Hidden Beauty Gallery
Provider of 100% original & best cosmetics and beauty products at best price just in your budget! Authentic Brands are available in our page.
19/09/2026
এমন একটা দেশে থাকি, যে দেশে ১৩ বছরের একটা বা'চ্চা'র হাতে আইফোন দেখলে, সেই আইফোনের জন্য সেই ছে'লে'টাকে দু'নিয়া থেকে বি'*দা'য় করে দেয়!
ছেলেটার মা নিজেই বলছেন, ‘আমার ছে'লে হা*রিয়ে যাওয়ার ছে'লে না!
আমার ছেলেকে কেউ নিয়ে গেছে!’ 💔🙂
বাংলাদেশে এখন বিজনেস করাটা মাঝে মাঝে সত্যিই একটা সার্কাসের মতো লাগে।
একদিকে হোলসেলাররা হোলসেল প্রাইসসহ বুস্ট দিয়ে প্রোডাক্ট সেল করছেন। অন্যদিকে আমরা যারা রিটেইল সেলার আছি, আমরাও সেই একই প্রোডাক্ট সেই একই প্রাইস এই কিনে নিয়ে আসছি।
কিন্তু আমাদের হিসাবটা তো শুধু প্রোডাক্টের দাম পর্যন্ত শেষ হয় না।
এর সাথে থাকে ট্রান্সপোর্টেশন, প্যাকেজিং, ডেলিভারি সংক্রান্ত খরচ, পেইজ চালানোর খরচ, আরও কত ছোট ছোট খরচ, যেগুলো একজন কাস্টমারের চোখে হয়তো ধরা পড়ে না।
আবার কেউ কেউ এমন দামে প্রোডাক্ট বিক্রি করা শুরু করছেন, যেখানে সত্যিকার অর্থে একটা sustainable business চালিয়ে যাওয়া কঠিন।
হয়তো এতে কিছুদিনের জন্য মার্কেটে attention পাওয়া যায়, কিন্তু একটা ব্যবসা দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে হলে শুধু sales নয় সঠিক হিসাব, ন্যায্য profit এবং sustainability ও প্রয়োজন।
আর আমরা শুধু প্রোডাক্ট বিক্রি করি না। আমরা আমাদের সময়, শ্রম, যত্ন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বিক্রি করি।
আপনার একটা অর্ডারের পেছনে থাকে প্রোডাক্ট বাছাই থেকে শুরু করে প্যাকেজিং পর্যন্ত অনেকটা সময়, অনেকটা পরিশ্রম এবং অনেকটা দায়িত্ব। তারপরেও বর্তমান বাজার মূল্যকে কেন্দ্র করে আমরা যতটুকু সম্ভব রিজোনেবল প্রাইস এ দেওয়ার চেষ্টা করি। আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন আমাদের বেশিরভাগ প্রোডাক্টই স্টুডেন্ট বাজেট ফ্রেন্ডলি।
কারণ আমরা শুধু আজকের একটা sale চাই না। আমরা চাই আপনি আজ আমাদের কাছ থেকে কিনে, আগামীকালও যেন নিশ্চিন্তে আমাদের কাছেই ফিরে আসেন। 🤍
দিনশেষে আমাদের সবচেয়ে বড় profit শুধু টাকা নয়, আপনাদের বিশ্বাস।
゚
02/09/2026
🔥 অরিজিনাল 𝐊𝐨𝐣𝐢𝐞 𝐒𝐚𝐧 আবার স্টকে! 🔥
বাজারে নকলের ভিড়ে 𝐎𝐫𝐢𝐠𝐢𝐧𝐚𝐥 𝐊𝐨𝐣𝐢𝐞 𝐒𝐚𝐧 খুঁজে পাচ্ছেন না?
যে আপুরা অনেকদিন ধরে শুধু অরিজিনালটা খুঁজছিলেন, তাদের জন্য সুখবর!
