Hm saiful
আলহামদুলিল্লাহ। �
24/07/2026
প্রেস বিবৃতি
২৪ জুলাই ২০২৬
সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ যথেষ্ট নয়; অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে — মাওলানা ম|মুনুল হক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা ম|মুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ আজ (২৪ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর থেকেই তিনি রাষ্ট্রপতির পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা হারিয়েছিলেন। সেই সময় থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশীজন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ধারাবাহিকভাবে তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিল।
নেতৃদ্বয় বলেন, সে সময় বিএনপি দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগের দাবির পক্ষে অবস্থান নেয়নি; বরং তাঁকে রাষ্ট্রপতির পদে বহাল রাখার পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। আজ বিএনপির অবস্থান পরিবর্তনের পর তিনি পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। এতে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—এই পদত্যাগের পেছনে কেবল নীতিগত কারণ কাজ করেছে, নাকি এর সঙ্গে বিএনপির কোনো রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও জড়িত।
তারা আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন। একদিকে তিনি পদত্যাগপত্র না পাওয়ার কথা বলেছেন, অন্যদিকে পরে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এমন স্ববিরোধী বক্তব্য তাঁর নিরপেক্ষতা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ক্ষুণ্ন করেছে।
নেতৃদ্বয় বলেন, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, সংবিধান লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি এস আলম গ্রুপের ব্যাংকিং-সংক্রান্ত অনিয়ম ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে সহযোগিতার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত হয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিচারিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
তারা বলেন, যে কারণেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করে থাকুন না কেন, তাঁর পদত্যাগে দেশের মানুষ স্বস্তি অনুভব করছে। তবে শুধু পদত্যাগের মাধ্যমে তাঁর দায় শেষ হয়ে যায় না। তাঁকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতৃদ্বয় বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ক্ষমতার অপব্যবহার, সংবিধান লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার এবং জনগণের অধিকার হরণে জড়িত সকল ব্যক্তি ও সহযোগীদের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, দেশের মানুষ কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা বা গোপন সমীকরণ নয়, বরং ন্যায়বিচার চায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের পুনরাবৃত্তি রোধে সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
14/07/2026
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরীক্ষা নয়।
কোমর সমান পানিতে নৌকায় করে HSC দিতে হচ্ছে।
এই দৃশ্য জাতির জন্য লজ্জার।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে HSC পরীক্ষা স্থগিত করা হোক।
- আল্লামা মুহাম্মদ মামুনুল হক
আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
১৩ জুলাই ২০২৬
#বন্যা #পরীক্ষা_স্থগিত_চাই #মানবিকতা #শিক্ষার্থীদের_নিরাপত্তা_চাই
---
13/07/2026
আলহামদুলিল্লাহ, আগামীকাল দক্ষিণ চট্টগ্রামে
আসছেন আমীরে মজলিস, আল্লামা মামুনুল হক
13/07/2026
13/07/2026
🌿 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ 🌿
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির, শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক (হাফিজাহুল্লাহ)-এর শুভ আগমন উপলক্ষে আয়োজিত স্বাগতম অনুষ্ঠানে আপনাকে আন্তরিক আমন্ত্রণ।
📅 তারিখ: ১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার
📍 স্থান: হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান, বরিশাল
আপনার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও সার্থক ও প্রাণবন্ত করবে, ইনশাআল্লাহ।
মোঃ সাইফুল ইসলাম
সদস্য, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
সবাইকে পোস্টটি শেয়ার করে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ রইল।
#বাংলাদেশ_খেলাফত_মজলিস #মামুনুল_হক #বরিশাল #স্বাগতম #ইসলামী_সমাবেশ
07/07/2026
আজ ৭ জুলাই, সিলেটের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ জুলাই ব্রিটিশ ভারতের শেষ সময়ে তৎকালীন আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত সিলেট জেলায় একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এই গণভোটের উদ্দেশ্য ছিল, সিলেট আসামের অংশ হিসেবে ভারতে থাকবে, নাকি পূর্ববঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পাকিস্তানের অংশ হবে, সে বিষয়ে জনগণের মতামত গ্রহণ।
গণভোটের পটভূমি তৈরি হয় ১৯৪৭ সালের ৩ জুন Mountbatten Plan-এর মাধ্যমে। যেহেতু সমগ্র আসাম ভারতেই থাকার কথা ছিল, কিন্তু সিলেট ছিল মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলা এবং ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে পূর্ববঙ্গের সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, তাই সিলেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য পৃথক গণভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৬ ও ৭ জুলাই অনুষ্ঠিত ভোটগ্রহণে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। সরকারি ফলাফলে পূর্ববঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে ২,৩৯,৬১৯টি ভোট এবং ভারতের সঙ্গে থাকার পক্ষে ১,৮৪,০৪১টি ভোট পড়ে। অর্থাৎ ৫৫,৫৭৮ ভোটের ব্যবধানে পূর্ববঙ্গের পক্ষে রায় আসে।
