Julie TD's

Julie TD's

Share

In search of good news

Photos from Julie TD's post 13/09/2026

#বিচারবহির্ভূত_নির্যাতন_বন্ধ_হোক
🛑১৪টি বছর কি কখনো ফিরিয়ে দেওয়া যায়? — এনামুল হকের জন্য ন্যায়বিচারের আবেদন
সাগর–রুনি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের বাসার কেয়ারটেকার এনামুল হককে আটক করা হয়েছিল। এরপর রিমান্ডের পর রিমান্ড, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অনিশ্চয়তা—সবকিছুর মধ্য দিয়ে একজন অসহায় মানুষের জীবনের ১৪টি বছর অন্ধকার কারাগারে কেটে গেছে।
আজ যদি দীর্ঘ ১৪ বছর পর প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ টেকে না এবং তিনি মুক্তি পান—তবুও আমার প্রশ্ন থেকে যায়—
হারিয়ে যাওয়া সেই ১৪ বছর কি তাকে কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে?
এনামুল হক শুধু একজন কেয়ারটেকার ছিলেন না।
তিনি কারো স্বামী, কারো বাবা, কারো সন্তান। তাঁরও একটি পরিবার ছিল, স্বপ্ন ছিল, ভালোবাসার মানুষ ছিল। তাঁর সামান্য আয়ের ওপর হয়তো একটি পুরো পরিবার নির্ভরশীল ছিল।
তিনি কারাগারে থাকাকালে শুধু এনামুলই বন্দি ছিলেন না—বন্দি ছিল তাঁর পরিবারের স্বপ্নও।
একজন বাবা তাঁর সন্তানকে বড় হতে দেখতে পারেননি।
একজন স্বামী তাঁর পরিবারের পাশে থাকতে পারেননি।
একজন সন্তান তাঁর আপনজনের পাশে দাঁড়াতে পারেননি।
ক্ষুধা, তৃষ্ণা, মানসিক যন্ত্রণা, কারাগারের অন্ধকার এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে কেটে গেছে জীবনের মূল্যবান ১৪টি বছর।
আজ রাষ্ট্র যদি তাঁকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কোটি টাকাও দেয়, তাতে কি তাঁর হারিয়ে যাওয়া যৌবন ফিরে আসবে?
তাঁর সন্তানের শৈশব ফিরে আসবে?
পরিবারের হারানো সময় ফিরে আসবে?
সমাজে হারিয়ে যাওয়া মর্যাদা কি সম্পূর্ণভাবে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব?
টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায়, কিন্তু হারিয়ে যাওয়া জীবন ফিরিয়ে দেওয়া যায় না।
আর এনামুল হকের ঘটনাকে শুধু একজন মানুষের ঘটনা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। অতীতের বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের অভিযোগে বহু মানুষ দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছেন—তাদের কেউ কেউ পরিবার, অর্থনীতি, সামাজিক মর্যাদা ও স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন।
🛑বিডিআর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে আটক ব্যক্তিদের পরিবার, বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন কারাবন্দি মানুষ এবং নির্যাতনের অভিযোগ থাকা আলেম-ওলামাসহ সংশ্লিষ্ট সবার ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার ও মানবিক পুনর্বাসনের প্রশ্নটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
🛑আমি বর্তমান সরকারের কাছে আবেদন জানাই—
যারা সত্যিই অন্যায়ভাবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে কারাবন্দি হয়েছেন, তাদের খুঁজে বের করুন।
তাদের মামলাগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করুন।
যারা নির্দোষ প্রমাণিত হন, তাদের শুধু মুক্তি দিয়েই দায়িত্ব শেষ করবেন না..?
🛑তাদের সামাজিক মর্যাদা ফিরিয়ে দিন, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুন, যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিন এবং তাদের পরিবারকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কার্যকর সহায়তা করুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—
🛑এমন একটি বিচারব্যবস্থা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা গড়ে তুলুন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো নিরপরাধ মানুষকে শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে বছরের পর বছর কারাগারের অন্ধকারে জীবন কাটাতে না হয়।
🛑কোনো মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ গুলোর একটি। তাই সেই ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী সুরক্ষা আইন গড়ে তোলা জরুরি।
🛑আজকের সরকার চাইলে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
শুধু এনামুল হকের জন্য নয়—
প্রতিটি নিরপরাধ মানুষের জন্য....?
যাদের জীবনের মূল্যবান বছর অন্যায়ের কারণে হারিয়ে গেছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো হোক।
তাদের পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হোক।
তাদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
কারণ—
একজন নিরপরাধ মানুষের ১৪ বছর কারাগারে কেটে যাওয়া শুধু একজন মানুষের ক্ষতি নয়; এটি একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার জন্যও এক গভীর প্রশ্ন।
ন্যায়বিচার শুধু অপরাধীর শাস্তি নয়—নিরপরাধের মুক্তি এবং তার হারানো জীবনের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাও ন্যায়বিচারের অংশ।