নিয়ে এলো আবারো সেই অরিজিনাল সাবান টি❤️
✨ 𝐊𝐨𝐣𝐢𝐞 𝐒𝐚𝐧 𝐎𝐫𝐢𝐠𝐢𝐧𝐚𝐥 𝐕𝐚𝐥𝐮𝐞 𝐏𝐚𝐜𝐤
🧡 প্রতি প্যাকে ৩টি সাবান
💯 অরিজিনাল প্রোডাক্ট
নকল নয়, অরিজিনালটাই বেছে নিন।
স্টক সীমিত, বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন। 💌
#𝐊𝐨𝐣𝐢𝐞𝐒𝐚𝐧 #𝐎𝐫𝐢𝐠𝐢𝐧𝐚𝐥𝐊𝐨𝐣𝐢𝐞𝐒𝐚𝐧
31/07/2026
আপুরা বেসিক স্কিনকেয়ার রেখে শুধু ব্রাইটনেস চায়! আবার কোন প্রডাক্ট ব্যবহার এর পরে সেটা আজীবন থাকবে কিনা তা জিজ্ঞেস করেন। মানি সিরিয়াসলি 🙄🙄
আপনি একদিন গোসল করে আর কি গোসল করেন না?? আচ্ছা ধরেন একদিন খুব ধুমসে আপনি আপনার বাসার ফার্নিচার ক্লিন করলেন, সব চকাচক এখন কি আর কোন দিন না মুছলেও আপনার ফার্নিচার এমন ই ক্লিন থাকবে?
আমি বলে বলে বুঝাতে বুঝাতে ক্লান্ত। বেসিক স্কিন কেয়ার কোন রকেট সায়েন্স না যে এটা আপনারা বুঝবেন না। আমাদের সব কাস্টমার দের আমরা বলি আগে বেসিক স্কিন কেয়ার করুন না বুঝলে জিজ্ঞেস করুন ফ্রি তে সাজেশন দেওয়া হয়।
রেগুলার বেসিক স্কিন কেয়ার করলে আপনার স্কিন ব্যারিয়ার ঠিক থাকবে। আর যদি আপনার স্কিন ব্যারিয়ার যদি স্ট্রং না থাকে তাহলে ব্রাইটেনিং ইনগ্রেডিয়েন্ট তো কাজ করবেই না বরং আপনার স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ করে ফেলবে।
গতকাল একজন আপু ইনবক্সে জানিয়েছেন, ওনার স্কিনে কোনো প্রব্লেম ছিল না। বাবু হওয়ার পর স্কিন কালচে হয়ে গেছে আগে কখনো স্কিনকেয়ার ও করেননি।
তিনি একটা পেইজ সাজেশন নিয়ে কিছু প্রোডাক্ট ইউজ করেছেন এখন তার স্কিনে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এবার শুনেন কি ধরিয়ে দিলো ওই সেলার!
* Celimax brightening cream
* skin1004 10% niacinamide
*skin1004 hyalu cica water fit sun serum
এবার বলেন একজন মানুষ আগে বেসিক স্কিনকেয়ার করে নাই তাকে এতো গুলো প্রোডাক্ট ধরিয়ে দিলো। যেখানে এখন শুধু ব্যারিয়ার ফোকাস জেন্টল রুটিন থাকবে। সেখানে বাটপার সেলার যেই মশ্চারাইজার দিয়েছে সেখানে আছে ৫% নিয়াসিনামাইড আবার ১০% নিয়াসিনামাইড সিরাম। ভাইরে ভাই! নিয়াসিনামাইড এর বন্যা বসিয়ে দিলো। একজন বিগিনার দিনে ১৫% নিয়াসিনামাইড ইউজ করলে তার স্কিন ঠিক থাকবে কিভাবে??
