HM Abdul Kayium.1

HM Abdul Kayium.1

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HM Abdul Kayium.1, Beauty, cosmetic & personal care, বসুন্ধরা, Dhaka.

07/09/2026

দের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা। এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে-'বরকত' বলতে কিছুই নেই।

তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো? লোকটি বলল, জি দেখেছি। শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?

লোকটি বললো, কুকুর।
শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল? লোকটি বললো, ছাগল।

শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন,
ছাগলকে মানুষ খায়, কোরবানির সময় কত ছাগল কোরবান করা হয়, এরপর ও ছাগলের সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না। এর রহস্য কি বলে মনে হয় তোমার?

লোকটি জিজ্ঞাসা করলো- কি রহস্য শায়খ?
শায়খ বললেন- একবার ভেবে দেখো, এটা কি বরকত নয়?

লোকটি বললো, তাহলে এর কারণ কি যে ছাগলের মধ্যে বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?

শায়খ বললেন, এর কারণ হলো ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়। আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।

একটু চিন্তার বিষয়, নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো-এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।

আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা যখন শুনেন মসজিদের ফজরের আজান হচ্ছে, ঠিক তখনই তারা ঘুমাতে যান। তাদের মনে হয় হায়রে, ঘুমের সময় হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের এটা মনে হয় না, আজানটা যখন হয়েই গেছে, নামাজটা পড়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?

আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই আর ভাবি -আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেন?

কিন্তু যখন আমাদের হাতে মোবাইল ছিল না, তখন সময়টা এমন ছিল না। আগের দিনের মানুষ সন্ধ্যার একটু পর পর সাত আটটার দিকে ঘুমিয়ে যেত। স্বামী স্ত্রী রাতে ঘুমানোর আগে অনেক গল্প করতেন। অনেক লম্বা একটা সময় ঘুমানোর পরে তাদের ভোর পাঁচটার দিকে উঠতে কোন সমস্যা হতো না। ভোর বেলায় তারা খেতে খামারে কাজ করতে চলে যেত। দুপুরের মধ্যেই কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরত। তারপর বউ বাচ্চাদের সাথে সময় কাঁটাতে পারতো। কিন্তু এখন আমাদের আর সেই সুযোগ হয় না। ঘুমের সময় ছাড়া আমরা আর কেউ বাসায় থাকি না। শুধু কাজ আর কাজ। আমাদের সামাজিক বন্ধন ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে। নারীরা তাদের সঙ্গীর কাছে সময় ভিক্ষা চাইছেন, পুরুষেরাও তাদের নারীর কাছে। কিন্তু কেউ কাউকে সময় দিতে পারছেন না।

তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, তিনি আমাদের দোয়া কবুল করবেন এবং কাজকর্মে বরকত দিবেন, ইনশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন, আল্লাহুম্মা আমিন।

03/09/2026
30/08/2026

ইনবক্স থেকে পাওয়া এক ভাইয়ের দোয়া কবুলের গল্প।

হাল ছেড়ো না—আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো 🤍

আলহামদুলিল্লাহ—২০২৬ সালের দাখিল (SSC সমমান) পরীক্ষায় আমার ফলাফল ৪.৪৪ GPA।

আমার জন্য এই পরীক্ষার যাত্রাটা মোটেও সহজ ছিল না। সত্যি বলতে, পুরো বছর আমি নিয়মিতভাবে পড়াশোনা করতে পারিনি। পরীক্ষার মাত্র এক-দুই মাস আগে বুঝতে পারলাম—সময় খুব কম, আমাকে এখনই পরিশ্রম করতে হবে। তখন নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে পড়াশোনা শুরু করলাম।

আলহামদুলিল্লাহ, পরীক্ষার সময়ও আমি হাল ছাড়িনি। প্রায় প্রতিটি পরীক্ষাই ভালোভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে গণিত এবং কৃষি বিষয়ে MCQ পরীক্ষা আমার আশানুরূপ হয়নি। তখন ভয় আর দুশ্চিন্তা আমাকে ঘিরে ধরেছিল। মনে হচ্ছিল, এত পরিশ্রমের পরও যদি ফলাফল ভালো না হয়?

