Amader Kolkata
দৈনন্দিন খবর, উৎসব, ভাষা, ধর্ম, প্রেম, ভালোবাসা ও আনন্দ। আপামর জনগণের ভালোলাগার, ভালোবাসার শহর।
15/08/2026
জয় হিন্দ🇮🇳 বন্দেমাতারাম🫡
13/08/2026
আমাদের তিলোত্তমা কলকাতার গর্ব এবং প্রতিটি কলকাতা বাসীর আবেগের কেন্দ্রবিন্দু—"হাওড়া ব্রিজ" (রবীন্দ্র সেতু)। হুগলি নদীর বুকে ডানা মেলে দাঁড়িয়ে থাকা এই ঐতিহাসিক ইস্পাতের কাঠামোটি আজও শহরের গৌরবময় অতীত আর আধুনিকতার সেতু বন্ধন করে চলেছে।
সম্প্রতি সেই চেনা হাওড়া ব্রিজই এক নতুন, মনকাড়া রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। অন্ধকারের বুক চিরে এটি সেজে উঠেছে আমাদের জাতীয় পতাকার তিন রঙে—গেরুয়া, সাদা ও সবুজ। আলোয় আলোকময় তেরঙ্গার এই নয়নাভিরাম শোভা রাতে নদীর জলকে যেন এক মায়াবী ক্যানভাসে পরিণত করছে। জলে প্রতিবিম্বিত এই আলোর খেলা দেখে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে নদীর ঘাটগুলোতে উপস্থিত দর্শনার্থী—সবার চোখই আনন্দে ও শ্রদ্ধায় থমকে যাচ্ছে।
জাতীয় উৎসব বা বিশেষ দিনগুলোতে এই নতুন রূপ শুধু গঙ্গার তীরকেই উজ্জ্বল করছে না, বরং প্রতিটি তিলোত্তমাবাসীর বুকে দেশপ্রেম ও গর্বের এক নতুন শিহরণ জাগিয়ে তুলছে। রাতে যখন ব্রিজের ওপর আলোর দ্যুতি ছড়ায়, তখন মনে হয় যেন পুরো শহরটাই স্বাধীনতার গান গাইছে।
আমাদের প্রিয় হাওড়া সেতুর এই তেরঙ্গা সাজ শুধু একটি দৃশ্য নয়—এটি আমাদের ঐক্য, গর্ব এবং জাতীয়তাবোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক। যারা রূপসী কলকাতাকে ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে এই শোভা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী ও অবিস্মরণীয়।
19/01/2023
ভালোবাসা মা'য়ের থেকে শিখতে হয়,আর ভালো রাখা বাবার থেকে জানতে হয়!❤️🦋✨
19/01/2023
#পড়া মনে রাখার ৫ বৈজ্ঞানিক উপায়:
১. বিরতি নিয়ে রিভিশন:
জার্মান মনোবিদ হারমান এবিনঘসের মতে, যে কোনো কিছু পড়ার এক ঘণ্টা পর সেটির মাত্র ৪৪ শতাংশ আমাদের মনে থাকে। তাই আমাদের উচিত তাৎক্ষণিক রিভিশন না দিয়ে, একটু বিরতি দিয়ে একই বিষয় আবার পড়া। তাতে পড়া মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিরতি দিয়ে বারবার পড়লে যে কোনো পড়াই মনে থাকে অনেক দিন।
২. ফাইনম্যান পদ্ধতি:
পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। কোনো কিছু খুব সহজভাবে অন্যকে বোঝানোর পদ্ধতিকে ফাইনম্যান পদ্ধতি বলা হয়। যে কোনো কিছু পড়ার পর তা অন্য কাউকে শেখানোর চেষ্টা করলে সেই পড়া আপনার মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কোনো কিছু শেখানোর সময় আপনাকে সেই পড়াটি নিজের মতো গুছিয়ে সংক্ষেপ করে নিতে হয়; করতে হয় আলোচনাও। যা পড়াটি আপনার মাথায় গেঁথে যাওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখে।
৩. পোমোডোরো পদ্ধতি:
পড়াশোনার মাঝখানে মুঠোফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক, ইউটিউবে ঢুঁ দেওয়া কিংবা অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া আমাদের এক নিত্য সমস্যা। যার ফলে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে এবং পড়া ঠিকমতো না হওয়ায় তা মনে থাকার সম্ভাবনাও বেশ কমে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পোমোডোরো পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি মূলত সময় ব্যবস্থাপনার একটি কৌশল। ১৯৮০ সালের শেষের দিকে ফ্র্যাঞ্চেস্কো নামের এক উদ্যোক্তা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ইতালীয় শব্দ পমোডোরো অর্থ ‘টমেটো সস’। ফ্র্যাঞ্চেস্কোর টমেটোর আকারের টেবিল ঘড়ি থেকেই মূলত এর নামকরণ। এই পদ্ধতিতে একজন মানুষ মোট ২৫ মিনিট সময় নিয়ে কোনো একটি কাজ করবেন এবং কাজ শেষে ৫ মিনিটের বিরতি নেবেন। ওই পঁচিশ মিনিট নিজেকে অন্য সবকিছু থেকে দূরে রাখতে হবে। আর বিরতির পাঁচ মিনিটকে বেছে নিতে হবে অন্য যে কোনো কাজ কিংবা বিশ্রামের জন্য। এতে করে মূল কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে, কাজের প্রভাবও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এই পদ্ধতি পড়াশোনায় প্রয়োগ করলে পড়া হবে আরও কার্যকর, আর মনেও থাকবে লম্বা সময় পর্যন্ত।
৪. প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম:
যুক্তরাষ্ট্রের নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী জেসিকা পেইন এবং তাঁর কয়েকজন সহকর্মী মিলে একটি গবেষণা করেছেন। তাতে জানা যায়, পড়াশোনা শেষে নির্দিষ্ট সময় ঘুমালে তা পড়া মনে রাখায় বেশ সহায়তা করে। তাই লম্বা সময় পড়াশোনার পর কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই। যাঁরা সারা রাত জেগে সকালে পরীক্ষা দিতে অভ্যস্ত, অনেক সময় দেখা যায় তাঁদের পরীক্ষা খারাপ হয়। এ গবেষণা থেকে নিশ্চয়ই এর কারণ বোঝা যায়।
৫. নেমোনিক পদ্ধতি:
অনেক ছোট তথ্য মনে রাখার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়। ছড়া, গল্প, ছবি, ইত্যাদির মধ্যে তথ্য যুক্ত করে মনে রাখাকে আরও সহজ করাই হচ্ছে এই পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য। মূলত ভোকাবুলারি, বিভিন্ন সাল কিংবা যে কোনো ছোট তথ্য মনে রাখার ক্ষেত্রে এই কৌশল হয়ে উঠতে পারে বেশ কার্যকর।
©সংগৃহীত
04/01/2023
“যতক্ষণ মায়ার ঘরের ভিতরে থাকা যাবে, যতক্ষণ মায়া-মেঘ রয়েছে, ততক্ষণ জ্ঞান-সূর্য কাজ করে না। মায়াঘর ছেড়ে বাহিরে এসে দাঁড়ালে (কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগের পর) তবে জ্ঞানসূর্য অবিদ্যা নাশ করে। ঘরের ভিতর আনলে আতস কাচে কাগজ পুড়ে না। ঘরের বাইরে এসে দাঁড়ালে, রোদটি কাচে পড়ে, — তখন কাগজ পুড়ে যায়।
“আবার মেঘ থাকলে আতস কাচে কাগজ পুড়ে না। মেঘটি সরে গেলে তবে হয়।
“কামিনী-কাঞ্চন ঘর থেকে একটু সরে দাঁড়ালে — সরে দাঁড়িয়ে একটু সাধনা-তপস্যা করলে — তবেই মনের অন্ধকার নাশ হয় — অবিদ্যা অহংকার মেঘ পুড়ে যায় — জ্ঞানলাভ হয়!
🌼🌼🌼🌼🌼🌸🌸🌸🌸
Website
Address
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Amader Kolkata posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
