েল, কোকোনাট ওয়েল এক্সট্রাক্ট, আমন্ড অয়েল, ব্ল্যাক সিড অয়েল, ত্রিফলা এক্সট্রাক্ট, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, প্রোটিন ও অন্যন্য এসেনসিয়াল অয়েল দিয়ে যা চুল কোমল, মসৃণ ও জটমুক্ত রাখে। এই সকল প্রয়োজনীয় উপাদানের পুষ্টি খুব সহজে চুলের গভীরে পৌঁছে যায়।
প্রধান উপকারিতাঃ
*নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক খুবই উপকারী।
* ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক আপনার চুলে শুকনো আর রুক্ষ ভাব দূর করতে বেশ সহায়ক চা শুকনো চুলের গভীরে আর্দ্রতা পৌঁছে দেয়।
* ক্যারোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক আগা ফাটা চুলের জন্য বেশ উপকারী।
* ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক চুলে ধুলোবালি, রোদ, তাপ আর দূষণ থেকে রক্ষা করে এবং চুলকে জটমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
* চুলের বিশেষ যত্নে পুষ্টি যোগান দিয়ে ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক রাতে ভালো ঘুমের সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
* রং করা এবং কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টকৃত চুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক রাখতে সহায়ত ভূমিকা পালন করে।
* প্রাকৃতিক উপাদান হতে তৈরী তাই এটি প্রয়োগের পরে চুল ধোয়া প্রয়োজন হয় না এবং চুলে স্টাইলিং প্রতিস্থাপন করতে পারে এবং গরমে স্টাইলিংয়ের সময় চুল রক্ষা করে।
* অল্প সময়ের মধ্যে চুলের ক্ষতি পুনরুদ্ধার করে ও চুলের টিউন ঠিক রাখে।
* প্রতিকূল কারণগুলির বিরুদ্ধে একটি প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে।
* ম্যাগনেসা হেয়ার টনিকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য পদার্থ রয়েছে যা আমাদের চুলের স্বাস্থ্যের উপর উপকারী প্রভাব ফেলে ।
* চুলের শিকড়কে শক্তিশালী করে এবং চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।
* ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক ব্যবহারে মাথাব্যথা দূর করে কারন এতে আছে প্রকৃতির সেরা সব উপাদান।
* ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং সিবেসিয়াস গ্রন্থিগুলির কাজকে স্বাভাবিক করে তোলে।
* মাথার ত্বকের ছত্রাক জনিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে ও বিপাকীয় প্রক্রিয়াগুলিকে স্বাভাবিক করে তোলে।
* রঞ্জন, প্যারাম, ঘন ঘন স্টাইলিং এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রভাবগুলির পরে চুল দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পুনরুদ্ধার করে এবং বাহ্যিক ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে চুলকে রক্ষা করে।
* ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক চুল পরিষ্কার ও খুশকি মুক্ত করে এবং সারাদিন আপনাকে দেয় শীতল - সতেজ অনুভূতি।
হেয়ার টনিক ব্যবহারের নিয়মঃ
শ্যাম্পু দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে নিন, তারপর হাতের তালুতে অল্প পরিমাণে টনিক নিয়ে তা হাল্কা ভেজা বা শুষ্ক চুলে আলতোভাবে লাগাবেন । (ম্যাগনেসা হেয়ার টনিক পুরুষ-মহিলা উভয়ের চুলে ব্যবহার করতে পারেন)
06/10/2026
#চর্মরোগ #এলার্জি ঠান্ডা লাগলেই কাশছেন? ফুসফুসে জমছে শ্লেষ্মা?
এখনই সচেতন হোন!!
দেরি মানেই বিপদ!!
