MD:Ruhul Alom
আমরা সকলেই কোরআনের আয়াতকে ব্যবহাড় করে জীবন পরিচালনা করবো সকল অংগনে ইনশাআল্লাহ।
💚 নিন্দা বদনাম করার পরিনতি আমরা সংক্ষেপে যানবো ইনশাআল্লাহ।
আজ পবিত্র শুক্রবার প্রতিজ্ঞা করবো,আজ থেকে নিজ ভাষায় কোরআনের বোর্ড সেলেবাস শিক্ষা জ্ঞান অর্জন করা শুরু করলাম।কারণ তর্ক ও ভুল বোঝা বুঝি থাকবে না।
রসুল সাঃ কিন্তু জাহেল যুগের একজন নিরক্ষর ব্যাক্তি ছিলেন, দুনিয়া বোর্ড সেলেবাস শিক্ষা ডিগ্রিধারী ছিলেন না। শুধু কোরআনের বোর্ড সেলেবাস শিক্ষা জ্ঞানে দুনিয়া ও আখেরাতের শ্রেষ্ঠ।
আজাজিল মানুষের নিন্দা বদনাম করে লক্ষ লক্ষ বছরের আমল ইবাদত ধ্বংস করে ইবলিস শয়তান হয়েছে৷ তাই আমরা মানুষের নিন্দা বদনাম করে নিজেদের আমল ইবাদত ধ্বংস করবো।
💚মানুষ কোন বোর্ড সেলেবান শিক্ষা জ্ঞান অর্জন করার কথা আর কোন বোর্ড সেলেবাস শিক্ষা জ্ঞান অর্জন করে কোন ভুল পথে চলছে,তা একটু সংক্ষেপে যানবো ইনশাআল্লাহ।
যা,বুঝলাম, দুনিয়া বোর্ড সেলেবাস ডিগ্রি শিক্ষা জ্ঞানে দুনিয়া ইনকাম। আর কোরআন বোর্ড সেলেবাস শিক্ষা জ্ঞানে আখেরাত ইনকাম। যার শিক্ষা জ্ঞানের আলোকে রসুল সাঃ নিরক্ষর থেকে সর্বশ্রেষ্ট।
💚প্রকৃতির আবহাওয়া মানুষের কি ভাবে কল্যান উপকার করে তা,সংক্ষেপে যানবো ইনশাআল্লাহ।
পক্ষ তো দুইটা,মুমিন আর কাফের। কোরআনের বিধান মান্য করে চললে মুমিন,আর বিধান মান্য করে না চললে কাফের। এ বিধান যানা সবার জন্য ফরজে আ-ইন। এ বিধান না যেনেই কি আমল করছি।
শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামায সহ ৭/৮ টা আয়াত ব্যবহাড়ে ইবাদত ইসলাম না। ইসলাম হচ্ছে,কোরআন যেনে মক্কা-মদিনা সুরার বৈশিষ্ট্য কি?তা যেনে মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। যেন ইসলাম মান্তে সহজ হয়।
13/09/2026
💚 মা অথবা নারীদের পায়ের নিচে আল্লাহ পাকের জান্নাত - কিন্তু কি ভাবে তা, যানা দরকার নয় কি!?
