Health Problem & Solution

Health Problem & Solution

Share

Health Problem & Solution is one of the best health products for males and females in Bangladesh

23/10/2022

দেহঘড়ি ঠিকমতো পরিচালনার জন্য সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। বিভিন্ন অঙ্গসমূহের সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে খনিজ ও ভিটামিন। আর বিভিন্ন খনিজের মধ্যে ক্যালসিয়াম হচ্ছে এমন একটি উপাদান, যা আমাদের হাড় ও দাঁতের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

তবে এর বাইরেও পেশির কার্যকারিতার জন্যও ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। বয়স বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। আর এটির অভাবে বিভিন্ন অঙ্গ ঠিকমতো কাজ করতে না পারা ছাড়াও অস্টিওপোরোসিস, অস্টিওপেনিয়া এবং হাইপোক্যালসেমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

electromart-300x250
তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হচ্ছে কিনা সেটি নির্ণয় করা জরুরি। ৬ লক্ষণে বোঝা যায় শরীরে ক্যালসিয়াম ঘাটতি।

১. পেশতিতে সমস্যা
শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতিযুক্ত ব্যক্তিরা পেশি ব্যথা, ক্র্যাম্প এবং খিঁচুনি অনুভব করতে পারেন। হাঁটাহাঁটি বা নড়াচড়া করার সময় উরু ও বাহুতে ব্যথা ছাড়াও হাত, বাহু, পা ও মুখের চারপাশে অসাড়তাও অনুভব হতে পারে। এ ধরণের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ক্যালসিয়াম গ্রহন করা উচিৎ।

২. অতিরিক্ত ক্লান্তি
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে তা আপনার চরম ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং আপনার সব সময় অলসতা বোধ করাতে পারে। এটির কারণে অনিদ্রাও দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং ব্রেইন ফগও হতে পারে যেটি মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়া এবং বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।

৩. নখ ও ত্বকের সমস্যা
ক্যালসিয়ামের দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে তা ত্বক শুষ্ক, নখ ভঙ্গুর, চুল মোটা, একজিমা, ত্বকের প্রদাহ, ত্বকের চুলকানি এবং সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৪. অস্টিওপেনিয়া এবং অস্টিওপরোসিস
হাড় ক্যালসিয়াম ভালোভাবে সঞ্চয় করে। আর যখন শরীরে ক্যালসিয়ামের সামগ্রিক মাত্রা কম থাকে, তখন শরীর হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেয়। এ কারণে হাড় ভঙ্গুর এবং আঘাত প্রবণ হয়ে ওঠে।

এমনটা হতে থাকলে একসময় ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে অস্টিওপেনিয়া এবং পরে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। এমন হলে তা হাড়গুলোকে পাতলা করে তোলে এবং ফ্র্যাকচারের ঝুঁকিতে ফেলে।

৫. দাতেঁর সমস্যা
শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে তা দাঁতের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এর কারণে দাঁতের ক্ষয়, দাঁত ভঙ্গুর, মাড়ি খিটখিটে এবং দাঁতের শিকড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।

৬. বিষণ্ণতা
গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্যালসিয়ামের অভাব হলে তা হতাশাসহ মেজাজ খারাপ হওয়ার মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
পরামর্শ পেতেঃ ০১৭৩৩৪৯০০২৩

21/10/2022

অস্টিওপোরোসিস বা অস্টিওপোরেসিস (ইংরেজি: Osteoporosis) হল ক্যালসিয়াম এর অভাব জনিত একটা রোগ।অস্থির বৃদ্ধির জন্য চাই ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের সাধারণত এ রোগটা হয়ে থাকে। যেসব বয়স্ক পুরুষ বহুদিন যাবত স্টেরয়েড ঔষুধ সেবন করেন তাদের এবং মহিলাদের মেনোপস হবার পর এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি। তাছাড়া যারা অলস জীবন যাপন করে, পরিশ্রম কম করে তাদের এই রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে। আর যারা অনেক দিন ধরে আর্থ্রাইটিসে ভুগে তাদের ও এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

