DR.AHS MEDIA

DR.AHS MEDIA

Share

আরো বেশি বেশি লাইক ও কমেন্ট শেয়ার দেন.
?

29/01/2020

বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে এক দ্বীনদার যুবকের ব্যতিক্রমী ৩টি প্রশ্ন অতঃপর যা ঘটলো.....

এক মা তার ছেলের জন্য বিয়ের ব্যাপারে এক ধার্মিক
মেয়ের সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করল।ছেলে ও মেয়ে দুইজনই আলাদা একটি রুমে নিজেদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেল।

ছেলে মেয়েটিকে প্রথমে প্রশ্ন করতে আশ্বস্ত করল।
মেয়েটি ছেলেকে অনেক প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল।
সে তার দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাদীক্ষা, বন্ধুবান্ধব,
আত্মীয়স্বজন, স্বভাব, পছন্দের বিষয়, অবসর, অভিজ্ঞতা আরো অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল।
ছেলেটি মেয়ের হাসিমুখে ভদ্রতার সাথে সকল
প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল।

এরপর মেয়ে জানতে চাইল, "আমার সম্পর্কে আপনার
কোন প্রশ্ন আছে?"জি, আমার মাত্র তিনটি প্রশ্ন আছে।”
ছেলেটি উওরে বলল।মেয়েটি ভাবল, "ও, শুধু তিনটি প্রশ্ন!"

ছেলেটির প্রথম প্রশ্ন ছিল, "আপনি কাকে সবচেয়ে
বেশি ভালবাসেন, যার চাইতে বেশি ভালবাসা আর কাউকে সম্ভব না?”

সে বলল, "এটা তো খুব সহজ প্রশ্ন। অবশ্যই আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।"

ছেলেটির দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, "আপনি বলেছেন যে,
আপনি কুরআন মাজিদ পড়েন।আপনি কি আমাকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটি সুরার অর্থ বলতে পারেন?"

এটা শুনে মেয়েটি একটু বিব্রত হল এবং বলল, "আমি এখনো জানিনা।কিন্তু শীঘ্রই আমি শিখে ফেলব ইনশা আল্লাহ।আমি একটু ব্যস্ত থাকি তো।"

ছেলেটির তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, "বিয়ের ব্যাপারে আমি বেশ
কয়েকজন মেয়ের সাথে কথা বলেছিলাম, যারা আপনার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো আপনি কি বলবেন, কেন আপনাকে আমার বিয়ে করা উচিত?"

এটা শুনে মেয়েটি ভীষণ ক্ষেপে গেল এবং রাগী
গলায় তার পিতামাতাকে বলল, "আমি এই ছেলেকে
মোটেই বিয়ে করবনা। সে আমাকে অপমান করেছে।
আমার সৌন্দর্য নিয়ে খোঁটা দিয়েছে।"

ছেলের মা বাবাও সেখানে উপস্থিত ছিল এবং বিয়ে নিয়ে আর কোন কথাবার্তা না বলেই তারা প্রস্থান করল।

এবারে ছেলের পিতামাতা সত্যিই ছেলের উপর ক্রুদ্ধ হল,বলল! "তুমি মেয়েটিকে কী বলেছ যে মেয়েটি
রেগে গেল?এই ফ্যামিলি অনেক ভাল, মর্যাদাপূর্ণ, তুমি যেরকম ধার্মীক খুঁজছো, সেরকমই।কী বলেছ তাকে তুমি?"

ছেলে বলতে লাগল,“প্রথমে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, সে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে কাকে।সে উত্তর দিল যে, তার মাকে।”এটা শুনে তারা আশ্চর্য হলেন, বললেন, "তো এটাতে ভুল কোথায়?"

ছেলেটি বলল, “প্রকৃত বিশ্বাসী হচ্ছে সে, যে আল্লাহ ও তার রাসুলকে যেকোন কিছুর চাইতে সবচেয়ে বেশি
ভালবাসে। যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও তার রাসুলকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে, সে আমাকে ভালবাসবে এবং সম্মান করবে।তাদের ভালবাসার কারণে আমার সাথে সে বিশ্বস্ত থাকবে এবং এই ভালবাসার কারণে আমরাও নিজেদেরকে নিজেদের ভালবাসা শেয়ার করতে পারব, যে ভালবাসা লোভ লালসা,সৌন্দর্য অথবা অন্য সকল জাগতিক বস্তুর ঊর্ধ্বে।”

