DR. Rabeya Hasib

DR. Rabeya Hasib

Share

সুস্থ থাকুন ,ভালো থাকুন ।

17/06/2026

🍗ফার্মের মুরগি বাচ্চাদের জন্য উপকারী❓
সে বিষয়ে আলোচনা করব part -2
ফার্মের মুরগির মাংস শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য অত্যন্ত উপকারী হলেও, এর অতিরিক্ত ব্যবহার এবং কৃত্রিম উপাদানের কারণে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকিও থাকতে পারে。
✅উপকারিতা:
▫️প্রোটিনের উৎস: মুরগির মাংসে প্রচুর প্রোটিন থাকে, যা শিশুদের পেশী গঠন ও শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে。
▫️পুষ্টি উপাদান: এতে রয়েছে জিংক, আয়রন এবং ভিটামিন বি-১২, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়ক。
▫️সহজে হজমযোগ্য: ছোট বাচ্চাদের জন্য মুরগির মাংস ও স্যুপ সহজে হজম হয় এবং এটি তাদের শক্ত খাবার হিসেবে দারুণ পুষ্টিকর。
✅অপকারিতা ও সতর্কতা:
▫️অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোন: ফার্মের মুরগিকে দ্রুত বড় করার জন্য অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক বা হরমোন ব্যবহার করা হয়। এটি নিয়মিত খেলে শিশুদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে。
▫️মেটাল বা ক্ষতিকর উপাদান: ফার্মের খাবারে ক্রোমিয়াম বা অন্যান্য ভারী ধাতুর উপস্থিতি থাকতে পারে, যা ছোট শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর。
▫️অ্যালার্জি: অনেক শিশুর মুরগির মাংস বা ডিমে অ্যালার্জি থাকতে পারে, যা থেকে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া বা বমির মতো সমস্যা দেখা দেয়।
আপনার শিশু যদি মুরগির মাংস খেতে পছন্দ করে, তবে তাকে দেশি মুরগি বা অরগ্যানিক খাবার দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ。 ফার্মের মুরগি খাওয়ালেও তা যেন পরিমিত হয়।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌Follow করুন. Share করুন.
সচেতন থাকুন. সুস্থ থাকুন

15/06/2026

🍗ফার্মের মুরগি খেলে কি ক্ষতি আছে ❓
সে বিষয়ে আজকে আলোচনা করব
Part- 1
ফার্মের (ব্রয়লার) মুরগি খেলে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয় এবং দ্রুত পুষ্টি পাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত খেলে মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের কারণে ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে। ফার্মের মুরগির ভালো-খারাপ দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:

উপকারিতা:
▫️উচ্চ প্রোটিন: এটি প্রোটিনের একটি সহজলভ্য ও চমৎকার উৎস।
▫️পেশী গঠন: শরীরের পেশী বৃদ্ধি ও মেরামতে দারুণ কাজ করে।
▫️হজমশক্তি: দেশি মুরগির তুলনায় এটি অনেক বেশি নরম এবং সহজে হজমযোগ্য।
▫️বাজেট ফ্রেন্ডলি: কম খরচে পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য এটি খুবই কার্যকর।
✅অপকারিতা ও ঝুঁকি:
▫️অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব: মুরগিকে দ্রুত বড় করার জন্য অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। এর অবশিষ্টাংশ শরীরে গেলে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের (ওষুধ কাজ না করার) ঝুঁকি থাকে।
▫️উচ্চ ফ্যাট: এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড কম থাকে এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি বেশি থাকে।
▫️কেমিক্যাল ও টক্সিন: অনিয়ন্ত্রিত ফার্মের ক্ষেত্রে চামড়ায় বিষাক্ত পদার্থ বা ক্ষতিকারক উপাদান জমে থাকতে পারে।
☑️সতর্কতা:মুরগি কেনার সময় বিশ্বস্ত দোকান থেকে কেনার চেষ্টা করুন। খাওয়ার আগে সবসময় মুরগির চামড়া ছাড়িয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে, উচ্চ তাপে রান্না করা উচিত।

আপনি কি ওজন নিয়ন্ত্রণ, পেশী গঠন নাকি দৈনিক সাধারণ খাদ্যাভ্যাসের জন্য মুরগি খাচ্ছেন? নির্দিষ্ট লক্ষ্য জানালে আরও ভালো পরামর্শ দেওয়া যাবে।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌 Follow করুন. Share করুন.
সচেতন থাকুন.সুস্থ থাকুন

