Wafaa Homeo

Wafaa Homeo

Share

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক

15/09/2026

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে উচ্চ তাপমাত্রা রোধ করতে শরীর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুছে দিতে হবে। শরীর বেশি ঠান্ডা মনে হলে খাবার স্যালাইন দিতে হবে। হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে দ্রম্নত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। তাকে পূর্ণ বিশ্রামে রেখে বেশি করে পানি খেতে দিতে হবে।

· চিকিৎসা ঃ- ডেঙ্গু জ্বরের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ হলো ইউপেটোরিয়াম পারফোলিয়েটাম (Eupatorium perfoliatum)। এই হোমিও ঔষধটি এমন একটি গাছের রস থেকে তৈরী করা হয়, যেই গাছের আঞ্চলিক নাম হলো বোনসেট (Bone set) বা হাড় জোড়া লাগানো। এখানে লক্ষ্য করার মতো একটি ইন্টারেস্টিং ব্যাপার এই যে, জ্বরের নাম হাড়ভাঙ্গা এবং তার ঔষধি গাছটির নাম হাড়জোড়া। ঔষধটি একই সঙ্গে ডেঙ্গু জ্বরের ঔষধ এবং ডেঙ্গু জ্বরের টিকা বা প্রতিষেধক (Vaccine) হিসাবে কাজ করে। ডেঙ্গু জ্বরে ইউপেটোরিয়াম পারফো খেতে পারলে আর অন্য কোন ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে অন্য কোন ঔষধের সাথে খেলেও ইহার একশানে কোন বাধা পড়বে না। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সিজনাল ভাইরাস জ্বর ইত্যাদি যে-কোন নামের জ্বরই হউক না কেন, এই ঔষধটি খেয়ে দারুণ উপকার পাবেন যদি তাতে প্রচণ্ড শরীর ব্যথা থাকে। অর্থাৎ প্রচণ্ড শরীর ব্যথাযুক্ত যে-কোন জ্বরে এটি প্রযোজ্য। তাছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে এই ঔষধটি সেবন করলে স্বাভাবিক ডেঙ্গু জ্বরকে রক্তক্ষরণযুক্ত ডেঙ্গু জ্বরে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এটি ৩০ অথবা ২০০ শক্তিতে রোজ কমপক্ষে তিনবেলা করে খান (১ ফোটা অথবা ৫টি বড়ি)। অন্যদিকে চামড়ার নীচে রক্তক্ষরণ শুরু হলে বা রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে Phosphorus ঔষধটি তিনবেলা করে খান । লক্ষণে মিল থাকলে Crotalus horridus অথবা Lachesis ঔষধটিও একই নিয়মে খেতে পারেন । লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ প্রয়োগ করতে পারলে আর রক্ত দেওয়া লাগবে না, হোমিও ঔষধের যাদুতেই রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে; ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া লক্ষণভেদে একোনাইট, বেলেডোনা, ব্রায়োনিয়া, রাসটক্স, ইউপেটেরিয়াম পার্ফ, আর্সেনিক অ্যালবাম, কার্বোভেজ, ইপিকাক, বাক্স, সালফারসহ আরো অনেক ওষুধ ব্যাবহৃত হতে পারে, তাই ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে হলে অভিজ্ঞ হোমিওচিকিৎসকের পরামর্শ

