Gen-Z pro
Political analysts
সারাদিন যাবত বাংলাদেশি আর ইন্ডিয়ান মিডিয়ার ন্যারেটিভ দেখলাম যে, পাকিস্তান নাকি বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২ এর জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) বহনকারী বিমানকে তাদের এয়ারস্পেস ব্যবহার করতে দেয়নি; এজন্য বিমানটি ২৪ তারিখে পৌছানোর কথা থাকলেও বাংলাদেশ এখনও জ্বালানি পায়নি।
টিবিএস, বিসনেজ স্ট্যান্ডার্ড, দ্যা ট্রিবিউন সহ বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর বরাতে নিউজটি করেছে।
খোজ নিয়ে দেখলাম, ফকির সাহেব এই তথ্য সর্বপ্রথম ভারতীয় মিডিয়া ANI কে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে: “রাশিয়ান বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে ইউরেনিয়াম আসতে পারেনি। তবে কেন পাকিস্তান অনুমতি দেয়নি, সেই কারণ বাংলাদেশ জানে না”।
কি হাস্যকর তাই না? বাংলাদেশের একজন হাই অফিসিয়াল হয়ে তিনি আরেকটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করলেন কিন্তু তার অভিযোগের কোনো ভিত্তিই নেই! তিনি নাকি জানেনই না!
এদিকে মাহবুব আনাম ANI কে এই তথ্য জানানোর পর ANI নিজ উদ্যোগে সরাসরি Rosatom এর একজন প্রতিনিধির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছিল কিন্তু রিপোর্ট প্রকাশের সময় পর্যন্ত রোসাটম কোনো জবাব দেয়নি এবং পাকিস্তানের ব্যাপারে কোনো ধরণের মন্তব্যই করেনি।
এমনকি Rosatom এর মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশে রুশ দূতাবাস, অন্য কোনো উচ্চপর্যায়ের রুশ কর্মকর্তা বা TASS, RIA এর মত রুশ রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গুলো কেউই বলেনি যে পাকিস্তান তাদের বিমানকে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি।
তাহলে যেই প্রশ্নের উত্তর বাংলাদেশি কর্মকর্তারাও জানেন না, যে বিষয়ে Rosatom প্রকাশ্যে কিছু বলেনি, সেই প্রশ্নের উত্তর সংবাদমাধ্যমের হেডলাইনে এত নিশ্চিতভাবে কীভাবে চলে এলো..?
গত ১৭ তারিখ বাংলাদেশে ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অভিত দোভাল গোপনে সফর করেছে, যেটা আজ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টু ডে'তে এসেছে— কিন্তু এই ব্যাপারে কোন বাংলাদেশি মিডিয়া নিউজ করেনি।
দুইদিন আগে বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতীয় ইন্টিলিজেন্সের একটি উইং ‘এভিয়েশন রিসার্চ সেন্টার'- ARC এর একটি সিগ্ন্যাল ইন্টিলিজেন্স (SIGINT) বিমান গেছে; সাস্পিসিয়াস হোক বা না হোক— বাংলাদেশের কোন একটা মিডিয়া এ ব্যাপারে কথা বলেনি।
ভারত থেকে ডিজেল কিনলে এই মিডিয়া এমনভাবে ফটোকার্ড বানিয়ে হেডলাইন দেয় যেন ডিজেল বাংলাদেশকে যাকাত দিয়েছে ভারত!
এমন মিডিয়া লইয়া আমরা কি করিব.?
লেখা Shafin Rahman
12/04/2026
নাহিদ ইসলাম কেন বালেন্দ্র শাহ হতে পারলেন না? এনসিপি কেন জেন-জি’র (Gen-Z) হয়ে সরকার গঠন করতে পারল না? বা আমরা এবার কেন জেন-জি’র একজন তরুণ প্রধানমন্ত্রী পেলাম না?