ছেলেটি বলতে লাগল, “আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল যে, আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে যেন তার পছন্দমত কোন একটি সুরার অর্থ আমাকে শোনায়। সে বলতে পারেনি। কারণ তার এখনো সময় হয়ে উঠেনি।
সে তো বিশ বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে।
অথচ তার এখনো জ্ঞান অর্জন করার সময় হয়নি!
আমি কি করে এমন মেয়েকে বিয়ে করতে পারি, যে
এখনো তার দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে জানেনা।
সে বাচ্চাদেরকে কী শিক্ষা দিবে। একজন মা-ই তো তার বাচ্চাদের জন্য সর্বোত্তম শিক্ষক।এবং এমন এক স্ত্রীলোক, আল্লাহকে দেওয়ার মত সময় যার হয়না, স্বামী ও সন্তানদেরকে দেওয়ার মত সময় তার নাও হতে পারে।

আমার তৃতীয় প্রশ্ন ছিল যে, বিয়ের ব্যাপারে
আরো কিছু মেয়ের সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছে যারা তার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো তাকে কেন আমার বিয়ে করা উচিত। মূলত এ কারণেই সে ক্রুদ্ধ হয়েছিল।”

ছেলের মা-বাবা এখানে আপত্তির সুরে মন্তব্য করল,
"এভাবে বলাটা তো অপ্রীতিকর।তুমি কেন এটা বলতে গেলে?"ছেলে উত্তর করল, “আমি এটা এ উদ্দেশ্যে বলেছিলাম যে, সে তার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিনা।

যখন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে, জিজ্ঞেস করা হয়েছিল পূণ্যবান হওয়ার গুণ গুলো সম্পর্কে, তখন তিনি বলেছিলেন, "রাগান্বিত হয়োনা,
রাগান্বিত হয়োনা, রাগান্বিত হয়োনা।

কারণ, রাগ শয়তান হতে আসে।" যে মেয়ে কোন অপরিচিত ব্যক্তির সাথে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, যার সাথে সে মাত্রই কথা বলেছে এবং তাদের সব কথাবার্তা তার পিতামাতাকে মুহূর্তেই
বলে দিল, সে কী করে সারাজীবন ধরে, তার স্বামীর
সাথে এসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকতে পারবে।"

এর থেকে শিক্ষা.....

১) অবশ্যই, আপনার ভালবাসা হবে আপনার রব ও তার রসুলের জন্য সকল কিছুর ঊর্ধ্বে।

২) আহা, দুঃখজনক! এখনো আমাদের সময় হয় নি কোরআন বুঝে বুঝে অর্থ পড়ার,তাফসীর, তরজমাসহ,আমরা আজ এতোটাই ব্যস্ত,দুনিয়াবি কাজে!!

৩)"রাগ" শয়তানের ওয়াসওয়াসা! অবশ্যই, শয়তান হতে আসে! যে রেগে গেল সে অবশ্যই, অবশ্যই হেরে গেল।

আল্লাহ আমাদের এমন সঙ্গী দান করুন, যে চক্ষুশীতল
করবে এবং জান্নাতে যাওয়ার উত্তম মাধ্যম হবে।
-ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাহ বিল্লাহ

"আমিন"ইয়া আল্লাহ।

সংগৃহিত

28/01/2020

#আসসালামু_আলাইকুম...
===============
কেমন আছেন সবাই
আশা করি সবাই ভাল আছেন ..
দোয়া করি আল্লাহ যেন সবাইকে
ভালো রাখেন সুস্থ রাখেন ..
আজ আবার অনুরোধ করে
সবাইকে বলছি 🙏
দয়া করে আমার ইনবক্সে এসে
কেউ বিরক্ত করবেন না,,,প্লীজ ..🙏
আপনারা সালাম দেন,,
হয়তো আমি খেয়াল করিনা,,,
আবার যখন খেয়াল করি,,
উত্তর দেই,,,
কিন্তু ..
এর বেশি কিছু জিজ্ঞাস করলে,,,
আমি কিন্তু আর জবাব দেই না,,,,,,
তাই দয়া করে ..🙏
আমাকে ইনবক্সে sms দিয়ে
বিরক্ত করবেন না প্লিজ,,,
আর হ্যা,, !!
আমার প্রোফাইলে ,
বাংলায় স্পষ্ট করে লিখে রেখেছি ,
কল দিলে কিন্তু ব্লক করে দিব ..
কারণ !
আমি অনেক সময় কাজে থাকি ,
তবে fb লগ-অফ করিনা ..
কিন্তু আপনারা হুট করে কল করে দেন ..
খুবই বিরক্ত বোধ করি ,
তাই বাধ্য হয়েই ব্লক করতে হয় ..
তার জন্য দু:খিত,।
আপনারা জানতে চান,,,
আমি কেমন আছি,,!!!
#আলহামদুলিল্লাহ,,,,, !
আপনাদের সবার দোয়ায় ভাল আছি,,,,
শুধু দোয়া করবেন ,
আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ ও ভালো রাখেন..
আমি ও আপনাদের সবার জন্য দোয়া করি, আপনারা যে যেখানেই আছেন,
ভাল থাকেন সুস্থ থাকেন,,
*আমীন*