আপুরা দয়া করে এদের পাল্লায় না পড়ে নিজেরা ঘাটাঘাটি করে জেনে শুনে স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট পার্চেজ করবেন। আজকাল একটা ফোন থাকলে আর নেট থাকলে স্কিন কেয়ার নিয়ে নজেল গেদার করা কোনো ব্যাপার না।
বেসিক স্কিন কেয়ার রুটিন জানতে চাইলে কমেন্ট করুন এই পোস্টে।
By the way
Sanjida আপুর পড়া মারাত্মক সুন্দর এই হিজাব ব্যান্ড টা অল্প কিছু এভেইলেভেল। নিতে চাইলে ইনবক্স করুন
কি চলে আসলো😱😱
হুবহু গোল্ড ডিজাইন বালা এটা কিন্তু খোলা যাবে তাই সব সাইজের আপু রা পড়তে পারবেন।
শায়ানের যে মনটা অন্য কোথাও চলে গেছে সেটা আমি প্রথম জানতে পারি আমাদের বিয়ের তিন বছরের মাথায়। তখন আমি সদ্য মা হয়েছি। আমার সদ্য জন্ম নেয়া ছেলেকে নিয়ে খুব ব্যস্ত। শায়ানও ব্যস্ত ওর বিজনেসের কাজে।
তার মাঝে হঠাৎ এক ভোরবেলায় আমার ছোটবোন ফোন করলো। খুব কাঁদছিল ও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে। বলল,
—আপা, তুই কি শায়ান ভাইয়ার কোনো খোঁজ রাখিস না? উনি আমার বান্ধবীকে অনুকে নিয়ে স্বরূপা রিসোর্টে গিয়েছে। বদরুল নিজে দেখেছে ব্যাপারটা। এমন করে অপমান…
আর কথা বলতে পারেনি তুলি। কেঁদেছিল অনেকক্ষণ!
আর আমি? আমার দম আটকে আসছিল সেই মুহূর্তে। এসব কি বলছে তুলি? শায়ান এমন কেন করবে? প্রশ্নই আসে না। আমাদের চার বছর প্রেমের পর বিয়ে। পুরো পৃথিবীর বিরুদ্ধে গিয়ে দু'জন দু'জনকে বিয়ে করেছি। অন্ধের মত ভালোবাসি ওকে। সেখানে শায়ান?
শায়ান বাড়ি ফেরা অবধি আমি নিঃশ্বাস আটকে
বসেছিলাম। সারাদিন আমার ছেলে খুব কাঁদলো। এক ফোঁটাও পানিও গিলতে পারছিলাম না আমি। বুকে দুধ নেই। ছেলে না খেতে পেয়ে আকাশ ফাটানো চিৎকার। মা জোর করে কয়েক গ্লাস পানি খাওয়ালেন।
শায়ান ফিরলো দু'দিন পর। ফেরার পর অবশ্য আমি ওকে সঙ্গে সঙ্গে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারিনি। মাত্র এলো। একটু জিরোক। কত কাজ করে বেচারা!
তাছাড়া যাকে পৃথিবী উজার করে ভালোবাসি তাকে এমন নোংরা প্রশ্ন করাও কি যায়! গা গুলিয়ে আসে। সব মিথ্যে মনে হয়। এই বেঁচে থাকা, এই ভালোবাসা, এই সংসার!
প্র্যাগনেন্সির শেষের তিন মাস আর সিজারিয়ান সেকশানের পরের তিনমাস। ওই সময়টাতে শারীরিকভাবে একান্ত মুহূর্ত কাটানো মানা ছিল বলে আমরা কাছাকাছি হইনি। তাই বলে এইটুকু সময়ে ও আরেকটা নারী শরীর খুঁজে নেবে? উঁহু। পৃথিবী এতটাও লোহার নয় তো! এত নির্মম পৃথিবী হলে ফুল ফুটতো বুঝি?
পরদিন রাতে খাবার সময়ে আমি ওর প্লেটে ভাত বাড়তে বাড়তে জিজ্ঞেস করলাম,
—তুমি তুলির বান্ধবী অনুকে চেনো? তোমার দেখা হয়েছিল ওর সাথে?
দুই লাইনের এই কথাটা বলতে গিয়ে আমি টের পাচ্ছিলাম পুরো পৃথিবীটা আমার বুকে চেপে বসেছে।
ব্যথায়, কান্নায় হতদরিদ্র মনে হচ্ছিল নিজেকে। ছোটবোনের বান্ধবীর সাথে আমার স্বামী শুয়েছে কিনা এই তেতো একটা প্রশ্নের সাথে আমি আমার সমস্ত শরীরের শক্তি দিয়েও লড়ে উঠতে পারছিলাম না।
শায়ান ভাতের পাতে মাছ মাখাতে মাখাতে বলল,
—কেন বলোতো?
