Raiman
আনন্দ নিয়ে কাজ, আমার products সম্পুর্ণ প্রাকৃতিক। best quality products, house hold and beauty
গীবত থেকে বাঁচার কিছু উপায়ঃ
১. হুটহাট করে কিছু বলে ফেলবেন না। কথা বলার আগে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। এমনকি যতটুকু সম্ভব কম কথা বলাই ভালো, চুপ থাকাও একটা ইবাদত।
২. আপনার বন্ধু অথবা কাছের আত্নীয়র অনুপস্থিতিতে তাদের নামে ভালো কথাও বলবেন না। কারণ ভালো কথা বলতে গিয়ে শয়তান আপনাকে দিয়ে কখন যে গীবত করিয়ে নিবে আপনি টেরই পাবেন না।
৩. অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকসমাগম জায়গা এড়িয়ে চলুন। কেননা যেখানে মানুষ বেশি থাকে সেখানে গীবত ও বেশি হয়।
৪.আপনার কাছে কেউ গীবত করলে তাকে থামিয়ে দিবেন। সম্ভব হলে বুঝিয়ে বলবেন।কারণ গীবত করা ও গীবত শোনা দুই টাই হারাম।
নিজেও যখন কথা বলতে বলতে গীবত করে ফেলবেন এবং হঠাৎ খেয়াল হবে আরে আমি তো গীবত করে ফেলতেছি সাথে সাথে থেমে যাবেন এবং তওবা করবেন।
৫.অমুক কেমন জানি পোশাক পরে, অমুকের রান্না ভালো না,অমুক মোটা,অমুক কালো, দেখতে একদম ভালো না ইত্যাদি এই ধরনের কথা বলাও এক ধরনের গীবত। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬. অমুক এই এই কাজ গুলো ভালো করেনি।অমুকের এই এই স্বভাব ভালো না। অমুকের নামে এই এই বদনাম আছে।ওমুক আমার এই এই ক্ষতি করছে। এগুলো বলা মানে মানুষের দোষ নিয়ে কথা বলা যে টা গীবতের অন্তর্ভুক্ত।
৭.এর পরেও যদি গীবত হয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথে আস্তাগফিরুল্লহ্ অথবা দুই রাকাত নফল নামাজ পরে ফেলতে পারেন।
কাউকে নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা আমরা আল্লাহর কাছে বলব। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিব ।মানুষের কাছে এগুলো নিয়ে আলোচনা করে উল্টা আরো গোনাহ কামানো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। অন্যের দোষ ঢেকে রাখলে আল্লাহ তার দোষ ঢেকে রাখবেন ইনশাআল্লাহ
মনে রাখবেন গীবত আমাদের নেক আমল গুলো ধ্বংস করে দিবে।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে এবং আপনাদেরকে আমল গুলো করার তাওফিক দান করুক....আমিন collected from noman ali
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বিষণ্ণ মানুষ তারাই যারা সারাক্ষণ সুখী হওয়ার চেষ্টা করছে। সুখ আসলে একটা পলায়নপর এবং ক্ষণস্থায়ী জিনিস যা সারাক্ষণ আপনার হাত থেকে ছুটে যায়। মানুষ মনে করে—আমার একটা নতুন গাড়ি দরকার, একটা নতুন চাকরি দরকার, আমার এটা চাই, ওটা চাই। তারা শুধু দুনিয়ার পেছনে ছুটছে। অথচ আল্লাহ বলছেন, আখেরাতে তাদের জন্য কিছুই থাকবে না। শুনতে খুব কঠোর মনে হয়, তাই না? মনে প্রশ্ন জাগে—আল্লাহ, আমি তো শুধু একটা গাড়ি চেয়েছিলাম, সেজন্য কেন আখেরাতে আমি কিছুই পাবো না? আল্লাহ এরপর বলেন, কিন্তু কিছু মানুষ আছে যারা বলে—হে আল্লাহ, আমাদের এই দুনিয়াতে সুন্দর ও কল্যাণময় জিনিস দাও এবং আখেরাতেও সুন্দর ও কল্যাণময় জিনিস দাও। এই আয়াত আমাদের কী শিক্ষা দিচ্ছে? এই দোয়া আমাদের আসলে কী বোঝাচ্ছে?