আমার লিখায় যদি
কেহ মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন
তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন ..
অনিচ্ছা থাকা স্বত্তেও লিখতে বাধ্য হলাম
Sorry.🙏

28/01/2020

যেই দুয়াগুলো আল্লাহ খুব দ্রুত কবুল করে থাকেন- বেশি কবুল হয়...

“অতঃপর যখন তোমরা নামায শেষ কর, তখন দাঁড়িয়ে, বসে ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহর যিকির কর”
[সুরা নিসাঃ ১০২]।

“বান্দা সিজদার অবস্থায় স্বীয় প্রভুর সর্বাধিক নিকটবর্তী হয়। অতএব তোমরা অধিক মাত্রায় (ঐ অবস্থায়) দো‘আ কর।”
[মুসলিম:৪৮২, নাসায়ী :১১৩৭,
আবূ দাউদ :৮৭৫, আহমাদ :৯১৬৫]

“যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠে বলে:
“লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌’দাহ লা-শারীকালাহু, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আ’লা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর।

সুবহা’-নাল্লাহি, ওয়ালহা’মদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার। ওয়া লা- হা’ওলা ওয়ালা- ক্বুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল আ’লিয়্যিল আ’যীম। রাব্বিগফির লী”

তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
যদি সে দোআ’ করে, তবে তার দোআ’ কবুল হবে।

যদি সে উঠে ওযু করে নামায পড়ে, তবে তার নামায কবুল করা হবে”।
[বুখারীঃ ফাতহুল বারীঃ ১১৫৪। সহীহ ইবন মাজাহ্‌: ২/৩৩৫]

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল,
‘কোন দো‘আ সর্বাধিক শোনা (কবুল করা) হয়?’

তিনি বললেন: “রাত্রির শেষভাগে এবং ফরয নামায সমূহের শেষাংশে”।
[তিরমিযী ৩৪৯৯: ইমাম তিরমিযী ও শায়খ আলবানীর মতে হাদীসটি হাসান সহীহ]

"রাতের এমন একটা সময় আছে যখন মুমিন বান্দা আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যা কিছু চায় আল্লাহ তা দিয়ে দেন। আর এ সময়টা প্রতি রাতে। [মুসলিমঃ ৭৫৭]

রাসূলুল্লাহ (সা:) আরো বলেনঃ
"প্রতি রাতে যখন রাতের এক তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে তখন আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন। তখন তিনি বলেনঃ
"কে আছে আমার কাছে দুআ করবে আমি কবুল করব?
কে আমার কাছে তার যা দরকার প্রার্থনা করবে আমি তাকে তা দিয়ে দেব?
কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি ক্ষমা করে দেব"।
[বুখারীঃ ১১৪৫, মুসলিম]

রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে কৃত দুআ’ কখনই ফিরিয়ে দেওয়া হয়না”।
[তিরমিযীঃ৩৫৯৪, আবু দাউদঃ৫২৫, শায়খ আলবানী ইরওয়াউল গালীলঃ ১/২৬২]

“যেকোনো প্রয়োজনে কোনো মুসলিম যদি দুয়া ইউনুস পড়ে, আল্লাহ তার দুয়া কবুল করবেন"।
[তিরমিযী, সহীহুল জামিঃ ৩৩৮৩]

অন্য হাদীস অনুযায়ী, "দুয়া ইউনুস পড়লে আল্লাহ তার দুঃশ্চিন্তা দূর করে দেবেন"।

উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লা-আনতা, সুবহা’-নাকা ইন্নি কুনতু-মিনায-যোয়ালিমিন।
অর্থঃ "(হে আল্লাহ) তুমি ছাড়া আর কোনো মা’বুদ নাই, তুমি পবিত্র ও মহান! নিশ্চয় আমি জালেমদের অন্তর্ভুক্ত।"
{সুরা আল-আম্বিয়াঃ ৮৭}

