Center for Cancer Care Foundation

Center for Cancer Care Foundation

Share

ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করতে আগ্রহীদের স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন

12/09/2026

অক্টোবর ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতা

ক্যান্সার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা গড়ে তুলতে সেন্টার ফর ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন (সিসিসিএফ) আয়োজন করছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কুইজ প্রতিযোগিতা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্যাম্পাসের ৩–৫ জনের দল গঠন করে অংশ নিতে পারবেন।

কুইজের মাধ্যমে জানতে পারবেন—
• ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি ও লক্ষণ
• প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও স্ক্রিনিং
• প্রচলিত ভুল ধারণা ও সঠিক তথ্য
• প্রতিরোধ ও সচেতনতার উপায়

সেরা দলের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
কুইজ অনুষ্ঠিত হবে অক্টোবর মাসজুড়ে।

আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি দল গঠন করুন এবং অংশগ্রহণের জন্য যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ:
মোবাইল: ০১৬১০-৩৭৭৭২৫
ই-মেইল: [email protected]
Facebook: /cccfbd
LinkedIn: /cccfbd
YouTube:

জ্ঞান ও সচেতনতার মাধ্যমে গড়ে উঠুক ক্যান্সার-সচেতন ক্যাম্পাস।

11/09/2026

Gift Her Health — প্রিয় নারীকে ব্রেস্ট স্ক্রিনিং করান

প্রিয় নারীর জন্য উপহার হতে পারে তার সুস্থতা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা সহজ হয় এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। তাই অপেক্ষা নয়—সচেতন হোন, নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন।

এই অক্টোবর ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাসে, আপনার মা, স্ত্রী, বোন, মেয়ে কিংবা প্রিয় নারীকে উৎসাহিত করুন ব্রেস্ট স্ক্রিনিং করাতে।

কারা বিশেষভাবে স্ক্রিনিংয়ের বিষয়ে সচেতন হবেন?
• ২০ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী
• পরিবারে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে
• স্তনে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা উপসর্গ দেখা দিলে
• চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজন হলে

আপনি স্ক্রিনিং করতে গেলে একটি ছবি পোস্ট করুন এবং আপনার পরিচিতদেরও সচেতন করুন।

যোগাযোগ: ০১৬১০-৩৭৭৭২৫
ই-মেইল: [email protected]
Facebook: /cccfbd
LinkedIn: /cccfbd
YouTube:

#প্রিয়নারীকেব্রেস্টস্ক্রিনিংকরান #ব্রেস্টক্যান্সারসচেতনতা

11/09/2026

🎬 শর্ট ফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬

সেন্টার ফর ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন (CCCF) আয়োজন করছে শর্ট ফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬।

বিষয়: যেকোনো একটি নির্বাচন করুন
১. এখানে থেমো না — ক্যান্সার লড়াই ও কেয়ারগিভারদের ভাবনা
২. মনের ডাক — মানসিক স্বাস্থ্য ও অনুভূতির গল্প
৩. পাশে আছি — পরিবার, বন্ধু ও সহায়তার গল্প
৪. ভয় নয়, সচেতনতা — ক্যান্সার সম্পর্কে সঠিক তথ্য, প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও সচেতনতার গল্প

অংশগ্রহণকারী:
• গ্রুপ ক: বয়স ২০–২৯ বছর
• গ্রুপ খ: বয়স ৩০–৩৯ বছর

ফিল্মের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য: ৫ মিনিট
জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৬

🏆 সেরা ১০ জন নির্মাতার জন্য বিশেষ সুযোগ
জাতীয় পর্যায়ের নির্মাতা ও বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ।

কীভাবে অংশ নেবেন?

১. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করুন
২. সর্বোচ্চ ৫ মিনিটের শর্ট ফিল্ম MP4 ফরম্যাটে প্রস্তুত করুন
৩. নির্ধারিত ফরম্যাটে ফিল্ম আপলোড/জমা দিন

রেজিস্ট্রেশন:
https://forms.gle/JRtqT4QBbqQgxhHq5

যোগাযোগ:
মোবাইল: ০১৬১০-৩৭৭৭২৫
ই-মেইল: [email protected]
Facebook: /cccfbd
LinkedIn: /cccfbd
YouTube:

05/09/2026

CCCF Health Ambassador 2026 — আহ্বান

আপনি কি স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে কাজ করতে চান?
আপনার ক্যাম্পাস বা কমিউনিটিতে তরুণদের নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন তৈরি করতে চান?

