POK POK

POK POK

Share

You can't compare me to the next girl. Coz there is no competition. I'm one of a kind & that's real.

28/09/2026

Emotionally dead
Mentally tired
Physically smiling..

POK POK

20/09/2026

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
ঠিক এই দিনেই শুরু হয়েছিল ব্র্যাক ব্যাংকে আমার পথচলা। দেখতে দেখতে আজ দশ বছর!

সত্যি বলতে, দশটা বছর কীভাবে কেটে গেল—তার হিসাব হয়তো কোনো ক্যালেন্ডার দিয়েও করা সম্ভব নয়। মনে হয়, এই তো সেদিন নতুন একটা জায়গায় পা রেখেছিলাম। আর আজ সেই পথচলার দশ বছর পূর্ণ!

আজ অফিসে এসে যখন Work Anniversary-এর শুভেচ্ছা পেলাম, তখন হঠাৎ করেই পেছনের দশ বছরগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠল।

এই দশ বছরে কত মানুষকে দেখেছি…
কেউ এসেছেন, খুব আপন হয়েছেন, তারপর একদিন অন্য গন্তব্যে চলে গেছেন। কেউ সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছেন, কেউ বন্ধুত্বের জায়গা করে নিয়েছেন, কেউ আবার নীরব প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েও আমাকে আরও ভালো করতে শিখিয়েছেন। একই দিনে যারা আমার সঙ্গে পথচলা শুরু করেছিল, তাদের কয়েকজন আজও পাশে আছে—সময়ের এত পরিবর্তনের মধ্যেও এই সম্পর্কগুলো সত্যিই অনেক বড় প্রাপ্তি।

এই দশ বছর আমাকে শুধু চাকরি শেখায়নি; মানুষ চিনিয়েছে, সম্পর্কের মূল্য বুঝিয়েছে, ধৈর্য শিখিয়েছে, হার-জিতকে স্বাভাবিকভাবে নিতে শিখিয়েছে।

আর আজ সবচেয়ে বেশি যে কথাটা মনে হচ্ছে—সময় আসলে কাউকে অপেক্ষা করায় না।

দশ বছর আগে যে মানুষটা নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছিল, সে আর আজকের মানুষটা এক নয়। আমিও বদলেছি, চারপাশের মানুষগুলো বদলেছে, জীবন বদলেছে। অথচ সময়টা? সে তার নিজের গতিতে ঠিকই এগিয়ে গেছে।

কখনো কখনো মনে হয়, আমাদের কর্মজীবন যেভাবে চোখের পলকে দশ বছর পার করে দেয়, জীবনটাও হয়তো তেমনই নিঃশব্দে আমাদের শেষ গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

তাই এখন মনে হয়—
পদ, প্রতিযোগিতা, অর্থ, সাফল্য—সবই জীবনের অংশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ মনে রাখে আপনি কেমন মানুষ ছিলেন, কতটা ভালোবাসা দিয়েছেন, কতটা ভালোভাবে বেঁচেছেন।

দশ বছর পূর্ণ হলো।
আলহামদুলিল্লাহ—এই পথের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি অভিজ্ঞতা, প্রতিটি ভালো-মন্দ মুহূর্তের জন্য।

আর সামনে যতটুকু পথই বাকি থাকুক, চাই সেটা শুধু সফলভাবে নয়—সুন্দরভাবে বাঁচতে বাঁচতে পেরোতে।

POK POK

20/09/2026

অপ্রতিমকে নিয়ে এই লেখাটা করা উচিত কি না, অনেক ভেবেছি। হয়তো এই পোস্টের জন্য আমাকে অনেক কটু কথাও শুনতে হবে। তবুও কিছু কথা না বললেই নয়।

প্রথমেই একটা কথা—অপ্রতিম মাত্র ১৩ বছরের একটি শিশু। তার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। একজন শিশুর জীবন এভাবে শেষ হয়ে যাওয়া শুধু একটি পরিবারের নয়, আমাদের পুরো সমাজের জন্যই গভীর শোক ও উদ্বেগের বিষয়। এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হোক, প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক—এটাই আমার দাবি।

তবে অপ্রতিমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা কিছু ছবি ও পোস্ট দেখে একজন মা হিসেবে আমার মনে একটা প্রশ্ন এসেছে—আমরা কি আমাদের সন্তানদের যথেষ্ট নজরে রাখছি?