“দুটো সময় এমন যাতে দুআ ফেরত দেয়া হয় না অথবা খুব কম ফেরত দেয়া হয়।
আযানের সময়ের দুআ এবং যখন যুদ্ধের জন্য মুজাহিদগণ শক্রের মুখোমুখি হয়"।
[আবু দাউদ, সহীহুল জামিঃ ৩০৭৯]

বৃষ্টির সময়ে দুয়াঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“দুইটি বিষয় আছে এমন যেইগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হয়না, আযানের সময় দুয়া ও বৃষ্টির সময়ে দুয়া”।
[আবু দাউদ, সহীহুল জামিঃ ৩০৭৮]

“যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ চাইবে, কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে।
আর যখন তোমরা কোনো গাধার স্বর শুনবে, তখন শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাইবে, কেননা সে শয়তান দেখেছে”।
[বুখারীঃ ৩৩০৩,মুসলিমঃ ২৭২৯]

এছাড়াও
#লাইলাতুল ক্বদরের সময় দুয়া,
যমযম পানি পান করার আগে দুয়া,
মজলুমের দোয়া,
অসুস্থ ব্যক্তির দুয়া,
সন্তানের জন্য পিতার দুয়া,
আরাফার দুয়া,
অসহায় বিপদগ্রস্থের দুয়া,
রোযাদারের দুয়া,
ইফতারীর আগের দুয়া,
জুমুয়ার দিনে বিশেষ একটা সময়ের দুয়া,
অনুপস্থিত মুসলিমের জন্য যেউ দুয়া করা হয় সেটাও তার জন্য কবুল করা হয়।

©সিরাতাল মুস্তাকিম

28/01/2020

ারাপ_হয়_তখনি একটু পড়ুন!

কোরআনের আয়াতগুলো সর্বশ্রেষ্ঠ মেডিসিন
হিসেবে কাজ করে, আলহামদুলিল্লাহ্।*

*টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন, মন খারাপের সময় কাজে লাগবে ইনশাআল্লাহ্।

👉"দুঃখ করো না আল্লাহ্ আমাদের সাথে আছেন"। (সূরা তাওবাহ-৪০)

👉"আল্লাহ্ কি তাঁর বান্দাহর জন্য যথেষ্ট নন"?(সূরা আয- যুমার -৩৬)

👉"যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করবে তাঁর জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন"। (সূরা ত্বালাক-৩)

👉 "নিশ্চয় আল্লাহ্ তাআলা সবচেয়ে উত্তম পরিকল্পনাকারী"।( সূরা আনফাল-৩০)

👉"আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো।( সূরা মুমিন-৬০)

👉" নিরাশ হয়ো না, দুঃখিত হয়ো না তুমিই জয় লাভ করবে যদি তুমি বিশ্বাসী হও"। ( সূরা আল ইমরান-১৩৯)

👉" হে মানুষ তোমাকে তোমার পালনকর্তা পযর্ন্ত পৌঁছাতে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, অতঃপর তার সাক্ষাৎ ঘটবে"। (আল ইনশিকাক -৬)

👉" ধৈর্য্য ধরো, শক্ত হও, মনে রেখো সময় সর্বদা এক অবস্থায় থাকে না, আর ভরসা করো সেই জীবিত সত্বার (আল্লাহর) উপর যিনি কখনো মৃত্যু বরন করবেন না।( সূরা আল ফুরক্বান-৫৮)

👉" যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেবো"। ( ইবরাহীম-৭)

👉" তোমাদের উপর যেসব বিপদ আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল"। ( সূরা আশ- শূরা- ৪২/৩০)

👉" আল্লাহর হুকুম ছারা কোনো বিপদ আসে না, আর যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস পোষন করে, তিনি তার অন্তরকে সঠিক পথের সন্ধান দেন"। ( সূরা তাগাবুন -১১।

👉 " তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না, নিশ্চয় আল্লাহর রহমত থেকে কাফির সম্প্রদায় ব্যতীত কেউ নিরাশ হয় না"। ( সূরা ইউসুফ-১২/৮৭)

👉 "অবশ্যই দুঃখের সাথে সুখ আছে।( সুরা আল - ইনশিরাহ- ৬)

👉 " ধৈর্য্যের সাথে সাহায্য প্রার্থনা করো নামাযের মাধ্যমে, অবশ্য তা যথেষ্ট্য কঠিন, কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।(সূরা আল বাকারা -৪৫)