Center for Cancer Care Foundation (CCCF) আহ্বান জানাচ্ছে CCCF Health Ambassador 2026-এর জন্য।

কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কমিউনিটি পর্যায়ের আগ্রহী তরুণ-তরুণীরা এই উদ্যোগে যুক্ত হয়ে নিজ নিজ ক্যাম্পাস ও কমিউনিটিতে—

ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করবেন

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা প্রচার করবেন

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ইতিবাচক অভ্যাস চর্চায় উৎসাহিত করবেন

আলোচনা, ওয়ার্কশপ, কুইজ, গেম, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন

CCCF-এর স্বাস্থ্য ও সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবেন

আরও তরুণকে সম্পৃক্ত করে একটি স্বাস্থ্যবান ও সহায়ক কমিউনিটি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবেন

কারা আবেদন করতে পারবেন?

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিবর্তনে আগ্রহী কমিউনিটি পর্যায়ের তরুণ-তরুণীরা।

আপনি যা পাবেন

প্রশিক্ষণ ও শেখার সুযোগ, সার্টিফিকেট ও স্বীকৃতি, জাতীয় যুব নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ এবং নেতৃত্ব ও যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশের সুযোগ।

Application Deadline: 30 September 2026

যোগাযোগ: 01610-377725
ই-মেইল: [email protected]

Small Actions. Big Impact.
Healthy People | Healthy Campuses | Healthy Communities

আবেদন করুন এবং আপনার জায়গা থেকেই পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

আবেদন লিংক: https://forms.gle/FzsLezXnVM1QMVrn6

03/09/2026

ক্যান্সার—
চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য ও মানুষের প্রচলিত ভুল ধারণা
------------------------------------

ক্যান্সার শব্দটি শুনলেই অনেকের মনে আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা এবং মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হয়। অথচ ক্যান্সার সম্পর্কে আমাদের সমাজে প্রচলিত বহু ধারণা চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। এই ভুল ধারণাগুলো কখনো রোগীকে অযথা ভীত করে, কখনো চিকিৎসা নিতে বিলম্ব ঘটায়, আবার কখনো প্রমাণহীন চিকিৎসা বা তথাকথিত ‘অলৌকিক’ নিরাময়ের দিকে মানুষকে ঠেলে দেয়।

ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার অর্থ শুধু রোগটির নাম জানা নয়; বরং কোনটি বৈজ্ঞানিক সত্য এবং কোনটি কুসংস্কার বা ভুল ধারণা—তা জানা। সঠিক তথ্য অনেক ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

➤➤➤ক্যান্সার আসলে কী?
ক্যান্সার কোনো একটি রোগ নয়; এটি বিভিন্ন ধরনের রোগের একটি বৃহৎ সমষ্টি। সাধারণভাবে শরীরের কোনো কোষ যখন তার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা অতিক্রম করে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি ও বিভাজিত হতে থাকে এবং আশপাশের টিস্যুতে আক্রমণ করতে বা শরীরের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে পারে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে ক্যান্সার বলা হয়।

মানবদেহে প্রতিনিয়ত কোষ তৈরি, বৃদ্ধি, বিভাজন ও মৃত্যুর একটি নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া চলে। এই নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় জেনেটিক পরিবর্তনসহ নানা ধরনের ত্রুটি জমা হলে কোনো কোনো কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। ক্যান্সারের ধরন, উৎপত্তিস্থল, জৈবিক বৈশিষ্ট্য ও রোগের পর্যায় অনুযায়ী এর চিকিৎসাও ভিন্ন হয়।
------------

★★★
ভুল ধারণা ১:
ক্যান্সার মানেই মৃত্যু।

এটি ক্যান্সার সম্পর্কে সবচেয়ে ভয়াবহ এবং সবচেয়ে ক্ষতিকর ভুল ধারণাগুলোর একটি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
সব ক্যান্সার এক রকম নয় এবং সব ক্যান্সারের পরিণতিও এক নয়। কিছু ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে অত্যন্ত সফলভাবে চিকিৎসা করা যায়। অনেক মানুষ ক্যান্সারের চিকিৎসা শেষে দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন।

ক্যান্সারের ফলাফল নির্ভর করে এর ধরন, রোগের পর্যায়, কোথায় উৎপত্তি হয়েছে, কতটা ছড়িয়েছে, রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসায় রোগের প্রতিক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।
তাই ক্যান্সার ধরা পড়া মানেই জীবন শেষ—এমন ধারণা রোগীর আশা ও চিকিৎসার প্রতি আস্থা দুটিই নষ্ট করতে পারে।

