EASPA SOAP

EASPA SOAP

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EASPA SOAP, Beauty, cosmetic & personal care, Bongram Tower, Housing Quarter, Razzaker mor, Rajshahi.

আমরা উন্নত প্রযুক্তির সফটওয়্যার ব্যবহার করে সাবানের ফর্মুলা তৈরি করে থাকি। বিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে খাঁটি কাঁচামাল সংগ্রহ করে ল্যাব প্রিসিশন স্কেলে মেপে সঠিক ওজন নিশ্চিত করে প্রতিটি উপাদানের সংমিশ্রণে অতি যত্ন সহকারে সাবান তৈরি করা হয়।

03/03/2026

এখন মাত্র ৭০০ টাকায়

★কোল্ড প্রসেস হাতে তৈরি ফ্লাগশিপ সাবান।
★কোন রকম কৃত্রিম রং এবং সিনথেটিক সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়নি।
★আমেরিকান ফরমুলায় তৈরি।
★শতভাগ ক্যামিকেল মুক্ত প্রাকৃতিক সাবান যা BCSIR ল্যাব কর্তৃক পরীক্ষিত।
★এই সাবান ব্যবহারে চুলে শ্যাম্পু করার প্রয়োজন নেই।
★ব্রণ,মেছতা,একজিমা, চোখের নিচের কালো দাগ,লালচে ভাব,বলিরেখা,রোদে পোড়া দাগ,হাইপারপিগমেন্টেশন,ব্লাকহেডস,ছোট ছোট আঁচিল দূর করে।
★মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে ত্বককে উজ্জ্বল করে।
★ফ্রি রেডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
★ত্বকের মৃত কোষ অপসারণ করে।
★ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে।
★ত্বকের গভীর থেকে টক্সিন বের করে।
★ত্বকের পি এইচ লেভেল বজায় রাখে।
★প্রাকৃতিক কোলাজেন ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে।
★সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী।

Photos from EASPA SOAP 's post 06/08/2025

১২ টি প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি আমাদের এই ফ্লাগশিপ সাবান। উপাদান সমুহ:

বৃষ্টির পানি

ত্বকের জন্য : বৃষ্টির পানিতে প্রাকৃতিক অ্যালকালাইন উপাদান থাকে যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে।বৃষ্টির পানি ত্বকের র‍্যাশ, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে গরমে হওয়া ঘামাচি কমাতে বহু আগে থেকেই বৃষ্টির পানি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বৃষ্টির পানিতে থাকে ভিটামিন ডি, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ১২ যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কাজ করে।
চুলের জন্য:বৃষ্টির পানি চুলকে পরিষ্কার করে। রুক্ষতা এবং খুশকি কমাতে সাহায্য করে।এই পানি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কাজ করে, যা ত্বক, চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল

ল্যাভেন্ডার তেল ২৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো।প্রাচীন মিশরে মমি তৈরির প্রক্রিয়ায় ল্যাভেন্ডার তেল ব্যবহার করা হতো।রাজা তুতানখামেনের সমাধিতেও এর চিহ্ন পাওয়া গেছে।ল্যাভেন্ডার তেল ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলির সাথে লড়াই করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।এটি একটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।ল্যাভেন্ডার তেলের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বককে শান্ত করতে এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। এটি সানবার্ন বা পোকামাকড়ের কামড়ের কারণে হওয়া জ্বালাপোড়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।ত্বকের দাগ হালকা করতে সাহায্য করে।ল্যাভেন্ডার তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে।চোখের নিচের ফোলাভাব এবং ডার্ক সার্কেল কমাতে সাহায্য করে। ল্যাভেন্ডার তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা খুশকি সৃষ্টিকারী ছত্রাকগুলির সাথে লড়াই করে এবং খুশকি কমাতে সাহায্য করে।ল্যাভেন্ডার যুক্ত সাবান ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা দূর হয়।