—অনুর সাথে তোমার কথা হয়? ওকে নিয়ে তুমি কোথায়ও গিয়েছো নাকি?
—তুমি কি চার্জ করছো আমাকে? স্পায়িং করছো আমার পেছনে? শোনো তনু, ব্যবসার কাজে আমার অনেকের সাথে কথা বলতে হয়, অনেকের সাথে অনেক জায়গায় যেতে হয়, তোমার মত ঘরে বসে থাকলে টাকা আসে না। টাকা রোজগার করতে গিয়ে এখন সেজন্য যদি তোমার বোনের বান্ধবীর সাথে কথা বলা আমার অন্যায় হয় তাহলে তো মুশকিল।
লজ্জায়, কান্নায় আমি শায়ানের সামনে থেকে ছুটে এসেছিলাম। সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম। কত ক্ষুদ্র আমি, কত কম আমি, কত সর্বহারা আমি, কত নিঃস্ব আমি। আমার কিছু নেই আসলে। থাকলে ছোটবোনের বান্ধবীর সাথে নিজের ভালোবাসা খোয়াবার যুদ্ধে নামতে হতো না।
সেদিনের পর আমি আর জিজ্ঞেস করিনি কিছু। শায়ান রাগ করে আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিল। আমি ওকে সন্দেহ করি, আমার মন ছোট। রাগ তো হবেই।
মনকে বুঝালাম, আমি হয়ত ওর বায়োলজিকাল নিডটা ফিল-আপ করতে পারছি না বলেই ওর মনটা তেতো। আমি আদর করে ভালোবাসা দিলে ওর রাগ ভেঙে যাবে।
সেদিন জন্মদিন ছিল আমার। রাতে তৈরি হয়ে ওর কাছে গিয়েছিলাম। পাশে শুয়ে বলেছিলাম,
—ওসব ডাক্তারের কথা মানতে হবে না শায়ান। ওসব তিনমাস-টিনমাস কিছু না৷ তুমি আদর করো আমাকে।
শায়ান হাই তুলে পাশ ফিরে শুয়েছিল। বলেছিল,
—তোমার নিজের গায়ের তো তাই তুমি কিছু ফিল করোনা তনু। আমি করি। প্রচন্ড আঁশটে গন্ধ তোমার গায়ে।
ব্রেস্ট ফিডিং করাতাম তো। গায়ে দুধের গন্ধ আমার। সেদিন আমি আরেকবার লজ্জা পেলাম। আসলেই তো গায়ে হয়ত তীব্র গন্ধই। আমার খুব করুণা হয়েছিল সেই মুহূর্তে নীল মেক্সি পরা তনুর জন্য। যে গায়ে একগাদা লোশন মেখে স্বামীর কাছে গিয়ে শরীর পেতে দিয়েছিল। আসলে ভুলেই গিয়েছিলাম আমি, মা হলে শরীরে তো অনেক কিছুই বদলে যায়।
পরদিন মাকে জিজ্ঞেস করলাম,
—মা আমার গায়ে কি খুব গন্ধ! মা তখন আমার সাথে থাকেন। অর্ককে রাতে একা সামলাতে পারি না আমি।
মা এত অবাক হলেন!
—গন্ধ হবে কেন? কি যে বোকা বোকা কথা বলিস তুই!