এখানে কি নাহিদ ইসলামের ব্যর্থতা, নাকি ব্যর্থতা এনসিপির?
না, এখানে তাদের কোনো ব্যর্থতা নেই। এই ব্যর্থতা আমাদের জাতিগত ব্যর্থতা, আমাদের মানসিকতার ব্যর্থতা! যে দেশে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মতো দুটি দল নির্দ্বিধায় সরকার গঠন করতে পারে, সেই দেশে কি নেপালের মতো হুট করে নাহিদ ইসলামের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব?
আমার মনে হয়না পৃথিবীতে বর্তমানে এমন কোন দেশ আছে যেই দেশে আওয়ামী লীগ-বিএনপি'র মত দল এই সময়ে এসে এত শক্তিশালী থাকে। শুধুমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব। আমরা এতটাই পিছিয়ে আছি এখনো!
নেপালের বেশিরভাগ মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই তারা পরিবর্তন পেয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে পরিবর্তন চাওয়ার মানুষের চেয়ে চোর, বাটপার, চাটুকার, দালাল আর চামুণ্ডাদের সংখ্যা বেশি! তাই আমরা পারিনি।
নাহিদ ইসলামরা নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা গোলামি পছন্দ করি বলেই জালিমদের বেছে নিয়েছি। আমরাও একদিন পরিবর্তন পাব—সেদিন, যেদিন আমাদের সংখ্যা ওদের চেয়ে বেশি হবে!
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যারা ভারতে নিরাপদ থেকেছে তাঁরাই পরবর্তী শাসক হয়েছে, যারা যুদ্ধের ময়দানে লড়েছে তাদের অনেকেই বাংলাদেশের মাটিতে হত্যার শিকার হতে হয়েছে।
01/04/2026
আগে দুইটা ছবির পার্থক্য দেখেন জাস্ট!
প্রথম ছবিটায় সদ্য বিয়া করা স্বামীর সাথে সিমরিন লুবাবা। যার বয়স ১৬ প্লাস। সে এই বয়সে বিয়ে করে জামাইয়ের সাথে দেশ বিদেশ ঘুরছে। আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করতে গেছে। নিশ্চয়ই ভালো কাজ। প্রশংসীয়। আই রিয়েলি অ্যাপ্রিশিয়েট দ্যাট!
কিন্তু কিন্তু কিন্তু!
এখন শাহবাগী নামক দেখতে শু য়োরের বাচ্চাদের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে! “হ্যাঁ, একটা বাচ্চা মেয়ে! এখনো ১৮ বছর হয়নি! সে কেন বিয়ে করবে! সে কেন পর্দা করবে! আমাদের বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে! এদেশে কোনো বাল্য বিবাহ চলবে না! না না, এটা কোনোভাবেই উচিত হয়নি!”
আর দ্বিতীয় ছবিটায় একটা ২০+ অবিবাহিত মেয়ে, তার কর্মস্থলের হিন্দু কলিগের সাথে বাথরুমে অপকর্ম করছে।
কিন্তু কিন্তু কিন্তু!
এখানে সেই একই শু য়োরের বাচ্চারা চুপ! “আরেহ, এসব করতেই পারে! বিয়ে করে নি তো কী হয়েছে? সবার শরীরেই তো সে*ক্স জিনিসটা আছে! কাউকে পছন্দ হতেই পারে। তারা যা করেছে তা তো নিজের সম্মতিতে করেছে। না না, তাদের অবশ্যই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আছে। তা হরণ করা মোটেও উচিত হয়নি।”
•
দু'টো ঘটনা একই দিনের। তাই শু য়োরের বাচ্চাদের আবার নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিলাম।
•
কপিঃ আহনাফ
ডক্টর ইউনূস তাঁর শেষ বক্তব্যটা দিয়ে ফেললেন।
ইউনূস ক্ষমতা ছাড়বে না, ইউনূস নির্বাচন দেবে না, ইউনূস আমেরিকার কাছে দেশ বিক্রি করে দেবে বলে বলে ফেনা তুলে ফেলা একজন বাটপারও কি আজ মাফ চাইবে?