অস্টিওপোরোসিস,
OsteoCutout.png
অস্টিওপোরোসিস আক্রান্ত বৃদ্ধা্র মেরুদন্ডের কম্প্রেশন ফ্রাকচার পরবর্তী কার্ভড ব্যাক
উচ্চারণ
/ˌɒstioʊpəˈroʊsɪs/[১][২]
বিশেষত্ব
রিউমাটোলজি, অর্থোপেডিক্স।
লক্ষণ
হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি বৃদ্ধি [৩]
জটিলতা
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা[৩]
রোগের সূত্রপাত
বৃদ্ধাবস্থা [৩]
ঝুঁকির কারণ
মদ্যাসক্তি, অ্যানোরেক্সিয়া, হাইপারথাইরয়েডিজম, গ্যাসট্রোইন্টেস্টাইনাল ডিজিজ সমূহ, শল্যচিকিৎসা দ্বারা ডিম্বাশয় অপসারণ, কিডনীর অসুখ, ধূমপান, কিছু ওষুধের প্রভাব[৩]
রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি
বোন ডেনসিটি স্ক্যান[৪]
চিকিৎসা
পুষ্টিকর খাদ্য, ব্যায়াম, ফল প্রিভেনশন, ধূমপান বন্ধ করা[৩]
ঔষধ
বিসফসফোনেটসমূহ[৫][৬]
সংঘটনের হার
১৫% (৫০ এর ঘরে), ৭০% (৮০ বছরের ওপরে)[৭]
অস্টিওপরোসিস এমন একটি রোগ যেখানে হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙা র ঝুঁকি বেড়ে যায়। বয়ষ্ক মানুষদের মধ্যে হাড় ভাঙার সবচেয়ে সাধারণ কারণ এটি।[৩] যে হাড় সাধারণত বেশি ভাঙ্গে, তা হল মেরুদণ্ড এর মধ্যে কশেরুকার হাড়, হাতের হাড়, এবং কোমরের হাড়।[৮] হাড় না ভাঙা পর্যন্ত সাধারণত কোন উপসর্গ দেখা দেয় না। হাড় এতোটাই দুর্বল হয়ে যেতে পারে যে, সামান্য জোর দিলে বা এমনিই ভেঙ্গে যায়। হাড় ভাঙলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হতে পারে এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

স্বাভাবিক সর্বোচ্চ হাড়ের ভর এর তুলনায় কম ভর, এবং স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হাড়ের ক্ষয়ের কারণে অস্টিওপরোসিস হতে পারে। রজঃনিবৃত্তির পর ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যাবার জন্য হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি পায়। নানা রকম অসুখ ও চিকিৎসা, যথা মদাসক্তি, ক্ষুধাহীনতা, থাইরয়েড গ্রন্থির অতি সক্রিয়তা, কিডনি রোগ, এবং অস্ত্রোপচার করে ডিম্বাশয় অপসারণ এর কারণেও অস্টিওপরোসিস হতে পারে। কিছু কিছু ওষুধ, যেমন, কিছু খিঁচুনি নিবারক ওষুধ, কর্কট রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু মিশ্র রাসায়নিক ওষুধ , পাকস্থলীর অম্ল নিবারক মিশ্র, অতিরিক্ত বিষন্নতা কাটানোর ওষুধ এবং নিজ শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আক্রমনকারী অস্বাভাবিক কিছু অসুখের ওষুধ হাড়ের ক্ষয়ের হার বৃদ্ধি করে। ধূমপান এবং খুব কম শারীরিক পরিশ্রমও ক্ষতির কারণ।তরুণ প্রাপ্তবয়স্কের হাড়ের ঘনত্ব ২.৫ মান বিচ্যুতি র নিচে হলে অস্টিওপরোসিস রোগ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এটি সাধারণত মাপা হয় দ্বারা দ্বি-শক্তি রঞ্জন রশ্মি শোষণমিতি দ্বারা।[৪]