আপনার জন্য প্রাকৃতিক সমাধান A-Cure Plus।
আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তনেই ঠান্ডা লাগা, কাশি এবং ফুসফুসে শ্লেষ্মা জমার সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। সাধারণ ফ্লু বা সর্দি-কাশি ভেবে আমরা প্রায়শই এই লক্ষণগুলোকে উপেক্ষা করি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই আপাত নিরীহ লক্ষণগুলো যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় বা বারবার ফিরে আসে, তবে তা ফুসফুসের গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে এই 'সামান্য ঠান্ডা'ই বড় বিপদের কারণ হতে পারে।
ফুসফুস আমাদের শ্বাসতন্ত্রের মূল অঙ্গ, যা প্রতিনিয়ত বাইরের পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং বিষাক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড বের করে দেয়। শ্লেষ্মা বা কফ হলো ফুসফুস ও শ্বাসনালীর একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ধুলো, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য উত্তেজক পদার্থকে আটকে রাখে। কিন্তু যখন শ্লেষ্মার উৎপাদন অতিরিক্ত বেড়ে যায় এবং এটি ঘন হয়ে ফুসফুসে জমে, তখন তা শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন সমস্যার জন্ম দেয়।
কেন ঠান্ডা লাগা ও কফ জমে থাকা বিপজ্জনক?
--------------------------------------------------------------------
১. ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস (Chronic Bronchitis): যদি কাশি এবং শ্লেষ্মার সমস্যা তিন মাসের বেশি সময় ধরে বছরে অন্তত দুই বছর ধরে থাকে, তবে তা ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস হতে পারে। এটি ফুসফুসের শ্বাসনালীর দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, যা ফুসফুসের কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে হ্রাস করে।
২. নিউমোনিয়া (Pneumonia): সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে, বিশেষ করে যদি ফুসফুসে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা জমে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে। নিউমোনিয়া ফুসফুসের বায়ুথলিগুলোকে (alveoli) আক্রান্ত করে, যা শ্বাসকষ্ট, জ্বর এবং বুকে ব্যথার কারণ হয়। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে এটি মারাত্মক হতে পারে।
৩. সিওপিডি (COPD) বা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ: ধূমপান বা দীর্ঘমেয়াদী বায়ু দূষণের সংস্পর্শে আসার কারণে ফুসফুসে শ্লেষ্মা জমা এবং কাশি দীর্ঘস্থায়ী হলে তা সিওপিডি-তে পরিণত হতে পারে। এটি ফুসফুসের একটি প্রগতিশীল রোগ যা শ্বাস নেওয়াকে ক্রমশ কঠিন করে তোলে।
৪. অ্যাজমা (Asthma): যারা অ্যাজমায় ভুগছেন, তাদের ফুসফুসে শ্লেষ্মা জমে যাওয়া এবং কাশি বেড়ে যাওয়া অ্যাজমা অ্যাটাকের কারণ হতে পারে। নিয়মিত শ্লেষ্মা জমা হওয়া অ্যাজমার লক্ষণগুলোকে আরও খারাপ করে।
৫. ফুসফুসের সংক্রমণ ও টিবি (Tuberculosis): দীর্ঘস্থায়ী কাশি এবং শ্লেষ্মা জমা থাকা ফুসফুসের অন্যান্য গুরুতর সংক্রমণ, যেমন যক্ষ্মা (টিবি) বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের লক্ষণও হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে দেরি করলে রোগের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং চিকিৎসা জটিল হয়।
কখন সতর্ক হবেন এবং কী করবেন?