15/09/2026

পুরুষের হরমোন বৃদ্ধি জন্য বীর্য পাত এর সমস্যা দূর করবে।

খাবারের নিয়ম।

Asvagandha mother tincture

খাবারের নিয়ম। ১০ ফোঁটা করে দিনে তিনবার খাবারের পরে সেব্য

Majoon mughallz

খাবারের নিয়ম। ২ চামচ করে দিনে ২/৩ বার খাবারের পরে সেব্য।

15/09/2026

পুরাতন একটি কেস শেয়ার করি।
মার্চ মাসেের কেস হবে।

একজন গার্মেন্টস কর্মি আসলেন ওনার মূল সমস্যা ছিল প্রচন্ড দূর্বলতা, কালচে মল ( আলকাতরার মত মল)
প্রচন্ড গন্ধ হয় মলে। মুখে বাজে গন্ধ, ঘামে ও গন্ধ হয়।
দিনে দিনে ওজন কমে যাচ্ছে।
চেহারা কেমন জানি রোগা এবং হাবাগোবা টাইপের হয়ে গেছে, মুখ দেখলেই মনে হবে অনেক বছরের রোগি।
মাঝে মাঝে জ্বর আসে এবং বেশ তাপ থাকে।
মাঝে কিছু দিন বমি হয়েছিলো,
বমিতে বাজে গন্ধ হয় দুই একবার রক্ত ও গিয়েছিলো।
এমনিতে পেটে কোন সমস্যা নাই ব্যথা নাই, এসিডিটি ও নাই খুব একটা।

রোগিকে বললাম একটি এন্ডোসিকপি করেন।
রাজি হলো না, অনেক বুঝিয়ে রাজি করলাম।

যা ভেবেছিলাম তাই হলো, ভদ্রলোকের ডিউডেনামে আলসার বা ঘা আছে, এটি এতটাই বিস্তার করেছে আর একটু হলে পারফুরেশন বা ছিদ্র হয়ে যাবে।

কথা হলো এত বড় আলসার পেইন নাই 🤔🤔🤔

পেইন না হবার পিছনে কারন কি??

সাধারনত কিছু কারনে পেপটিক আলসারে পেইন হয় না

১) বয়স্ক রোগী :বয়স বাড়ার সাথে সাথে visceral pain sensation কমে যায়।

২) ডায়াবেটিস :diabetic neuropathy থাকলে পেটে ulcer হলেও ব্যথা বোঝা যায় না।

৩)NSAID induced ulcer : নিয়মিত painkiller (NSAID) খাওয়া রোগীদের মধ্যে অনেক ulcer silent হয়।

৪) Alcoholic বা smokers : এদের pain perception কমে যেতে পারে।

৫) Corticosteroid বা immunosuppressive therapy ulcer থেকে classical pain develop হয় না।
রোগি প্রায় ব্যথার মেডিসিন আর স্টেরয়েড খেতেন তাই তার প্রোস্টাগ্লান্ডিন কমে গিয়েছিলো , এবং ইনফ্লামেশন কমে ব্যথার ফিলিংস নিউট্রাল হয়ে গিয়েছে।

পেইন লেস আলসারের একটি চমৎকার মেডিসিন ব্যাপ্টিসিয়া , লক্ষন সিমিলার তাকে ব্যাপ্টিসিয়া ২০০ সিংগেল ডোজ দ্বীর্ঘ বিরতীতে ১০০০ এবং ১০০০০ দেওয়াতে তার মল , গায়ের গন্ধ বমি এবং জ্বরের উন্নতি হয়।

নতুন করে এন্ডোসিকপি করার পরামর্শ দেই।
কিন্তু সামগ্রিক লক্ষন ভালো থাকায় তিনি আর এন্ডোসকপি করে আমাকে দেখান নাই।

মাঝে মাঝে চেম্বারে আসেন, দেখা হলেই বলি টেষ্ট করে দেখাইয়েন, বলে স্যার ভালো আছি আপনাদের দোয়াতে টেষ্ট লাগব না।

14/09/2026
13/09/2026

😟মো. করিম (ছদ্মনাম) কয়েক মাস ধরে প্রস্রাব করতে কষ্ট পাচ্ছিলেন। প্রথমে ভেবেছিলেন, বয়সজনিত সমস্যা। ধীরে ধীরে প্রস্রাবের বেগ আটকে রাখা অসম্ভব হয়ে উঠল, রাতে বারবার উঠতে হচ্ছিল, এমনকি প্রস্রাবের সাথে রক্তও আসতে শুরু করল। ভয় পেয়ে ডাক্তার দেখালে জানা গেল – প্রোস্টেট গ্রন্থি বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই ভেবেছিলেন –

“এবার হয়তো সার্জারিই শেষ ভরসা!”