★★★
ভুল ধারণা ২:
ক্যান্সার একটি ছোঁয়াচে রোগ।

ক্যান্সার রোগীর পাশে বসলে, একই প্লেটে খাবার খেলে, হাত মেলালে বা আলিঙ্গন করলে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ে—এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
সাধারণ সামাজিক সংস্পর্শের মাধ্যমে ক্যান্সার একজন মানুষের শরীর থেকে অন্য মানুষের শরীরে ছড়ায় না। তবে কিছু সংক্রমণ ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যেমন—হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (HPV), হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস এবং Helicobacter pylori সংক্রমণের সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে ক্যান্সার নিজেই ছোঁয়াচে।

★★★
ভুল ধারণা ৩:
ক্যান্সার শুধু বংশগত রোগ।

অনেকে মনে করেন পরিবারের কারও ক্যান্সার থাকলে পরবর্তী প্রজন্মেরও ক্যান্সার হবেই।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
কিছু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে বংশগত জেনেটিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু সব ক্যান্সার বংশগত নয়। ক্যান্সারের ঝুঁকিতে বয়স, তামাক, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত ওজন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, কিছু সংক্রমণ, পরিবেশগত ও কর্মক্ষেত্রের কিছু ঝুঁকি এবং জেনেটিক কারণ—সবই ভূমিকা রাখতে পারে। অতএব, পরিবারে ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে সতর্ক হওয়া যুক্তিসঙ্গত; কিন্তু ‘আমার পরিবারে ক্যান্সার নেই, তাই আমার ক্যান্সার হবে না’—এটিও ভুল ধারণা।

★★★
ভুল ধারণা ৪:
ক্যান্সার হলে অপারেশন করলে ক্যান্সার ছড়িয়ে যায়।

কিছু মানুষ মনে করেন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার কেটে ফেললে ক্যান্সার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে ক্যান্সার চিকিৎসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো অস্ত্রোপচার। প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞের পরিকল্পিত ও যথাযথ অস্ত্রোপচার ক্যান্সার ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী নয়। কোন রোগীর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, কী ধরনের অস্ত্রোপচার দরকার এবং অস্ত্রোপচারের পাশাপাশি কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, হরমোন থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি বা ইমিউনোথেরাপির মতো চিকিৎসা প্রয়োজন কি না—এসব নির্ধারণ করেন চিকিৎসক রোগের বৈশিষ্ট্য ও পর্যায় বিবেচনা করে।

★★★
ভুল ধারণা ৫:
কেমোথেরাপি মানেই রোগীর মৃত্যু আসন্ন।

কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া—বিশেষ করে চুল পড়া, বমি বমি ভাব, দুর্বলতা ইত্যাদি—দেখে অনেকেই মনে করেন কেমোথেরাপি নিজেই রোগীকে আরও অসুস্থ করে দেয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
কেমোথেরাপি ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে এবং তা রোগী ও ব্যবহৃত ওষুধভেদে ভিন্ন হয়। বর্তমানে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্যও বিভিন্ন কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে। চুল পড়া বা দুর্বলতা চিকিৎসার ফল হতে পারে, কিন্তু এগুলো চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার প্রমাণ নয়।

★★★
ভুল ধারণা ৬:
ক্যান্সারের কোনো চিকিৎসা নেই।

এই ধারণা মানুষকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
ক্যান্সারের চিকিৎসা রয়েছে এবং চিকিৎসার ধরন ক্যান্সারের ধরন ও পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। কিছু ক্যান্সার সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য, আবার কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণই চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হতে পারে। চিকিৎসার মধ্যে অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি, হরমোন থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং অন্যান্য পদ্ধতি থাকতে পারে।
তাই ‘ক্যান্সারের চিকিৎসা নেই’ বলে চিকিৎসা প্রত্যাখ্যান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

★★★
ভুল ধারণা ৭:
ভেষজ, গাছগাছড়া বা বিশেষ কোনো খাবার ক্যান্সার সারিয়ে দিতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দাবি করা হয়- কোনো নির্দিষ্ট গাছ, ফল, রস, মসলা বা বিশেষ খাদ্য ক্যান্সার সম্পূর্ণ নিরাময় করতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট খাবারকে ক্যান্সারের প্রমাণিত ‘নিরাময়’ হিসেবে গণ্য করার মতো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সাধারণভাবে নেই।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
‘প্রাকৃতিক’ মানেই নিরাপদ নয়। কোনো ভেষজ বা খাদ্য উপাদান ক্যান্সারের ওষুধের সঙ্গে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্রমাণহীন চিকিৎসার ওপর নির্ভর করে মূল চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়।