(হামদ ও সালাতের পর)
গত সপ্তাহে আমি এক তরুণের কাছ থেকে একটা প্রশ্ন পেয়েছিলাম। সে জানতে চেয়েছিল—জীবনকে সহজ করার জন্য সে কী কী দোয়া করতে পারে? আল্লাহকে ডাকার জন্য কি কোনো বিশেষ দোয়া বা আমল আছে, অথবা কোনো বিশেষ চর্চা আছে যা করলে সে যা চায় তা-ই পাবে? মানে, সে একটা জিনিস খুব করে চাচ্ছে এবং সে সেটা পাওয়ার জন্য দোয়া করছে। সে নিশ্চিত হতে চায় যে কী করলে সে ওটা পাবেই। আমার কাছে প্রশ্নটা খুব গভীর মনে হয়েছে। আর আমি জানি, এই প্রশ্নটা আমাদের অনেকের মনেই আছে।
আমি আজকের খুতবাটা এই প্রশ্নের পেছনের মূল কারণগুলোর ওপর সাজিয়েছি। একজন শিক্ষক হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা হলো, অনেক সময় সেরা শিক্ষকরা কোনো প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন না। তারা প্রশ্নটাকে ফলের মতো দেখেন এবং সেই ফলের মূল বা শিকড়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। কারণ সরাসরি উত্তর দিলে মূল সমস্যাটা মিটবে না। এই প্রশ্নের পেছনে আসলে বাস্তবতা, আল্লাহ এবং জীবন সম্পর্কে আমাদের একটা পুরো বিশ্বদর্শন কাজ করছে।
যেহেতু প্রশ্নটা একজন তরুণ করেছে, তাই আমি একটা উদাহরণ দিয়ে শুরু করি যেটা তরুণ ও বৃদ্ধ সবাই বুঝবেন—ভিডিও গেম। ভিডিও গেম বেশ আসক্তি তৈরি করে এবং মজার। কিন্তু এর পেছনে একটা মনস্তত্ত্ব আছে। এখানে আপনি জানেন যে আপনি কী ইনপুট দিলে কী আউটপুট পাবেন। একটা ‘বস’ (Boss) হারানোর নির্দিষ্ট উপায় আছে, নতুন লেভেল খোলার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। আপনি যদি কয়েন অর্জন করতে চান বা র্যাঙ্ক বাড়াতে চান, তবে আপনাকে গেমের নিয়মগুলো মানতে হবে। গেম নির্মাতারা এই নিয়মগুলো তৈরি করে দিয়েছেন। আপনি নিয়মগুলো যত ভালো মানবেন, তত বেশি ফল পাবেন। এখানে কোনো রহস্য নেই।
এজন্যই যারা গেমার, তারা কোনো লেভেলে আটকে গেলে ইউটিউবে ‘ওয়াকথ্রু’ (Walkthrough) দেখে নেয়। সেখানে গাইড বলে দেয়—এক্স টিপো, এল-ওয়ান ধরে রাখো, তারপর এটা করো, তাহলেই তুমি জিতে যাবে। অর্থাৎ জিতার জন্য নিয়মগুলো একদম সেট করা থাকে। খেলাধুলার ক্ষেত্রেও বিষয়টা প্রায় একই রকম। যদিও সেখানে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকে, তবুও মাঠের নিয়মগুলো পরিষ্কার। লক্ষ্য পূরণ করতে পারলে আপনি জিতবেন, না পারলে হারবেন। একদম সহজ।
কিন্তু জীবন এভাবে কাজ করে না। বাস্তব জীবনে দেখা যায় দুজন মানুষ একই পরিমাণ পরিশ্রম করছে, কিন্তু একজন অনেক সুফল পাচ্ছে আর অন্যজন কিছুই পাচ্ছে না। আপনাদের মধ্যে অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। পরীক্ষার পাসের জন্য আপনি হয়তো দিনরাত পড়াশোনা করলেন কিন্তু পেলেন মাত্র ৭০। অথচ আপনার এক বন্ধু, যে হয়তো ভুলেই গিয়েছিল যে আজ পরীক্ষা, সে কিছুই না পড়ে পেয়ে গেল ৭৫! এটা তো ফেয়ার না! আমি এত কিছু করলাম আর সে কিছুই না করে বেশি পেল?