শৈশবে সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং যে ওষুধগুলি হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি করে সেগুলি এড়িয়ে চলার চেষ্টাই অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধের উপায়।যাদের অস্টিওপরোসিস আছে, তাদের হাড় ভাঙ্গা প্রতিরোধ করার জন্য যা চাই তা হল ভাল খাদ্য, ব্যায়াম, এবং পতন প্রতিরোধ। জীবনধারায় পরিবর্তন, যেমন ধূমপান বন্ধ করা এবং মদ্যপান না করা, সাহায্য করতে পারে.যাদের অস্টিওপরোসিসের কারণে আগে হাড় ভাঙেছে হাড়ের ক্ষয় রোধক ওষুধ তাদের জন্য উপকারী। যাদের অস্টিওপরোসিস আছে কিন্তু আগে হাড় ভাঙেনি, তাদের জন্য এগুলি কম কার্যকরী।[৫][৬][৯] অন্যান্য অনেক ওষুধ কার্যকরী হতে পারে.[১০]

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্টিওপরোসিস আরো সার্বজনীন হয়ে দাঁড়ায়।৫০ বছর বয়সে প্রায় ১৫% শ্বেতাঙ্গ এবং ৮০ বছরের ওপরে ৭০% এই রোগে আক্রান্ত।[৭] পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে এটা আরো সাধারণ। উন্নত বিশ্বে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি উপর নির্ভর ক'রে, ২% থেকে ৮% পুরুষ এবং ৯%, ৩৮% নারী আক্রান্ত। উন্নয়নশীল বিশ্বে রোগের হার স্পষ্ট নয়।[১১] ২০১০ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর প্রায় ২২ মিলিয়ন নারী এবং ৫.৫ মিলিয়ন পুরুষের মধ্যে অস্টিওপরোসিস ছিল।[১২] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১০ সালে প্রায় আট মিলিয়ন নারী এবং এক থেকে দুই মিলিয়ন পুরুষের অস্টিওপরোসিস ছিল।[১৩][১৪] সাদা এবং এশিয়ান মানুষেরা অধিক ঝুঁকিতে আছে।"অস্টিওপরোসিস" শব্দটি এসেছে "ঝাঁঝরা হাড়" এর গ্রিক শব্দ থেকে।[১৫]
পরামর্শ পেতে যোগাযোগঃ০১৭৩৩৪৯০০২৩

20/10/2022

ম্যাকা পাউডার কী??

জৈবমাকা পাউডারক্যাফিনের জিটটার এবং ক্র্যাশ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে শক্তি জোগায়। মিষ্টি এবং ম্যাল্টি, ম্যাকা পাউডার স্মুডিজ, উষ্ণ পানীয়, ওটমিল এবং বেকড সামগ্রীতে সুস্বাদু।

এর সাথে আপনার শক্তি এবং সিস্টেমের ভারসাম্য বাড়ানজৈবমাকা পাউডার. মাকাপেরুভিয়ান অ্যান্ডিসের মিষ্টি, দুষ্ট স্বাদযুক্ত একটি শক্তিশালী মূল। 2003 সালে শুরু করে, নাভিটাজ অর্গানিক্স ম্যাকাকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে নিয়ে আসা প্রথম একজন। আমাদের মাকা সেরা পেরু থেকে সংগ্রহ করা হয়মাকা মূলএবং প্রচলিত কৃষিকাজ পদ্ধতি ব্যবহার করে চাষ করা হয়েছে। এটি কম তাপমাত্রা শুকানো হয় এবং এর অত্যাবশ্যক পুষ্টি সংরক্ষণের জন্য হালকাভাবে মিলিত হয়। প্রাচীন ইনকা যোদ্ধারা শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত, মাকা পাউডার অ্যাডাপটোজেন নামে বিরল একটি উদ্ভিদের গ্রুপের অন্তর্গত। একটি নির্দিষ্ট অঙ্গ বা সিস্টেমকে লক্ষ্য না করে অ্যাডাপ্টোজেনগুলি সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে উত্সাহিত করার জন্য শরীরকে ভারসাম্য রক্ষা করতে সহায়তা করে।