★★★
ভুল ধারণা ৮:
ক্যান্সার হলে বেশি চিনি খেলে ক্যান্সার দ্রুত বাড়ে, আর চিনি পুরোপুরি বাদ দিলেই ক্যান্সার সেরে যায়।

ক্যান্সার কোষ গ্লুকোজ ব্যবহার করে—
এই বৈজ্ঞানিক তথ্য থেকে অনেক সময় একটি ভুল সিদ্ধান্ত তৈরি হয় যে চিনি খাওয়াই ক্যান্সারের কারণ বা চিনি সম্পূর্ণ বাদ দিলেই ক্যান্সার চলে যাবে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
শরীরের প্রায় সব কোষেরই শক্তির জন্য গ্লুকোজ প্রয়োজন। শুধু চিনি খাওয়া বন্ধ করলেই ক্যান্সার কোষ ‘অনাহারে মারা যাবে’—
এমন প্রমাণ নেই।
তবে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ও অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে, আর অতিরিক্ত ওজন কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ।

★★★
ভুল ধারণা ৯:
ক্যান্সারের কোনো লক্ষণ নেই; হঠাৎ করেই ক্যান্সার হয়।

কিছু ক্যান্সার সত্যিই প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন লক্ষণ সৃষ্টি করে না। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে শরীর কিছু সতর্ক সংকেত দিতে পারে। অস্বাভাবিক রক্তপাত, দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক ব্যথা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন, নতুন কোনো গাঁট বা অস্বাভাবিক ফোলা, দীর্ঘস্থায়ী পেটের সমস্যা, মল-মূত্রের অভ্যাসে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিংবা কোনো ক্ষত দীর্ঘদিনেও না শুকানো—
এ ধরনের পরিবর্তন অবহেলা করা উচিত নয়।
তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই ক্যান্সার হয়েছে—এমনও নয়। অনেক সাধারণ রোগেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই সন্দেহজনক পরিবর্তন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সঠিক পথ।

★★★
ভুল ধারণা ১০:
ক্যান্সার স্ক্রিনিং মানেই শরীরে ক্যান্সার খুঁজে বের করা।

স্ক্রিনিং নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
স্ক্রিনিং হলো নির্দিষ্ট ঝুঁকি বা বয়সের মানুষের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশের আগেই নির্দিষ্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা করা। সব ক্যান্সারের জন্য একই স্ক্রিনিং পরীক্ষা নেই এবং সবার জন্য সব পরীক্ষা প্রয়োজনও হয় না।
কোন স্ক্রিনিং কার জন্য উপযুক্ত—
তা বয়স, লিঙ্গ, পারিবারিক ইতিহাস, ঝুঁকি এবং দেশের বা প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করতে পারে।

★★★
ভুল ধারণা ১১:
বায়োপসি করলে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ে।

বায়োপসি সম্পর্কে ভয়ও সমাজে প্রচলিত।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য:
ক্যান্সার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় বায়োপসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টিস্যু পরীক্ষা করে রোগের প্রকৃতি নির্ণয় করতে এটি প্রয়োজন হতে পারে। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে টিউমারের অবস্থান ও ধরন অনুযায়ী বায়োপসির পদ্ধতি বিশেষভাবে নির্বাচন করা হয়। কিন্তু ‘বায়োপসি করলেই ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ে’—
এটি সাধারণভাবে বৈজ্ঞানিক সত্য নয়।

★★★
ভুল ধারণা ১২:
ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায় না।

ক্যান্সারের সব কারণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই সব ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে ক্যান্সার প্রতিরোধে কিছুই করার নেই। তামাক বর্জন, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল এড়ানো বা সীমিত করা, নির্দিষ্ট সংক্রমণের বিরুদ্ধে টিকাদান এবং উপযুক্ত স্ক্রিনিং- এসব পদক্ষেপ কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।
অর্থাৎ,
ক্যান্সার প্রতিরোধের সুযোগ আছে, তবে শতভাগ নিশ্চয়তা নেই।

➤➤➤ভুল ধারণার সবচেয়ে বড় ক্ষতি কোথায়?
ক্যান্সার সম্পর্কে ভুল তথ্য শুধু একটি ভুল বিশ্বাস নয়; কখনো এটি জীবন-ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