কিন্তু করিম সাহেব হাল ছাড়েননি।

হোমিও ঔষধ লক্ষণ অনুযায়ী প্রয়োগ শুরু হয়। কয়েক মাসের ভেতর তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন – কোনো কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই।

👉 এই কেস স্টাডি আমাদের মনে করিয়ে দেয় – প্রোস্টেট বৃদ্ধি মানেই ক্যান্সার নয়, আর হোমিওপ্যাথি এ ক্ষেত্রে কার্যকর সহায়ক পথ হতে পারে।

🔎 প্রোস্টেট গ্রন্থি কি?

প্রোস্টেট হলো পুরুষের একটি আখরোট আকারের গ্রন্থি, যা মূত্রথলির নিচে এবং পুরুষাঙ্গের শুরুর দিকে অবস্থিত। এটি মূত্রনালীকে ঘিরে থাকে এবং শুক্ররস তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

⚠️ প্রোস্টেট বৃদ্ধির লক্ষণ

প্রোস্টেট ধীরে ধীরে বড় হয়, তাই শুরুতে বোঝা যায় না। তবে যখন মূত্রনালীতে চাপ সৃষ্টি করে তখনই লক্ষণগুলো স্পষ্ট হয়:

✅ প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়া
✅ বারবার প্রস্রাব লাগা
✅ রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের জন্য ঘুম ভাঙা
✅ প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হওয়া
✅ প্রস্রাবে জ্বালা, ব্যথা বা রক্ত আসা
✅ প্রস্রাবের পরে অসম্পূর্ণতার অনুভূতি

🧩 প্রোস্টেট বৃদ্ধির কারণ

🔹 বয়স (৫০ বছরের পর ঝুঁকি অনেক বাড়ে)
🔹 বংশগত প্রভাব (বাবা/ভাই আক্রান্ত হলে ঝুঁকি দ্বিগুণ)
🔹 হরমোনাল পরিবর্তন (টেস্টোস্টেরন)
🔹 স্থূলতা ও ধূমপান
🔹 অতিরিক্ত চর্বি, আমিষ ও ঝাল খাবার
🔹 অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক

👉 ভুল ধারণা ভাঙা দরকার – প্রোস্টেট বৃদ্ধি মানেই ক্যান্সার নয়। তবে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে, তাই নিয়মিত পরীক্ষা জরুরি।

🧪 পরীক্ষা-নিরীক্ষা

👨‍⚕️ চিকিৎসক আঙুল দিয়ে রেকটাল এক্সাম (DRE) করে প্রাথমিকভাবে বোঝেন।
📷 আল্ট্রাসনোগ্রাফি → আকার নির্ধারণে সহায়ক।
🧬 PSA টেস্ট → ক্যান্সার ঝুঁকি বোঝার জন্য।
💉 বায়োপসি → সন্দেহজনক ক্যান্সার নিশ্চিত করতে।

🥦 প্রতিরোধে করণীয়

🚭 ধূমপান ত্যাগ
🥕 টমেটো, গাজর, তরমুজ, সয়াবিনজাত খাবার
💪 ওজন নিয়ন্ত্রণ
🍊 ভিটামিন C ও D সমৃদ্ধ খাবার
⛔ হরমোন ইঞ্জেকশন এড়িয়ে চলা
❤️‍ নৈতিক যৌন আচরণ

🌿 হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

👉 একজন হোমিও চিকিৎসক রোগীর সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ বিশ্লেষণ করে সঠিক ওষুধ নির্বাচন করলে দীর্ঘমেয়াদে প্রোস্টেট বৃদ্ধির চিকিৎসায় আরাম ও সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।