তবে গণভোটের ফল প্রকাশের পরও পুরো সিলেট পূর্ববঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। পরবর্তীকালে সিরিল র্যাডক্লিফ-এর নেতৃত্বাধীন সীমান্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে করিমগঞ্জ মহকুমার অধিকাংশ অংশ ভারতের আসাম রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়। অন্যদিকে সিলেট সদর, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ জেলার বৃহত্তর অংশ পূর্ববঙ্গে যুক্ত হয়, যা পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অংশে পরিণত হয়।
সিলেট গণভোটে জনমত গঠন ছিল একটি বিশাল সাংগঠনিক কর্মযজ্ঞ। এ সময় উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম ও রাজনীতিবিদ মাওলানা যফর আহমাদ উসমানী (রহ.) গণভোট পরিচালনা, প্রচারণা সংগঠিত করা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে আলেম-উলামা, ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক প্রচারণা চালান।
একইভাবে মাওলানা আতহার আলী (রহ.) গণভোটের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিভিন্ন জনসভা, ধর্মীয় সমাবেশ ও গণসংযোগের মাধ্যমে জনগণের কাছে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততা গণভোট আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছিল।
এছাড়াও তৎকালীন মুসলিম লীগ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব, ছাত্রসমাজ, আলেম-উলামা এবং অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করেন। অন্যদিকে গণভোটে ভারতের পক্ষে প্রচারণাও সংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল। ফলে সিলেট গণভোট ছিল উপমহাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
১৯৪৭ সালের গণভোট সিলেটের ধর্মীয়, শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক মর্যাদা রক্ষা করেছে। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় সিলেট পূর্ববঙ্গের অংশে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। আজ সিলেট শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা প্রবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবেই নয়, বরং বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ইলমি, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। শতাব্দীব্যাপী আলেম-উলামা, মাদরাসা শিক্ষা, খানকাহ ও ইসলামী জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্য শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইলমি নগরীর মর্যাদা দিয়েছে।
ঐতিহাসিক সিলেট গণভোট দিবসে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি মাওলানা যফর আহমাদ উসমানী (রহ.), মাওলানা আতহার আলী (রহ.), গণভোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল নেতা, কর্মী, আলেম-উলামা, ছাত্রসমাজ এবং সিলেটের সচেতন জনগণকে। তাঁদের অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আজ আল্লামা মামুনুল হক সাহেবের মাদ্রাসার অস্থায়ী মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়
mamun-ul-haq
04/07/2026
আজ ৪ জুলাই। হিত্তিনের ঐতিহাসিক বিজয়ের দিন। আজ থেকে ৮৩৯ বছর আগে, ১১৮৭ সালের এই দিনে হিত্তিনের প্রান্তরে সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে এমন এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছিল, যার ফলেই দীর্ঘ ৮৮ বছর ক্রুসেডারদের দখলে থাকা পুনরুদ্ধারের পথ খুলে যায়। মাত্র কয়েক মাস পর জেরুজালেম আবার মুসলিমদের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে।
হিত্তিনের গল্প শুধু বিজয়ের নয়; এর আগে টানা ৮৮ বছরের পরাজয়েরও গল্প। প্রশ্ন হলো, কেন এত দীর্ঘ সময় বায়তুল মাকদিস মুসলমানদের হাতছাড়া ছিল? ইতিহাসের পাতা খুললে দেখা যায়, মুসলিম বিশ্ব তখন বিভক্ত। শাসকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল, ক্ষমতার লড়াই ছিল, ক্ষুদ্র স্বার্থ বড় লক্ষ্যকে আড়াল করে ফেলেছিল। বহিশত্রুর সাথে জিহাদের পরিবর্তে শাসকরা আত্মকলহেই বেশি মগ্ন ছিল। উম্মাহর সম্মিলিত শক্তি ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই ক্রুসেডাররা তাদের দখল টিকিয়ে রেখেছিল।
এরপর ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসে। সংস্কারের ধারা শুরু হয়, ঐক্যের ভিত্তি গড়ে ওঠে, নেতৃত্বে আসে দূরদর্শিতা, আর দীর্ঘ প্রস্তুতির পর হিত্তিনের বিজয় ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করে। তাই সালাহউদ্দীনের বিজয় এক দিনের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল বহু বছরের প্রস্তুতি, ত্যাগ, ধৈর্য ও ঐক্যের ফল।
আজও বায়তুল মাকদিসের বেদনা শেষ হয়নি। ইতিহাসের প্রেক্ষাপট বদলেছে, বিশ্বরাজনীতিও বদলেছে। তবু হিত্তিন আজও একটি চিরন্তন শিক্ষা দিয়ে যায়, ইসলামের আদর্শ পরিপূর্ণ ধারণ, ঐক্য, সুশৃঙ্খল প্রস্তুতি এবং আল্লাহর ওপর অবিচল ভরসাই পরিবর্তনের ভিত্তি।
হিত্তিনের বিজয়ের দিনে নিজেদেরও প্রশ্ন করা দরকার, আমরা কি সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিচ্ছি?
হাইলাইট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Opening Hours
| 09:00 - 17:00 |