👍সম্মানিত ইসলাম প্রিয় ভাই বোন ও বন্ধগন, আমরা মহান আল্লাহ পাকের বিধান কোরআন থেকে ও রসুল সাঃ এর সুন্নাহ তথা নিতি আদর্শের কথা বহু শুনে আসছি, কিন্তু তার ব্যস্তবায়ন সম্পর্কে পরিস্কান তথ্য কথা কোরআন থেকে না যেনে, সজাগ সচেতন হচ্ছি না -যার কারণে ভুল পাপ করে কষ্টের কারণ হচ্ছি।
👍বিষয় হলো আমরা আল্লাহ ও রসুলকে বিশ্বাস করি, কিন্তু তার কোরআনের বোর্ড সেলেবাস শিক্ষা জ্ঞান অর্জন করে - আল্লাহর বিধান ও রসুল সাঃ এর নিতি আদর্শকে সামনে এনে সঠিক সত্য দ্বায়িত্ব পালন করবো কি ভাবে এবং আনুগত্য বা কথা মতো চলবো কার তা, যানার চেষ্টা করি না।
👍আমরা কে, কোন দ্বায়িত্ব কি ভাবে পালন করবো এবং কার আনুগত্য করবো তার শিক্ষা আল্লাহর বিধান আল কোরআনের বোর্ড সেলেবাস থেকে শিক্ষা না নিয়ে, আল্লাহকে রব হিসাবে গ্রহন না করে, আমরা নফসের মনগড়া খেয়াল খুশির সাজানো বানানো ভুল শিক্ষা সেলেবাসকে রব হিসাবে গ্রহন করে, মান্য করে চলছি। যার কারণে আমাদের দুঃখ কষ্ঠ দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না। ১২ ইউসুফ ৫৩ নং আয়াত। ৪৫ জাসিয়া ২৩ নং আয়াত।বাকারা ৩৮--৪০,৮৫-৮৬ নং আয়াত ইত্যাদি।
👍 যেমন আমার মা কার আনুগত্য বা কথা মতো চলবে এবং বাবা কার আনুগত্য করবে, কার কথা মতো চলবে পাশাপাশি আমি সন্তান কার আনুগত্য করবো এবং কার কথা মতো চলবো। সেই সঙ্গে যে কথাটি তা, সামনে আনার চেষ্ঠা করছি।
👍 যেমন মায়ের হক ব্যপারে যে, কথটি ৩ বার মায়ের কথা, ৪ বারের বার বাবার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু আমরা ব্যাখ্যা বিশ্লোশন যানি না। তা একটু যানবো বিষয় --মা অথবা নারীদের পায়ের নিচে জান্নাত কিন্তু কি ভাবে এবং কখন।
👍হাদিস, যেমন আমরা রসল সাঃ এর হাদিস থেকে শুনেছি, বনে পশু শিকার কারীগন হরিণ শিকার করে এক গাছে বেঁধে রেখেছেন,এদিকে রসুল সাঃ দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে সাহাবা রাঃ গনকে সঙ্গে করে যাচ্ছেন, এমন সময় দেখে এক হরিণ গাছের সঙ্গে বাঁধা - রসুল সাঃ হরিণটির অনুভুতি বুঝতে পারলেন, অথবা হরিণের ভাষা রসুর সাঃ বুঝতে পেরেছেন,(হাদিসটি সত্যতা যানি না) অথবা হাদিসটি অন্য ভাবে হতে পারে। রসুল হরিণটি ছেড়ে দিলেন এবং তার বাচ্চাকে দুধ পান করায়ে আবার রসুল সাঃ এর কাছে চলে আসলেন, সাহাবা রাঃ গন অবাক।
👍 বনের পশুরা রসুল সাঃ কে কেমন সম্মান শ্রোদ্ধা সিজদা করতেন তা,সাহাবা রাঃগন অনেক অংশে বুঝতে পারতেন। যার কারণে এখানে একটি কথা চলে আসলো। তবে এই কথাটি পরিস্কার যে, এক সময় কতিপয় সাহাবা রাঃ, রসুল সাঃ কে বলরেন ইয়া রসুলুল্লাহ্ সাঃ সয়ং বনের পশু আপনাকে সম্মান সিজদা করে,আপনি যদি অনুমতি দিতেন, আমরা আপনাকে সিজদা করতাম। উত্তরে রসুল সাঃ বলে ছিলেন,আল্লাহর পরে যদি কাউকে সিজদা করার অনুমতি থাকতো তবে,দুরিয়ার সকল নারীগনকে তার নিজ নিজ স্বামীকে সিজদা করার অনুমতি হতো। সুবহানাল্লা
♦️মহান আল্লাহ পাক, নারীদেরকে পুরুষ তত্ববাধানে থাকতে বলেছেন,নারীদের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থা সকল প্রকান ভরন পোষনের দ্বয়িত্ব ভার পুরুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে নারীগন পুরুষের আনুগত্য করবে, বিয়ের আগে বাবা, ভাই। বিয়ের পরে স্বামী সন্তানের তত্বাবধানে। ৪ নিসা ৩৪ নং আয়াত ইত্যাদি।