📌 ব্যবহৃত প্রধান ওষুধসমূহ (লক্ষণ অনুযায়ী): Cantharis, Berberis Vul, Staphysagria, Lycopodium, Thuja, Conium, Calcarea Carb, Selenium, Aurum Mur, Nux Vomica ইত্যাদি।

📌 বায়োকেমিক চিকিৎসা: Ferrum Phos, Kali Phos, Calcarea Fluor, Silicea, Natrum Phos প্রভৃতি।

👉 গবেষণায় দেখা গেছে— প্রোস্টেট বৃদ্ধির চিকিৎসায় ডাঃ চ্যাপম্যান ও ডাঃ ওয়াকার মেথডে হোমিও + বায়োকেমিক যৌথ প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়।

⚠️ সতর্কতা: হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করা যাবে না।

🙋‍♂️ রোগীর জন্য বার্তা

"প্রোস্টেট বৃদ্ধি অস্বাভাবিক কিছু নয়, তবে অবহেলা করলে জটিলতায় রূপ নিতে পারে। লজ্জা বা ভয় নয়, বরং সচেতনতা আর সময়মতো চিকিৎসা-ই সুস্থতার পথ।"

👨‍⚕️ হোমিও ডাক্তারদের জন্য নির্দেশনা

• প্রতিটি কেসে বয়স, জীবনধারা ও পারিবারিক ইতিহাস বিবেচনা করা জরুরি।
• মানসিক লক্ষণ ও রোগীর উদ্বেগগুলোকেও গুরুত্ব দিন।
• রোগীকে ডায়াগনোসিসের পাশাপাশি আশ্বাস প্রদান করুন – কারণ ভয়ই অনেক সময় লক্ষণকে বাড়িয়ে তোলে।

12/09/2026

লিভার সিরোসিস (Liver Cirrhosis) হলো লিভারের একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা, যেখানে সুস্থ কোষগুলো নষ্ট হয়ে গিয়ে সেখানে ক্ষত বা স্কার টিস্যু তৈরি হয়। ল্যাবরেটরি বিজ্ঞানের আলোকে, কেবল একটি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সিরোসিস ১০০% নিশ্চিত করা কঠিন হলেও, রক্তের বিভিন্ন প্যারামিটার লিভারের এই করুণ দশা স্পষ্ট করে দেয়।

আজ আপনাদের জানাবো, ল্যাবরেটরিতে কোন কোন পরীক্ষার সংকেত দেখে বোঝা যায় আপনার লিভার সিরোসিসের দিকে যাচ্ছে কি না।

লিভার সিরোসিস শনাক্তকরণের প্রধান ল্যাব টেস্ট
👉 লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT): সিরোসিস হলে লিভারের প্রোটিন তৈরির ক্ষমতা কমে যায়। ল্যাব রিপোর্টে অ্যালবুমিন (Albumin) কমে যাওয়া এবং বিলিরুবিন (Bilirubin) বেড়ে যাওয়া সিরোসিসের বড় লক্ষণ। এছাড়া এসজিপিটি (SGPT) ও এসজিওটি (SGOT) এর অস্বাভাবিক মাত্রা লিভারের ক্ষতি নির্দেশ করে।

👉 প্লাটিলেট কাউন্ট (Platelet Count): সিরোসিস রোগীদের প্লীহা বা স্প্লিন বড় হয়ে যায়, যার ফলে রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। ল্যাবরেটরিতে একটি সাধারণ সিবিসি (CBC) টেস্টেই এই বিপদ ধরা সম্ভব।

👉 কোয়াগুলেশন প্রোফাইল (PT/INR): লিভার রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান তৈরি করে। সিরোসিস হলে লিভার এই কাজ করতে পারে না, ফলে রক্তে PT/INR এর মান বেড়ে যায়। ল্যাবরেটরি রিপোর্টে এটি বাড়া মানে লিভার মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে।

👉 এএফপি (AFP) ও আল্ট্রাসোনোগ্রাফি: সিরোসিস থেকে লিভার ক্যান্সার হচ্ছে কি না তা দেখতে ল্যাবরেটরিতে এএফপি (AFP) টিউমার মার্কার টেস্ট এবং ফাইব্রোস্ক্যান (Fibroscan) করা হয়।