মিশ্র ফুলের মধু

প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সংস্কৃতিতে মধু ত্বকের যত্নের জন্য একটি প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে পরিচিত।প্রাচীন মিশরীয়রা তাদের রূপচর্চায় মধু ব্যবহার করত। ক্লিওপেট্রা ছিলেন মধু ব্যবহারের এক বিখ্যাত উদাহরণ, যিনি তার ত্বককে ময়েশ্চারাইজড ও উজ্জ্বল রাখতে মধু ব্যবহার করতেন।মিশ্র ফুলের মধু বিভিন্ন ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি হয় এবং এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।ত্বকের যত্নে মধুর প্রধান উপাদান হল এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য। এই উপাদানগুলো ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে, ব্রণ ও ব্রণের দাগ কমায়, ত্বককে নরম ও মসৃণ করে, বলিরেখা ও রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে,ব্যাকটেরিয়া দূর করে, ফ্রি র‍্যাডিকেল ড্যামেজ থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করে, ত্বকের প্রদাহ ও লালচেভাব কমায়,ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামত করতে সাহায্য করে এবং ছিদ্র পরিস্কার করে।

কজিক অ্যাসিড

কজিক অ্যাসিড (Kojic Acid) একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা মূলত জাপানে উদ্ভূত হয়েছে।৯৮% বিশুদ্ধ কজিক অ্যাসিড সাধারণত একটি উচ্চ মানের উপাদান।৯৮% গ্রেড মানে হলো এই অ্যাসিডে ৯৮% বিশুদ্ধ কজিক অ্যাসিড রয়েছে এবং বাকি ২% অন্যান্য উপাদান থাকতে পারে।আমরা সাবানে ৯৮% গ্রেডের কজিক এসিড ব্যবহার করে থাকি।কজিক অ্যাসিড তৈরির প্রক্রিয়া কিছুটা জটিল এবং সময় সাপেক্ষ। এর জন্য বিশেষ কাঁচামাল ও প্রযুক্তি প্রয়োজন হয়, যা এর উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দেয়।তাই এর দামটা একটু বেশি হয়ে থাকে। কজিক অ্যাসিড ত্বক ফর্সা করার উপাদান হিসেবে পরিচিত এবং এর চাহিদা অনেক বেশি।ত্বক উজ্জ্বল করা এবং হাইপারপিগমেন্টেশন (যেমন- মেছতা, ব্রণের দাগ, রোদে পোড়া দাগ) কমানোর জন্য প্রসাধনীতে ব্যবহৃত হয়।এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে, যা ত্বককে পরিবেশগত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।এটি গাঁজানো চাল থেকে তৈরি করা হয় এবং মেলানিন উৎপাদন কমিয়ে ত্বককে উজ্জ্বল করে, যা ত্বকের রঙের জন্য দায়ী (iDiva এর তথ্য অনুযায়ী)।

ইরানি জাফরান

ইরানে, জাফরান প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইরানি জাফরান বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত এবং মূল্যবান মশলা।এতে থাকে বেশি পরিমাণে ক্রোসিন (রঙ), সাফরানাল (সুগন্ধ) ও পিক্রোক্রোসিন (স্বাদ)।
• ক্রোসিন :একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
• সাফ্রানাল :প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে।
• ম্যাঙ্গানিজ :ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
• ম্যাগনেসিয়াম :ত্বকের কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
• কপার :ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে।
• আয়রন :ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে।
• ভিটামিন সি :কোলাজেন উৎপাদনকে উৎসাহিত করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে।
• ভিটামিন এ:
ত্বককে ময়েশ্চারাইজড করে এবং শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন বি:
ত্বকের কোষ Re-generation এ সাহায্য করে এবং ত্বককে সতেজ রাখে।
• ভিটামিন ই:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
• জিঙ্ক, পটাসিয়াম, সোডিয়াম:
ত্বককে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সহায়ক।

গোট মিল্ক

আমার কাছে পিওর গোট মিল্ক খুঁজে বের করাটা সব থেকে কঠিন কাজ।চেস্টা করেছি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পিওর গোট মিল্ক সংগ্রহ করার।প্রাচীনকালে ছাগলের দুধকে সাবান তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হত।ছাগলের দুধ ত্বকের প্রাকৃতিক লিপিড বা স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দূর না করে ত্বক পরিষ্কার করে।ব্রণ, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো সাধারণ ত্বকের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়ক।
• ল্যাকটিক অ্যাসিড:
ছাগলের দুধে থাকা আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড (এএইচএ) ল্যাকটিক অ্যাসিড মৃত কোষ অপসারণে সাহায্য করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে। এটি ত্বককে মসৃণ করে এবং বলিরেখা কমাতে সহায়ক।
• ফ্যাটি অ্যাসিড:
ছাগলের দুধে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে নরম ও কোমল করে তোলে। এটি শুষ্ক ত্বক এবং একজিমার মতো সমস্যাগুলির জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
• প্রোটিন:
ছাগলের দুধে থাকা প্রোটিন ত্বকের কোষ মেরামত এবং পুনর্গঠনে সহায়তা করে। এটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে এবং বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন ও মিনারেলস:
ছাগলের দুধে ভিটামিন এ, ডি,সি, বি৬, বি১২ এবং জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, পটাশিয়াম সহ বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে যা ত্বককে পুষ্টি জোগায় এবং স্বাস্থ্যকর রাখে।
• প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার:
ছাগলের দুধ ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে, যা ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে এবং দীর্ঘ সময় আর্দ্র রাখে।
• অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
ছাগলের দুধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ত্বককে ফ্রি র‍্যাডিকেল থেকে রক্ষা করে এবং অকাল বার্ধক্য রোধ করে।

হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট

হিমালয়ান পিংক সল্ট প্রাচীনকাল থেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। হিমালয়ান পিঙ্ক সল্টে আছে ৮৪টিরও বেশি প্রাকৃতিক মিনারেল ও ট্রেস এলিমেন্ট, যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে, মৃত কোষ দূর করতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটি ত্বকের প্রদাহ কমাতে এবং ত্বককে পরিষ্কার করতেও সহায়ক।
• মিনারেল ও ট্রেস এলিমেন্টস:
এতে আছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ক্রোমিয়াম সহ বিভিন্ন মিনারেল ও ট্রেস এলিমেন্ট, যা ত্বককে পুষ্টি যোগান দেয়।
• প্রাকৃতিক স্ক্রাব:
হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট একটি প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে, যা ত্বকের মৃত কোষ, ময়লা এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করে।
• অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য:
এর মধ্যে থাকা উপাদানগুলি ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যেমন - ব্রণ বা একজিমার মতো সমস্যায় এটি উপকারী।
• ময়েশ্চারাইজিং:
এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে নরম ও কোমল রাখতে সাহায্য করে।
• ডিটক্সিফাইং:
এটি ত্বকের গভীর থেকে টক্সিন বের করে ত্বককে পরিষ্কার করে।
• pH ব্যালেন্স:
হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট শরীরের pH লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য ভালো।
• ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি:
নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

কোকোনাট অয়েল

নারিকেল তেলের ব্যবহার ৪০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। ত্বকের যত্নে নারকেল তেলের উপাদান এবং উপকারিতা:
• লরিক অ্যাসিড:
এটি একটি ফ্যাটি অ্যাসিড যা ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
• ক্যাপ্রিক অ্যাসিড ও ক্যাপ্রিলিক অ্যাসিড:
এই অ্যাসিডগুলো ত্বকের গভীরে পুষ্টি সরবরাহ করে এবং ত্বককে পুনর্গঠনে সহায়তা করে।
• লিনোলিক অ্যাসিড:
এই ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের প্রদাহ কমাতে এবং শুষ্কতা দূর করতে সহায়ক।
• ভিটামিন ই:
এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং বলিরেখা ও বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
• ফ্যাটি অ্যাসিড:
নারকেল তেলে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং শুষ্কতা ও চুলকানি কমাতে সহায়ক।
• ভিটামিন কে:
ভিটামিন কে ত্বকের ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে এবং ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে।
• আয়রন:
আয়রন ত্বকের স্বাস্থ্যকর কোষ গঠনে সাহায্য করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে।

পাম অয়েল

পাম তেল, যা ৫০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।পাম তেলে বেশ কিছু উপাদান রয়েছে যা ত্বকের যত্নে কাজে লাগে।
• ফ্যাটি অ্যাসিড:
পাম তেলে প্রধানত স্যাচুরেটেড, মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই অ্যাসিডগুলো ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে নরম ও কোমল রাখতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন ই:
পাম তেলে ভিটামিন ই-এর দুটি রূপ থাকে: টোকোফেরল এবং টোকোট্রায়েনল। ভিটামিন ই একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
• ক্যারোটিনয়েড:
পাম তেলে ক্যারোটিনয়েড, বিশেষ করে বিটা-ক্যারোটিন থাকে। এটি ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হতে পারে, যা ত্বককে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে। ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে।
• ভিটামিন এ:
পাম তেল ভিটামিন এ-এর একটি ভালো উৎস, যা ত্বককে সুস্থ রাখতে এবং ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
• অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
পাম তেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের বার্ধক্য রোধ করতে সহায়ক।
• অন্যান্য উপাদান:
পাম তেলে কিছু পরিমাণে মিস্টিক অ্যাসিড এবং স্টিয়ারিক অ্যাসিডও থাকে, যা ত্বক পরিষ্কার করতে এবং চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করতে পারে।