👉 " আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, হতাশ হয়ো না, উঠো সিজদাহ করো এবং কাঁদো, আমি তো আমার দুঃখ, অস্থিরতা আল্লাহর সমীপেই নিবেদন করছি।( সূরা ইউসুফ -৮৬)

👉 "আল্লাহ্ বলেন তুমি আস্থা রাখো আমার প্রতি।( সূরা আল ইমরান- ১৫৯)

👉 " যারা শুধু আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করেন, তিনি তাদের কে নিরাপত্তা দেন।( সূরা নূর -৫৫)

👉 " আল্লাহ্ ভরসাকারীদের কে পচ্ছন্দ করেন।( সূরা আল - ইমরান- ১৫৯)।

👉 " তুমি সবর করো নিশ্চয় শুভ পরিনাম কেবল মুত্তকিদের জন্য।( সূরা হুদ -৪৯।)

👉 " অতঃপর যারা পাপী ছিল, তাদের আমি শাস্তি দিয়েছি, মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।( সূরা আল- রূম-৪৭)।

👉 " এবং অবশ্যই আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল, ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে, তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। (সুরা বাকারা-১৫৫)

আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল।
অর্থ : সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ তায়ালার জন্য।

*এতক্ষণ সময় নিয়ে আর্টিক্যাল টি পড়ার জন্য, আললাহ সুবহানাহু ওয়া তায়া'লা উওম বিনিময়ে দান করবেন_ইনশাআল্লাহ।

28/01/2020

♦ #পবিত্র_কুরআনুল_কারীমের_৫টি_দোআ:♦️
-------------------------------------

♦দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যান চাওয়ার দোআ

رَبَّنَا آتِنَا فِيْ الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِيْ الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ
[রব্বানা আ-তিনা-ফিদ্ দুন্ইয়া-হাসানাতাওঁ অফিল্ আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ অক্বিনা-‘আযা-বান্না-র।]
হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
[২নং সূরা আল বাকারার ২০১ নং আয়াত]

♦পিতামাতার জন্য দোআ„
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِيْ صَغِيْرًا
[রব্বির হাম্হুমা-কামা-রব্বাইয়া-নী ছগীরা।]

হে আমার রব, তাদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে লালন-পালন করেছেন
[১৭নং সূরা আল-ইসরার,২৪ নং আয়াত]

♦পাপ করার পর ক্ষমা প্রার্থনার দোআ„

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ
[রব্বানা- জলাম্না- আন্ফুসানা- অইল্লাম্ তাগ্ফিরলানা-অতারহাম্না-লানাকূনান্না মিনাল্ খা-সিরীন্।]
হে আমাদের রব, আমরা নিজদের উপর যুল্‌ম করেছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদেরকে দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব
[৭নং সূরা আল আরাফ এর ২৩ নং আয়াত]

♦ক্ষমা এবং জাহান্নাম হতে মুক্তি চাওয়ার দোআ„
رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
[রব্বানা ইন্নানা আ-মান্না-ফার্গ্ফিলানা- যুনূবানা- অক্বিনা- ‘আযা-বান্ নার্-।]

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব, আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
[৩নং সূরা আলে ইমরান এর ১৬ নং আয়াত]

♦ধৈর্য লাভ এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যু চাওয়ার দোআ„
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّتَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ
[রব্বানা আফ্রিগ্ ‘আলাইনা- ছব্বাওঁ অতাওয়াফ্ফানা-মুস্লিমীন্।]

হে আমাদের রব, আমাদেরকে পরিপূর্ণ ধৈর্য দান করুন এবং মুসলিম হিসাবে আমাদেরকে মৃত্যু দান করুন
[৭নং সূরা আল আরাফ এর ১২৬ আয়াত]

আমাদের জন্য দো'আ গুলো মুখস্থ করে সবসময় আমল করা অতিব জরুরী।

( #সংগৃহীত)

28/01/2020

🔷 ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ, যা অাপনার জীবনকে বদলে দেবে!
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ) আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এবং
গ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন, যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না; যারা ঘুমানোর পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন।
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না।
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাজবেন না।
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার বা পায়জামা বসে ডান পা আগে পরিধান করুন।
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার ঠাণ্ডা করবেন না। প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না।
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান খারাপ কিছু বের করে দেবে।
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবেন না।
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না। ঠাট্টা করেও নয়।
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুঁকবেন না ।
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন; যাতে লোকজন সহজে বুঝতে পারে।
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার।
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করুন।
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে।
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না।
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালোমতো আপ্যায়ন করুন।
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং অনুশোচনা করুন।
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন।
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। 'আলহামদুলিল্লাহ্‌' – আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন।
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না, এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে।
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন।
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না।