13/06/2026

🍖পরিমিত পরিমাণে গরুর মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী, তবে অতিরিক্ত খেলে তা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এটি প্রোটিন ও আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টির চমৎকার উৎস, কিন্তু উচ্চমাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল থাকায় অতিরিক্ত গ্রহণ হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াতে পারে
✅গরুর মাংসের উপকারিতা:
▫️উচ্চমানের প্রোটিন: এতে থাকা সবকটি প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের মাংসপেশি গঠন ও মেরামতে সাহায্য করে।
▫️আয়রনের চমৎকার উৎস: গরুর মাংসে থাকা হিম-আয়রন (heme-iron) শরীরে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
▫️ভিটামিন ও খনিজ উপাদান: এটি ভিটামিন বি-১২, বি-৬, জিংক এবং সেলেনিয়ামের একটি দুর্দান্ত উৎস, যা স্নায়ুতন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখে।
✅গরুর মাংসের অপকারিতা ও ঝুঁকি:
▫️হৃদরোগ ও কোলেস্টেরল: গরুর মাংসে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা বাড়িয়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।
▫️উচ্চ রক্তচাপ: অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে।
▫️ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি: অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে গাউট (gout) বা জয়েন্টে ব্যথা এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
▫️হজম সমস্যা ও ক্যানসার: লাল মাংস বেশি খেলে তা হজমে সমস্যা তৈরি করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী, রেড মিট বা লাল মাংস বেশি খেলে কোলোরেকটাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
📌পরামর্শ:অতিরিক্ত ঝুঁকি এড়াতে চর্বিহীন মাংস (lean meat) বেছে নেওয়া এবং কম তেলে রান্না করা উচিত। হার্ট ফাউন্ডেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সপ্তাহে ৩৫০ গ্রামের (৭৫-১০০ গ্রাম দৈনিক) কম লাল মাংস খাওয়া হৃদরোগের জন্য নিরাপদ।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌Follow করুন .Share করুন সচেতন থাকুন. সুস্থ থাকুন

11/06/2026

লাল শাক অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু একটি শাক। এটি যেমন শরীরে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি পূরণ করে, তেমনি অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে কিছু শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে।
✅লাল শাকের উপকারিতা:
▫️রক্তশূন্যতা দূর করে: লাল শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধে সাহায্য করে।
▫️হজমশক্তি বাড়ায়: এতে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।
▫️দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে: লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘সি’ চোখের রেটিনা ভালো রাখে এবং দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
▫️হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: এতে থাকা পটাশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়।
▫️হাড় মজবুত করে: ক্যালসিয়ামের চমৎকার উৎস হওয়ায় এটি দাঁত ও হাঁড় গঠনে সহায়তা করে।
✅লাল শাকের অপকারিতা ও সতর্কতা:
▫️হজমে সমস্যা: লাল শাকে থাকা অতিরিক্ত ফাইবার রাতে দেরিতে খেলে হজমে সমস্যা ও পেট ফাঁপার কারণ হতে পারে। তাই রাতের বেলা লাল শাক না খাওয়াই ভালো।
▫️কিডনি ও লিভারের সমস্যা: লাল শাকে আয়রন ও অক্সালেট বেশি থাকে। যাদের কিডনিতে পাথর বা তীব্র লিভারের সমস্যা আছে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া তাদের লাল শাক খাওয়া উচিত নয়।
▫️বাত বা আর্থ্রাইটিস: এতে পিউরিন (Purine) নামক উপাদান থাকে, যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে গেঁটে বাত বা আর্থ্রাইটিসের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সমস্যা তৈরি করতে পারে।
▫️ঘুমে ব্যাঘাত: অতিরিক্ত আয়রনের উপস্থিতির কারণে রাতের বেলা লাল শাক খেলে অনেকের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
☑️লাল শাকের পুষ্টিগুণ পেতে এটি সবসময় ভালো করে ধুয়ে অল্প তেলে রান্না করাই সবচেয়ে ভালো। কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগ থাকলে শাক বা অন্য কোনো সবজি খাদ্যতালিকায় রাখার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌 Follow করুন . Share করুন.
সচেতন থাকুন.সুস্থ থাকুন