বিফ ট্যালো (beef tallow)

ত্বকের যত্নে গরুর চর্বি বা বিফ ট্যালো (beef tallow) এর ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে।প্রাচীন মিশরীয়, গ্রিক এবং রোমানরা তাদের রূপচর্চায় পশু চর্বি ব্যবহার করত। ক্লিওপেট্রা এবং অন্যান্য মিশরীয় রানিরা তাদের ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে এবং উজ্জ্বল রাখতে পশু চর্বি ব্যবহার করতেন। চর্বির উপাদান এবং ত্বকের যত্নে এর ভূমিকা:
• ফ্যাটি অ্যাসিড:
গরুর মাংসের চর্বিতে কিছু প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যেমন: ওমেগা-৩ ওমেগা-৭,ওমেগা-৯,ওমেগা-৬,কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড (CLA) যা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। এই ফ্যাটি অ্যাসিডগুলি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে, প্রদাহ কমায় এবং ত্বককে মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন এ:
ভিটামিন এ ত্বকের কোষের পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়ক।
• ভিটামিন ডি:
ভিটামিন ডি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন ই:
ভিটামিন ই একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ফ্রি রেডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
• ভিটামিন কে:
ভিটামিন কে ত্বকের ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে এবং ত্বককে মসৃণ করে।
• ভিটামিন বি ১২ : কোষের পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে ,প্রদাহ কমায়,শুষ্কতা কমায়,ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়,হাইপারপিগমেন্টেশন কমায়
• ক্লিনজিং এজেন্ট:
গরুর চর্বি ত্বক থেকে ময়লা এবং অতিরিক্ত তেল অপসারণে সাহায্য করে।
• ময়েশ্চারাইজার:
গরুর চর্বি একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে এবং ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে।
• কোলাজেন:
গরুর মাংসের চর্বিতে কোলাজেনও থাকে, যা ত্বকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোলাজেন ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে এবং ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে।

সানফ্লাওয়ার অয়েল

প্রাচীনকালে, এই তেল সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত হতো এবং এখনো এর কদর রয়েছে। সানফ্লাওয়ার অয়েল বা সূর্যমুখী তেল, ত্বকের যত্নে একটি জনপ্রিয় প্রাকৃতিক উপাদান। এতে থাকে:
• ভিটামিন ই:
এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে।
• ভিটামিন এ:
ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে সহায়ক।
• ভিটামিন ডি:
ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং ত্বককে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন সি:
এটি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।
• লিনোলিক অ্যাসিড:
এই ফ্যাটি অ্যাসিডটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে নরম ও কোমল রাখতে সাহায্য করে।
• অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
সূর্যমুখী তেলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ত্বককে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং অকাল বার্ধক্য রোধ করে।

ক্যাস্টর অয়েল

ক্যাস্টর অয়েল (ভেন্না বা রেড়ির তেল)প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা থেকে এর ব্যবহার শুরু হয়েছিল। ত্বক ও চুলের যত্নে একটি জনপ্রিয় প্রাকৃতিক উপাদান। এর উপাদান হল:
• রিকিনোলিক অ্যাসিড:
ক্যাস্টর অয়েলের প্রধান উপাদান, যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং ময়েশ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্যযুক্ত।
• ওলিক অ্যাসিড:
ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে।
• লিনোলিক অ্যাসিড:
ত্বককে নরম ও মসৃণ করে।
• স্টিয়ারিক অ্যাসিড:
ত্বকের সুরক্ষা স্তর তৈরিতে সাহায্য করে।
• ভিটামিন ই:
একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের Young look ধরে রাখতে সাহায্য করে।
• ওমেগা-৬ ও ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড:
এই ফ্যাটি অ্যাসিডগুলো ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
• অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
ক্যাস্টর অয়েলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে, যা ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত রাখতে সহায়ক।
• অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান:
এই উপাদান প্রদাহ কমাতে এবং ব্রণ বা অন্যান্য ত্বকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।




















,

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Bongram Tower, Housing Quarter, Razzaker Mor
Rajshahi
6204