Sajol Vai
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sajol Vai, Health/Beauty, Rampura, Dhaka.
26/05/2026
22/05/2026
লিচু চোর
কাজী নজরুল ইসলাম
15/05/2026
আজ হাতে পেলাম নয়শত বছর আগের মহিউদ্দিন ইবনুল আরাবি র: লেখা দুটি বিখ্যাত কিতাব, আসুন আগে জেনে নিই কে এই মহিউদ্দিন ইবনুল আরাবি। ইউরোপ যখন মুসলিমদের পতাকা তলে সেই সময় এই মহান বুজুর্গ জুলাই ১১৬৫ খ্রিষ্টাব্দে স্পেনের মুরসিয়া শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যদিও সময়টা মুসলিমদের জন্য অনুকূল ছিলো না, চারিদিকে মুসলিম নিপীড়ন, হত্যা, এই সময়টা ছিল পুরো মুসলিম জাহানের জন্য একটি সংকটময় সময়, ইসলামকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র, পবিত্র আরব ভূমি চেঙ্গিস খানের আগুনে লণ্ডভণ্ড।
আব্বাসিও খলিফা মুন্তাসিম বিল্লাহকে হস্তি পিষ্ট করে হত্যা করা হয়েছে, দশ লক্ষ মুসলিমকে এক সজ্ঞে হত্যা করে ফুরাত নদি পানি রক্তে লাল করা করেছিলো, আর এ দিকে সম্মেলিত খ্রিষ্টান বাহিনি ইউরোপি মুসলিমদের জীবন অতিষ্ঠ করে ফেলে ছিলো, মুসলিম জাহানের এই সংকটময় সময় এক মহান বুজুর্গ চষে বেড়িয়েছেন ইউরোপর অলিগলি, সিরিয়ার আলেপ্প থেকে দামাস্কো, কুনিয়া থেকে ইস্তাম্বুল, মুসলিম শাসকদের অনুপ্রেরিত করেছেন, সাহস যুগিয়েছেন, ওসমানীও খেলাফাত প্রতিষ্ঠার যিনি পথ প্রদর্শক, পাশ্চাত্য সভ্যতা যাকে মুসলিম ইতিহাস থেকে সরিয়ে দিতে আপ্রান চেষ্টা করেছে। এই মহান আল্লাহর ওলি মহামূল্যবান কিছু কিতাব লিখে গিয়েছেন। যা সংগ্রহে রাখার আকাঙ্ক্ষা ছিলো অনেক দিনের। যদিও মূল কিতাব আরবি ভাষায় লেখা, দুর্বোধ্য। তবু্ও বাংলা ভাষায় করা অনুবাদ সাবলীল ও সুন্দর উপস্থাপনা।
বাংলাটা ঠিক আসে না!
– ভবানীপ্রসাদ মজুমদার
ছেলে আমার খুব ‘সিরিয়াস’ কথায়-কথায় হাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।
ইংলিশে ও ‘রাইমস’ বলে
‘ডিবেট’ করে, পড়াও চলে
আমার ছেলে খুব ‘পজেটিভ’ অলীক স্বপ্নে ভাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।
‘ইংলিশ’ ওর গুলে খাওয়া, ওটাই ‘ফাস্ট’ ল্যাঙ্গুয়েজ
হিন্দি সেকেন্ড, সত্যি বলছি, হিন্দিতে ওর দারুণ তেজ।
কী লাভ বলুন বাংলা প’ড়ে?
বিমান ছেড়ে ঠেলায় চড়ে?
বেঙ্গলি ‘থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ’ তাই, তেমন ভালোবাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।
বাংলা আবার ভাষা নাকি, নেই কোনও ‘চার্ম’ বেঙ্গলিতে
সহজ-সরল এই কথাটা লজ্জা কীসের মেনে নিতে?