দক্ষিণ আমেরিকার পেরুভিয়ান অ্যান্ডিসের স্থানীয়। চীন, যেখানে ম্যাকার জন্য প্রধানত বৃদ্ধি: লিজিয়াং মাকা মানচিত্র, লা জিউজাইগৌ। মূলত এই জায়গাগুলিতে জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক অবস্থার ভূগর্ভস্থ জটিলতার স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে বলে চীন তিব্বত আলপাইন উদ্ভিদ এবং উপ-ক্রান্তীয় চিরসবুজ ব্রডলিয়াফ ফরেস্ট কনভার্জেন্স অঞ্চল গঠন করে।

Maca Powder

মৌলিক তথ্য:
পণ্যের নাম

ম্যাকা পাউডার

ল্যাটিন নাম

লেপিডিয়াম মায়েনি ওয়ালেপ

উৎপত্তি স্থল

ইউয়ানান চীন

অংশ ব্যবহৃত হয়েছে

রুট

নিষ্কাশন প্রকার

দ্রাবক নিষ্কাশন

সক্রিয় উপাদান

মাকা এক্সট্র্যাক্ট

পরীক্ষা পদ্ধতি

টিএলসি

বিশেষ উল্লেখ

10:1 20:1

প্রয়োগ

ম্যান স্বাস্থ্যসেবা পরিপূরক। ফার্মাসিউটিক্যাল

Maca Powder-1

মাকা গুঁড়া উপকারিতা :

1. এটি গ্রন্থি সিস্টেম সমর্থন করতে পারে;

2. এটি কাজের সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে;

৩.এটি লিবিডো এবং যৌন ক্রিয়াকলাপ প্রচার করে;

৪. শারীরিক শক্তি এবং ধৈর্য বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়;

৫. এটি মানসিক স্বচ্ছতা এবং একাগ্রতা প্রচারের কাজ করে;

6. স্ট্যামিনা সমর্থন করার উপর প্রভাবের মালিক এবং স্ট্রেসের প্রভাবগুলি বাফার করে।
It. এটি আলঝাইমার রোগ প্রতিরোধ ও বিপরীত করতে পারে
৮. অ্যান্টি-এজিং এবং এন্টি রিঙ্কেল।
9. ক্যান্সার বিরোধী, অ্যান্টি-প্রদাহ এবং অ্যান্টি-অ্যালার্জি কার্যকলাপ

মাকা পাউডার অ্যাপ্লিকেশন :

1. খাদ্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, ম্যাকা পাউডার একটি বার্ধক্য বিরোধী খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়;

২. স্বাস্থ্য খাদ্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা, মাকা পাউডার আফ্রোনিন হিসাবেও ব্যবহৃত হয়;

3. প্রয়োগ করা হয়েছেফার্মাসিউটিক্যাল ফিলডি, ম্যাকা পাউডার অঙ্গ ডিসপ্লেসিয়া, অকাল বীর্যপাত এবং পুরুষ পুরুষত্বহীনতার চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়।

যোগাযোগ করুন:

ফোন: +৮৮০১৭৩৩৪৯০০২৩

ইমেইলঃ [email protected]

গরম ট্যাগ: ম্যাকা পাউডার, ম্যাকা রুট পাউডার, সেরা ম্যাকা পাউডার, নির্মাতারা, সরবরাহকারী, কারখানা, পাইকারি, সেরা, দাম, কিনতে, বিক্রয়ের জন্য, বাল্ক
আগে: দামিয়ানা লিফ এক্সট্র্যাক্ট
Next2: যোহিম্বে ছাল নিষ্কাশন।