--------------------------------------------------
যদি আপনার ঠান্ডা লাগা, কাশি বা শ্লেষ্মার সমস্যাগুলো নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
দীর্ঘস্থায়ী কাশি: দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকলে।
ঘন বা রঙিন শ্লেষ্মা: কফ যদি হলুদ, সবুজ, বাদামী বা রক্তযুক্ত হয়।
শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা: শ্বাস নিতে অসুবিধা বা বুকে ব্যথা অনুভব করলে।
জ্বর বা ক্লান্তি: কাশির সাথে যদি উচ্চ জ্বর বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি থাকে।
কাশি বাড়তে থাকলে: সময়ের সাথে সাথে কাশির তীব্রতা বাড়লে।
এক্ষেত্রে আপনার যা করণীয়:
------------------------------------------
উপরে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত একজন পালমোনোলজিস্ট (বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ)-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
পর্যাপ্ত পরিমাণে উষ্ণ পানি পান করুন, যা শ্লেষ্মাকে পাতলা করে বের করে দিতে সাহায্য করে।
ধূমপান অবিলম্বে ত্যাগ করুন, কারণ এটি ফুসফুসের ক্ষতির প্রধান কারণ।
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং ফ্লু-এর সময়ে ভিড় এড়িয়ে চলুন।
শুরু থেকে সুস্থতা ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত নিয়মিত A-Cure Plus সেবন করুন।
05/10/2026
NUTRIGEENS (60 Tab)
ম্যাগনেসা নিউট্রিগ্রীন একটি ইউনিক এবং মিরাকেল পণ্য। মানব দেহের জন্যে অনেক বেশী উপকারী এই রকম বহু ভেষজ উপাদানের সমন্বয়ে ম্যাগনেসা তরী করেছে এই সেরা পণ্যটি। ম্যাগনেসা নিউট্রিগ্রীন এর কিছু উপাদানের উপকারিতা নিম্নে দেয়া হলো।
স্পিরুলিনাঃ স্পিরুলিনাকে বলা হয় পৃথিবীর সুপার ফুড, যা প্রোটিনের এক বিরাট উৎস হিসেবে কাজ করে। জাপানিরা বেশিদিন বেঁচে থাকার অন্যতম জাদুকাঠি হলো এই স্পিরুলিনা। ৬০-৬৫% উদ্ভিজ্জ আমিষ স্পিরুলিনায় আছে যা কিনা মাংসের চাইতে ৪-৫ গুণ বেশি স্পিরুলিনায় অধিক পরিমানে প্রোটিন, ভিটামিন, লৌহ ও একাধিক খণিজ পদার্থ থাকে। স্পিরুলিনা দেহের শক্তি যোগায় প্রচুর পরিমাণে। স্পিরুলিনা একটি শক্তিবর্ধক সম্পূরক খাদ্য। ওজন হ্রাসে স্পিরুলিনা সহায়ক। স্পিরুলিনা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার হ্রাস করতে সাহায্য করে। স্পিরুলিনা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে। স্পিরুলিনা নিয়মিত খেলে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, রাতকানা, উচ্চ রক্তচাপ, আলসার, বাত, হেপাটাইটিস ও ক্লান্তি দূর হবে। দিনে মাত্র ১০ গ্রাম স্পিরুলিনা খেয়ে দৈনিক আমিষ চাহিদার ৭০% মেটানো সম্ভব।
গুণধর স্পিরুলিনায় আছে আয়রন - পালং শাকের থেকে ২৩ গুণ বেশী। বিটা ক্যারোটিন- গাঁজর থেকে ৩৯ গুণ বেশী। ক্যালসিয়াম দুধের থেকে ২৬ গুণ বেশী। প্রোটিন – সয়াবিন থেকে ৩.৭০ গুণ বেশী। স্পিরুলিনায় ওমেগা ৩, ৬ ও ৯ আছে। গর্ভবর্তী মহিলাদের জন্য এটা বেশ কার্যকরী। স্পিরুলিনায় রয়েছে উচ্চ মাত্রায় বিটা ক্যারোটিন এবং আরও ১০টি ক্যারোটিনয়েড যা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার ও টিউমারের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। আর্সেনিক জনিত চর্মরোগ সম্পূর্ণরূপে উপশম করে স্পিরুলিনা।
মেথিঃ মেথি ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। জ্বর, গলাব্যথা সারাতে পারে মেথি। চুল পড়া ঠেকাতে মেথি খেলে উপকার পাওয়া যায়। পেট জ্বালা বা হজমে সমস্যায় কার্যকর, এতে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। মেথি পেপটিক আলসার সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগের জন্য খুব ভালো এই মেথি। নিয়মিত মেথি খেলে পেটে কৃমি হয় না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে মেথি। মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে ওষুধের বিকল্প হলো মেথি। সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য মেথি উপকারী। ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে মেথি, বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর। মেথি পুরুষ ও মহিলাদের হরমোনাল সমস্যা সমাধানে ব্যাপক উপকারী।