আপনি হয়তো সারাজীবন ক্লাসের সেরা হওয়ার পরিকল্পনা করলেন—প্রথমে ভালো স্কুল, তারপর ভালো ইন্টারভিউ, তারপর ভালো চাকরি। কিন্তু আপনার ওই বন্ধু যে জানত না জীবন নিয়ে সে কী করবে, দেখা গেল গ্র্যাজুয়েশনের আগেই সে মোটা অঙ্কের অফার পেয়ে গেল, আর তিন বছর ধরে ঘুরেও আপনি চাকরি পাচ্ছেন না। আপনি যখন তাদের দেখেন, আপনার মনে হয়—এটা তো ঠিক হলো না!
সাইকোলজিস্টরা বলেন, মানুষ ভিডিও গেমের প্রতি বেশি ঝুঁকে যায় কারণ গেমের জীবন বাস্তব জীবনের চেয়ে সহজ। সেখানে নিয়ম মানলে ফল পাওয়া যায়, কিন্তু বাইরের পৃথিবীতে নিয়ম মানলেও সবাই একই ফল পায় না।
এখন ওই তরুণ প্রশ্ন করছে—ইসলামে কি কোনো 'চিট কোড' (Cheat Code) আছে? এমন কোনো দোয়া বা যিকির যা করলে আমার জীবনের তালাগুলো খুলে যাবে? শুধু কিশোররা নয়, বয়স্করাও এসে জিজ্ঞেস করেন—আমাকে একটা দোয়া দিন যেন আমার ছেলে এই মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হয়, বা অমুক কাজটা হয়ে যায়। সবাই ভিডিও গেমের মতো একটা 'শর্টকাট' খুঁজছে।
আমার প্রথম উত্তর হলো—কেন? আপনি জীবনকে কেন সহজ করতে চাচ্ছেন? কারণ আমরা এখন এমন এক দুনিয়ায় বাস করছি যেখানে শেখানো হয় জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হলো 'সুখী হওয়া'। কিন্তু সুখ কোনো চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে না। আমি আইসক্রিম খাওয়ার সময় খুব সুখী থাকতে পারি, কিন্তু খাওয়া শেষ হলেই আবার আফসোস হয়। সুখ একটা পলায়নপর জিনিস।
কোরআন এই ধরণের চিন্তাকে 'বিভ্রান্তি' বলে বর্ণনা করেছে। সূরা আল-হাদিদ-এ আল্লাহ একটা উদাহরণ দিয়েছেন—একজন কৃষকের মতো, যে তার ফসল বড় হতে দেখে খুব খুশি হয়, কিন্তু এরপরই সে দেখে ফসল হলুদ হয়ে শুকিয়ে খড়কুটোয় পরিণত হচ্ছে। অর্থাৎ তার সুখের মূলে যা ছিল, তা আসলে টেকসই নয়।
আমি বলছি না যে আপনি সুখী হবেন না। আমি বলতে চাচ্ছি, আমরা ভুল জায়গায় সুখ খুঁজছি। কোরআন বলছে—সুখ আসলে একটা উপজাত (By-product), যা আপনি তখনই পাবেন যখন আপনি একটি 'উদ্দেশ্য' (Purpose) নিয়ে বাঁচবেন। যখন আপনার জীবনে কোনো অর্থপূর্ণ লক্ষ্য থাকবে, তখনই আপনি প্রকৃত সুখ পাবেন।
আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন, তা অন্যকে দেননি। আমি যখন অ্যারাবিক পড়াতাম, আমার কিছু ছাত্র ছিল যারা ক্লাসে ঠিকমতো আসত না কিন্তু সব বুঝত। আবার কিছু ছাত্র ছিল যারা ক্লাসের অনেক আগে আসত, ক্লাসের অনেক পর পর্যন্ত পড়ে থাকতো। এক বছর পর আমাকে বলতে হতো—ভাই, আল্লাহ আপনাকে অ্যারাবিকের জন্য বানাননি। আপনি একজন অসাধারণ ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেন, কিন্তু ভাষা আপনার জন্য নয়। একেক জনের জন্য একেক জিনিস সহজ।
তাই অন্যের সাথে তুলনা করবেন না। আল্লাহ একেকজনের জীবনের ম্যাপ একেকভাবে এঁকেছেন। মনে রাখবেন, একজনের জন্য যা নেয়ামত, অন্যের জন্য তা অভিশাপ হতে পারে। সৌন্দর্য নেয়ামত হতে পারে, কিন্তু সেই সুন্দর চেহারার কারণেই ইউসুফ (আ.)-কে জেলে যেতে হয়েছিল। শক্তি নেয়ামত হতে পারে, কিন্তু সেই শক্তির কারণেই মুসা (আ.)-কে মিশর ছেড়ে পালাতে হয়েছিল।