আজকের সন্তানরা আগের প্রজন্মের মতো বড় হচ্ছে না। হাতে স্মার্টফোন, ফেসবুক-টিকটক, নতুন নতুন বন্ধু, বাইরের জগতে চলাফেরা—সবকিছু খুব অল্প বয়সেই তাদের জীবনের অংশ হয়ে যাচ্ছে। ১৩-১৪ বছরের একটি সন্তানকে অনেক সময় দেখলে মনে হয় সে বুঝি অনেক বড় হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মানসিক ও সামাজিকভাবে সে তখনও একটি শিশু।

সন্তান দামি ফোন ব্যবহার করছে, বাইকে ঘুরছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলছে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মতো করে জীবন প্রকাশ করছে—এসব নিজে কোনো অপরাধ নয়। আর কোনো শিশুর পোশাক, ছবি, জীবনযাপন বা সোশ্যাল মিডিয়ার উপস্থিতি তাকে কোনো অপরাধের জন্য দায়ীও করে না। অপ্রতিমের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার দায় একমাত্র অপরাধীর।

কিন্তু এখানেই আমাদের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্বের জায়গাটা আসে।

আমরা সন্তানকে ভালোবাসব, তাকে বিশ্বাস করব—এটা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু শুধু বিশ্বাস করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। সে কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, অনলাইনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করছে, তার আচরণে হঠাৎ কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না—এসবও জানতে হবে।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ নয়—তার সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি করতে হবে। এমন একটা সম্পর্ক তৈরি করতে হবে, যাতে সে বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে সবার আগে বাবা-মাকেই বলতে পারে।

ব্যস্ততা আমাদের সবারই আছে। কাজ আছে, দায়িত্ব আছে, সংসার আছে। কিন্তু সন্তানের নিরাপত্তার জায়গায় ‘ব্যস্ত ছিলাম’ যেন কখনো আমাদের শেষ উত্তর না হয়।

কারণ সন্তানকে স্বাধীনতা দেওয়া দরকার, কিন্তু সেই স্বাধীনতার সঙ্গে বয়স অনুযায়ী নিরাপত্তাবোধ ও দায়িত্ববোধ শেখানোও দরকার।

আজ অপ্রতিম নেই। তার মা-বাবা যে শূন্যতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেই শূন্যতা কোনো কথা দিয়ে পূরণ করার মতো নয়। আমরা কেউই জানি না, আগামীকাল কার দরজায় এমন দুঃসংবাদ এসে দাঁড়াবে।

তাই অপ্রতিমের ঘটনাকে শুধু একটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে না দেখে, একজন অভিভাবক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও দেখা উচিত।

অপ্রতিমের জন্য বিচার চাই।
অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

আর সব বাবা-মায়ের কাছে শুধু একটাই অনুরোধ—
সন্তানকে ভালোবাসুন, বিশ্বাস করুন, স্বাধীনতা দিন।
কিন্তু তার পৃথিবীটা থেকেও দূরে সরে যাবেন না।
তার বন্ধুদের চিনুন, তার অনলাইন জগতটা বুঝুন, তার কথা শুনুন এবং সবচেয়ে বেশি—তার পাশে থাকুন।

কারণ সন্তানকে শুধু বড় করাই দায়িত্ব নয়,
তাকে নিরাপদে বড় করে তোলাটাও আমাদের দায়িত্ব।

POK POK

19/09/2026

একি ভুল যখন বারবার করা হয় তখন সেটা পাপ হয়ে যায়, আর পাপ সর্বাবস্থায় বর্জনীয়।

অথবা

বারবার একি ভুল করাটা একধরণের পাপ, আর সে ধরণের পাপের কোন ক্ষমা হয় না।

POK POK

゚

19/09/2026

এখন আর নিজেকে ব্যাখ্যা করি না। যারা সত্যিই আমাকে অনুভব করতে পারে, তারা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই পাশে থাকে। আর যারা ইচ্ছে করেই সবকিছুকে জটিল করে তোলে, তাদের কাছে স্বচ্ছতার জন্য আর ছুটে বেড়াই না।