19/10/2022

মেটাবলিজম কি? মেটাবলিজমের কাজ কিঃ

মেটাবলিজম হল আপনার দেহের ক্যালোরি পোড়ানোর প্রক্রিয়া। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে খাবারের মধ্যে থাকা উপাদান শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। মেটাবলিজম বা বিপাক একটি মেডিকেল পরিভাষা, যা সম্মিলিতভাবে আপনার শরীরের সমস্ত রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে বুঝায়। আপনার মেটাবলিজম যত দ্রুত বা গতিশীল হবে, আপনার শরীর তত বেশি ক্যালরি হজম বা বার্ন করে শক্তি অর্জন করার উপযোগি হবে। অর্থাৎ, আমাদের শরীরের যন্ত্রগুলিকে চালু রাখতে প্রতিদিন যে প্রক্রিয়ার সাহায্যে শক্তি তৈরি এবং ব্যয় হয় তাই হল মেটাবলিজম। আর শরীরকে টিকিয়ে রাখার জন্য যে পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন, তাই হল আমাদের মেটাবলিজম এর হার। তবে মেটাবলিজমের মাত্রা কতোটা হবে তা বয়স, শরীরের ওজন ও জিনের উপরে নির্ভর করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মেটাবলিজমের মাধ্যমে ক্যালোরি বার্ন হয়। মেটাবলিজম বেশি হলে বেশি ক্যালোরি বার্ন হয়, খাদ্য দ্রুত হজম হয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং শরীরে মেদ বা চর্বি জমতে পারে না। আরো সহজ করে বললে, মেটাবলিজম ভাল হলে শরীরে মেদ বা চর্বি কমে কিন্তু শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর মেটাবলিজম কম হলে কম শক্তি উৎপাদিত হয় এবং শরীরে মেদ জমা হতে থাকে। যাদের মেটাবলিজম শক্তি কম তারা যতই কম খাওয়াদাওয়া করুক না কেন, তাদের ওজন বাড়তে থাকবে।

যাদের শরীরে পেশির পরিমাণ বেশি আর মেদ কম, মেদবহুল মোটা গড়নের ব্যক্তিদের তুলনায় তাদের মেটাবলিজম অনেক বেশি। কারণ, ফ্যাটের চেয়ে পেশিগুলিকে সচল রাখতে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় হয়। আমরা আমাদের খাবারের মাধ্যমে যে পরিমাণ শক্তি পেলাম, যদি আমাদের শরীরযন্ত্রকে চালু রাখতে তার চেয়ে কম শক্তি খরচ হয়, তাহলে এই বাড়তি শক্তি মেদ বা চর্বি হয়ে শরীরের ভেতরে বাইরে নানা জায়গায় জমতে থাকে। আর যদি যতটা শক্তি পেলাম সারাদিনে তার চেয়ে বেশি শক্তি খরচ হয় তাহলে শরীরের ভিতরে জমে থাকা মেদ ঝরে যেতে থাকে। কারণ, শরীর ধীরে ধীরে জমে থাকা বাড়তি মেদ বা ফ্যাট থেকে এই শক্তি জোগাড় করে নেয়।

বিশ্রামে থাকলে কম শক্তি ব্যয় হয়। আর ব্যায়াম বা পরিশ্রমের কাজ করলে বেশি শক্তি ব্যয় হয়। এ কারণে বলা হয়, শরীরচর্চা করলে মেটাবলিজম প্রক্রিয়া অনেক উন্নত হয়, শরীরের বাড়তি ওজনও ঝরে যায় ও শরীর সুস্থ থাকে।

মেটাবলিজমের কারণে প্রাণিদেহ টিকে থাকে ও বেড়ে ওঠে। দেহের গঠন ঠিক থাকে, পুনরুৎপাদনে সক্ষম হয় এবং পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। বয়স ও লিঙ্গভেদে মেটাবলিজমের হার ভিন্ন হয়। এমনকি ওজনও মেটাবলিজমের হার ঠিক করে দেয়। স্বাস্থ্যকর মেটাবলিজম যথাযথ পুষ্টির ওপর নির্ভর করে।