একজন রোগী যদি মনে করেন—
‘ক্যান্সার হলে যেহেতু বাঁচা যায় না, তাই চিকিৎসা করে লাভ নেই’, তাহলে তিনি চিকিৎসা শুরু করতে দেরি করতে পারেন।
যদি মনে করেন—
‘অপারেশন করলে ক্যান্সার ছড়িয়ে যাবে’, তাহলে কার্যকর অস্ত্রোপচার থেকে নিজেকে বঞ্চিত করতে পারেন।
যদি বিশ্বাস করেন—
‘এই ভেষজ বা বিশেষ খাদ্যেই ক্যান্সার সেরে যাবে’,
তাহলে প্রমাণিত চিকিৎসা বিলম্বিত বা বন্ধ করতে পারেন।

আবার রোগীকে যদি সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়, তবে তার মানসিক কষ্ট আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের লড়াই নয়; এটি ভুল তথ্যের বিরুদ্ধেও একটি লড়াই।

★★★★★
আমাদের করণীয়
ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার প্রথম ধাপ হলো আতঙ্ক নয়, তথ্য।

কোনো অস্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী হলে তা অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ক্যান্সার নির্ণয় হলে রোগের ধরন ও পর্যায় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিতে হবে এবং যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো ‘অলৌকিক চিকিৎসা’, ‘শতভাগ নিরাময়’, ‘ডাক্তাররা যে সত্য গোপন করেন’—
জাতীয় দাবিকে যাচাই না করে বিশ্বাস করা উচিত নয়। স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসক, স্বীকৃত স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য উৎসকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—
ক্যান্সার রোগীকে তার রোগ দিয়ে নয়, একজন মানুষ হিসেবে দেখতে হবে। তাকে ভয় দেখানো নয়, পাশে দাঁড়ানো; কুসংস্কার ছড়ানো নয়, সঠিক তথ্য দেওয়া; চিকিৎসা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়, যথাসময়ে চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসাই হওয়া উচিত আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।
---------------

উপসংহার
---------
ক্যান্সার সম্পর্কে অজ্ঞতা যেমন ক্ষতিকর, তেমনি অতিরঞ্জিত ভয়ও ক্ষতিকর। ক্যান্সার একটি জটিল রোগসমষ্টি—
কিন্তু এটি কোনো রহস্যময় অভিশাপ নয়, আবার সব ক্ষেত্রে মৃত্যুর সমার্থকও নয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞান ক্যান্সার সম্পর্কে প্রতিনিয়ত নতুন জ্ঞান অর্জন করছে এবং চিকিৎসার পদ্ধতিও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। তাই ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলোর একটি হলো সঠিক জ্ঞান।

ভুল ধারণার পরিবর্তে বিজ্ঞানকে গ্রহণ করি, আতঙ্কের পরিবর্তে সচেতনতা গড়ে তুলি, আর রোগীর প্রতি অবহেলার পরিবর্তে সহমর্মিতা দেখাই।
ক্যান্সার সম্পর্কে জানুন—ভুল ধারণা দূর করুন—সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিন।
-------------------------------------

03/09/2026
31/08/2026

"যেকোনো অসুখে মনোবলই সবচেয়ে বড় ওষুধ" ক্যান্সার জয়ে ড. মারুফি খানের অদম্য গল্প

​২০০২ সালের অক্টোবর মাস। হঠাৎ একদিন নিজের শরীরে একটি ছোট্ট লাম্প অনুভব করেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. মারুফি খান। কোনো কালক্ষেপণ না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে ম্যামোগ্রাফি রিপোর্ট ইতিবাচক নয়।
​তৎকালীন সময়ে ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগের নাম শুনলেই যেখানে সবাই ভেঙে পড়ত, সেখানে তিনি বেছে নিয়েছিলেন ধৈর্য ও দৃঢ় মানসিক শক্তিকে। বয়োবৃদ্ধ বাবাকে উদ্বেগে না রেখে নিজেই একা একা হাসপাতালে গিয়েছেন, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসার। পরবর্তীতে কলকাতায় গিয়ে সফল অস্ত্রোপচার এবং পোস্ট-অপারেটিভ নানা জটিলতা সত্ত্বেও নিজের অটল মনোবল ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে গেছেন।
​ক্যান্সার শুধু শারীরিক লড়াই নয়, এটি মনের সঙ্গেও এক বড় যুদ্ধ। ড. মারুফি খানের এই অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায়:
​শরীরের যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তনে অবহেলা না করে দ্রুত সচেতন হওয়া
​প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া সম্ভব
​পরিস্থিতির মুখে ভেঙে না পড়ে ইতিবাচক মানসিকতা ও দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রাখা
​সেন্টার ফর ক্যান্সার কেয়ার ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘জানি এবং জানাই’ অনুষ্ঠানের ৩১তম পর্ব থেকে নেওয়া এই অনুপ্রেরণামূলক আলোচনাটি পুরো দেখতে পারেন নিচের লিংকে।
​ভিডিও লিংক: https://youtu.be/AXByU0FabVM
​