চাকরি হারানোকে আপনি বিপদ মনে করছেন, কিন্তু অনেকের জন্য চাকরি হারানোই ছিল জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনা, কারণ এরপরই বড় কোনো দরজা খুলে গিয়েছিল। আল্লাহ জানেন, আমরা জানি না। হয়তো আপনি কোনো একটা জিনিস ঘৃণা করছেন, কিন্তু আল্লাহ তার ভেতরেই আপনার জন্য অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
আমাদের জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? প্রথমত, আল্লাহ বলছেন—"প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।" মৃত্যু ধেয়ে আসছে। সময় কম। ধরুন, একটা বাড়িতে আগুন লেগেছে আর তার ভেতর থাকা লোকটা চিন্তা করছে—"আহা, এখন যদি বারবিকিউ চিকেন খেতে পারতাম!" আরে ভাই, আগুন আসছে! এখন চিকেনের কথা ভাবলে হবে না, আগে জীবন বাঁচাতে হবে।
আল্লাহ বলেন—"আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব মন্দ এবং ভালো দিয়ে।" মন্দটা আমরা বুঝি, কিন্তু আল্লাহ ভালো দিয়েও পরীক্ষা করেন। বিপদ এল বলে হাহাকার করার কিছু নেই, কারণ আল্লাহই আপনাকে এর আগে অনেক ভালো সময় দিয়েছিলেন। ভিডিও গেমের মতো এখানে কোনো শর্টকাট নেই।
লুকমান (আ.) তার সন্তানকে শিখিয়েছেন—"বৎস, তোমার ওপর যাই আসুক না কেন, ধৈর্য ধরো এবং শক্তিশালী হও।" তিনি সন্তানকে বিপদ থেকে রক্ষা করার গ্যারান্টি দেননি। তিনি শুধু সন্তানকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছেন।
আরবিতে পরীক্ষার জন্য একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে—‘বালা’ (Bala)। প্রাচীন আরবে কারো মৃত্যু হলে তার উটকে কবরের পাশে না খাইয়ে বেঁধে রাখা হতো যতক্ষণ না সে তিলে তিলে মারা যায়। এই বারবার আসা কষ্টকর পরীক্ষাকেই বলা হতো 'বালা'। মন্দ দিয়ে পরীক্ষা তো বোঝা যায়, কিন্তু ভালো দিয়ে পরীক্ষা কেমন? যখন কারো অনেক টাকা বা ক্ষমতা আসে, সে ভাবে—"আল্লাহ আমার ওপর খুব খুশি, আমি এখন একটু পাপ করতেই পারি!" এটাই তার পরীক্ষা। এই ভালো জিনিসটাই তার ধ্বংসের কারণ হতে পারে যদি সে অবহেলা করে।
আমরা সুখের বদলে 'উদ্দেশ্যের' পেছনে ছুটবো। আমরা যখন তাওয়াফ করি, তখন একটা দোয়া পড়ি: "রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাতান, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতান..."। এই আয়াতের আগে আল্লাহ বলেছেন, কিছু লোক শুধু বলে—হে আল্লাহ আমাদের দুনিয়াতে দাও। গাড়ি দাও, চাকরি দাও। আল্লাহ বলছেন, আখেরাতে তাদের জন্য কিছুই থাকবে না। কারণ তাদের লক্ষ্যটাই সংকীর্ণ।
কিন্তু যারা বুদ্ধিমান তারা বলে—আল্লাহ আমাদের দুনিয়াতে 'হাসানাহ' (কল্যাণ) দাও যা সরাসরি আখেরাতের কল্যাণের দিকে নিয়ে যায়।
একটি ব্যবসার উদাহরণ দিয়ে বলি। কিছু খরচ আছে যে টাকাগুলো শুধু নষ্ট হয়। আবার কিছু খরচ আছে যেটা একটা বিনিয়োগ (Investment), যা রিটার্ন দেয়। বুদ্ধিমান ব্যবসায়ী সেই বিনিয়োগই করে যেখান থেকে লাভ আসবে। আমাদের দুনিয়াটাও তেমনই।