মেটাবলিজমের প্রধান তিনটা উদ্দেশ্য হলো:

১. খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা।

২. প্রোটিন, লিপিড, নিউক্লিক এসিড ও কিছু শর্করা ধরনের খাদ্যকে দেহ গঠনের ব্লকে পরিবর্তিত করা; এবং

৩. দেহ থেকে নাইট্রোজেন ধরনের উপাদানকে বর্জ্য হিসাবে অপসারিত করা।



মেটাবলিক রেট বা বিপাকিয় হার

মেটাবলিজম হল আপনার কেমিকেল ইঞ্জিন যা আপনাকে জীবন্ত রাখে। মেটাবলিজমের গতি একেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। যাদের মেটাবলিজমের গতি কম তাদের শেষ ভাগের জ্বালানি (ক্যালরি) চর্বি হিসেবে শরীরে জমা হতে থাকে। অন্যদিকে, যাদের মেটাবলিজম গতি বেশি, তারা বেশি পরিমাণ ক্যালরি বার্ন করতে পারে এবং তাদের শরীরে চর্বি জমার সম্ভাবনা কম থাকে। এই কারণেই কিছু মানুষকে দেখা যায়, যারা প্রচুর খাদ্য গ্রহন করতে পারে, অথচ তাদের শরীরে কোন চর্বি জমা হয় না। অন্যদিকে কম খাওয়ার পরও অনেককে মোটা হতে দেখা যায়।

মেটাবলিজমের গতিই সাধারণভাবে মেটাবলিক রেট হিসেবে পরিচিত। এটি হল একটি নির্দিষ্ট সময়ে আপনি কতটা ক্যালরি বার্ন করতে পারেন তার পরিমাণ। এটি ক্যালরি খরচ নামেও পরিচিত। তবে মেটাবলিজমের মাত্রা কতোটা হবে তা বয়স, শরীরের ওজন ও জিনের উপরে নির্ভর করে।

মেটাবলিক রেটকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

ব্যাসাল মেটাবলিক রেট মৌলিক বিপাকিয় হার: আপনি যখন ঘুমিয়ে থাকেন বা গভীর বিশ্রামে থাকেন এটি হল তখনকার মেটাবলিক রেট। এটা ঠিক করে আপনার শরীরের ম্যাক্সিমাম ক্যালরি খরচের জন্য কত মিনিমাম শক্তির দরকার হবে। এই রেট অনুযায়ী বেঁচে থাকার জন্য আপনি প্রতিদিন দেহের ৪০ থেকে ৭০ পার্সেন্ট শক্তি খরচ করেন। এটি হল মিনিমাম বা সর্বনিম্ন মেটাবলিক রেট, যা আপনার শরীর উষ্ণ রাখা, লাঙ্স ব্রিথিং, হার্ট পাম্পিং এবং ব্রেইন সচল রাখার জন্য একান্তভাবে প্রয়োজন। মেটাবলিজমের এই হার আপনার জীবন যাপনের ধরনের ওপরও নির্ভর করে; আপনি কতটা সক্রিয় তার ওপর। কেউ যদি বলে আপনার মেটাবলিজম কম - এর অর্থ হচ্ছে আপনার বিএমআর কম।

বিশ্রামের বিপাকীয় হার বা জবংঃরহম সবঃধনড়ষরপ ৎধঃব (জগজ): এটিও বিশ্রামে থাকাকালীন সর্বনিম্ন বিপাকীয় হার, যা আপনার বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন হার। এতে মোট ক্যালরির ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ খরচ ধরা হয়।

খাদ্যে তাপীয় প্রভাব বা ঞযবৎসরপ বভভবপঃ ড়ভ ভড়ড়ফ (ঞঊঋ): শরীরে খাদ্য পরিপাক এবং প্রক্রিয়াকরণের সময় ক্যালোরি বার্নের পরিমাণ বের করাই হল খাদ্যে থার্মিক বা তাপীয় প্রভাব।