অশ্বগন্ধাঃ সর্দি-কাশি, গ্যাস, পেট ফাঁপা, আলসার, গ্যাস্ট্রিক এবং পেটের ব্যথা কমাতে অশ্বগন্ধা ব্যাপক ভূমিকা রাখে। অশ্বগন্ধা শক্তিবর্ধক ও শুক্রাণু বাড়াতে ভূমিকা রাখে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় অশ্বগন্ধা। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ক্ষত নিরাময়ে সহায়ক। নিদ্রা গাঢ় করে। যৌন ক্ষমতা বাড়াতে অশ্বগন্ধা সাহায্য করে। থাইরয়েড সমস্যায় ভূমিকা রাখে। হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
আমলকী: পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারার চেয়ে ১০ গুণ, কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ, কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে। একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' দরকার। এই পরিমাণ ভিটামিন 'সি' দিনে দুটো আমলকি খেলেই এসে যায়। এছাড়াও আরো বহুবিদ উপকার আছে এই আমলকীতে।
তুলসী: তুলসী গাছের পাতা, বীজ, বাকল ও শেকড় সবকিছুই অতি প্রয়োজনীয়। ঔষধিগুণের এই তুলসী বিভিন্ন রোগ সারাতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ফুসফুসের সমস্যা, কাশি, কুষ্ঠ, শ্বাসকষ্ট, সর্দিজ্বর, চর্মরোগ, বক্ষবেদনা, হাম, বসন্ত, কৃমি, ঘামাচি, রক্তে চিনির পরিমাণ হ্রাস, কীটের দংশন, কানব্যথা, ব্রংকাইটিস, আমাশয় ও অজীর্ণে তুলসী দিয়ে তৈরি ওষুধ বিশেষভাবে কার্যকরী।
এছাড়াও ম্যাগনেসা নিউট্রিগ্রীনে রয়েছে Ajwain, Sunflower Seeds, Pippall, Turmeric, Flax Seeds সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ন্যাচারাল হার্বস যা মানব দেহের জন্য খুবই উপকারী।
খাবারের নিয়মঃ সকাল, দুপুর এবং রাতে ১টি করে ট্যাবলেট খাবারের আগে (কুসুম গরম পানি দিয়ে খাওয়া উত্তম)।
# #
02/10/2026
ALOE VERA GEL (150ml)
প্রকৃতির এক অসাধারণ দান হচ্ছে অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরাকে প্রাকৃতিক ক্লিনজার নামেও ডাকা হয়। Magnessa Caress Aloe Vera Gel ত্বকের যত্নে খুবই উপকারী। ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে, ত্বক মসৃন রাখতে, দাগ মুক্ত করতে এবং ত্বকে ব্রণের উপদ্রব কমাতে বেশ কার্যকর। যাদের ত্বক সংবেদনশীল তারা কেমিক্যাল কসমেটিকস্ ব্যবহার না করে নাচ্যারাল নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন এই জেল।
ম্যাগনেসা কেয়ারস অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে ৯৮% খাঁটি অ্যালোভেরা যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজড ও ত্বক প্রশমিত করে। আপনার মুখ, শরীর এবং চুলের জন্য একটি চমৎকার ময়েশ্চরাইজার যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে। শাস্ত হাইড্রেশনের সঙ্গে ত্বকের লালচেভাব দূর করে এবং ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে চির তারুণ্য ভাব ধরে রাখে।
মাথার খুশকি ও ফিজ কমাতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসা অ্যালোভেরা জেল আপনার মুখ, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ও চুলে উদারভাবে ব্যবহার করুন এবং তাৎক্ষনিকভাবে আপনাকে দিবে সতেজ ও দৃপ্তিময় অনুভূতি। এই অ্যালোভেরা জেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান সমৃদ্ধ যা আপনার চুল পড়া এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে সহায়ক। ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করে, ত্বকের পক্ষতা বিরোধী প্রভাব যেমন বলিরেখা দূর ও ত্বকের নমনীয় ভাব এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন 'ই' এর যোগান দেয়। আল্ট্রা ভায়োলেট ও গামা রশ্মি হতে ত্বককে রক্ষা করে ও ত্বকের জ্বালাভাব হ্রাস করে এবং ত্বকের নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে । ম্যাগনেসা অ্যালোভেরা জেল সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী।