✅ আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে এগুলো মেনে চলার তৌফিক দিন। আমীন।।।

28/01/2020

#এসো_কুরআন_শিখি{ #মহিলাদের_জন্য}
তাজবীদ/গ্রামারসহ (সহজ নিয়মে,অল্প সময়ে)
#পরিচালনায়ঃ মুনিয়া মমিন
#নিচের_প্রশ্ন_গুলোর_উত্তর_কি_আপনার_জানা_আছে ???
১। আলিফ কখন হামযাহ হয়?
২। কলকলাহ কাকে বলে?
৩। ওয়াজিব গুন্নাহ কাকে বলে?
৪। মাদের হরফগুলো কয়টি ও কি কি?
৫। লীন কাকে বলে?
৬। মাদে লীন কাকে বলে?
৭। মাদে আরজী কাকে বলে?
৮। আরজী সাকিন কাকে বলে?
৯। মাদে ইওয়াজ কাকে বলে?
১০। হামযাহ সিফাতে শাদিদাহ কি?
১১। আল্লাহ শব্দের লাম কিভাবে পড়তে হয়?
১২। হরফে ইস্তিওয়ালা কি?
১৩। মীম সাকিন পড়ার নিয়ম কি?
১৪। ওয়াকফ বা নিঃশ্বাস ফেলার চিহ্ন গুলো কি কি?
১৫। আনা পড়ার নিয়ম গুলো কি?
১৬। র-মোটা করে পড়ার নিয়ম কি?
১৭। র-পাতলা করে পড়ার নিয়ম কি?
১৮। নূন সাকিন এবং তানবীন পড়ার নিয়ম কি?
১৯। ওয়াকফ বা নিঃশ্বাস ফেলার নিয়ম-কানুন কি?
২০। ১৭টি মাখরাজ কি কি?
#উপরের_প্রশ্নগুলোর_উত্তর_যদি_আপনার_জানা_না_থাকে_তাহলে_বুঝতে_হবে_
১.আপনার কুরআন তিলাতয়াত শুদ্ধ হচ্ছে না।
২.আপনার এত কষ্টের নামাজ শুদ্ধ হচ্ছে না।
৩.আপনার এত কষ্টের আমল গুলো শুদ্ধ হচ্ছে না।
৪.আপনার দরুদ পাঠ শুদ্ধ হচ্ছে না।
৫.আপনার যিকির পাঠ করা শুদ্ধ হচ্ছে না।
তাই আপনার সবগুলো আমল ও দুআ কবুল হবার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে।
সহী-শুদ্ধ ক‍রে পড়তে পারলে, দ্রুত দুআ কবুল হবে, ইংশা-আল্ল-হ।
সহী-শুদ্ধ করে কুরআন তিলাওয়াত করা শিখে নিন, মৃত্যু আসার আগেই।
{ #একটি_বিশেষ_ঘোষনা #একটি_বিশেষ_ঘোষনা}
#এসো_কুরআন_শিখি
#শুধুমাত্র_মহিলাদের_জন্যে,
#আপনারা_ঘরে_বসেই_ক্লাস_করতে_পারবেন,

#সহী_শুদ্ধভাবে_তাজবীদ_সহ_সহজ_নিয়মে
#পবিত্র_কুরআন_মাজীদ_শিখানো_হবে।
োর্স_টি_মাত্র_৩_মাসের।
#সপ্তাহে_২_দিন_ক্লাস_নেয়া_হবে
োর্স_টি_সম্পূর্ণ_ফ্রি
#কোনো_রকমের_ফি_প্রদান_করতে_হবে_না।

#ক্লাস_নেয়া_হবে_ফেসবুক_ও_মেসেঞ্জারের_মাধ্যমে।
#ক্লাস_নিবেন-
মুনিয়া মমিন
প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক ও ধর্মীয় লেখক
এসো কুরআন শিখি ও
এসো কুরআন শিখি ফাউন্ডেশন
#ফ্রি_ক্লাস_করতে_ও
ুলো_ক্লাসের_ভিডিও_পেতে
#আমার_মেসেঞ্জারে_যোগাযোগ_করুন‌।
জাযাকুমুল্লাহু খইরন
📊কপি অথবা শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে,আপনার মাধ্যমে তারা ও উপকৃত হবে আর আপনার ও অনেক সওয়াব হবে। ইন-শা-আল্লাহ।
{ #ফ্রি_কুরআন_শিখতে_হলে_
#আমার_মেসেঞ্জারে_যোগাযোগ_করুন}