দুনিয়ার সবকিছুই আপনি উপভোগ করবেন, কিন্তু এমনভাবে যেন সেটা আখেরাতেও উপকারে আসে। ইসলাম আপনাকে সন্ন্যাসী হতে বলে না, আবার বস্তুবাদী হতেও মানা করে। ইসলাম বলে—দুই জগতেরই সেরাটা নাও। দুনিয়ার নেয়ামত তখনই সার্থক যখন তা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ আমাদের এমন জীবন দিন যেখানে দুনিয়ার কল্যাণ আমাদের আখেরাতের কল্যাণের দিকে নিয়ে যায়।
নোমান আলী খান
24/08/2025
Ready to sell,my hand painted purse
06/03/2025
মানুষ সব ভুলে যেতে পারে!!
রাগারাগি, ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া, তর্ক বিতর্ক, মন খারাপ ইত্যাদি সময়ের সাথে সাথে সব ভুলে যেতে পারে মানুষ। শুধু ভুলতে পারে না কিছু কথা। প্রিয় মানুষের মুখ থেকে নিজের ব্যাপারে শোনা কিছুকিছু কথা মানুষের ভিতরে বাজতে থাকে অদৃশ্য টেপ রেকর্ডারের মতো।
বুকের ভিতর আটকে থাকে সে'সব অপমান, গলার ভিতর মাছের কাঁটার মতো আটকে থাকে সে'সব কটূক্তি, ঘুমের ভিতর দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে। না গেলা যায়, না ফেলা যায়। একটা সময় পর সব আঘাত মিলিয়ে যায় ধীরে ধীরে, আবার হাসি ফুটে ওঠে মুখে, দিব্যি থাকি আমরা।
তারপর হঠাৎ কোনও ঘুম না আসা একলা রাতে, স্মৃতির বারান্দায় পায়চারি করতে করতে আমরা পৌঁছে যাই সে'সব কথার কাছে। কী ভীষণ যন্ত্রণা হয় আবার! সেই একই কষ্ট আবার ফিরে আসে। আর আমরা বুঝতে পারি আমরা মানুষদের ক্ষমা করি, তাদের বলা কথাগুলোকে না! collected
কিছু মোটিভেশনাল উক্তি যা আপনার জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে:
১. যত বেশী তুমি মূল্যবান হবে, মাথায় রেখো তত বেশী তুমি সমালোচনার পাত্র হবে- নেলসন ম্যান্ডেলা
২. জীবন এক দীর্ঘ যাত্রাপথ সেটা মাথায় রেখে এগেয়ে যাও।
৩. তোমার লক্ষ এবং উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে একদিন তুমি সঠিক পথের সন্ধান পাবেই।
৪. যতদিন শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু চাকুরি পাওয়া হবে, ততদিন সমাজে শুধু চাকরই জন্মাবে, মালিক নয়।
৫. ভূল তখই ক্ষমা যোগ্য যখন কেউ সত্য বলে স্বীকার করে নেয়- ব্রুস লি।
৬. ভাগ্য বলে কিছু নেই, যা আছে তা হলো প্রতিটি মানুষের কর্মের ফল, যা প্রতিটি মানুষের চেষ্ঠা ও যত্নের বিনিময়ে গড়ে উঠে।
৭. জীবনে যত আঘাত পাবে তত কাছের মানুষগুলোকে চিনতে পারবে। তখন বঝতে পারবে আসলে কে তোমার কতটা আপন।
৮. ক্ষুদার্ত পেট ও ফাঁকা পকেট তোমাকে পুরো পৃথিবীটাকে চিনিয়ে দিবে।৯. মায়ের সাথে কখনও উচ্চ স্বরে কথা বলো না, কারন এই মা-ই তোমাকে কথা বলা শিখিয়েছেন।
১০. লবন এবং চিনি দেখতে একই রকম পার্থক্য শুধু স্বাদে, তেমনি মানুষ এবং অমানুষ দেখতে একই রকম পার্থক্য শুধু আচরনে।
১১. জীবনে ৬ টি নীতি সবসময় মেনে চলো
– পার্থনা করার আগে পরিপূর্ন বিশ্বাস করো।
– কথা বলার আগে মন দিয়ে ভাল করে শোনো।
– খরচ করার আগে উপার্জন করো।
– কিছু লোখার আগে চিন্তা করো।
– হাল ছাড়ার আগে চেষ্ঠা করো।
– মরার আগে বাচঁতে শেখা।
– যথা সম্ভব কম কথা বলো এবং অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকো।
ধন্যবাদ। collected
হযরত খিজির (আ.) এর ৭টি বাণী
(১) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে জানে মৃত্যু নিশ্চিত, তবুও সে কিভাবে হাসে !!