ক্লান্ত হলে এখন বিশ্রাম নিই। যেখানে মন বারবার বলে, “এখানে কিছু ঠিক নেই”, সেখান থেকে নীরবে সরে আসি। কারণ সব দরজা খোলা রাখার নাম ভালোবাসা নয়, কখনো কখনো দরজা বন্ধ করে দেওয়াও নিজের প্রতি ভালোবাসা।

একাকীত্বকে এখন আর একাকীত্ব বলি না, তাকে বলি নিজের জন্য একটু জায়গা। যেমন শীতের শেষে গাছ তার পুরোনো পাতা ঝরিয়ে নতুন পাতার জন্য জায়গা করে দেয়, আমিও তেমনই কিছু মানুষ, কিছু অভ্যাস নীরবে ছেড়ে দিচ্ছি।

আমি যেমন, তেমনই থাকব। যেখানে শান্তি আছে, সেখানেই থাকব। আর যেখানে নিজেকে হারাতে হয়, সেখান থেকে ফিরে আসব। কারণ নিজেকে হারিয়ে কাউকে পাওয়ার চেয়ে নিজেকে ফিরে পাওয়াই অনেক বেশি সুন্দর।

POK POK

Photos from POK POK's post 18/09/2026

“জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ছবিগুলো আসলে শুধু ছবি নয়, এগুলো আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্কের স্মৃতি।

এক পাশে আমার বাবা-মা, অন্য পাশে আমার সন্তান—আমার শিকড় আর আমার ভবিষ্যৎ।

এই মানুষগুলোর ভালোবাসা, দোয়া আর উপস্থিতিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

এক ফ্রেমে আমার পৃথিবী—এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে! ”

POK POK

18/09/2026

আমার আমি ♥️♥️

POK POK

18/09/2026

একজন মা তার ছেলেকে শুধু ভালোবাসে না—তার অস্তিত্বের একটা অংশ জুড়ে থাকে সেই সন্তান।

বিশেষ করে একজন সিঙ্গেল মা যখন একা হাতে সন্তানদের বড় করে, তখন তার সন্তানরাই হয়ে ওঠে তার পৃথিবী। তাদের হাসিতে তার সুখ, তাদের কষ্টে তার বুক ভারী হয়ে যায়, আর তাদের ভালো থাকাটাই হয়ে ওঠে তার সবচেয়ে বড় চাওয়া।

আমার ছেলে আমার কাছে শুধু আমার সন্তান নয়।
সে আমার দীর্ঘ পথচলার সাক্ষী, আমার নীরব কষ্টগুলোর অজান্তে সঙ্গী, আমার হাসির কারণ, আমার সাহসের জায়গা।

যে ছোট্ট হাতটা একদিন শক্ত করে ধরে রাখতাম, আজ সেই ছেলেটাই বড় হয়ে আমার পাশে দাঁড়ায়। আমার খোঁজ নেয়, আমার মন বোঝে, আমার জন্য চিন্তা করে। তখন মনে হয়—জীবন আমাকে যত কিছুই কেড়ে নিক, আমাকে আমার ছেলেকে দিয়ে আল্লাহ অনেক কিছু ফিরিয়ে দিয়েছেন।

একদিন হয়তো সে নিজের জীবনে ব্যস্ত হয়ে যাবে, নিজের সংসার হবে। তবুও মায়ের হৃদয়ে সে চিরকাল সেই ছোট্ট ছেলেটাই থাকবে—যার জন্য এই মা হাজার কষ্ট সহ্য করেও হাসতে শিখেছে।

আমার ছেলে—আমার ভালোবাসার সবচেয়ে নরম জায়গা, আমার গর্ব, আমার দোয়া, আর আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর আশীর্বাদ।

POK POK

18/09/2026

আমার মেয়ে শুধু আমার মেয়ে নয়—সে আমার ঘরের রাজকন্যা, আমার বন্ধু, আমার মনের সবচেয়ে কাছের মানুষ।

আমার হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ—সবকিছুই ওর সঙ্গে ভাগ করে নিই। ও আমার না-বলা কথাও বুঝে ফেলে।

আমার একটাই দোয়া—আমার মেয়ের জীবনটা যেন কোনোদিন আমার মতো না হয়; আল্লাহ যেন ওকে আমার চেয়েও সুন্দর, শান্তি আর সম্মানে ভরা জীবন দেন।

আমার রাজকন্যা, আমার সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্ন।

POK POK

Category

Website

Address

Dhaka
1208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when POK POK posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.