সিরোসিসের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?
👉 জন্ডিস: চোখ ও প্রস্রাব হলুদ হয়ে যাওয়া।
👉 পেটে পানি আসা: লিভারের কার্যক্ষমতা হারিয়ে পেট ফুলে যাওয়া (Ascites)।
👉 রক্তবমি: খাদ্যনালীর রক্তনালী ফেটে গিয়ে মুখ দিয়ে রক্ত আসা।
👉 চুলকানি ও ক্লান্তি: চামড়ায় তীব্র চুলকানি এবং সারাক্ষণ দুর্বল অনুভব করা।

হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনই সিরোসিসের প্রধান কারণ। অনেক সময় চর্বিযুক্ত লিভার বা Fatty Liver থেকেও সিরোসিস হতে পারে। মনে রাখবেন, সিরোসিস মানেই মৃত্যু নয়, তবে এটি দেরিতে ধরা পড়লে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছাড়া উপায় থাকে না। আপনার যদি লিভারের পুরনো সমস্যা থাকে, তবে প্রতি ৬ মাস পর পর ল্যাবরেটরিতে LFT এবং PT/INR টেস্ট করিয়ে লিভারের বর্তমান অবস্থা জেনে নিন।

আপনার কি ফ্যাটি লিভার বা অন্য কোনো লিভারের সমস্যা আছে? ল্যাব রিপোর্ট নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান। জনসচেতনতায় পোস্টটি শেয়ার করুন।

12/09/2026

🌏Agnus Castus
👉মেটেরিয়া মেডিকা শিখি গুরুজীর দেখানো পথে ----
#হোমিওপ্যাথি
Source👉 (উৎস):
Vitex agnus-castus উদ্ভিদের পাকা ফল (berries) থেকে প্রস্তুত।

👉Sphere of Action (প্রধান কার্যক্ষেত্র)
পুরুষ ও নারীর যৌনাঙ্গ ও প্রজননতন্ত্র
স্নায়ুতন্ত্র
মানসিক অবসাদ ও হতাশা
যৌনশক্তি হ্রাসজনিত সমস্যা

👉Constitution (রোগীর গঠন)
অকাল বার্ধক্যের লক্ষণ
দুর্বল, অবসন্ন, প্রাণশক্তিহীন
অতিরিক্ত যৌন অপব্যবহার বা দীর্ঘদিনের যৌন দুর্বলতার ইতিহাস

👉Mental Symptoms (মানসিক লক্ষণ)
গভীর হতাশা
স্মৃতিশক্তি দুর্বল
নিজের সুস্থ হওয়ার আশা কম
মনোযোগের অভাব
বিষণ্নতা ও আত্মবিশ্বাসহীনতা

👉Physical Generals (শারীরিক সাধারণ লক্ষণ)
শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি
শক্তিহীনতা
ঠান্ডার প্রতি সংবেদনশীলতা
দ্রুত অবসন্ন হয়ে পড়া

👉Sexual Symptoms (যৌন লক্ষণ)
পুরুষ:
যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া
উত্থানশক্তি দুর্বল
নপুংসকতার অনুভূতি
বীর্য পাতলা ও স্বল্প
দীর্ঘদিনের যৌন অপব্যবহারের পর দুর্বলতা
নারী:
যৌন ইচ্ছা হ্রাস
মাসিক কম বা অনিয়মিত
প্রসবের পর যৌন দুর্বলতা

👉Modalities (বৃদ্ধি-উপশম)
Worse (খারাপ):
যৌন অপব্যবহারের পরে
মানসিক দুশ্চিন্তায়
Better (ভাল):
বিশ্রামে

👉Peculiar & Uncommon (বিশেষ লক্ষণ)
"Old before his time" — বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাওয়ার অনুভূতি।
যৌনশক্তি হারিয়ে ফেলেছে বলে মনে হয়।
যৌন ইচ্ছা ও সক্ষমতা উভয়ই কমে গেছে।
গভীর হতাশার সঙ্গে যৌন দুর্বলতা।
Keynote (Allen's Keynotes style)
"Loss of sexual power with mental depression."
"Ge****ls relaxed, cold and weak."