(২) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে জানে যে, এই দুনিয়া এক দিন খতম হয়ে যাবে,
তবুও সে কেমন করে দুনিয়ার দিকে আকৃষ্ট হয় !!
(৩) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে জানে যে, সব কিছু আল্লাহর তরফ থেকে হয়ে থাকে, তবুও তার কোনো জিনিস হাসিল না হলে, কেন সে আফসোস করে !!
(৪) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় উপর,
যাব় আখেব়াতে হিসাব দেয়ার উপর পূর্ন বিশ্বাস আছে
তবুও সে কিভাবে ধন সম্পদ জমা করে !!
(৫) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তির প্রতি,
যে জাহান্নামের (দোযখের) আগুন বিশ্বাস করে তবুও সে কিভাবে গুনাহ করে !!
(৬) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে আল্লাহ তা'আলা কে জানে, তবুও সে কি করে অন্য জিনিসের আলোচনা করে !!
(৭) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তির প্রতি,
যে বেহেশতের সুখ শান্তিব় কথা জানে, তবুও সে দুনিয়ার কোনো জিনিস দ্বাব়া শান্তি পায় !!❣️
03/07/2024
এক শিক্ষক বলতেন, জীবনে যা কিছুই করো না কেনো, নিজেকে খুশি রাখার কারন অন্য কারো মাঝে খোঁজার চেষ্টা করো না। কখনো কারো উপর এত এক্ট্রিম লেভেলের নির্ভরশীল হবে না যাতে তোমার এক্সপেকটেশন পূরণ না হলে মন ছোট হয়। বিশেষ করে মানসিকভাবে।
তোমার মন খারাপ তুমি হেমন্তের গান শুনো, নিজেকে এক কাপ গরম কফি বানিয়ে দাও, বিকেল বেলা মিষ্টি রোদে আপনমনে নিজের সাথে কথা বলো, পছন্দের লেখকের বই পড়ো। নিজের কোন বিশেষ ক্রিয়েটিভিটি থাকলে সেটা নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখো।
অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস লেখা, নিজের দুঃখ, দুর্বলতা জনসম্মুখে প্রকাশ করা কোন বুদ্ধিমান মানুষের কাজ নয়। খুব বেশি মন খারাপ হলে রুম অন্ধকার করে চুপচাপ বসে থাকো। যার যার ধর্ম অনুসারে প্রার্থনা করো।
পুরানো কোন স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো যাই করো নিজের সাথে নিজের এমন একটা সুন্দরম্পর্ক তৈরি করো যাতে নিজের মন খারাপের দিনগুলোতে একটা কাঁধের প্রয়োজন না হয়।
যদি কোন কাজে সফল হও নিজেকে ট্রিট দাও, যদি অকৃতকার্য হও নিজের সাথে অভিমান করো, নিজের সাথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হও। তবে অন্য কারো চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার চেষ্টা করো না।
অন্যের চোখ তোমার ত্রুটিগুলোর মাঝে যখন তোমার গুণগুলো খুঁজে পাবে না তুমি কষ্ট পাবে, পারলে তুমিই পারবে। রেস্টুরেন্টে একা বসে খাওয়াটাকে নরমালাইজ করতে হবে, পার্কে নিজের সাথে সময় কাটাতে চাওয়াকে হাস্যকর কেন মনে হবে? যদি সম্ভব হয় ফাইনানসিয়ালিও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যাতে তীব্র মুড সুয়িংয়ে নিজেকে একটা চকলেট উপহার দিতে পার, নিজের জন্মদিনে নিজেকে গিফট দিতে পারো অথবা পাড়ার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করো, নিজের পছন্দের ড্রেসটা টাকা জমিয়ে হলেও নিজের জন্য কিনতে দিতে পারো।
