Tarun's Page

Tarun's Page

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tarun's Page, Health/Beauty, KOLKATA.

26/10/2026
25/10/2026

নামী ব্যবসায়ীর পরিচয় দিয়ে এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবি দেখিয়ে একাধিক মহিলা কনস্টেবলের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২৬ বছরের যুবক...
বিস্তারিত প্রথম কমেন্টে

25/10/2026

ঘর থেকে তোলা কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার দিনের চাঁদ 🌙

25/10/2026

🔥 চাকরি না পেলে এমএ পাস প্রতিভাবানও মূর্খ! আর চাকরি পেলে মাধ্যমিক ফেলও মহাপণ্ডিত!

এটাই আমাদের সমাজের শিক্ষার মূল্যায়ন!

এখানে আপনার জ্ঞান কতটুকু, সেটা বড় কথা নয়। মাস শেষে আপনার অ্যাকাউন্টে কত টাকা ঢোকে, সেটাই আপনার যোগ্যতার সার্টিফিকেট!

বেকার ছেলেটা যতই মেধাবী হোক, পরিবারের কাছে সে বোঝা, আত্মীয়দের কাছে ব্যর্থ, আর সমাজের কাছে অযোগ্য।

অথচ একটা চাকরি জুটে গেলেই রাতারাতি সেই মানুষটাই হয়ে যায় বুদ্ধিমান, দায়িত্বশীল আর সম্মানিত!

এখানে মানুষ আপনার মেধাকে সম্মান করে না, সম্মান করে আপনার পদবি, বেতন আর চেয়ারের ক্ষমতাকে।

অদ্ভুত সমাজ! যেখানে সার্টিফিকেট দিয়ে শিক্ষা মাপা হয়, আর বেতন দিয়ে মানুষের মূল্য নির্ধারণ করা হয়!

চাকরি না থাকা মানেই অযোগ্যতা নয়, আর চাকরি পাওয়া মানেই জ্ঞানের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে যাওয়া নয়।

প্রশ্ন একটাই—

আমাদের সমাজে আসলে শিক্ষিত মানুষের দাম বেশি, নাকি উপার্জনক্ষম মানুষের?

লেখাটি ফেসবুক সংগৃহীতা😊

#শিক্ষিতবেকার #সমাজেরবাস্তবতা #চাকরি #যোগ্যতা #আত্মসম্মান

25/10/2026

লাইফস্টাইল ও ট্রেন্ড: উৎসবের মাঝেই পরা পোশাক দেদার ফেরত দিচ্ছেন গ্রাহকেরা! 🛍️👇

উৎসবের মরশুম শেষ হতে না হতেই অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে পোশাক রিটার্ন করার হিড়িক পড়েছে। জামাকাপড় পরে ছবি তুলে তা দেদার ফেরত দিচ্ছেন গ্রাহকদের একাংশ, যার ফলে ই-কমার্স ডেলিভারি পয়েন্টগুলোতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে পার্সেলের স্তূপ। এই অদ্ভুত ও অনৈতিক প্রবণতায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিক্রেতাদের।
আপনার মতামত জানান: পোশাক পরে তা আবার অনলাইনে রিটার্ন করার এই মানসিকতাকে আপনি কীভাবে দেখেন? 💬👇

Sangbad Plus

24/10/2026

চার বৌ, ৫৮ সন্তান! মনে থাকে না সব সন্তানের নাম, লিঙ্গ, ‘রাবণের গুষ্টি’র পেট চালাতে হিমশিম খান কর্তা
হতদরিদ্র পরিবারটির বর্তমান সদস্যসংখ্যা ৬৩। এর মধ্যে ৫৮ জনই শিশু-কিশোর-তরুণ। রয়েছেন চার সতীন। সকলের পেট চালানোর ভার পরিবারের মাথা মুহম্মদ সাদেকের উপর।

তালিবানি শাসনের ঘেরাটোপে আফগানিস্তানের অবস্থা যে সময়ের সঙ্গে আরও সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে, সে সংক্রান্ত নানা তথ্য আগেই উঠে এসেছে। চলতি বছর মে মাসের গোড়ার দিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, চরম দারিদ্র্য এবং অনাহারের কারণে আফগানিস্তানে শিশুসন্তানদের বিক্রি করে দিচ্ছেন বাবা-মায়েরা! বিশেষ করে, দেশের মহিলাদের নাগপাশে বেঁধে গোটা আফগান সমাজের ভবিষ্যৎকেই চরম অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছেন তালিব শাসকেরা।