ইংলিশ ভেরি ফ্যান্টাসটিক
হিন্দি সুইট সায়েন্টিফিক
বেঙ্গলি ইজ গ্ল্যামারলেস, ওর ‘প্লেস’ এদের পাশে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।
বাংলা যেন কেমন-কেমন, খুউব দুর্বল প্যানপ্যানে
শুনলে বেশি গা জ্ব’লে যায়, একঘেয়ে আর ঘ্যানঘ্যানে।
কীসের গরব? কীসের আশা?
আর চলে না বাংলা ভাষা
কবে যেন হয় ‘বেঙ্গলি ডে’, ফেব্রুয়ারি মাসে না?
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসে না।
ইংলিশ বেশ বোমবাস্টিং শব্দে ঠাসা দারুণ ভাষা
বেঙ্গলি ইজ ডিসগাস্টিং, ডিসগাস্টিং সর্বনাশা।
এই ভাষাতে দিবানিশি
হয় শুধু ভাই ‘পি.এন.পি.সি’
এই ভাষা তাই হলেও দিশি, সবাই ভালোবাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।
বাংলা ভাষা নিয়েই নাকি এংলা-প্যাংলা সবাই মুগ্ধ
বাংলা যাদের মাতৃভাষা, বাংলা যাদের মাতৃদুগ্ধ
মায়ের দুধের বড়ই অভাব
কৌটোর দুধ খাওয়াই স্বভাব
ওই দুধে তেজ-তাকত হয় না, বাংলাও তাই হাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।
বিদেশে কী বাংলা চলে? কেউ বোঝে না বাংলা কথা
বাংলা নিয়ে বড়াই করার চেয়েও ভালো নিরবতা।
আজ ইংলিশ বিশ্বভাষা
বাংলা ফিনিশ, নিঃস্ব আশা
বাংলা নিয়ে আজকাল কেউ সুখের স্বর্গে ভাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের, বাংলাটা ঠিক আসেনা।
শেক্সপীয়র, ওয়ার্ডসওয়ার্থ, শেলী বা কীটস বা বায়রন
ভাষা ওদের কী বলিষ্ঠ, শক্ত-সবল যেন আয়রন
কাজী নজরুল- রবীন্দ্রনাথ
ওদের কাছে তুচ্ছ নেহাত
মাইকেল হেরে বাংলায় ফেরে, আবেগে-উচছ্বাসে না
জানেন দাদা, আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসেনা।
আবার আসিব ফিরে
---জীবনানন্দ দাশ
আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়;
হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,
সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে
জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;
হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;
হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;
রূপ্সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে
ডিঙা বায়;—রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে
দেখিবে ধবল বক: আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে–
জোনাকিরা
—আহসান হাবীব
তারা- একটি দুটি তিনটি করে এলো
তখন- বৃষ্টি-ভেজা শীতের হাওয়া
বইছে এলোমেলো,
তারা- একটি দু’টি তিনটি করে এলো।
থই থই থই অন্ধকারে
ঝাউয়ের শাখা দোলে
সেই- অন্ধকারে শন শন শন
আওয়াজ শুধু তোলে।
ভয়েতে বুক চেপে
ঝাউয়ের শাখা , পাখির পাখাউঠছে কেঁপে কেঁপে ।
তখন- একটি দু’টি তিনটি করে এসে
এক শো দু শো তিন শো করে
ঝাঁক বেঁধে যায় শেষে
তারা- বললে ও ভাই, ঝাউয়ের শাখা,
বললে, ও ভাই পাখি,
অন্ধকারে ভয় পেয়েছো নাকি ?
যখন- বললে, তখন পাতার ফাঁকে
কী যেন চমকালো।
অবাক অবাক চোখের চাওয়ায়
একটুখানি আলো।
যখন- ছড়িয়ে গেলো ডালপালাতে
সবাই দলে দলে
তখন- ঝাউয়ের শাখায়- পাখির পাখায়
হীরে-মানিক জ্বলে।
যখন- হীরে-মানিক জ্বলে
তখন- থমকে দাঁড়াঁয় শীতের হাওয়া
চমকে গিয়ে বলে-
খুশি খুশি মুখটি নিয়ে
তোমরা এলে কারা?