কিন্তু আমি একটা বিষয় আঁকড়ে ধরেছিলাম—আল্লাহর ওপর ভরসা।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকে ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত আমি অনেক দুশ্চিন্তা করেছি। কিন্তু সেই দুশ্চিন্তার মধ্যেও আল্লাহর কাছে বারবার ফিরে গিয়েছি। বেশি বেশি দোয়া করেছি, তওবা করেছি, ইস্তিগফার করেছি, তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করেছি। রাতের শেষ প্রহরে আল্লাহর কাছে নিজের মনের কথা বলেছি, কেঁদেছি এবং বলেছি—

“হে আল্লাহ, আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছি। এখন আমার ফলাফল আপনার হাতে। আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না।”

আমি বিশ্বাস করতাম, মানুষ চেষ্টা করে; কিন্তু ফলাফল দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।

আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন—

“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
—সূরা গাফির, ৪০:৬০

অবশেষে সেই অপেক্ষার দিন এলো। ফলাফল প্রকাশ হলো। ভয়ে ভয়ে ফলাফল দেখলাম।

আলহামদুলিল্লাহ! GPA 4.44। ❤️

হয়তো এটা সবার কাছে অসাধারণ কোনো ফলাফল নয়। কিন্তু আমার কাছে এটা অনেক বড় একটি নিয়ামত। কারণ এই ফলাফলের পেছনে আছে আমার অল্প সময়ের পরিশ্রম, অসংখ্য দুশ্চিন্তার রাত, তাহাজ্জুদের অশ্রু, ইস্তিগফার, দোয়া এবং সর্বোপরি আল্লাহর রহমত।

এই অভিজ্ঞতা আমাকে একটা বিষয় শিখিয়েছে—

জীবনে কখনো হাল ছেড়ে দিও না।

তুমি হয়তো মনে করছো, তোমার পড়াশোনা ঠিকমতো হয়নি। হয়তো পরীক্ষার কোনো বিষয় খারাপ হয়েছে। হয়তো মনে হচ্ছে তোমার ফলাফল ভালো হবে না। কিন্তু মনে রেখো—একটি পরীক্ষা তোমার পুরো জীবন নির্ধারণ করে না।

চেষ্টা করো। নিজের সর্বোচ্চটা দাও। আর যখন তোমার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করা হয়ে যাবে, তখন ফলাফলটা আল
দ্বীনি পোস্ট পেতে
HM Abdul Kayium.1 ফলো দিতে পারেন

26/08/2026

ইনবক্স থেকে পাওয়া এক আপুর দোয়া কবুলের গল্প।

আমার বিয়ে হয়েছে আজকে ৯বছর। আমার বিয়ের শুরুতে আমাদের মধ্যে বনিবনা হত না।প্রায়ই জগড়া লাগতো।সে আমাকে কখনো গুরুত্ব দিত না। সবার সামনে সবসময় ছোট করে কথা বলতো। সবাই তাই আমাকে হালকাভাবে নিত।বাপের বাড়ির লোকজন আমাকে তাবিজ কবজ করার পরামর্শ দিতো।কিন্তু আমি এই সবে কখনো বিশ্বাস আনি নি।আমি নিজের মনকে বলতাম কাউকে যদি তাবিজ করে পাইতে হয় তাহলে কি এইটা ভালোবাসা।আর আমি তো এইসব করে তার মনে ঢুকতে পারবো না।লাভ কি।