👍অপর দিকে, আল্লাহ পাক আরো বলেছেন, হে নারী সকল তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করবে জহেল যুগের নারীদের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করে ঘরের বাহিড়ে গিয়ে পরপুরুষকে চেহাড়া প্রদর্শন করো না। ব্যাখ্যায় এসেচে বাড়ীতে ঘরের ভিতরেই তোমাদের বহু কাজ,স্বামী সামলনো সন্তান, মেহমান সামলানো,রান্না বান্নার কাজ,ইত্যাদি বহু কাজ। এক কথায় নারীদের বাড়ীতে ঘরের ভিতরেই এতোই কাজ বা দ্বায়িত্ব যে,বাড়ীর বাহিড়ে যাওযার কোনই সুযোগ নেই। ৩৩ আহযাব ৩৩ নং আয়াত ইত্যাদি।
👍সম্মানিত ইসলাম প্রিয় ভাই বোন ও বন্ধুগন, রসুল সাঃ বলেছেন নারী বা মাদের পায়ের নিচে আল্লাহ পাকের জান্নাত তা সত্য, কিন্তু উক্ত আয়াত দয়ের মাধ্যমে যা, বোঝা গেলো,নারী বা মা,দেরকে--পুরুষ বা স্বামীর আনুগত্যে থাকতে হবে বা কথা মতো চলতে হবে( আল্লাহ পাকের র বিধান মোতাবেক) আল্লাহ পাকের বিধান মোতাবেক স্বামীর কথা মতো না চললে,স্বামীকে সনতেষ্ঠ না করলে স্বামীর দোয়া না পেলে,নারী বা মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত থাকবে না।
👍তাই যদি হয় তবে এতো কথা কোথা থেকে আসে যে, মায়ের হক আদায়া করার ব্যাপারে তিন বারের পর - চার বারে এসে বাবার হক । এই বলে ছেলে মেয়েরা মায়ের যত্নে এতোই ঝুকে পড়েছে যে, বাবার যত্নের কোনই গুরুত্ব নেই। অথচ এই বাবা, সংসারের দায় ভার মিটাতে গিয়ে স্ত্রী সন্তানদের মুখে হাঁসি ফুটাতে গিয়ে -ঝড় বৃষ্টিতে-রোদে পুড়ে -ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে নানা মানুষিক কষ্ট বর্দাস্ত করতে হয়। সে বাবার ততো খোয খবর গুরুত্ব নেই। যা ইহুদি খৃষ্টান দের চক্রান্তে ভুল সেলেবাস শিক্ষা জ্ঞানের ভিত্তিতে ভুল হাদিসের কথায় বাবার হক চার বারে এসে।
👍সম্মানিত ইসলাম প্রিয়,আসুন আমরা নিজেকে, সজাগ সচেতন করে তুলবো বিষয়,,আমার মাকে আল্লাহর বিধান মান্যকারী মুমিন নারী বা মা,হতে হবে-তবেই তার পায়ের নিচে আল্লাহ পাকের জান্নাত। সেই অনুযায়ী বাবাকে আল্লাহ পাকের বিধান মান্যকারী মুমিন বাবা,হতে হবে,তবেই তার দোয়া কাজে আসবে। এমন স্বামীকে সন্তেষ্ঠ করে, তার দোয়া পেলে পায়ের নিচে জান্নাত থাকবে - দোয়া না পেলে জান্নাত থাকবে না।
👍বাবা বা স্বামীর দোয়া না পেলে মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত থাকে কি করে। এক কথায় বাবা অথবা মাকে মুমিম হতে হবে, যদি দুই জনার মধ্যে একজন মুমিন না হয় তবে একে অপরকে বিবাহ করার জায়েয নেই। বাবা,মা মুমিন না হওয়ার কারণে, আজ পবিবার গুলোর মধ্যে নানা দুর্ভোগ অশান্তি। ৫ মায়েদা ৫ নং আয়াত। ৯ তওবা ৭১,৭২, ১১৩,১১৪ নং আয়াত। ৬০ মুমতাহানা ১০--১২ নং আয়াত। বাকারা ৮৬, ২১২--২১৪ নং আয়াত। ইত্যাদি।
👍তবে বাবা- মা, যদি ইহুদী খৃষ্টান বেদুইন বা মুশরিক হয় তাকে সম্মান ও ভোরন পোষন দিতে হবে, সেই সন্তান যদি আল্লাহ পাকের বিধান মান্য করে সৎকাজ করে জান্নাাতে প্রবেশ করতে পারবে, বাবা- মা যে,ধর্মেরেই হোক। বাকারা ২৫,৬২,৮২ নং আয়াত। ৩ ইমরান ১১০ নং আয়াত ইত্যাদি।
Website
Address
Rangpur
5750
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when MD:Ruhul Alom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