09/06/2026

✨IBN SINA Homoeo Care ✨

নতুন শাখা উদ্বোধন।

07/06/2026

🧠গরুর মস্তিষ্ক মানুষের জন্য কতটা উপকারী সে বিষয়ে আলোচনা করব part- 2
গরুর মস্তিষ্ক বা মগজ অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (বিশেষ করে ডিএইচএ), ভিটামিন বি-১২, কোলিন এবং ফসফ্যাটিডাইলসেরিন থাকে, যা মানুষের স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে।গরুর মস্তিষ্কের পুষ্টিগুণ এবং এর শারীরিক প্রভাব নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
✅মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধিস্মৃতিশক্তি ও ▫️মনোযোগ: গরুর মগজে থাকা ডিএইচএ (DHA) এবং কোলিন মস্তিষ্কের কোষ গঠনে এবং স্মৃতিশক্তি প্রখর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
▫️স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষা: এতে থাকা স্ফিঙ্গোমাইলিন (Sphingomyelin) স্নায়ুতন্ত্র বা নার্ভাস সিস্টেমের সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।
✅মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন
▫️মানসিক চাপ হ্রাস: এর উচ্চ পুষ্টিমান মেজাজ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
▫️বিষণ্ণতা প্রতিরোধ: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের পুষ্টি উপাদানগুলো বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ দূর করতে সহায়ক।
✅শারীরিক পুষ্টি ও শক্তি
▫️ভিটামিন বি-১২ এর উৎস: এটি ভিটামিন বি-১২ এর একটি অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এটি শরীরে নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে এবং স্নায়ুর ক্ষয় রোধে কাজ করে।
▫️সুস্থ কোষ গঠন: মগজের পুষ্টি উপাদানগুলো হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং দেহের কোষগুলোকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
❌সতর্কতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
▫️উচ্চ কোলেস্টেরল: গরুর মগজে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে।
▫️কারা এড়িয়ে চলবেন: যাদের উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার), হৃদরোগ বা কোলেস্টেরল সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য গরুর মগজ না খাওয়াই ভালো। এমনকি সুস্থ ব্যক্তিদেরও এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌Follow করুন. Share করুন.
সচেতন থাকুন.সুস্থ থাকুন

06/06/2026

🧠গরুর মস্তিষ্ক বাচ্চাদের জন্য কি উপকারাতি❓
সেই বিষয়ে আলোচনা করব part -1
গরুর মস্তিষ্ক বা মগজ শিশুদের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর。এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (DHA) এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শিশুর বেড়ে ওঠার বয়সে মস্তিষ্কের কোষ গঠন ও স্নায়ুর সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বাচ্চাদের জন্য গরুর মস্তিষ্কের প্রধান উপকারিতাগুলো হলো:
▫️মস্তিষ্কের বিকাশ: মগজে প্রচুর পরিমাণে ডিএইচএ (DHA) থাকে, যা শিশুর বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি, স্মৃতিশক্তি, এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে。
▫️স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষা: এর মধ্যে থাকা পুষ্টি শিশুর স্নায়ুতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে。
▫️ভিটামিন বি-১২: গরুর মগজে প্রচুর ভিটামিন বি-১২ থাকে, যা নতুন কোষ তৈরি এবং স্নায়ু সুস্থ রাখতে দরকারি。
▫️পুষ্টির জোগান: এটি প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের চমৎকার উৎস, যা শরীরের হরমোন ও কোষের জন্য প্রয়োজনীয়。
☑️সতর্কতা:
মগজে উচ্চ মাত্রায় কোলেস্টেরল থাকে। তাই শিশুদের এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়ানো উচিত এবং তাদের ডায়েটে এটি নিয়মিত না রেখে মাঝে মাঝে রাখা ভালো।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌 Follow করুন. Share করুন.
সচেতন থাকুন.সুস্থ থাকুন

05/06/2026

✅ডায়াবেটিস লক্ষণ part -2
ডায়াবেটিসের নির্দিষ্ট কোনো মাত্রা নেই যা ছুঁলে তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের মৃত্যু হয়। তবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত বেড়ে (সাধারণত ৩০০ mg/dL বা তার বেশি) গেলে বা মাত্রাতিরিক্ত কমে গেলে জীবনহানির প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়।
✅বিপজ্জনক মাত্রা ও পরিস্থিতি
▫️বেশি সুগার (হাইপারগ্লাইসেমিয়া): রক্তে শর্করার মাত্রা ৪০০ mg/dL এর বেশি হলে অঙ্গহানি ও কোমায় যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে ইনসুলিনের অভাবে রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে (কিটো অ্যাসিডোসিস) দ্রুত মৃত্যু হতে পারে।
▫️কম সুগার (হাইপোগ্লাইসেমিয়া): রক্তে সুগার ৭০ mg/dL এর নিচে নামলে সতর্কতা এবং ৪০ mg/dL এর কাছাকাছি চলে গেলে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি হতে পারে, যা তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না করালে প্রাণঘাতী হয়।
মৃত্যুর প্রধান কারণ:ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর মূল কারণ সরাসরি সুগার লেভেল নয়, বরং এর দীর্ঘমেয়াদী জটিলতায় সৃষ্ট হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।
📌ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হোমিও ঔষধ কার্যকর
ডায়াবেটিসে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের ভূমিকা, কার্যকাল এবং এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. কার্যকাল ও কার্যকারিতার ধরন
▫️ধীরগতির প্রক্রিয়া: হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সাধারণত দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।▫️সহায়ক ভূমিকা: আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী, হোমিওপ্যাথি ডায়াবেটিসের মূল চিকিৎসা বা ইনসুলিনের বিকল্প নয়। তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত (অ্যালোপ্যাথি) ওষুধের পাশাপাশি এটি ব্যবহার করলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কিছুটা সহায়তা হতে পারে।
২. প্রচলিত কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকেরা রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ বিচার করে ওষুধ নির্বাচন করেন। সচরাচর ব্যবহৃত কিছু ওষুধের মধ্যে রয়েছে:

▫️সিজিজিয়াম জাম্বোলেনাম (Syzygium Jambolanum): এটি কালো জামের বীজ থেকে তৈরি এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বহুল ব্যবহৃত।
▫️ইউরেনিয়াম নাইট্রেট (Uranium Nitricum): অতিরিক্ত মূত্রত্যাগ এবং উচ্চ রক্তশর্করার সমস্যায় এটি ব্যবহৃত হয়।
▫️ফসফরিক অ্যাসিড (Acid Phos): ডায়াবেটিসের কারণে মানসিক বা শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিলে এটি দেওয়া হয়।
৩. রক্তে শর্করা পরীক্ষার সময়কালওষুধ কতটুকু কাজ করছে তা বুঝতে নির্দিষ্ট সময় পর পর পরীক্ষা করা জরুরি
▫️ফাস্টিং ও পিপি: নিয়মিত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।
▫️HbA1c টেস্ট: রক্তে গত ৩ মাসের গড় শর্করার মাত্রা বোঝার জন্য HbA1c টেস্ট করানো অত্যন্ত জরুরি।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌Follow করুন. Share করুন.
সচেতন থাকুন.সুস্থ থাকুন

04/06/2026

✅ডায়াবেটিসের লক্ষণ-part 1
রক্তে শর্করার মাত্রা বা ইনসুলিনের তারতম্যের কারণে ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া, অতিরিক্ত মাত্রায় তৃষ্ণা লাগা, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন হ্রাস পাওয়া এবং প্রচণ্ড ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা
ডায়াবেটিসের প্রাথমিক ও সাধারণ লক্ষণগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
▫️ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া: বিশেষ করে রাতে প্রস্রাবের পরিমাণ ও ফ্রিকোয়েন্সি বেড়ে যাওয়া।
▫️অতিরিক্ত পিপাসা: বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া এবং অতিরিক্ত পানি পান করার পরেও তৃষ্ণা না মেটা।
▫️অব্যক্ত ওজন হ্রাস: পর্যাপ্ত বা স্বাভাবিক খাবার খাওয়ার পরও হঠাৎ করেই শরীরের ওজন দ্রুত কমে যাওয়া।
▫️প্রচণ্ড ক্ষুধা: কোষগুলো শক্তি না পাওয়ার কারণে সবসময় ক্ষুধা লাগা বা খাওয়ার পরপরই ক্ষুধা লাগার অনুভূতি হওয়া।▫️অতিরিক্ত ক্লান্তি: সবসময় খুব দুর্বল এবং ক্লান্ত লাগা।
▫️ঝাপসা দৃষ্টি: চোখের লেন্সের তরল পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় দেখতে সমস্যা হওয়া বা ঝাপসা লাগা।
▫️ধীর নিরাময় ঘা বা ক্ষত: শরীরে কোনো ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া, ক্ষত বা ঘা হতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগা।
▫️ঘন ঘন ইনফেকশন: ত্বকে, মাড়িতে বা মূত্রনালীতে বারবার সংক্রমণ (ইনফেকশন) হওয়া।
▫️হাত-পা অবশ হওয়া: হাত ও পায়ের আঙুলে বা পুরো পায়ে শিরশির করা অনুভূতি বা অসাড়তা দেখা দেওয়া।
আর ও এমন সহজ প্রয়োজনীয় হোমিও তথ্য পেতে-
✨ ইবনে সিনা হোমিও কেয়ার ✨
📌 Follow করুন .Share করুন
সচেতন থাকুন. সুস্থ থাকুন

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka
DHAKA