পারফিউম বদলালাম। নতুন জামা পরলাম। পরের রাতে আরেকবার ওর কাছে গেলাম। শায়ান পাশ ফিরে শোয়। ওর নাক কুঁচকায়। আর লজ্জায় আমি বিবর্ণ হই। ক্ষতবিক্ষত হই অপমানে।
তারপর আরেকদিন একটা ফোন এলো, মেয়েটার নাম নীলা। ইউনিভার্সিটিতে আমার জুনিয়র ছিল। ফাইনাল ইয়ারে থাকাকালীন ওকে নোট-টোট দিয়ে সাহায্য করেছিলাম।
বলল,
—তনু আপা, শায়ান ভাইয়া নির্জন হোটেলে তেরো তারিখে চেক ইন করেছেন। উনার একজন কাজিন ছিল সঙ্গে তামান্না নাম। তুমি চেনো ওকে? আমরা তো বেড়াতে গিয়েছিলাম তখন দেখলাম।
আমি সেদিন জেনে গিয়েছিলাম মা হতে গিয়ে তনয়া নামের মেয়েটা তার সব হারিয়েছে। আচ্ছা আমি একাই বুঝি এরকম হারিয়েছি৷ আর কেউ হয় না মা?
আমার বিয়ের পর অবশ্য মা কয়েকবার আমাকে বলেছেন,
—-তনু, ওর তোর প্রতি আগ্রহটা আমি টের পাই না কেন বলতো?
—মা ও লোক দেখানো ভালোবাসায় বিশ্বাসী না। ও আলাদা।
মা বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন,
—কিন্তু ভালোবাসলে সেটা তো একটু হলেও চোখে পড়তো। তাই না?
আসলেই, ভালোবাসলে চোখে পড়ে। যদি বাসে তা টের পাওয়া যায়।
আমি ভেবেছিলাম শায়ানের ভালোবাসায় একটা অন্যরকম গভীরতা আছে। যেটা শুধু আমি টের পাই। আর কেউ নয়। আমরা নিজেকে খুব বুদ্ধিমতী ভাবা মেয়েগুলো আসলে প্রচন্ড বোকা। একা একা সব বুঝি মনে করে নিজের ছোট্ট পৃথিবীটাই আসলে বুঝা হয়ে উঠেনা।
তারপর এক রাতে পৃথিবীর সমস্ত জড়তার সৈন্য এক পাশে সরিয়ে বলেই ফেললাম শায়ানকে,
—আমাকে একটু আদর করো শায়ান। তোমার জীবনে থাকুক অন্য কেউ; তবু আমাকে আদর করো। শরীর তো, কথা শোনে না।
শায়ান ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল,
—শোনো.. সেক্সুয়াল ড্রাইভকে এত গুরুত্ব দিলে তো জীবন চলবে না তনু। আমি কিছু ফিল করি না। আমাদের মধ্যে যে আর কোনো কেমিস্ট্রি নেই তা টের পাচ্ছো না?
নিজেকে সেদিন ভিখিরির থেকেও ভিখিরি মনে হয়েছিল। নর্দমার পোকার থেকেও বেশী কীট মনে হচ্ছিল। মাকড়শার ঝুলের মত অপ্রয়োজনীয় ময়লা মনে হচ্ছিল। সেই অনেক ভালোবাসার সংসারটা ছাড়ব বলে রাগ, অভিমান আর জেদ হচ্ছিল।
মনে মনে বোঝাচ্ছিলাম, ছেড়ে চলে যাব বললেই শায়ান টের পাবে। এখন তো কাছে আছি তাই দূর দূর করে।
সেই রাতে শায়ান বাসায় ফিরলো বেশ রেগে টেগে। আমাকে বলল,
—তনু, আমার মনে হয় আমাদের আলাদা হয়ে যাওয়া দরকার। ভালো থাকার নাটক করতে করতে ক্লান্ত আমি।
ভালো থাকার নাটক, ক্লান্ত? কি বলে এইসব শায়ান?