আমার মা বলতো সবসময় নামাজে বলবি আল্লাহ ওকে আমার মনের মতো করে দাও আমাকে ওর মনের মতো করে দাও।আমি সবসময় এইটা বলতাম নামাজে। এইভাবে করতে করতে প্রায় ৬ বছর কেটে যায় আমার স্বামির একটা রোগ ধরা পড়ে।তখন সে দেখে তার ওই কঠিন সময় টাতে আমি ছাড়া কেউ নাই পাশে।সবাই আছে ওনার খোজ নেওয়ার কিন্তু ওনার সেবা করার কেউ নেই।আমার তখন ২ টা জমজ বাচ্চা।সবকিছু মিলিয়ে দিনরাত খাটতাম অবশেষে সেও সুস্থ হলো।আর আমার কাছে অনেক ক্ষমা চাইছে।আর এখন আমি ওনার জিবনে এমন মানুষ।যার প্রায়োরিটি ওনার জিবনে সবার আগে।সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ কে দরে থাকলে আল্লাহ সবকিছুর ভালো ফল দেন।আমার বিশ্বাস হয়ত আল্লাহর কাছে আমার দোয়া কবুল হয়েছে।অনেক ভালো আছি এখন।

বিঃ দ্রঃ আপনাদের দোয়া কবুলের গল্পগুলো চাইলে ইনবক্সে শেয়ার করতে পারেন।

পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং ফলো করে সাথে থাকুন।

#দোয়া_কবুলের_গল্প

18/08/2026

ইনবক্স থেকে পাওয়া এক ভাইয়ের দোয়া কবুলের গল্প।

আসসালামু আলাইকুম।
আমি 2026 সালের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী। আমার নাম মাহিন হাসান। কুমিল্লা বোর্ডের একজন শিক্ষার্থী। অনেক আগে থেকে আমি চাইতাম যাতে আমি এসএসসি পরীক্ষায় এ+ পাই। কিন্তু ক্লাস 10 এ ওঠার পর তেমন ভাবে পড়াশুনা হয় নি আমার। এমন কি আমি আমার অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় রসায়নে ফেইল করি। তবে টেস্ট পরীক্ষার পর আমি আমার পড়াশুনায় হালকা মনোযোগ দিতে শুরু করি। তবে এগুলো কারো কাছে বলতাম নাহ। মানুষদের বলতাম যে কোনো মতে পাস করলেই হলো। নিজের মধ্যে যা ঘাটতি ছিল সব পূরণ করতে শুরু করি। আর সব সময় শুধু এটাই চাইতাম আল্লাহর কাছে যাতে আমাকে GPA-৫ দান করে। এভাবে আমার এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম পরীক্ষা ছিল বাংলা ১ম। বাংলা প্রথম পরীক্ষায় আমার মাত্র ১৩ তার মতো mcq হয়। প্রথম পরীক্ষা দেওয়ার পরই আমি হতাশ হয়ে পড়ি। বাংলা ২য় পরীক্ষায় ১৯ তার মতো হয়েছে কিন্তু ২ টা মিলে A+ আসে না কোনোভাবেই। আমি অনেক তাই ভেঙে পরি তখন। তারপর ইংরেজি ১ম আর ২য় পরীক্ষা এটার থেকে ও খারাপ হয়। আমি হাল ছাড়িনি। ভাবলাম যে বাকি গুলো তে A+ পেলে GPA-5 চলে আসবে। তারপর আল্লাহর রহমতে প্রত্যেকটা এক্সাম ভালো হয়। শেষে আমার ২ টা পরীক্ষা বাকি ছিল উচ্চতর গণিত আর জীববিজ্ঞান। উচ্চতর গণিতে mcq ভালো হলেও সৃজনশীল অনেক খারাপ হয় আর জীববিজ্ঞানে ২ টাই খারাপ হয়। জীববিজ্ঞান আমার মাত্র ৮ টা এমসিকিউ হয়। আমার আর কোনো চান্স ছিল নাহ। উচ্চতর গণিতে আমার হিসেবে 78 আছে। কোনো ভাবেই 80 আসে নাহ। আর জীববিজ্ঞানে তো 70ই আসে নাহ। আগেই ৪ টা তে খারাপ হয়েছে আবার এখন ২ টা। এখন আর কোনো উপায় ছিল নাহ আমার কাছে। তখন আল্লাহ ছিল একমাত্র ভরসা। গোপনে আল্লাহর কাছে চাইতে শুরু করি। সব সময় দোয়া ইস্তেগফার পড়তাম, একা থাকলে আল্লাহর কাছে চাইতাম, গাড়িতে উঠলে মনে মনে বলতাম।