মাঝে মাঝে নিজেকে কিছু ফুল দিবে। ঘরের এক কোণায় ফুল থাকবে, সুন্দর একটা গন্ধ ছড়াবে মন আপনা আপনি ভাল হয়ে যাবে। সবাইকে খুশি রাখাও তোমার দায়িত্ব না, দুনিয়ার কারো পক্ষেই সবাইকে খুশি করা সম্ভব না। যেখানে পারবে না, "না" বলাও শিখতে হবে।
আমার বাবা-মা আমাকে এপ্রিসিয়েট করে না, আমার বন্ধু আমাকে সময় দেয় না, আমার কাছের প্রিয়জন আমার সাথে ঠিকমত কথা বলে না, আমার জন্য সময় নেই এসব উপদ্রবের সৃষ্টি করবে না। আমাদের ভাষায় যেটা এটেনশন অন্যের জন্য এই চাওয়াগুলো অযথা টেনশন মাত্র।
কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবেন?
একটা সুন্দর ব্যক্তিত্ব থাকার জন্য খুব কঠিন হওয়ার দরকার নেই শুধু নিজেকে অতটুকু ভালবাসলেই হবে যাতে অন্যের চোখে নিজের জন্য ভালবাসা খোঁজার প্রয়োজন না হয়।
বর্তমান এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে মানুষের মন প্লাস্টিকের মতোই, কখন জানি রূপ বদলায় কারণে বদলায়, অকারণে বদলায়। তাই মনে হয় নিজের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা তুলনামূলক ভাল।
Collected post.
__মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে কখনো পড়েননি
একটু পড়েই দেখুন না,🙏
জাযাকাল্লাহ খাইরান ❤️।
পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
يَغْسِلُونَني
আমাকে গোসল করাবে,
يَكْفِنُونَنِي
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
مَفَاتِيحِي
আমার চাবির গোছাগূলো,
كِتَابِي
আমার বইপত্র,
حَقِيبَتِي
আমার ব্যাগ,
أَحْذِيَتِي
আমার জুতোগুলো,
وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,
وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها
আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......
ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!
وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!
لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…
فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,
1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!
اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
لَقدْ زَالَ عِندَكَ:
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
1ــ الجَمَالُ
১. সৌন্দর্য্য
2ــ والمَالُ
২. ধনসম্পদ
3ــ والصَحَّةُ
৩. সুস্বাস্থ্য
4ــ والوَلَدُ
৪. সন্তান-সন্তদি
5ــ فَارقَت الدَّور
৫. বসতবাড়ি
6ــ القُصُورُ
৬. প্রাসাদসমূহ
7ــ الزَوجُ
৭. জীবনসঙ্গী
وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ
*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*
لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
1ــ الفَرَائِضِ
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
2ــ النَّوَافِلِ
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ
৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি
4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ
৪. ভালো কাজের প্রতি
5ــ صَلاةُ اللَّيلِ
৫. রাতের নামাজের প্রতি
لَعَلَّكَ تَنْجُو....