বিয়ের আগে যে আমার হাতে হাত রেখে বলেছিল,
“তনয়া শুনো, তোমার জন্য এই পৃথিবীটা পৃথিবী। আমার জন্য আজকে থেকে তুমিই আমার পৃথিবী, তুমিই আমার দিন রাত্রি, তুমিই আমার সব।”
আমার তখন স্কলারশিপ হয়ে গেছে। বাবা সব কাগজপত্র রেডি করে ফেলেছেন। যাবার সবকিছু ঠিকঠাক। আমি সব একপাশে সরিয়ে শায়ানকে আঁকড়ে ধরলাম। বাবা সেদিন বলেছিলেন,
—ঠিক আছে। ভালো যখন বাসে। বলো অপেক্ষা করতে। তুমি কানাডা যাও। তারপর এসে নাহয় ওকে বিয়ে করো।
আমি বলেছিলাম,
—আমি চলে গেলে ও মরে যাবে বাবা। ও বলেছে ও আমাকেই চায়। আমিও ওকেই চাই। পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাই আমার তো ওকেই চাই। তাহলে থাকি ওর কাছে।
আমার স্বপ্নের আত্মাহুতি আর বাবার আশাকে পায়ে মাড়িয়ে আমি থেকে গেলাম শায়ানকে আঁকড়ে ধরে।
বিয়ের সময়ে বাবা বলেছিলেন,
—-যে ভালোবাসা তোমায় গ্রো করতে দেয় না। সেটা আদৌও ভালোবাসা কি না কে জানে!
বাবাকে খুব বোকা ভেবে আর নিজেকে সবথেকে জ্ঞানী ভেবে খুশি হয়েছিলাম আমি।
সেদিন শায়ান আমাকে নয় বিয়ে করেছিল আমার প্রাচুর্যকে। বিয়ের সময়ে অভিমানে বাবা বলেছিলেন,
—-নিজের ফ্ল্যাটটা নিজের নামে রেখো। কখন আবার তোমার থাকবার জায়গা দরকার হয়।
আমি হেসেছিলাম। বিয়ের পর শায়ানের প্রথম জন্মদিনে সেই ফ্ল্যাট আমি শায়ানকে লিখে দিয়েছিলাম। যে আমার পায়ের পাতায় ভালোবাসা রেখে আমার যত্ন করে তাকে আমি সামান্য ফ্ল্যাট লিখে দেব না? বেচারা সবসময় বলতো,
—নিজেকে ছোট লাগে তনয়া। তোমার ফ্ল্যাটে থাকছি। আমি কত তুচ্ছ।
ওর ভেতরের তুচ্ছটাকে মুছতেই আমি লিখে দিয়েছিলাম। তখনও জানতাম না। ওটা পর্যন্তই ভালোবাসা ছিল শায়ানের। বাবা বিয়েতে বিশ লক্ষ টাকার একটা চেক দিয়েছিলেন আমার হাতে। বলেছিলেন,
—এবার থেকে নিজের শখ নিজে মিটিয়ে নিও। আমি হয়ত আর কিছু কিনে দিতে পারব না।
সেই টাকাতেই তো ব্যবসা দাঁড় করালো শায়ান। আমায় বলেছিল,
—তোমার নামে নাম দিচ্ছি। তনয়া’স ড্রিম কালেকশন।
আমি মানা করেছিলাম। তাও দিল। আমার ছোটবোন অবশ্য হেসেছিল তখন,
—-নামটাই তোর; কাগজপত্রে তো তুই কোথায়ও নেই।
আমি বকেছিলাম ওকে,
—ভালোবাসলে কাগজে লিখতে পড়তে হয় না। ভালোবাসা কাগজে লিখে দেবার মত অত মূল্যহীন নয়।
অথচ আমি ছাড়া সবাই টের পেয়েছিল, শায়ান আমাকে নয়। আমার প্রাচুর্যকে ভালোবেসেছিল। আর আমি বলেছিলাম,
—বাবা মা ছাড়া বড় হওয়া সাদামাটা একটা ছেলে শায়ান। কোনো লোভ নেই ওর মধ্যে। ইউনিভার্সিটিতে ওই তো প্রথম আমাকে বলেছিল,
এই পৃথিবীতে আমার পরিবার পরিজন কিচ্ছু নেই! তুমি আমার একটু ঠাঁই হবে তনয়া?
ওকে ঠাঁই দিতে গিয়ে ঠাঁই ছাড়া হয়ে অতল গহ্বরে ডুবলাম আমি।
ডিভোর্সের সময় ও আমাকে বলেছিল,
—তোমার বিশ লক্ষ টাকা চাইলে নিয়ে যেতে পারো।
আমি বলেছিলাম, কিচ্ছু নেবো না আমি। শুধু এটুকু করো, কোনোদিন কাউকে বলো না আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।
এর থেকে লজ্জার তো আর কিছু নেই আমার জন্য। একটা আপাদমস্তক লোভী জন্তুকে আমি ভালোবেসেছি এই লজ্জা আমি রাখবো কোথায়?