থার্মিক ইফেক্ট অব এক্সারসাইজ (ঞঊঊ) : শরীর চর্চার সময় ক্যালরি পোড়ানোর পরিমাণ নির্ণয়।

শরীর চর্চা বহির্ভুত শারীরিক কার্যকলাপ বা ঘড়হ-বীবৎপরংব ধপঃরারঃু ঃযবৎসড়মবহবংরং (ঘঊঅঞ) : শরীরচর্চা ব্যতিত অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা কতটুকু ক্যালরি বার্ন হয় তা নিরূপন এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে চঞ্চলতা, অস্থিরতা, অঙ্গভঙ্গির পরিবর্তন, দাঁড়ানো এবং হাঁটা-চলাও রয়েছে।

সারাংশ: মেটাবলিক রেট বা বিপাকীয় হার শরীরের ক্যালোরি খরচের হিসাব নামে পরিচিত। এটা হল একটি নির্দিষ্ট সময়ে শরীরের ক্যালোরি পোড়ানোর সংখ্যা বা পরিমাণ।



যেসব বিষয় মেটাবলিজম নির্ধারণ করে



বেশ কিছু বিষয় আপনার মেটাবলিক রেটকে প্রভাবিত করে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আমরা এখানে আলোচনা করছি:

বয়স: বয়স খুব গুরুত্বপূর্ণ। বয়স যত বাড়তে থাকে মেটাবলিজমের হার তত কমতে থাকে। ৪০ বছর বয়সের পরে প্রতি ১০ বছরে মেটাবলিজম ৫ পার্সেন্ট করে কমতে থাকে। এই কারণে বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরে চর্বি জমতে থাকে এবং পেশীর ভর কমে যায়।

লিঙ্গ: পুরুষের মাসলের ভর নারীর মাসলের ভরের চেয়ে বেশি এবং পুরুষের দ্রুত ক্যালরি খরচ হয়। সন্তান ধারণের পরে নারীদের মেটাবলিজমের হার বেশ কমে যায় এবং বেবি ফ্যাট থেকে যায়।

মাংস-পেশির ভর: আপনার শরীরে মাংস-পেশির ভর বা আধিক্য যত বেশি হবে, তত বেশি আপনি ক্যালরি বার্ন করতে পারবেন। তাই শরীরে চর্বির পরিবর্তে মাংস-পেশি বাড়ানোর বিষয়ে বেশি যত্নবান হোন।

শরীরের আকার: যারা যত বেশি দীর্ঘদেহি তারা তত বেশি ক্যালরি বার্ন করতে পারেন।

পরিবেশের তাপমাত্রা: ঠাণ্ডা পরিবেশ ক্যালরি বার্ন করার সহায়ক। আপনার শরীরে যত বেশি ঠাণ্ডা লাগবে ততই শরীর ক্যালরি বার্ন করে ঠাণ্ডার হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করবে। তাই উষ্ণ তাপমাত্রার চেয়ে অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা তাপমাত্রা শরীর-স্বাস্থ্যের এবং ক্যালরি বার্নের পক্ষে ভাল।

কায়িক পরিশ্রম: কায়িক পরিশ্রমে ক্যালরি বার্ন হয়। যত বেশি কায়িক পরিশ্রম করবেন তত বেশি আপনার ক্যালরি বার্ন হবে এবং মেটাবলিক রেট ও গতি বাড়বে।

হরমোনের ঘাটতি: হরমোনের ঘাটতি বিশেষ করে Cushing syndrome and hypothyroidism মেটাবলিক রেট স্লো করে এবং ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ায়।



মেটাবলিজমের সাথে দেহের পুষ্টি উপাদানের মধ্যকার সম্পর্ক

পুষ্টি ছাড়া আমাদের দেহের পুষ্টি উপাদান অর্থাৎ ডিএনএ ও আরএনএ এই নিউক্লিক এসিডগুলি ভাঙবে না। মেটাবলিজম এগুলি ভাঙতে সহায়তা করে ও এগুলি ভেঙে শক্তি উৎপাদন করে। শরীরের কী পরিমাণ পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন তা নির্ধারণ করে মেটাবলিজম।

