Vlogger Raju Ahammed
আমার দেশ আমার গ্রাম
আছিমে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন এর যুক্তিকতাঃ
ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় সাধারণ কলেজ থাকলেও প্রকৌশল বা প্রযুক্তিগত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেই। উদাহরণস্বরূপ, এখানে Shahabuddin Degree College ও Fulbaria Government Mohila College এর মতো সাধারণ কলেজ রয়েছে, কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নেই।
এ কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে ঢাকাসহ দূরের শহরে পড়তে যেতে হয়। আছিমে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা সহজেই প্রযুক্তিগত শিক্ষা লাভ করতে পারবে।তাছাড়া আপনারা সবাই জানেন ফুলবাড়ীয়া কলেজ সরকারি ভাবে অনার্স করার জন্য দুইজন সম্মানিত টিচার প্রাণ দিয়েছেন তাই আছিম এর শাহাবুদ্দীন ডিগ্রি কলেজ অনার্স করার দাবি অযুক্তিযুক্ত।তাছাড়া একই উপজেলায় দুইটি অনার্স কলেজ কখনো দিবে না।তাছাড়া বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ,হাতে কলমে শিক্ষার যুগ।বর্তমান সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটা করে কারিগরি প্রতিষ্ঠান করার চিন্তা করেছেন তাই আমাদের এই সুযোগ নেয়া উচিত বলে মনে করি।নিচে আছিমে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন কেনো প্রয়োজন এবং এর গুরত্ব পয়েন্ট আকারে তুলে ধরলামঃ
ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতাঃ
১। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিগত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
২। গ্রামীণ মেধাবী শিক্ষার্থীরা কম খরচে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে।
৩। দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরি হবে, যা দেশের উন্নয়নে সহায়ক হবে।
৪। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
৫। কলেজকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ঘটবে।
৬। রাস্তা, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেটসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
৭। শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের নতুন পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
৮। যুব সমাজ দক্ষ ও কর্মমুখী হয়ে উঠবে।
৯। আছিম ও ফুলবাড়ীয়া অঞ্চলের সার্বিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।
তাছাড়া সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আজকে একটা কলেজ হলে এক,দুই বা তিন দশক পর এটা একদিন বিশ্ববিদ্যালয় হবে ইনশাল্লাহ। আছিম এর একটা আত্মপরিচয় তৈরি হবে।
তাই মাননীয় এমপি কাছে দাবি মোর তিনটি
১ঃ রাস্তাঘাটের উন্নয়।
২ঃআছিমের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টা আধুনিক মানের ২০-৫০ শয্যার একটি আধুনিক হাসপাতাল করে দেয়া
৩ঃ আছিমে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ করে দেয়ার দাবি জানাই।
ধন্যবাদ সবাইকে,অবশ্যই আপনাদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ তাই সবাই কে মতামত দেয়ার অনুরোধ রইলো।
জীবনে দুঃখের পরিমান ও সময় যত গভীর আর দীর্ঘ হোক না কেনো, মনে রাখবেন সব কিছুর ই একটা শেষ আছে।ধৈর্য ধরে চেষ্টা করতে থাকুন, একদিন সময় ও সুযোগ আপনার অনুকূলও হবে ইনশাআল্লাহ
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় তাই চেষ্টা করে যেতে হবে,,,আল্লাহ বলেছেন যতক্ষণ পর্যন্ত বান্দা নিজে তার ভাগ্য পরিবর্তন এর জন্য চেষ্টা করে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি তার ভাগ্য পরিবর্তন করি না।তাই চেষ্টার কোন বিকল্প নাই, সফলতা দানের মালিক আল্লাহ।
আমার মনে হয় পৃথিবীতে সব চেয়ে বড় জুলুম গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, যখন আপনি একটা অন্যায় করেন নি তবুও দোষ টা আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া বা ভালো কাজ করেছেন সেটা স্বীকার না করে আপনাকে অপবাদ দেয়া,,এর চেয়ে বড় কষ্ট তখন কি হয়?
যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি সফলতা না পাবে ততোক্ষণ পর্যন্ত তোমার কোন মূল্য নেই।সমাজের মানুষ গুলো শুধু বুঝে দৃশ্যমান সফলতা।
আমরা এখন এমন স্বাধীন হইছি যে সবাই এখন বেপরোয়া। কেউ কাউকে মানতেছে না,,,দেশ টা এখন মগের মুল্লুক হয়ে গেছে।সব জায়গায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, খুন খারাবি।এই সব কি। সরকারের ভূমিকা এখন কি??।এটা কোন ধরনের স্বাধীনতা পেল সবাই।এটাই কি গণতন্ত্রের নমুনা?ধিক্কার জানাই,,চারপাশে খালি খুন খারাবি,,নিরীহ খেটে খাওয়া মানুষ চাঁদাবাজ দের হাতে বলি।মানুষ ভেবে ছিল দেশে শান্তি আসবে।সবাই মিলে একটি সুন্দর, স্বনির্ভর দেশ গড়ে তুলবে।বেকারত্ব দূর হবে।মানুষ তার বাক স্বাধীনতা, মতামত প্রদানের স্বাধীনতা পাবে,মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় স্বাধীতা পাবে,, একটি স্বাধীন জাতি হবে। কিন্ত কিছু মানুষরূপী জানোয়ার দের জন্য আজ কত নিরীহ মানুষ মারা যাচ্ছে।আর সরকার বড় গলায় গলাবাজি করে যাচ্ছে।পারে একটা সেটা হলো কোন একটি গোষ্ঠীকে মাইনাস করে নির্বাহী আদেশ জারি করতে।সরকারের দেশের মানুষ নিয়ে কি কোন চিন্তা আছে নাকি রাজনীতিবিদ দের নিয়ে চা আড্ডা দেয়া আর সংস্কারের নামে ভন্ডামি করে সময় পার করা কোন টা?একটার পর একটা ঘটনা ঘটতেছে এই বিষয়ে সরকার কি পদক্ষেপ নিল?? তার ফলাফল কি হলো।হায়রে দেশ যে লাউ সেই কদু কেবল চেয়ার থেকে লোকের ই বদল।মানুষের মুক্তি আর মিলল না।খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ তার অধিকার পেলো না।
শুভ সকাল
মানুষের জীবনে যে জিনিস গুলো সবচেয়ে বেশি বিরক্তকর তার মধ্যে অন্যতম হলো অপেক্ষা করা।এছাড়াও আপনি যদি কোন কাজ না করে বসে থাকেন এটাও খুব বিরক্তকর, কারণ কাজ আপনাকে সময় টা অতিবাহিত করতে সহায়তা করে।
অতীতে আন্দোলন হলেই বলত এই সব বিএনপি জামায়াতের দুষ্কৃতিকারীদের কাজ,, আর এখন বলে এরা সবাই আওয়ামীলীগ। বুঝতেছি না পরিবর্তন টা হলো কোথায়।পরিবর্তন কি শুধু চেয়ারের হলো নাকি মূল্যবোধের হলো? নীতি নৈতিকতার হলো? এর উত্তর আপনারা দিলেই খুশি হব।ধন্যবাদ সবাই কে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