আমার ছেলে অর্ককে নিয়ে এক কাপড়ে বেরিয়ে এসেছিলাম সেদিন। দেশে আর থাকিনি। মনে হচ্ছিল ওই বাতাসে আর বাঁচবো না। অস্ট্রেলিয়াতে চলে এসেছি। তুলির কাছে।
এখানে আমার দারুণ একটা জব হয়েছে। একটা ছোট্ট বাড়িও নিয়েছি নিজের। মা-বাবাও খুশি আমার এই ভালো থাকা নিয়ে। শুনেছি, শায়ান বিয়ে করেছে৷
আমার একটু ও কষ্ট হয় না। সময় গেলে কষ্টও চলে যায়। শুধু মাঝে মাঝে মাঝরাত্রিরে আমি একটা মেয়ের জন্য কষ্ট পাই। নীল মেক্সি পরা সদ্য মা হওয়া একটা মেয়ে। যে স্বামীর কাছে আদর চাইতে গিয়ে শুনেছিল, “তোমার গায়ে বড্ড আঁশটে গন্ধ!”
সেই সময়ে উঠে আমি শাওয়ার নিই। আমি স্পষ্ট দেখতে পাই নীল মেক্সি পরা মেয়েটা কেমন অসহায় হয়ে নিজের অন্তর্বাস শুঁকেছিল সেই রাতে। মেয়েটার জন্য বড্ড কষ্ট হয় আমার!
#আঁশটে
#তৃধা_আনিকা
((copied)
18/07/2026
18/07/2026
এতদিন budget issue এর কারণে যারা Gillette Venus Razor নিতে পারেননি, তাদের জন্য নিয়ে এসেছি এর budgetfriendly version! 😍💙
চাইলে per piece করে নিতে পারবেন, আবার full boxও available! 🛍️✨
মেয়েদের hygiene-এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলোর একটি হলো proper shaving 💗
কিন্তু অনেকেই sensitive area তে men’s razor ব্যবহার করেন, যার ফলে skin irritation, razor bumps, এমনকি ছোট ছোট কাটাও লেগে যায়। 😣
তাই বেছে নিন women এর জন্য specially designed shaving razor 💙
✨ Why you’ll love it:
📍 3-blade system – একবারেই close, smooth & clean shave
📍 Protective moisture strip – irritation কমায় এবং shave-কে করে আরও comfortable
📍 Sensitive skin-friendly design – gentle glide, soft & clean finish
14/07/2026
🩸PINK COLLAGEN GEL
Whitening Beauty Gel
Best Whitening Gel
250 Grams
Made in Thailand
নাইট ক্রিম ব্যবহার ছাড়া শুধু এই সুথিং জেলে স্কিন হবে আনলিমিটেড ফর্সা সুন্দর গ্যারেন্টি।
স্কিনের ভিতর থেকে উজ্জ্বলতা এবং গ্লোয়িং ব্রাইটিনিং স্কিন করবে।
👉 এই সুদিং জেলটি আপনার স্কিনকে উজ্জল করার পাশাপাশি গ্লাস স্কিন আভা নিয়ে আসবে ।
এছাড়া ও এ সুদিং জেলটির রয়েছে বিশেষ কিছু কার্যকারিতা চলুন তা জেনে নেই :
❤️ ত্বক নরম ও মসৃণ করে।
❤️ ত্বক ময়েশ্চারাইজড রাখে।
❤️ গ্লাস স্কিন করে।
❤️ স্কিন naturally glow করে।
❤️ সহজেই স্কিন এর সাথে মিশে যায়।
❤️ ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে।
❤️ ত্বক টানটান রাখে।
❤️ নিয়মিত ব্যবহারে স্কিন উজ্জ্বল করে।
❤️ স্কিন এর sunburn remove করে।
❤️ নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে ত্বককে সজীব ও প্রাণবন্ত করে younger look দেয়।
❤️ Sensitive স্কিন এর আপুরাও ব্যবহার করতে পারবে।