12/09/2026
11/09/2026

#ধর্ষণের_বিরুদ্ধে_রুখে_দাঁড়াও
#বিচারহীনতার_অবসান_চাই
🔴 ৮ বছরের শিশুর কে ধর্ষণ—এ কেমন বিকৃত মানবতা!
একজন ৮ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করার পরও যদি কোনো নরপিশাচ ক্যামেরার সামনে দাঁত কেলিয়ে হাসতে হাসতে নিজের অপরাধের কথা বলতে পারে, তাহলে বুঝতে হবে তার বিবেক কতটা পচে গেছে!
একজন ভাই এই নরপিশাচের সাক্ষাৎকার ধারণ করেছেন। সাক্ষাৎকারে তার কথাবার্তায় ভয় নেই, লজ্জা নেই, অনুশোচনা নেই, অপরাধবোধের সামান্যতম চিহ্নও নেই। বরং হাসতে হাসতে সে এমনভাবে কথাগুলো বলছিল, যেন একটি শিশুর জীবন ধ্বংস করা কোনো গুরুতর অপরাধই নয়!
আরও ভয়ংকর বিষয় হলো—সে দাবি করছে, এর আগে নাকি এমন অপরাধ করেনি, করতে চায়নি; শয়তান তাকে দিয়ে করিয়ে দিয়েছে!
কী ভয়াবহ ও হাস্যকর অজুহাত!
শয়তান নয়—অপরাধ করেছে একজন মানুষ। আর সেই অপরাধের দায় তাকেই নিতে হবে। নিজের জঘন্য কাজের দায় অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়ার এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সত্যি বলতে, তার এই নির্লজ্জ হাসি ও কথাবার্তা শুনে একজন সাধারণ মানুষেরও প্রচণ্ড ক্ষোভে জুতা দিয়ে পেটাতে ইচ্ছে করতে পারে। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে—এই ক্ষোভের প্রতিশোধ নিতে হবে আইনের মাধ্যমে, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে নয়।
প্রশ্ন হলো—আমাদের সমাজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে?
একটি ৮ বছরের শিশু পর্যন্ত নিরাপদ নয়!
শিশুর শৈশব পর্যন্ত নিরাপদ নয়!
আর একজন অভিযুক্ত ধর্ষক ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে অনুশোচনার পরিবর্তে হাসতে পারে!
এর পেছনে রয়েছে বিচারহীনতার সংস্কৃতি, অপরাধীদের প্রশ্রয় এবং আইনের দীর্ঘসূত্রতা। যখন অপরাধী মনে করে সে পার পেয়ে যাবে, তখনই অপরাধীর সাহস বেড়ে যায়।
তাই আজ আমাদের দাবি অত্যন্ত স্পষ্ট—
ধর্ষণের বিচার দ্রুত করতে হবে।
শিশু ধর্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে হবে।
অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুত কার্যকর করতে হবে।
কোনো অপরাধীর পরিচয়, অর্থ, ক্ষমতা বা প্রভাব যেন তাকে রক্ষা করতে না পারে।
আমি চাই না আর কোনো ৮ বছরের শিশু এই নরকযন্ত্রণা ভোগ করুক। আমি চাই না কোনো মা-বাবাকে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হোক।
🛑এই নরপিশাচ নিজেই তার অপরাধের কথা শিকার করছে এক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। এমন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বিকৃত মানসিকতার মানুষ একটি শিশুর দিকে হাত বাড়ানোর আগে শতবার ভাবতে বাধ্য হয়।
🛑শুধু এই নরপিচাষের নয় সকল ধর্ষকদের খোলা ময়দানে প্রকাশ জনসম্মুখে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানাচ্ছি যাতে কেউ ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধ করতে সাহস না পায়.....
🛑ধর্ষণের শাস্তি শুধুমাত্র খোলা ময়দানে মৃত্যুদণ্ড দেয়ায় যথেষ্ট বলে আমি মনে করি না মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সময় তা ফলাও করে প্রচার করা উচিত....
দ্রুত বিচার চাই—দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ শাস্তি চাই।
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই হবে।
ধর্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর হতেই হবে।
বিচারহীনতার অবসান ঘটাতেই হবে।