01/10/2026
🌿 ম্যাগনেসা TOXIFLUSH – শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার! 🌿
আপনার শরীরে জমে থাকা টক্সিন, দূষিত রক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে এখনই নিন
প্রাকৃতিক সমাধান 👉 Magnessa Toxiflush
🧬 বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপকারিতা:
🔹 শরীরের রক্তকে বিশুদ্ধ করে ও টক্সিন বের করে দেয়
🔹 লিভার, কিডনি ও পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়
🔹 ত্বক উজ্জ্বল, দাগমুক্ত ও ব্রণহীন রাখে
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
🔹 দীর্ঘদিনের ক্লান্তি ও ত্বকের অ্যালার্জি দূর করে
🔹 শরীরকে ভিতর থেকে পুনরুজ্জীবিত করে
🌱 মূল উপাদান ও তাদের উপকারিতা:
✅ Terminalia Chebula – প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার, রক্ত পরিশোধক
✅ Curcuma Longa (হলুদ) –
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি
✅ Indian Fumitory –
লিভার পরিষ্কার রাখে
✅ Rheum Emodi –
রক্ত পরিষ্কার করে ও হজমে সহায়ক
✅ Neem –
ত্বক ও রক্তের টক্সিন দূর করে
✅ Rosa Damascena – ত্বকের সৌন্দর্য ও মানসিক প্রশান্তি আনে
✅ Sphaeranthus Indicus –
ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে
💊 ৬০ ক্যাপসুলের বোতল |
🌿 আপনার সুস্থতার চাবিকাঠি এখন TOXIFLUSH!
আজই শুরু করুন আপনার ডিটক্স জার্নি 🩸
30/09/2026
Magnessa Caress Shampoo
(300 ml)
*চুলের যত্নে, চুল পড়া রোধ করতে ও চুলকে সতেজ রাখতে খুব প্রয়োজন এমন বহু গুরুত্বপূর্ণ অর্গানিক উপাদান সমৃদ্ধ।
*এর উন্নত ব্যালেন্স ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টর প্রতিটি চুলকে গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজিং করতে ব্যাপক কার্যকর, যাতে আপনার চুল হবে প্রাণবন্ত, হালকা এবং গতিশীল।
*এটি আপনার মাথার ত্বকে ও চুলের গোড়ায় পুষ্টি যোগাতে সম্পুর্ণ সক্রিয় এবং পরিপূর্ণ চুলের সমাধান দিবে যাতে আপনার চুল হবে খুশকি মুক্ত।
*ম্যাগনেসা কেয়ারস শ্যাম্পু চুলের আর্দ্রতা মাত্রা ঠিক রেখে চুলকে করে চকচকে, মসৃন, নরম ও স্বাস্থ্যকর, যা চুলের পুষ্টি যোগান দিয়ে চুলের গোড়া থেকে ডগা অবধি করে প্রাণবন্ত।
*এটি প্রতিদিন ব্যবহারে তৈরি হবে নতুন ভালোবাসা যা আপনি চান।
Highlights
29/09/2026
NATURAL MULTI VITAMIN (60 Tab)
প্রতিদিন আমাদের শারীরিক চাহিদা পূরণে অনেক খাদ্য উপাদান দরকার। যেমন আমিষ, শর্করা, চর্বি, মিনারেল, ভিটামিন ইত্যাদি। তার মধ্যে ভিটামিন
ভিটামিন এর সংজ্ঞা: যে জৈব খাদ্য উপাদান সাধারণ খাদ্যে অতি অল্প পরিমানে থেকে দেহের স্বাভাবিক পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধে শক্তি বৃদ্ধি করে, তাকে ভিটামিন বলে। এই ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণের অভাবে শরীরে নানা ধরনের রোগ ও সমস্যা দেখা দেয়।
ভিটামিন এর প্রকারভেদ:- এ পর্যন্ত ছয় ধরনের ভিটামিনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যথা- ভিটামিন-'এ', ভিটামিন-'বি', ভিটামিন 'সি', ভিটামিন 'ডি', ভিটামিন-"ই" এবং ভিটামিন-"কে"। এছাড়াও ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স ৮টি বি-ভিটামিনের সমন্বয়ে গঠিত। যেমনঃ বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, বি-৭, বি-৯ এবং বি-১২
ভিটামিন কী কাজ করে? ভিটামিন শরীরে বিভিন্ন কোষের স্বাভাবিকতায় সহায়তা করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। ত্বকের স্বাভাবিক কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে। স্নায়ু ও রক্তের কাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
ম্যাগনেসা ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক ভিটামিন এর সমাহার। নিম্নে এমন কিছু মূল ভিটামিন সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