চাইবে না।
যাওয়ার একদিন আগেও উনি আমেরিকার বাজারে আমাদের কিছু পোশাকের শুল্ক মুক্ত সুবিধা নিশ্চিত করে গেলেন।
ক্ষমতা ছাড়ার সাতদিন আগে জাপানে আমাদের ১১০০ পন্যের শুল্ক মুক্ত প্রবেশ নিশ্চিত করে গেছেন।
"আমেরিকার দালাল" ইউনূসের সময়েই আমেরিকার সবচেয়ে বড় শত্রু চীনের সাথে বাংলাদেশের ড্রোন চুক্তি হইসে।
ইউনূসের অপরাধ আমেরিকার দালাল হওয়া না।
ইউনূস আসলে ইন্ডিয়া বাদে প্রতিটা দেশের সাথে চুক্তি করেছেন। দেশের জন্য কোন না কোন ব্যবসায়িক লাভ বের করার ট্রাই করেছেন।
শুধু ভারতের কাছে মাথা নত না করার "অপরাধে" রাজনৈতিক বাটপার, বুদ্ধিবেশ্যার দলেরা গুজব ছড়াইলো, ইউনূস ইলেকশন দিবে না।
লিটারালি দেশে এই লোকটাকে কিচ্ছু করতে দেওয়া হয় নাই।
কিচ্ছু না।
যাই করতে গেছে, সবার আগে যাইয়া ভেড়ার পালের মত ঘিরে ধরসে, নির্বাচন দাও, নির্বাচন কই, নির্বাচন খাব......
এই এক বাল করতে করতে উনি শেষ হয়ে গেছেন।
অথচ একেবারে ক্ষমতা নেওয়ার শুরুতেই উনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ইলেকশন দিয়ে দেব।
ভদ্রলোকের এক জবান।
দুই বছরও নেন নাই। আজ দেড় বছরের মাথাতেই উনি নির্বাচন দিয়ে দিচ্ছেন।
সমস্যা হলো, এই লোকটা সারাজীবন উঠাবসা করেছে বড় বড় মানুষের সাথে। তাই রাজনৈতিক বাটপারদের সাথে উনি ডিল করতেই পারেন নাই।
ছোটলোকগুলার মাথায় খালি একটা জিনিসই ঘুরত, কবে ইলেকশন হবে, আর কবে খাওয়া শুরু করব।
এরা পাইত ভয়, যে ইউনূস মনে হয় তাদের সব খাওন শেষ করে ফেলতেসে।
অথচ এই ফকিন্নির পুতেরা জানেই না যে খাওয়ার জন্য ইউনূসের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দরকার ছিল না।
চাইলে ইউনূস এমন খাওন বহু আগেই খাইতে পারতেন।
সেইম সরকার।
বিদেশে এই সরকারটা একের পর এক সফল চুক্তি বের করে আনলো।
ইভেন মোদি সরকারের চেয়ে ইউনূস ট্রাম্পের থেকেও ভালো চুক্তি বের করে আনসে।
একইসাথে চীন আর আমেরিকা ডিল করসে।
অথচ এই সরকারটাই দেশ ভালো চালাইতে পারল না।
কেন?
