Dr. Nure Alam Rony

Dr. Nure Alam Rony

Share

MBBS,FCPS(Hepatology- লিভার) Trainee, PGT(Medicine)
Dhaka Medical College Hospital
#Chamber:
1)Unity Hospital,
Sanarpar, Dhaka
01959500800

21/09/2026

বর্তমান সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। সামান্য অসচেতনতা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই ডেঙ্গু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এবং নিজে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।

রোগটির প্রধান লক্ষণসমূহ:

* তীব্র জ্বর (১০১ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে)
* তীব্র মাথাব্যথা এবং চোখের পেছনে ব্যথা করা
* পেশি, হাড় বা জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা (যে কারণে একে 'হাড়ভাঙা জ্বর'ও বলা হয়)
* শরীরে লালচে র‍্যাশ বা অ্যালার্জির মতো দাগ দেখা দেওয়া
* বমি বমি ভাব বা অনবরত বমি হওয়া

⚠️ বিপজ্জনক লক্ষণ (এগুলো দেখা দিলে অবিলম্বে হাসপাতালে নিতে হবে):

* মাড়ি, নাক বা শরীরের যেকোনো স্থান থেকে রক্তপাত হওয়া
* তীব্র পেট ব্যথা এবং অনবরত বমি হওয়া
* প্রচণ্ড দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট বা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
* প্লাটিলেট (Platelet) দ্রুত কমে যাওয়া

প্রতিরোধে আমাদের করণীয়:

পানি জমতে দেবেন না: এডিস মশা পরিষ্কার ও স্থবির পানিতে ডিম পাড়ে। ঘরের ফুলের টব, ভাঙা প্লাস্টিকের পাত্র, ডাবের খোসা, টায়ার বা ছাদে যেন ৩ দিনের বেশি পানি জমে না থাকে।
মশারি ব্যবহার করুন: ঘুমানোর সময় (এমনকি দিনেও) অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।

আক্রান্ত হলে করণীয়:

1) পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং ডাবের পানি, ওরাল স্যালাইন, ফলের রস ও স্যুপের মতো তরল খাবার বেশি করে খান।
2)চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন: অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেন) খাবেন না, এটি রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। জ্বর কমাতে কেবল প্যারাসিটামল সেবন করা যেতে পারে।

05/08/2026

#হেপাটাইটিস #লিভার #জন্ডিস

01/08/2026

#হেপাটাইটিস A ও হেপাটাইটিস E: যা সবার জানা জরুরি।

#লিভার (যকৃত) আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে, হজমে সহায়তা করে, শক্তি সঞ্চয় করে এবং অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে। ভাইরাসের সংক্রমণে যখন লিভারে প্রদাহ হয়, তখন তাকে ভাইরাল হেপাটাইটিস বলা হয়।

হেপাটাইটিস A (HAV) এবং হেপাটাইটিস E (HEV) বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে তীব্র (Acute) হেপাটাইটিসের অন্যতম প্রধান কারণ।

# # হেপাটাইটিস A ও E কী?

এই দুই ধরনের ভাইরাস সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে (Feco-oral route) মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

অর্থাৎ, আক্রান্ত ব্যক্তির মলের মাধ্যমে ভাইরাস পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের মাধ্যমে অন্য মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটে।

#সুখবর হলো, অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান এবং এটি সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি (Chronic) লিভার রোগে পরিণত হয় না।

তবে কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে আগে থেকেই লিভারের রোগ রয়েছে এমন ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীদের (বিশেষত Hepatitis E) ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

# # কীভাবে ছড়ায়?

সংক্রমণের প্রধান কারণগুলো হলো—

✔ দূষিত পানি পান করা

✔ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুত করা খাবার খাওয়া

✔ না ধোয়া ফল ও সবজি খাওয়া

✔ অপরিষ্কার হাতে খাবার গ্রহণ

✔ টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত না ধোয়া

✔ আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে একই পরিবারের ঘনিষ্ঠ বসবাস

✔ অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা

# # কারা বেশি ঝুঁকিতে?

* অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাসকারী মানুষ
* নিরাপদ পানির অভাব রয়েছে এমন এলাকা
* শিশু (অনেক সময় লক্ষণ ছাড়াই সংক্রমিত হয়)
* আগে কখনও সংক্রমিত হননি এমন প্রাপ্তবয়স্ক
* দীর্ঘমেয়াদি লিভার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি
* খাদ্য প্রস্তুতকারীরা
* গর্ভবতী নারী (বিশেষ করে Hepatitis E)