Photos from Julie TD's post 11/09/2026

#আইনের_শাসন_সবার_জন্য
🛑প্রভাবশালী অপরাধী বলে কি আইনের ঊর্ধ্বে কেউ?
মিশরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপিকা সাহারা খলিফা এবং তার আরো ১১ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর সামনে এসেছে। দেশটির প্রচলিত আইনে মাদক চোরাচালানের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
এই ঘটনা আমাদের নিজেদের দেশের দিকে তাকাতেও বাধ্য করে।
মাত্র কয়েকদিন আগেই একজন পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে ৯০ হাজার ইয়াবা ও ইয়াবা বিক্রির থেকে অর্জিত ৩৫ লাখ নগদ টাকা উদ্ধারের খবর গণমাধ্যমে এসেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধি ও চেয়ারম্যান/মেম্বার সহ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্ত অভিযোগে আটকের খবর আমরা দেখেছি।
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে—প্রভাবশালী কেউ অপরাধের সঙ্গে জড়িত হলে তার বিচার কি সাধারণ মানুষের মতোই হবে না?
মাদক শুধু একটি অপরাধ নয়; এটি একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিতে পারে। একজন মাদক ব্যবসায়ী যখন সমাজে মাদক ছড়িয়ে দেয়, তখন সে শুধু আইন ভঙ্গ করে না—সে অসংখ্য পরিবার, তরুণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্ষতি করে।
আর যখন প্রশাসনের কোনো ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি কিংবা ক্ষমতাবান কেউ মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজি বা অন্য কোনো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তখন বিষয়টি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। কারণ আইন রক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই যদি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হন, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা কোথায় থাকবে?
আমাদের দাবি একটাই—আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে।
অপরাধী সে সাধারণ মানুষ হোক, প্রশাসনের কর্মকর্তা হোক, জনপ্রতিনিধি হোক কিংবা যত বড় প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোক—অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, নিরপেক্ষ বিচার এবং আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
শুধু গ্রেপ্তার বা সংবাদ প্রকাশ করলেই হবে না; বিচারও দৃশ্যমান হতে হবে।
আমাদের যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রশাসনের ভেতরে কিংবা বাইরে—যেখানেই অপরাধের শিকড় থাকুক, তা নির্মূল করতে হবে।
একটি নিরাপদ দেশ গড়তে হলে অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধই তার বিচারের ভিত্তি হতে হবে।
আজ সময় এসেছে প্রশ্ন করার, জবাবদিহি নিশ্চিত করার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার।
মাদকমুক্ত যুব সমাজ, নিরাপদ নাগরিক জীবন এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ—এটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা।