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….
إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))
ولَمْ يَقُلْ :
তারা বলবে না,
لِأعتَمَرَ
উমরাহ পালন করতাম,
أو لِأُصَلَّي
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
أو لِأصُومُ
অথবা, রোজা রাখতাম,
قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,
فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.
আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।collected
রাসুল (সাঃ)এর ২০টি হাদিস;💖
1.রাসুলুল্লাহ (সাঃ)বলেন -জে ব্যক্তি আমার১ টি হাদীস আমার উম্মতের কাছে পৌছে দিবে, আমি তার জন্য কিয়ামতের দিন বিশেষ ভাবে সুপারিশ করব।
2.মানুষের মধ্যে যারা মৃত্যুকে বেশি স্বরণ করে এবং উহার জন্য প্রস্তুতি নেয় তারা সব চাইতে বেশি বুদ্ধিমান।
3.প্রতিটি জিনিসের যাকাত আছে আর দেহের যাকাত হচ্ছে রোজা।
4.যে তার সময় আল্লাহর জন্য ব্যয় করে না, তার জন্য জীবন অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়!!
5.যারা সব সব সময় ইস্তেগফার(আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়ে তাদের সাথে উঠাবসা করুন কেননা তারা সবচেয়ে কমল হ্রদয়ের অধিকারী!!
6.তুমি যত সিজদাহ্ দিবে আল্লাহ তত গুনাহ মাফ করে দিবেন!
7.সুরা ফাতিহা ১০০০ রোগের ওষুধ।
8.হাতের তালুতে জ্বলন্ত আগুন এর কয়লা রাখলে যত কষ্ট হবে, তার চেয়ে বেশি কষ্ট হবে শেষ জামানায় ইমান রাখতে!!।
9.রোজাদারদের জন্য প্রতিদিন জান্নাত সুসজ্জিত করা হয়!
10.রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন -কিয়ামতের দিন সব নবীর চেয়ে আমার উম্মতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে এবং আমি ই তাদের জন্য সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খুলব(সহীহ মুসলীম -১৯৬)
11.যে ব্যক্তি রোজা রাখা অবস্থায় মারা যাবে আল্লাহ তাকে কেয়ামত পর্যন্ত সকল রোজার সওয়াব দান করবেন!
12.যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর হিফাজতে চলে গেলো!
13.রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন -রোজা ও কুরআন কিয়ামত এর দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে!(মুসনাদে আহমাদ;হাদিস ৬৬২৬)!
14.নবীজি (সাঃ) বলেছেন রোজাদারদের জন্য সবচেয়ে বড় খুশির সংবাদ হলো,হাশরের মাঠে আল্লাহ সবার আগে রোজাদারদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন!
15.যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়!
16.রাসুল (সাঃ) বলেন,যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে হাত উঠায়, তখন আল্লাহ সেই বান্দার হাত শুন্য ভাবে ফিরিয়ে দেন না!
17.হযরজ মুহাম্মদ (সাঃ),বলেছেন একটি খেজুরের অর্ধেক হলে ও দান কর জাহান্নামের শাস্তি হতে নিজেকে হিফাজত কর,!(বুখারীঃ৬০২৩)
18.যদি ভালো হতে চাও সর্ব প্রথম মিথ্যা বলা ছেড়ে দাও!
19.তুমি যখন রাস্তা দিয়ে জাও তখন আল্লাহর নামে জিকির কর,কারন ওই রাস্তা হাশরের দিন তোমার নামে সাক্ষি দিবেন!
20.তোমরা সব সময় ওযু করো কারন কিয়ামতের দিন ওজুকারিদের হাত পা উজ্জ্বল থাকবে!!
আপনারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন হাদিস গুলো মানবেন!আল্লাহ আমাদের সকলের মনের নেক আশা পুরন করবেন! ইনশআল্লাহ! আমিন
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Raiman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