Pink collagen Gel
অর্ডার করার জন্য ইনবক্স করুন 📥📥📥
✨ থাইল্যান্ডের সবচেয়ে পাওয়ারফুল ব্রাইটেনিং সিক্রেট এখন আপনার হাতের মুঠোয়! ✨
ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রাম স্ক্রল করলেই ইদানীং যে প্রোডাক্টটি সবার নজরে কাড়ছে, সেটি আর কিছুই নয়—The Elf Nano White Dose 50X Whitening Serum! 💖
অনেকেই ভাবছেন জিনিসটি আসলে কী এবং কেন এটি নিয়ে এত ক্রেজ? এটি মূলত আপনার ফেস এবং ফুল বডির জন্য ওয়ান অফ দ্য মোস্ট পাওয়ারফুল ও প্রিমিয়াম ব্রাইটেনিং বুস্টার। থাইল্যান্ড থেকে পার্সোনালি সিলেক্ট করা সেরা প্রোডাক্টগুলোর মধ্যে এটিকে এক বাক্যে সবচেয়ে পাওয়ারফুল বলা যায়।
💎 কেন এটি এত স্পেশাল এবং কার্যকারী?
সাধারণ কোনো সিরাম নয়, এতে আছে 50X Whitening ফর্মুলা! এর পাওয়ারফুল ইনগ্রেডিয়েন্টসগুলো আপনার স্কিনের গভীরে গিয়ে কাজ করে:
Niacinamide & Arbutin: ত্বকের ডালনেস দূর করে এবং অসমান স্কিন টোন হালকা করে।
Glutathione & Vitamin C: ত্বককে ভেতর থেকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ও গ্লোয়িং করে তোলে।
Hyaluronic Acid: স্কিনে যোগ করে ভরপুর হাইড্রেশন, যা ত্বককে রাখে সফট ও প্লাম্পি।
🌸 আপনি কী কী বেনিফিট পাবেন?
নিয়মিত ব্যবহারে ত্বককে ধীরে ধীরে ৭/৮ শেড পর্যন্ত উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে সাহায্য করে।
স্কিনে আনে সেই কাঙ্খিত ‘গ্লাস স্কিন’ ইফেক্ট ও ন্যাচারাল রেডিয়েন্স।
ফেসের পাশাপাশি পুরো বডিতে ব্যবহার উপযোগী।
খসখসে ভাব দূর করে ত্বককে করে তোলে মসৃণ, নরম এবং হেলদি-লুকিং।
💡 কীভাবে ব্যবহার করবেন?
এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ!
সরাসরি: সিরামের কয়েক ফোঁটা সরাসরি ত্বকে ম্যাসাজ করে নিতে পারেন।
লোশনের সাথে মিশিয়ে: আপনার প্রিয় বডি লোশন বা বডি ক্রিমের সাথে কয়েক ফোঁটা ম্যাসাজ করে পুরো শরীরে অ্যাপ্লাই করতে পারেন। এতে একই সাথে ব্রাইটেনিং ও ময়েশ্চারাইজিং—দুটি সুবিধাই পাবেন!
একটি সততার বার্তা: কোনো স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টই রাতারাতি ম্যাজিক দেখায় না। সুন্দর ও স্থায়ী ফলাফলের জন্য ধারাবাহিক ব্যবহারই আসল চাবিকাঠি। 🤍
যারা নিজের ত্বককে সেরা যত্নটি দিতে চান এবং বডি কেয়ার রুটিনে এক্সট্রা গ্লো আর হাইড্রেশন যোগ করতে চান, তাদের জন্য Nano White Dose Serum হতে পারে একদম পারফেক্ট চয়েস!
🛍️ অরিজিনাল প্রোডাক্টটি অর্ডার করতে এখনই আমাদের ইনবক্স করুন অথবা ভিজিট করুন: hiddenbeautygallerybd.com
Category
Contact the business
Telephone
Address
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Hidden Beauty Gallery posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