১. মেটাবলিজম ও শর্করা : শরীরের শক্তি উৎপাদন করে শর্করা। আমরা প্রতিদিন যে স্টার্চ, সুগার ও সেলুলোজ খাই তা থেকে আমরা শক্তি পেয়ে থাকি। মেটাবলিজম এই পুষ্টি উপাদানগুলিকে ভেঙে ফেলে ও প্রতিদিনের শক্তি সরবরাহ করে।

ভাত, রুটি, পাউরুটি, আলু, সেরেয়াল ইত্যাদি খাবারের মাধ্যমে মানুষ শর্করা পায়। গ্লুকোজ হল শরীরের শক্তির প্রধান উৎস, মেটাবোলাইজোশ স্টার্চ ও সুগার থেকে এই গ্লুকোজ তৈরি হয়। খাবার হজমের পরে এই প্রক্রিয়া ঘটে।

২. মেটাবলিজম ও আমিষ: আমাদের দেহের পেশী ও টিস্যু গঠনের জন্য আমিষ বা প্রোটিন দরকারি। প্রোটিন শরীরের কোষের খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রোটিন হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। রক্তপ্রবাহে অক্সিজেন, ডিএনএ ও নাইট্রোজেন পরিবহনের জন্য প্রোটিনের ভূমিকা প্রধান। প্রোটিনে অ্যামিনো এসিড থাকে। খাবার থেকে আমরা যেসব অ্যামিনো এসিড পেয়ে থাকিতা হচ্ছে:

● ভ্যালাইন

● ট্রাইপটোফান

● মেথিওনিন

● লুসিয়েন

● আইসোলিউসিন

● ফেনাইল্যাল্যানিন

● থেরোনিন

● লাইসিন

৩. মেটাবলিজম ও ফ্যাট: প্রোটিন ও শর্করার দুই গুণ শক্তি উৎপাদন করে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বা ওমেগা-৩ শরীরের জন্য খুবই দরকারি। কোষের গঠন তৈরি ছাড়াও দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে রক্ষা করে ফ্যাট। ফ্যাট বা চর্বি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয় করে। ফ্যাটে দ্রবণীয় বিভিন্ন ভিটামিন শরীরে শোষিত হয় ফ্যাটের মাধ্যমে। শরীরের মেটাবলিক ফাংশন যথাযথ রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খুব দরকার। আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট হল স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যেমন, আরাকিডনিক ও লিনোলেইক ফ্যাট।

৪. মেটাবলিজম এবং ভিটামিন ও মিনারেল: শরীরের বিভিন্ন ফাংশন নিয়ন্ত্রণের জন্য মিনারেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন খাবার থেকে যে মিনারেল পাওয়া যায় তা সরাসরি শক্তির জন্য ব্যবহৃত না হলেও মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় মিনারেলের গুরুত্ব অনেক। কিছু মিনারেলের অভাবে শরীরের নিয়মিত ফাংশনে বিঘœ ঘটে। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মিনারেলগুলি হল:

● আয়োডিন

● ক্যালসিয়াম

● ফসফরাস

● আয়রন

● সোডিয়াম

● ক্লোরাইড আয়ন

● পটাসিয়াম

● কোবাল্ট

● কপার

● ম্যাঙ্গানিজ

● ম্যাগনেসিয়াম

● জিঙ্ক

● ফ্লুরিন
শরীরে মেটাবলিজম বৃদ্ধির একটা উল্লেখযোগ্য ফুড সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে (বি পলিন)
মোবাঃ ০১৭৩৩৪৯০০২৩।

17/10/2022

আপনি কী আপনার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত? ১ মাসে ১০-১২ কেজি ওজন কমানোর ওপেন চ্যালেন্ঞ্জ।

Category

Address

Notun Bazar, Vatara
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Problem & Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.