# # লক্ষণ কী কী?

সংক্রমণের ২–৮ সপ্তাহ পর লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—

* জ্বর
* অতিরিক্ত দুর্বলতা
* ক্ষুধামন্দা
* বমি বমি ভাব বা বমি
* ডান পাশের উপরের পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি
* গাঢ় রঙের প্রস্রাব
* ফ্যাকাশে বা সাদা মল
* চোখ ও শরীর হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস)
* কখনও কখনও শরীরে চুলকানি

সব রোগীর জন্ডিস হয় না। শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক সময় রোগটি খুবই হালকা হতে পারে।

# # চিকিৎসা

চিকিৎসার মূল ভিত্তি হলো—

✔ পর্যাপ্ত বিশ্রাম

✔ নিরাপদ পানি ও পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ

✔ পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য

✔ সম্পূর্ণভাবে অ্যালকোহল পরিহার

✔ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ বা হারবাল/ভেষজ ওষুধ গ্রহণ না করা

অধিকাংশ রোগী কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।

# # কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?

নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যান—

* অতিরিক্ত ঘুম বা অচেতনভাব
* বারবার বমি
* প্রচণ্ড পানিশূন্যতা
* নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া
* দ্রুত জন্ডিস বেড়ে যাওয়া
* পেট ফুলে যাওয়া
* শ্বাসকষ্ট
* প্রস্রাব কমে যাওয়া

# # গর্ভাবস্থা ও Hepatitis E

গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে, Hepatitis E অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে।

এর ফলে হতে পারে—

* মারাত্মক হেপাটাইটিস
* Acute Liver Failure
* অকাল প্রসব
* গর্ভের শিশুর মৃত্যু
* মায়ের মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধি

তাই গর্ভাবস্থায় জন্ডিস হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

---

# কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?

প্রতিরোধই সর্বোত্তম চিকিৎসা।

✔ সবসময় নিরাপদ, ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করুন।

✔ খাবার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন।

✔ সদ্য রান্না করা খাবার খান।

✔ ফল ও সবজি নিরাপদ পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে খান।

✔ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার এড়িয়ে চলুন।

✔ ঘর, রান্নাঘর ও খাবার প্রস্তুতের স্থান পরিষ্কার রাখুন।

✔ সঠিক স্যানিটেশন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।

---

# # টিকা কি আছে?

# # # হেপাটাইটিস A

হ্যাঁ। হেপাটাইটিস A-এর নিরাপদ ও কার্যকর টিকা রয়েছে।

টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়—

* শিশুদের (জাতীয় বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)
* দীর্ঘমেয়াদি লিভার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের
* উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের
* ভ্রমণকারীদের

# হেপাটাইটিস E

হেপাটাইটিস E-এর টিকা কয়েকটি দেশে সীমিতভাবে অনুমোদিত হলেও বিশ্বব্যাপী সহজলভ্য নয়।তাই প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো :নিরাপদ পানি, ভালো স্যানিটেশন এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা।

---

প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

❌ জন্ডিস হলে একেবারে খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।
✅ ভুল। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।

❌ সব জন্ডিসে অ্যান্টিবায়োটিক লাগে।
✅ ভুল। ভাইরাসজনিত হেপাটাইটিসে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই।

❌ হারবাল বা ভেষজ ওষুধ লিভারের জন্য সবসময় নিরাপদ।
✅ ভুল। অনেক ভেষজ ওষুধ লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

---
মনে রাখবেন

✔ হেপাটাইটিস A ও E সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ।

✔ নিরাপদ পানি, ভালো স্যানিটেশন এবং হাত ধোয়ার অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

✔ অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন।

✔ গর্ভবতী নারী ও দীর্ঘমেয়াদি লিভার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।

✔ হেপাটাইটিস A-এর কার্যকর টিকা রয়েছে।

✔ জন্ডিস বা গুরুতর উপসর্গকে কখনোই অবহেলা করবেন না।

নিজের লিভারকে সুরক্ষিত রাখুন।
পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।
সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন।

ডা. নূরে আলম রনি
লিভার ও মেডিসিন অভিজ্ঞ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

11/06/2026

বিশ্ব ফ্যাটি লিভার দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক পোস্ট

ফ্যাটি লিভার: নীরব রোগ, সচেতনতা জরুরি

ফ্যাটি লিভার (বর্তমানে MASLD নামে পরিচিত) এমন একটি অবস্থা যেখানে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে। অনেক সময় কোনো উপসর্গ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে লিভারের ক্ষতি করতে পারে।

⚠️ ঝুঁকির কারণ:
• অতিরিক্ত ওজন/স্থূলতা
• ডায়াবেটিস
• উচ্চ রক্তচাপ
• কোলেস্টেরল বৃদ্ধি
• কম শারীরিক পরিশ্রম
• অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