তোমরা কি ভাই নীল আকাশের তারা ?আলোর পাখি নাম
জোনাকি
জাগি রাতের বেলা,
নিজকে জ্বেলে এই আমাদের
ভালোবাসার খেলা।
তারা নইকো- নইকো তারা
নই আকাশের চাঁদ
ছোট বুকে আছে শুধুই
ভালোবাসার সাধ।
14/01/2026
"নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে- তিল ঠাঁই আর নাহি রে।..কবিতাটি ভীষণ প্রিয় ছিলো♥️
মনের মাঝে ছন্দ উঠত দুলে।
একটু স্মরণ করিয়ে দিলাম-- যারা গেছেন ভুলে।।
#শৈশব #স্মৃতি .
জ্যাক মা বলেছিলেন— "আপনজনদের কাছে বিক্রি করলে, কতো কমে বেচছেন সেটা নিয়ে ভাববে না তারা, তারা সর্বদা ভাববে— তারা পয়সা দিয়ে কিনে আপনার উপকার করেছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে কাছের মানুষরা কখনো আপনার সুনাম করবে না।"
কিছু মানুষকে আপনি সব জায়গায় পাবেন, যারা নিজের আত্মীয়স্বজনের পুঁজি, পরিশ্রম, সময়, ইত্যাদিকে মূল্য দেয় না; কিন্তু বাইরের মানুষদেরকে মূল্যায়ন করে। এরা, প্রয়োজনে অন্যের কাছ থেকে বেশি মূল্যে পণ্য কিনে প্রতারিত হতে রাজি, কিন্তু আপনাকে অল্প লভ্যাংশ আয় করে উন্নতি করতে দিতে রাজি নয়। কারণ, এরা এভাবে ভাবে— 'সে আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে আমার কাছ থেকে কতো খসালো?' অথচ এভাবে ভাবে না— 'সে আমার কতো টাকা বাঁচিয়ে দিলো?'
এটি গরিব মানুষের মানসিকতার একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
ধনীরা কীভাবে ধনী হয়? ধনীদের অন্যতম কৌশল হলো— এরা এদের কাছের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, এমনকি নিজের প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদেরকেও, নিজ-নিজ সাইড-ব্যবসায় উৎসাহিত করে, পুঁজি দিয়ে সহযোগিতা করে, উন্নতির পরামর্শ দেয়। এর ফলে, ধনীর চারপাশ ধনী দিয়ে পরিপূর্ণ থাকে, হাত-পাতা গরিবের জন্য অলাভজনক ব্যয় করতে হয় না, এবং এই ধনীরাই সেই ধনীকে পরবর্তীতে সহযোগিতা করে, সেই আগের পদ্ধতির চক্রে বা কৃতজ্ঞতাবশে। ফলে, প্রকৃত ধনী কখনোই গরিব হয়ে যায় না। সিম্পল লজিক।
জ্যাক মা আরেকটি কথা বলেছেন— "আপনাকে বিশ্বাস করে পণ্য কেনা প্রথম ক্রেতাটি আপনার অপরিচিত, অনাত্মীয়। আপনজনেরা আপনার ক্রেতা নয়, এরা আপনার ব্যবসাকে ধ্বসিয়ে দেওয়ার ফন্দিতে থাকে। এবং, যেদিন আপনি সফল হয়ে যাবেন, ব্যবসাটায় দাঁড়িয়ে যাবেন, প্রত্যেকটি পার্টিতে, আড্ডায়, রেস্তোরাঁয়, অনুষ্ঠানে নিজেই বিল চুকাবেন, সেদিনই উপলব্ধি করবেনঃ ওখানে সমস্ত আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, সব আপনজনরাই আছে, আপনার পয়সার ভাগীদার হয়ে; কিন্তু সেই অচিন ক্রেতাটি, সেই অপরিচিত ক্রেতারা, নেই।"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1219