28/01/2020

#যৌন_চাহিদা_সংযত

💕🍀অবিবাহিত দের জন্য যৌন চাহিদা সংযত রাখতে করণীয় গু‌লো দেওয়া হলো 🍀💕

আপনি মুসলিম হয়ে থাকলে ,
হালাল জীবন সাথী না থেকে থাকলে এবং আল্লাহ কে বিশ্বাস করে থাকলে ।
যিনার মত পাপ কাজ না করতে চাইলে।
আপনার জন্য আমার কিছু‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ পরামর্শ আছে।যদিও আমি অবিবাহিত ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌এবং জেনারেল এ পড়ুয়া।
তবু ও আমার মনে হয় আপনি এতে উপকৃত হলেও হতে পারেন।আর তা হলো এই যে যদি আপনি নিজের যৌন চাহিদা সংযত রাখতে না পারেন এবং বিয়ে করা ও সম্ভব না হয় তবে নিচের দেওয়া বই টি পড়তে পারেন।
মুক্ত বাতাসের খোঁজে

লস্ট মডেস্টি

সম্পাদনা
আসিফ আদনান

শার'ঈসম্পাদনা
শাইখ মুনীরুল ইসলাম ইবনু যাকির

সেই সাথে
একটি নতুন খাতা নিন এক সপ্তাহ /এক
মাসের /একছরের সওয়াব এবং গুনাহ লেখে রাখার জন্য।যদি ১ মাসের জন্য নেন খাতা শেষ হলে তবে পরের মাসে নতুন খাতা নিবেন।
যেখানে লেখবেন প্রতিদিন এর আমল।
প্রতিদিনের তারিখ উল্লেখ করে দিয়েন।
আর সম্ভব হলে পেন্সিল দিয়ে লেখবেন এবং খাতা শেষ এ পুরিয়ে ফেলবেন কারণ সওয়াব এবং গুনাহ এর নোট আপনি ছাড়া অন্য কেউ পড়লে আপনার সওয়াব কমে যাবে এবং গুনাহ গোপন না করার জন্য ওই গুনাহ মাফ না ও হতে পারে
১।পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়বেন। খাতায় ‌‌‌‌পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের এর নাম ‌‌‌‌‌‌‌‌সহ তাহাজ্জুদ সালাতের নাম লেখবেন কত রাকাত আদায় করেছেন তাও লেখবেন ।আদায় করলে হ্যাঁ লেখবেন ।কাযা হলে তা লেখবেন।
২।পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর

👉ফজরের পর -সুরা ইয়াছিন -পারা ২২-২৩ ।
👉যোহরের পর -সুরা ফাতহ -পারা ২৬।
👉আসরের পর -সুরা নাবা-পারা ৩০।
👉মাগরিবের পর -সুরা ওয়াকিয়াহ- পারা- ২৭
👉এশার পর -সুরা মুলক-পারা -২৭
৩।সব সময় সব জায়গায় অনলাইন ও অফলাইন
পুরুষেরা নিজেদের পর্দার নিয়ম মেনে চলুন এবং নারীরা নিজেদের পর্দার নিয়ম মেনে চলুন। ননমাহরাম সাথে কথা বলতে সর্তকতা অবলম্বন করুন হোক বাস্তবে হোক মেসেজে হোক অন্য কোনো মাধ্যমে।

৪।নফল রোযা রাখার চেষ্টা করুন। ৩দিন/৪দিন/ ১ মাস/১ বছর অথবা শুধু সোম আর বৃহস্পতিবার।শীতকালে খুব সহজ রোযা রাখা।