বাটপার রাজনীতিবিদগুলার জন্য।
এই বাটপারের বাচ্চাগুলা জানত, ইউনূস একবার সফল হইতে পারলে এই দেশে ওদের বাটপারি আর লুটপাট করে খাওয়ার ব্যবসা শেষ হবে।
এই জানোয়াররা ভালো করেই জানে, একবার যদি মেধাবী, জেন্টলম্যানরা রাজনীতিতে আসা শুরু করে, তাইলে এদের পোষা কুকুরদের রাজনীতির নামে হাড্ডি খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
তাই আমলা থেকে শুরু করে মিডিয়া পর্যন্ত ইউনূসের বিরুদ্ধে লেগেছিল সারাটা সময়।
কাজ কী করলো, এরচেয়ে ইউনূসকে বেশি উত্তর দিতে হইসে, নির্বাচন কবে দিবেন? এখনও দিচ্ছে না কেন? এসব প্রশ্নের।
কালকের দিনটা পরেই নির্বাচন।
ভয়ংকর সব সমালোচনা আর গালিগালাজ সহ্য করেও যে কাজ করে যাওয়া যায়, দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে সুদখোর বলেও যে রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমানো যায়, গুম হইতে হয় না, এই স্বাধীনতাটুকু ইউনূস আমাদের দিয়েছিলেন।
কে কেমনে মনে রাখবে জানি না, ইউনূসের দেড় বছর আমার কোনদিন কী বোর্ডের ব্যাকস্পেস চেপে কিছু ডিলিট করতে হয় নাই, স্বাধীনতার এই আনন্দটুকু আমি সারাজীবন মনে রাখব।
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অন্য যে কারো থেকে ভালো ভূমিকা পালন করতে পারবেন। অন্যদিকে নাহিদ ইসলাম অপোনেন্ট হিসেবে ১০০ তে ১০০। বাট এর জন্য দুজন কেই ভোটে জিততে হবে।
আবার তাসনিম জারা জিতলে এটা প্রমাণ হবে শিক্ষিত ভদ্র লোকদের রাজনীতিতে আনার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ।
হাসনাত আব্দুল্লাহ জিতলে প্রমাণ হবে দেশের মানুষ সৎ এবং সাহসী তরুণদের সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চায়। এটাই হওয়া উচিত।
এগুলো কিছু একজাম্পল আর আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা। আপনাদের জ্ঞান দিয়ে আপনারা বিবেচনা করবেন। আমার বিবেচনা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%।
এখন আমার নিজের এলাকা নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের কথা বলি। বিএনপি’র প্রার্থী কালাম আঙ্কেল ভালো মানুষ। আগের বার যখন তিনি এমপি ছিলেন আমরা থাকতাম ঠিক তার পাশের বিল্ডিং এ। খুব ছোটবেলা থেকে দেখে শুনে আসছি। আমার অনেক বন্ধু বান্ধব তার ক্লোজ মানুষজনদের মধ্যে আছে।
অন্য দিকে দেয়াল ঘড়ি মার্কায় মোল্লা মামুন স্যার। ছোটবেলা থেকেই যাকে ভালো ইংলিশ টিচার হিসেবে জানি। মোল্লা মামুন স্যার মানুষ হিসেবে আউটস্ট্যান্ডিং। তাকে দিয়ে অথবা তার জানার মধ্যে কোনো দুর্নীতি বা অপরাধ হবে এটা নারায়ণগঞ্জ এর আমাদের বয়সী মানুষদের জন্য কল্পনা করা কঠিন।
চিন্তা করেন ভাই, দেশের মালিক আপনি। চাকর কাদের বানাবেন, বুঝে শুনে বানাইয়েন।
একটা অপরাধ বা দুর্নীতি হওয়া মানে আপনি সেটার ডাইরেক্ট ভিকটিম না হলেও পরোক্ষ ভিকটিম হবেনই। এটা নিশ্চিত।
আমি সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার চিন্তা জানালাম। খারাপ কমেন্ট গুলো প্রমাণ করবে আপনারা কোন দলের কর্মী এবং এই দলের কর্মীরা সাধারণ মানুষের চিন্তার মূল্য কিভাবে দেয়।
30/01/2026
10/01/2026
আমাদের এই প্রজন্ম প্রথমবারের মতো কোনো রাজনীতিবিদের জন্য চোখের পানি ফেলছে।
Category
Website
Address
Dhaka
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Gen-Z pro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