👉Comparison (তুলনা)
Caladium seguinum — যৌন ইচ্ছা আছে, কিন্তু উত্থান দুর্বল।
Selenium — বীর্যক্ষয় ও যৌন দুর্বলতা।
Lycopodium — আত্মবিশ্বাস কম, কিন্তু যৌন ইচ্ছা সাধারণত থাকে।
Avena sativa — স্নায়বিক ও যৌন অবসাদ।

👉হোমিওপ্যাথিক ম্যাটেরিয়া মেডিকায় Agnus
Castus-কে প্রধানত যৌনশক্তি হ্রাস, মানসিক হতাশা এবং দীর্ঘদিনের যৌন দুর্বলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

11/09/2026

Alhamdulillah matro 1 week er modde patient er Tumor choto hoye jacce

Photos from Wafaa Homeo's post 10/09/2026

Ginsang_Ashawgandha+

🔥 মিলনের টাইমিং বাড়াতে সহায়ক

💪 সক্ষমতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক

🥄 সেবনবিধি: ২ চামচ করে রাতে ভরা পেটে।

৪৫০ মিলি বোতল
৯৯৯৳

10/09/2026

হোমিওপ্যাথিতে যতগুলো বিশুদ্ধ মেটেরিয়া মেডিকা (মেডিসিন এর বই ) আছে তার মধ্যে
ডা: জন হেনরী ক্লার্কের মেটেরিয়া মেডিকা অন্যতম।
ক্লার্ক মেটেরিয়া মেডিকার মেডিসিন ডেসক্রিপশন করার সময় অনেক জায়গায় বার্নেটের বিভিন্ন কেস আলোচনা করেছেন, এবং রেফারেন্স হিসেবে তিনি বার্নেট কে বেছে নিয়েছেন।

বোরিক তার Pocket Manual of Homoeopathic Materia Medica তে প্রিফেক্সে একটি চমৎকার কথা বলেছেন তা হলো।

“The fact is, we need any and every way of finding the right remedy; ... the pathological similimum, ... we are still well within the lines of homeopathy that is expansive, progressive, science...”

এই বানীটি কার জানেন বার্নেট এর, বোরিক তার মেটেরিয়া মেডিকার রেফারেন্স হিসেবে ক্লার্ক এর মেটেরিয়া মেডিকা বেছে নিয়েছিলেন আর ক্লার্ক এর রেফারাল কেস গুলো বার্নেট এর।

হোমিওপ্যাথির একটি অন্যতম অস্ত্র নোসডস মেডিসিন যার আবিস্কারক কিন্তু বার্নেট।

বার্নেট কে বুঝতে হলে ডাক্তার হতে হবে। হকার হয়ে ত বার্নেট কে বুঝা যাবে না।

ক্লাসিকাল লেবাস লাগিয়ে একজন লিজেন্ড কে অস্বীকার করা ভন্ডামী এবং মূর্খতা ছাড়া কিছু না।

যেখানে বোরিক এবং ক্লার্কের মত ডাক্তার তার কেস রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেছেন , সেখানে মূর্খরা তাকে কিনে প্রশ্ন তোলে।

প্রোপার এলাইড সাইন্স না জানলে বার্নেট কে চিনা কোন দিন সম্ভব না,
আর এ জন্য ত সেই লেভেল পড়াশুনা ও করতে হবে।

তবে লিখা লিখিতে মনে হয় অনেকের সমস্যা হচ্ছে।

নো প্রব্লেম আর লিখালিখি করব না, আপনারা চালিয়ে যান😀😀😀😀

Website

Address

মিরপুর
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wafaa Homeo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.