31/08/2026

Gift Her Health — প্রিয় নারীকে দিন স্বাস্থ্য উপহারের অঙ্গীকার

ভালোবাসার সবচেয়ে মূল্যবান উপহার সবসময় বস্তুগত হতে হয় না। কখনো কখনো একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, একটি সচেতনতার কথা কিংবা সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ হয়ে উঠতে পারে জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার।

এই অক্টোবর, প্রিয় মা, স্ত্রী, বোন, কন্যা, বন্ধু কিংবা কাছের কোনো নারীকে শুধু উপহার নয়—স্বাস্থ্য সচেতনতার অঙ্গীকার দিন।

ব্রেস্ট স্ক্রিনিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

স্তন ক্যান্সার অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। স্ক্রিনিংয়ের উদ্দেশ্য হলো লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই স্তনে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন আছে কি না তা শনাক্ত করতে সহায়তা করা। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে চিকিৎসার সুযোগ ও সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি হতে পারে।

কারা স্ক্রিনিং নিয়ে ভাববেন?

• বয়স বাড়ার সঙ্গে নিয়মিত স্তনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
• পরিবারে স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসককে জানান।
• স্তনে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
• কোনো উপসর্গ না থাকলেও নিজের বয়স ও ঝুঁকি অনুযায়ী স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজনীয়তা চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।

কী কী পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

স্তনে বা বগলের নিচে নতুন কোনো চাকা বা গাঁট, স্তনের আকার বা আকৃতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, ত্বকে টান বা ভাঁজ পড়া, স্তনবৃন্তের অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা নিঃসরণ, কিংবা দীর্ঘস্থায়ী অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে অবহেলা করবেন না।

মনে রাখবেন—প্রতিটি গাঁট বা পরিবর্তন ক্যান্সার নয়। কিন্তু কারণটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

স্ক্রিনিং মানেই কি ক্যান্সার পরীক্ষা?

স্ক্রিনিং হলো ক্যান্সারের সম্ভাব্য অস্বাভাবিকতা খুঁজে দেখার একটি প্রাথমিক পরীক্ষা বা প্রক্রিয়া। স্ক্রিনিংয়ে কোনো সন্দেহজনক পরিবর্তন পাওয়া গেলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পরীক্ষা করতে পারেন। তাই কোনো রিপোর্ট বা পরিবর্তন দেখে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

কোথায় যাবেন?

নিকটস্থ হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রেস্ট ক্লিনিক, ক্যান্সার হাসপাতাল বা অনুমোদিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ঝুঁকি অনুযায়ী কোন পরীক্ষা প্রয়োজন—তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিন।

আপনার ছোট্ট একটি উদ্যোগ হতে পারে বড় ভালোবাসা।

আপনার পরিবারের একজন নারীকে জিজ্ঞেস করুন—

“তোমার শেষবার স্তনস্বাস্থ্য পরীক্ষা কবে হয়েছিল?”

তাকে স্ক্রিনিংয়ের কথা বলুন। প্রয়োজনে তার সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান। তার স্বাস্থ্যকে শুধু পরিবারের দায়িত্ব হিসেবে নয়, ভালোবাসার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখুন।

এই অক্টোবর, Gift Her Health.

প্রিয় নারীকে দিন এমন একটি উপহার, যার মূল্য কোনো দামে মাপা যায় না—

সচেতনতা, যত্ন এবং সুস্থ থাকার অঙ্গীকার।

আজকের সচেতনতা, আগামীর নিরাপত্তা।

Center for Cancer Care Foundation (CCCF)

ওয়েবসাইট: www.cccfbd.org
ফোন: 880 1610-377725

#স্বাস্থ্যসচেতনতা #স্তনক্যান্সারসচেতনতা #ব্রেস্টস্ক্রিনিং #প্রিয়নারীরস্বাস্থ্য

Category

Telephone

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Center for Cancer Care Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.