ভিটামিন সি:- ভিটামিন 'সি' রক্তের প্রবাহ বাড়ায়, এতে রক্তের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়ে এটি রক্তনালির দেয়ালগুলোকে চাপমুক্ত রাখে। ফুসফুস ও শ্বাসনালির প্রদাহ কমায়। এটি বিভিন্ন ধরনের এ্যালার্জির তীব্রতা কমায় এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ঠান্ডা লাগার কারণে আমাদের মুখের ভেতর ও গলায় শুষ্কতা দেখা দেয়, যা রোধ করতে ভিটামিন 'সি' সহায়তা করে। যেকোনো ক্ষত জলদি সারায়। অস্থি, ত্বক, দাঁত, শিরা কোষের মধ্যকার পদার্থকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে। আয়রন শোষণে ভিটামিন 'সি' সহায়তা করে। অ্যামাইনো এসিড মেটাবলিজমে সহায়তা করে। দেহ থেকে অবসন্নতা দূর করতে সাহায্য করে। কোষে কোলাজেন টিস্যু তৈরি ও রক্তস্বল্পতা রোধেও ভিটামিন 'সি' ভালো কাজ করে।
ভিটামিন ডি:- ক্ষুদ্রান্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণের কাজ করে। ফসফসের প্রদাহে যে ক্ষতি হয় তা নিয়ন্ত্রনে রাখে। দেহে ভিটামিন 'ডি' যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকে, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমবে। এতে ঘন ঘন অসুস্থবোধ করা, হঠাৎ ঠান্ডা লাগা ও সর্দি-কাশি হতে পারে। ভিটামিন চি মাংসপেশি সচল রাখতে সাহায্য করে।
ভিটামিন এ:- রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন 'এ'র ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। দেহের পুষ্টি ও দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে। রাতকানা প্রতিরোধ করে। রক্তের স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখে। হৃদপিন্ড, ফুসফুস, কিডনি ও অন্য অঙ্গগুলোকে ঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। ত্বক সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। সংক্রমণ প্রতিহত করে। সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ নানা রোগ প্রতিরোধ করে । দেহ কোষের গঠনে সহায়তা করে।
ভিটামিন ই:- ভিটামিন 'ই'র অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের দেহ-ত্বক সতেজ রাখে। চুলপড়া রোধ করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চোখে একধরনের সমস্যা হয়, যার ফলে ম্যাকুলার সমস্যা দেখা দেয়। এটি অন্ধত্বের অন্যতম কারণ। ভিটামিন 'ই' এটি প্রতিরোধ করে। স্নায়ুতন্ত্র ও স্নায়ুবিক নানা রোগ প্রতিহত করে। হরমোনের সমতা রক্ষা করে, মাতৃগর্ভে শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশের ক্ষেত্রে ভিটামিন 'ই' ভূমিকা রাখে।
ভিটামিন কে:- রক্তক্ষরণের সময় রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। হাড়ের গঠনে সাহায্য করে। মানবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন হিসেবে যকৃতে জমা রাখতে সহায়তা করে। ক্যান্সার কোষ গঠনে বাধা দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরনে সহায়ক।
ভিটামিন বি:- মাথা ব্যথা, শরীর অবস হওয়া ও দেহে নিষ্প্রাণ ত্বক হওয়া থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। ভুলে যাওয়া, দুর্বল বা ক্লান্তি বোধ হওয়া থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স দেহের জন্য অনেক উপকারী ভূমিকা পালন করে।
ম্যাগনেসা ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন এর মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন একটি স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত জীবন ধারা।
খাবারের নিয়মঃ সকালে এবং রাতে একটি করে ট্যাবলেট খাবারের পরে (কুসুম গরম পানি দিয়ে খাওয়া উত্তম)।
Ingredients: Alpinia galanga, Syzygium aromaticam, Orchis latifolia, Corcus sativus, Anacardium occidentale, Emblica Officinalis, Foenicu lum vulgare, Ipomoea, maruitiana, Curcurbita pepo (Seed), FThiamin dydrochloride, Riboflavin phosphate, Pyrodoxine hydrochloride.