মাঝ রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ত আমি একা একা মুনাজাত করতাম আল্লাহর কাছে। যেন একটা মিরাক্কেল হয়। মানুষ কিছু জিজ্ঞাস করলে বলতাম যে কোনো মতে পাস করবো। তবে মনে মনে আরেক কথাই ছিল। রেজাল্ট এর আগের দিন আমার চিন্তা আরো বেড়ে যায়। A+ পেলে আব্বু - আম্মু, আমার ভাই এর সম্মান অনেক বেড়ে যাবে। তারা গর্বিত অনুভব করবে। জাস্ট এগুলোই ভাবতাম। ওই রাত আমি ঘুমাইতে পারি নি তেমন শুধু বলতাম যে আল্লাহ তুমি চাইলে তো সব এ সম্ভব তুমি কিছু একটা করো। সকাল ১০ তার দিকে আমার রেজাল্ট প্রকাশিত হয়। রেজাল্ট এর আগে ও আল্লাহর কাছে চাইছি দোয়া করেছি। যখন রেজাল্ট দেখলাম আলহামদুলিল্লাহ্ আমার GPA-5 আসছে।

যেখানে আমি উচ্চতর গণিতে ১০-১২ বার চেক করে ও ৭৮ এর বেশি আসে নাহ সেখানে আমার আসছে ৮৩(A+)। ইংলিশে আমি ১৪০(A) পাই । যেখানে আমি ধরে রেখেছিলাম ১২০(A-)। জীববিজ্ঞানে আমি ধরে রেখেছিলাম ৬০(A-) কিন্তু আসছে ৭০(A)। সব মিলিয়ে আমার GPA-5 আসে। আলহামদুলিল্লাহ্। আমি রেজাল্ট দেখার আমার সাড়া শরীর কাপতেছিল। আমি জানেন এখন ও ভাবি। ইংরেজিতে যদি আমি ১৪০ না পেয়ে ১ নম্বর কম অর্থাৎ ১৩৯ পেতাম বা জীববিজ্ঞানে ৭০ না পেয়ে ১ নম্বর কম অর্থাৎ ৬৯ পেতাম আমার GPA-5 মিস হয়ে যেতো। আল্লাহ আমারে কিভাবে রক্ষা করছে কিভাবে আমার ফল দিয়েছে সেটা ভাবলেই আমার অবাক লাগে। আমার শিক্ষক দের মধ্যে অনেকই ভাবি নি যে আমি A+ পাবো। আমার আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে শিক্ষক, আমার আব্বু আম্মু আমার ভাই সবাই অনেক খুশি হয়েছে। রাস্তা ঘাটে গেলে মানুষ শুভেচ্ছা জানায় অভিনন্দন জানায়। আল্লাহ আমাকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। তার কাছে যতই শুকরিয়া আদায় করি সেটা কম হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ্। এভাবেই যেন তিনি আমার, আমাদের সবার প্রত্যেকটা ইচ্ছা পূরণ করেন। - আমিন

বিঃ দ্রঃ আপনাদের দোয়া কবুলের গল্পগুলো চাইলে ইনবক্সে শেয়ার করতে পারেন।

পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং ফলো করে সাথে থাকুন।

#দোয়া_কবুলের_গল্প

Website

Address

বসুন্ধরা
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HM Abdul Kayium.1 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.