✅ কী করবেন?
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
নিয়মিত ব্যায়াম করুন (সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট)
চিনি, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কমান
শাকসবজি, ফল, সুষম খাবার গ্রহণ করুন
প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে লিভার পরীক্ষা করুন

মনে রাখবেন—ফ্যাটি লিভারকে অবহেলা নয়, সচেতনতা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনই এর মূল প্রতিরোধ।

04/06/2026

#লিভার #স্বাস্থ্য_সচেতনতা

19/05/2026

কী?
IBD বা Inflammatory Bowel Disease হলো অন্ত্রের এক দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত অসুখ। এটি এমন এক অবস্থা, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে নিজেরই অন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করে।
IBD মূলত দুটি প্রধান ধরনের হয়ে থাকে:
- Crohn’s Disease: এটি মুখ থেকে শুরু করে মলদ্বার পর্যন্ত অন্ত্রের যেকোনো স্থানে হতে পারে। এতে অন্ত্রের দেয়ালে ঘা, ফোলা ও ক্ষতি দেখা দেয়।
- Ulcerative Colitis: এটি প্রধানভাবে কোলন বা বৃহদান্ত্রকে প্রভাবিত করে। কোলনের অভ্যন্তরীণ পৃষ্ঠে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ও আলসার তৈরি হয়।

এর কারণ
এই রোগের কারণ এখনো পুরোপুরি জানা না গেলেও বংশগত প্রভাব, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া, খাদ্যাভ্যাস ও মানসিক চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
IBD-র ক্ষেত্রে জিনগত প্রবণতা থাকতে পারে। এছাড়াও, ইমিউন সিস্টেমের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় শরীর নিজের অন্ত্রকেই আক্রমণ করে। কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পরিবেশগত কারণ, জীবাণু বা খাদ্যাভ্যাসের প্রভাবও বাতাসর করা হয়েছে।

এর প্রধান লক্ষণ
IBD-এর প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বারবার পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা বা রক্তসহ পায়খানা, ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, মাঝে মাঝে জ্বর এবং দীর্ঘদিনের পেটের অস্বস্তি। শিশুদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ও ওজন বৃদ্ধি ধীর হয়ে যেতে পারে।
লক্ষণগুলো সাধারণত ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং সময়ের সাথে তীব্র হতে পারে। রক্তসহ পায়খানা মূলত আলসারের কারণে হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার কারণ হলো শরীর ঠিকমতো পুষ্টি নিতে না পারা।

#রোগ উন্নতির জটিলতা
দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করলে অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, অন্ত্রের সংকোচন বা ফিস্টুলা তৈরি হতে পারে এবং ভবিষ্যতে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে।
অনিয়ন্ত্রিত IBD সময়ের সাথে অন্ত্রে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। ফিস্টুলা হলো অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে অথবা অন্ত্রে এবং ত্বকের মধ্যে অস্বাভাবিক সংযোগ। এছাড়াও, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

# IBD নিয়ন্ত্রণ ও জীবনযাত্রা , ওষুধ নিয়মিত খাওয়া,
সঠিক খাদ্যাভ্যাস, মানসিক স্বস্তি ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে IBD নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। রোগ সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও চিকিৎসা ও সচেতন জীবনযাপনের মাধ্যমে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
দীর্ঘমেয়াদে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ সেবন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা এবং মানসিক চাপ কমানো জরুরি। নিয়মিত ফলো-আপ করলে উপসর্গ কম থাকে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

#হেপাটোলজিস্ট বা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব
যদি কারও দীর্ঘদিন ধরে পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা বা রক্তসহ মলত্যাগের সমস্যা থাকে, তাহলে দেরি না করে অবশ্যই একজন হেপাটোলজিস্ট বা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো এবং সুস্থ জীবন বজায় রাখা সম্ভব।
অবহেলা করলে সমস্যা বাড়তে পারে এবং জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই প্রথমে সঠিক ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা করানো জরুরি।
#লিভার

Dr. Nure Alam Rony
MBBS,FCPS(Hepatology- লিভার) Trainee, PGT(Medicine)
Dhaka Medical College Hospital

:
1)Unity Hospital,
Sanarpar, Dhaka
01959500800

18/05/2026

#উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি “নীরব ঘাতক”। অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি বিকল, চোখের ক্ষতি ও ব্রেইন হেমোরেজের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সচেতনতা ও নিয়মিত নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

#কেন উচ্চ রক্তচাপ বিপজ্জনক?

* হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়
* স্ট্রোক ও ব্রেইন হেমোরেজ হতে পারে
* কিডনি ধীরে ধীরে নষ্ট হতে পারে
* চোখের রেটিনার ক্ষতি হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমতে পারে
* দীর্ঘমেয়াদে হার্ট ফেইলিউর হতে পারে

#উচ্চ রক্তচাপের সাধারণ ঝুঁকির কারণ

* অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
* ধূমপান ও তামাক
* স্থূলতা ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা
* অতিরিক্ত মানসিক চাপ
* ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল
* পারিবারিক ইতিহাস
* অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার
* পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব

#কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়?

১. লবণ কম খান

* প্রতিদিন ৫ গ্রামের কম লবণ গ্রহণের চেষ্টা করুন
* আচার, চিপস, ফাস্টফুড ও প্রসেসড খাবার কমান

২. নিয়মিত ব্যায়াম করুন

* সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম
* ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

৩. ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করুন

* ধূমপান রক্তনালী সংকুচিত করে BP বাড়ায়

৪. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন

* শাকসবজি, ফলমূল, মাছ ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
* অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও চিনি কমান

৫. মানসিক চাপ কমান

* পর্যাপ্ত ঘুম
* রিলাক্সেশন, নামাজ/ধ্যান, পরিবারকে সময় দেওয়া

৬. নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন

* বিশেষ করে ৪০ বছরের বেশি বয়সে
* ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা স্থূলতা থাকলে আরও নিয়মিত পরীক্ষা প্রয়োজন

# কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন?

নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করুন—

* তীব্র মাথাব্যথা
* বুকে ব্যথা
* শ্বাসকষ্ট
* হাত-পা অবশ হওয়া
* কথা জড়িয়ে যাওয়া
* চোখে ঝাপসা দেখা

“রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন — হৃদয়, মস্তিষ্ক ও কিডনি সুরক্ষিত রাখুন।”

“নিয়মিত BP মাপুন, সুস্থ জীবন গড়ুন।”
#স্বাস্থ্য_সচেতনতা

Dr. Nure Alam Rony
Medicine and Liver specialist
Dhaka medical College hospital

14/05/2026

#উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) — নীরব ঘাতক সম্পর্কে জানুন

উচ্চ রক্তচাপ কী?

যখন বারবার মাপলে রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা Hypertension বলা হয়। সাধারণত:

* স্বাভাবিক:

19/04/2026

বিশ্ব লিভার দিবস ২০২৬
প্রতিপাদ্য: “Solid Habits, Strong Liver” (সুস্থ অভ্যাস, শক্তিশালী লিভার) (World Day)

ফ্যাটি লিভার এখন নীরব মহামারী। অনেকের কোনো উপসর্গ নেই, কিন্তু নীরবে লিভারে ক্ষতি চলতেই থাকে। তাই এবারের বিশ্ব লিভার দিবসের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই গড়ে তুলতে পারে সুস্থ লিভার।

ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ :
🔹 অনেক সময় কোনো উপসর্গই থাকে না
🔹 ক্লান্তি, দুর্বলতা
🔹 ডান পাশে পেটে অস্বস্তি
🔹 লিভার এনজাইম বৃদ্ধি
🔹 আল্ট্রাসনোগ্রামে ফ্যাটি লিভার
🔹 অবহেলায় ফাইব্রোসিস, সিরোসিস, এমনকি লিভার ক্যান্সার

প্রতিরোধের ৪টি Solid Habits (প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা):
✅ স্বাস্থ্যকর খাবার
✅ নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম
✅ অ্যালকোহল পরিহার/কমানো
✅ নিয়মিত লিভার চেক-আপ

আরও যা জরুরি:
ওজন ৭–১০% কমানো
চিনি ও প্রসেসড খাবার কমানো
ডায়াবেটিস, প্রেসার, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ
পেটের মেদ কমানো
সময়মতো FibroScan/লিভার মূল্যায়ন

বার্তা একটাই—
ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধযোগ্য।
আজ গড়ি Solid Habits, আগামীর জন্য Strong Liver.

বিশ্ব লিভার দিবসে প্রতিজ্ঞা হোক—
“লিভারের যত্ন নিন, জীবনকে সুরক্ষিত রাখুন।


#সুস্থ_অভ্যাস_শক্তিশালী_লিভার

Dr. Nure Alam Rony
MBBS, FCPS ( Hepatology -লিভার)Course
Dhaka Medical College Hospital

12/03/2026

লিভার রোগে ভয় না করে, সঠিক পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করুন।

ডাঃ নূরে আলম রনি
লিভার, পরিপাকতন্ত্র ও মেডিসিন অভিজ্ঞ
এমবিবিএস, পিজিটি (মেডিসিন) এফসিপিএস (হেপাটোলজি-লিভার-এফপি)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

সিরিয়াল নিতে কল করুনঃ 01959-500800 01730-886699

Category

Website

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nure Alam Rony posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.