#শারীরিকদুর্বলতা #দুর্বলতা
28/09/2026
JOINT RESCUE (60 Caps)
বেশির ভাগ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের খুব সাধারণ একটি অসুখ হচ্ছে জয়েন্টের ব্যথা। বর্তমান যুগে বেশির ভাগ মানুষের জীবন-যাপন ব্যায়াম-বিমুখ যার কারনে নারী-পুরুষ সবার বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করছে। তাই বিশেষজ্ঞগণ নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম করা, সুষম খাবার, যোগ ব্যায়ামসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ প্রদান করেন। ম্যাগনেসা রিউলিভ জয়েন্ট রেসকিউ ব্যথা উপশম, হাড় পুনর্গঠন ও হাড় পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে একটি অদ্বিতীয় পণ্য।
প্রধান উপকারিতা
* ম্যাননেসা জয়েন্ট রেসকিউ অস্থিসন্ধির বাঘা দূর করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
* টেন্ডনের প্রদাহ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
* ম্যাগনেসা জয়েন্ট রেসকিউ শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রেখে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
* হাড়ের ঘনত্ব পুনঃস্থাপনের দ্বারা ক্ষয়ে যাওয়া হাড় পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
* ক্ষতিগ্রস্ত তরুনাস্থিকে রক্ষা ও মেরামত করতে সাহায্য করে।
* অস্থিসন্ধিতে লুব্রিকেটিং ও ক্রুশনিং তরলগুলিকে উন্নত করতে ভূমিকা রাখে
* তরুনাস্থির স্থিথিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
* ম্যাগনেসা জয়েন্ট রেসকিউ হাড়ে চিড় ধরার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
* অস্টিওপোরোসিস ও আর্থাইটিস এর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
* ম্যাগনেসা জয়েন্ট রেসকিউ শরীরের ব্যথা ও জ্বালা যন্ত্রনা থেকে মুক্ত করতে সাহায্য করে।
* এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
খাবারের নিয়মঃ সকাল এবং রাতে করে ক্যাপসুল খাবারের পর (কুসুম গরম পানি নিয়ে যাওয়া উত্তম)।
Ingredients Colchicum Luteum, Aloe indica, Vitex nigundo. Calotorpis procera, Balsamodendron mukul, Tinospora cordifolia, Datura alba, Vanda roxburgh, Curcuma longa and other essential ingredients.
27/09/2026
কোলেস্টেরল ও হৃদরোগ এবং কিছু কথা:
কোলেস্টেরল শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও, রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গেলে ধমনীর গায়ে চর্বি (প্লাক) জমে রক্তনালী সরু ও শক্ত করে, যাকে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বলে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, কারণ এতে হৃদপিণ্ডকে বেশি চাপ দিতে হয় এবং রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়, তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের সম্পর্ক:
প্লাক জমা: রক্তে অতিরিক্ত LDL কোলেস্টেরল জমা হয়ে ধমনীর ভেতরে প্লাক তৈরি করে, যা ধমনীকে সরু ও শক্ত করে তোলে।
রক্তচাপ বৃদ্ধি: সরু ধমনীর মধ্য দিয়ে রক্ত পাম্প করতে হৃদপিণ্ডকে বেশি চাপ দিতে হয়, ফলে রক্তচাপ বাড়ে।
হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক: প্লাক ভেঙে গেলে বা ধমনী পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।
HDL ও Triglyceride: HDL (ভালো কোলেস্টেরল) কম থাকলে এবং TG ( ক্ষতিকর কোলেস্টেরল) বেশি থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, এমনকি Total Cholesterol স্বাভাবিক থাকলেও।
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1212
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Magnessa Organic Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