10/09/2026

#জনগণের_নিরাপত্তা
#বাংলাদেশ_পুনর্গঠন
🇧🇩 আমাদের দেশের এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ি থেকে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৩৫ লাখ টাকা উদ্ধার হওয়ার খবর নিঃসন্দেহে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি মাদক চোরাচালানের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে, তাহলে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক—একজন কর্মকর্তার নৈতিক ও চারিত্রিক অধঃপতন কতটা হলে তিনি এমন অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন?
দেশকে পুনর্গঠন করতে বর্তমান সরকার যখন লোকবল ও অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তখন প্রশাসনের ভেতরে থাকা দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি।
গত ১৭ বছরের শাসনামলে পুলিশের মধ্যে যারা অনৈতিকভাবে নিয়োগ, তদবির, দুর্নীতি কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে পদ-পদবি পেয়েছে—এমন অভিযোগগুলোও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যারা জুলাইয়ের গণহত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, কিংবা অন্য কোনো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের দল-মত ও পরিচয় নির্বিশেষে তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনতে হবে।
কারণ প্রশাসনের ভেতরে অপরাধীরা থেকে গেলে তারা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করবে।
বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হওয়া উচিত পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে পুনর্গঠন ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে শক্তিশালী করা। এজন্য প্রয়োজন—
🔹 পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
🔹 দুর্নীতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর জবাবদিহির ব্যবস্থা করা।
🔹 অতীতের গুরুতর অপরাধের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা।
🔹 কোনো কর্মকর্তা অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে দ্রুত ও ন্যায়সংগত বিচার নিশ্চিত করা।
🔹 রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, দক্ষ ও নৈতিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা।
🔹 পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত নতুন জনবল নিয়োগ করে বাহিনীর শূন্যপদ পূরণ করা।
একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি দুর্নীতি ও অপরাধমুক্ত না হয়, তাহলে কোনো সংস্কারই দীর্ঘমেয়াদে সফল হবে না।
তাই এখনই সময়—পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও জনগণের আস্থার বাহিনীতে পরিণত করার।
দেশ পুনর্গঠনের স্বার্থে একটি দক্ষ, সৎ ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

09/09/2026
08/09/2026

#দোয়া

06/09/2026

🇧🇩 একবার ধর্ষণের শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ড হয় তাহলে পাচারকারীদের হাতে পড়ে যে শিশু/ নারীরা বারবার ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তাদের মৃত্যুদণ্ড নয় কেন......?

Photos from Julie TD's post 05/09/2026

#শিক্ষকেরচরিত্রই যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে তিনি শিশুদের কী শিক্ষা দেবেন..?
একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবই পড়ান না—তিনি একজন শিশুর চিন্তা, মূল্যবোধ, আচরণ ও ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাই শিক্ষকের জ্ঞান ও উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, চরিত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষাও অত্যন্ত জরুরি।
দুঃখজনকভাবে, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষকদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ যেমন দেখা যাচ্ছে, তেমনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যেও অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা সমাজকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে। এসব ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত অনৈতিকতা নয়; এগুলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক মূল্যবোধের জন্যও গুরুতর সতর্কবার্তা।
আমি মনে করি, বাংলাদেশের প্রতিটি টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা উচিত। দক্ষ আলেম ও নৈতিক শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে শিক্ষকদের ধর্মীয় বিধি-নিষেধ, নৈতিকতা, চরিত্র গঠন এবং শিশুদের সঙ্গে একজন শিক্ষকের কী ধরনের আচরণ করা উচিত—এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি।
আর কোনো শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা লঙ্ঘন করে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তা যথাযথ তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সরকারি চাকরিতে থাকলে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণসহ আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা বাতিলের ব্যবস্থাও থাকা উচিত।
কারণ, যে মানুষটি একটি শিশুর আদর্শ হওয়ার কথা, তার নিজের চরিত্রই যদি কলুষিত হয়—তাহলে সেই শিক্ষক আগামী প্রজন্মকে কী মূল্যবোধ শেখাবেন?
নৈতিক ও চরিত্রবান শিক্ষকই পারে নৈতিক ও আদর্শবান প্রজন্ম গড়ে তুলতে। তাই এখনই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় জ্ঞান, নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শিশুসুরক্ষাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

Website

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Julie TD's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.