৫। খানা,ঘুম,গোসল, পোশাক পরিধান,ওযু,ঘরে ঢোকার ও বের হওয়ার দোয়া অবশ্যই পড়বেন।না পারলে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট আল্লাহর জন্য সময় বের করে একটি বিষয় এর দোয়া মুখস্থ করে নিন ।এবং খাতায় নোট করবেন প্রতিদিন কোন দিন পড়ছেন কোন দিন কোন দোয়া পড়েন নি।
৫।যিকির কি কি করছেন নোট করবেন।প্রতিদিন সর্ব অবস্থায় তওবার দোয়া পড়তে থাকবেন মনে মনে।কতজন গান গায় আর আপনি তওবার দোয়া পড়বেন এটা অবশ্যই উত্তম।
৬।এখন আসি গুনাহ এর লিষ্ট নোট করবেন যেমন ধরুন আজ ১৬-০১-২০২০ কি কি গুনাহ করছেন। শিরক,মিথ্যা,গান,গালি,
টিভি দেখা কোন সিরিয়াল উল্লেখ করবেন,নামাজ মিস,চুরি,যিনা কয় নং যিনা সেওটাও উল্লেখ করবেন ইত্যাদি
৭।এবার আসি তওবার বিষয় ।গুনাহ গুলোর বিষয় এ মন থেকে তওবা করবেন ।প্রতিদিনের আমল প্রতিদিন লেখবেন এবং তওবা প্রতিদিন এর টা প্রতিদিন এ করবেন।
৮।নিজেকে যিনা থেকে সংযত রাখতে পর্দার নিয়ম মানা জরুরি+নফল‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ রোযা রাখা জরুরি+যৌন চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এমন খাবার লিষ্ট করে তা আপদত খাওয়া বাদ অথবা কমিয়ে দিতে হবে।

যৌন চাহিদা বাড়ায়👉Aphrodisiac foods
১।রসুন
২।মধু
৩।মরিচ
৪।গাজর
৫।টমেটো
৬।মাংস
৭।ডিম
৮।আপেল
৯।কলা
১০।আম
১১।তরমুজ
যারা আপাদত যৌন চাহিদা সংযত বা কন্ট্রোল করতে চান তারা এইসব খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে পারেন।অনেকে বলবেন সব খাবরের নাম ই ত দিয়েছি।কিন্তু আপনি যদি যৌন চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এমন খাবার একদিন ই সব গুলোই খান তবে কি অবস্থা হবে?? তাই নাম গুলো দিলাম সর্তক হবেন এই আরকি।

যৌন চাহিদা কমায়👉
Anti Aphrodisiac foods
১।ভাত
২।সবুজ এবং হলুদ শাক সবজি।
[ খাবারের নামগুলো -মুক্ত বাতাসের খোঁজে বই থেকে নেওয়া]

৯।তওবা যে গুনাহ এর জন্য মন থেকে ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌করবেন তা রাবার দিয়ে মুছে ফেলুন।

পরবর্তী তে অবশ্যই আমল বাড়াতে চেষ্টা করবেন একটু একটু করে।অবশ্যই যে পাপ ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌এর জন্য তওবা করবেন তা ত্যাগ করার চেষ্টা করবেন।

আমার মনে হয় এতে করে পুরোপুরি না হোক মেনে চললে অন্তত কিছুটা হলেও যিনার মত পাপ‌ কমে যাবে।আর হ্যাঁ যিনার প্রকার ভেদ এবং পর্দার বিষয় নিয়ে একটু পড়াশুনা করুন এবং সেই অনুযায়ী মেনে চলুন ।যদি নিজের ভাল আখিরাতে চান ত।আর হ্যাঁ আমাকে লজ্জা নেই বলার আগে একটু হাদিস এ খোঁজ করে নিবেন কোন কোন বিষয় এ লজ্জা করা মুসলিম নারীর উচিত এবং অনুচিত।

বিঃদ্র: কারো কাছে পোষ্ট খারাপ লাগলে এবং ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

28/01/2020

মৃত্যুর পর মানুষের _৯টি আকাঙ্খা_আফসোস :

● "হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।" (সূরাহ নাবা, আয়াত : ৪০)

● "হায়! যদি পরকালের জন্য কিছু করতাম।" (সূরাহ ফজর, আয়াত : ২৪)

● "হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।" (সূরাহ আল-হাক্কা, আয়াত : ২৫)

● "হায়! আমি যদি ওকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৮)

● "হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করতাম।" (সূরা আহযাব, আয়াত : ৬৬)

● "হায়! আমি যদি রাসূল ﷺ এর পথ অবলম্বন করতাম।" (সূরাহ ফুরকান, আয়াত : ২৭)

● "হায়! আমিও যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তা হলে বিরাট সফলতা লাভ করতে পারতাম।" (সূরাহ আন-নিসা, আয়াত : ৭৩)

● "হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরীক না করতাম।" (সূরা কাহফ, আয়াত : ৪২)

● "হায়! এমন যদি কোনো সুরত হতো ― আমাদেরকে আবার দুনিয়াতে পাঠানো হতো, আমরা আমাদের প্রভুকে মিথ্যা প্রতিপন্ন না করতাম আর আমরা হতাম ঈমানদারদের শামিল।" (সূরাহ আনআম, আয়াত : ২৭)

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Rajshahi
Rajshahi