এরই মধ্যে অভাব আর অশিক্ষায় জর্জরিত আফগানিস্তানের একটি পরিবারে দেখা গেল এক অদ্ভুত, বলা ভালো উদ্বেগের চিত্র! সম্প্রতি বিবিসি হতদরিদ্র এক আফগান পরিবারকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যা ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে। কারণ, চরম দারিদ্র্য সত্ত্বেও ওই পরিবারের সদস্যসংখ্যা বর্তমানে ৬৩। যার মধ্যে ৫৮ জনই শিশু। রয়েছেন চার সতীন। সকলের পেট চালানোর ভার রয়েছে পরিবারের মাথা মুহম্মদ সাদেকের উপর।

আফগানিস্তানের উরুজ়গান প্রদেশে মাটির তৈরি বাড়িতে ৫৮ সন্তান এবং চার বউকে নিয়ে সংসার মুহম্মদের। যদিও আফগান পুরুষদের একাধিক স্ত্রী এবং অনেকগুলি সন্তান থাকা কোনও নতুন বিষয় নয়। তবে, আফগানিস্তানের বড় পরিবারগুলির মধ্যে মুহম্মদের পরিবার অন্যতম। তাই, এ নিয়ে এত চর্চা।

মুহম্মদের সন্তানদের মধ্যে কনিষ্ঠটির বয়স মাত্র তিন মাস। জানা গিয়েছে, তাঁর আরও ১২টি সন্তান ছিল! কিন্তু, রোগভোগে তাদের মৃত্যু হওয়ায় ভাই-বোনের সংখ্যা আপাতত ৫৮। তা না হলে সেটি ৭০ হত! যদিও ৫৮ সন্তানের পেট চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন মুহম্মদ।

বর্তমানে মুহম্মদের বয়স ৫৭। একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করে সকলের পেট চালান তিনি। একটি গাড়ি বিক্রি করার জন্য কমিশন হিসেবে মুহম্মদ হাজার আফগান মুদ্রা পান। সেই টাকায় এই বিরাট সংসার টানতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে মুহম্মদকে।

বিবিসি-কে মুহম্মদ জানিয়েছেন, এতগুলি সন্তান থাকায় তিনি তাদের সকলের নামও মনে রাখতে পারেন না। প্রতি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুহম্মদ তাঁর সন্তানদের গুনে দেখে নেন। সকলে বাড়িতে আছে কি না, সেটি যাচাই করে নেওয়ার জন্যই মুহম্মদ এই পন্থা মেনে চলেন। তেমনই এক রাতে মুহম্মদ দেখেন, খাবার টেবিলে এক সন্তান অনুপস্থিত। তখন তাঁর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কারণ, সেই সন্তান পুত্র না কন্যা, সেটাই ঠাওর করে উঠতে পারছিলেন না মুহম্মদ। এর পর মুহম্মদের এক স্ত্রী তাঁর সংশয় কাটাতে সাহায্য করেন।

মুহম্মদের সন্তানদের সকলের পায়ে জুতোজোড়াও জোটে না। অনেকেই খালি পায়ে ঘুরে বেরায়। কারণ, এতগুলি শিশু-কিশোরের জন্য খাবার জোগাড় করতেই যেখানে বেগ পেতে হয়, সেখানে প্রত্যেকের জন্য একজোড়া করে জুতো কেনা মুহম্মদের পরিবারের কাছে বিলাসিতা-সম। এমনকি, মুহম্মদদের বাড়ির অবস্থাও নেহাতই খারাপ। মাটির ভাঙা দেওয়ালের বাড়িতে দরজা-জানলার ব্যবস্থা ঠিক মতো নেই। ফিনফিনে সাদা রঙের পর্দা দিয়ে আটকানো হয় সূর্যের আলো, ঝড়-বৃষ্টি।

রান্না করার জন্য জ্বালানির কাঠ কেনার ক্ষমতাও সবসময় থাকে না মুহম্মদের পরিবারের কাছে। সেই সময় কাগজ পুড়িয়ে রান্না করতে হয় তাঁর স্ত্রীদের। রান্নার দায়িত্ব রয়েছে মুহম্মদের দুই স্ত্রীর উপর। তাঁরাই পরিবারের সকলের জন্য রান্না করেন। সকাল এবং সন্ধ্যা, দু’বেলা রান্না করা হয়। তবে, মাঝেমধ্যেই মুহম্মদের বাচ্চাদের ক্ষুধার্ত পেট নিয়ে ঘুমোতে যেতে হয়। কারণ, কপালে খাবার জোটে না। অথবা, খাবার পেলেও তা পেট ভরানোর মতো যথেষ্ট পরিমাণে পায় না তারা।

মুহম্মদ প্রথম যখন বিয়ে করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। মুহম্মদের স্ত্রীদের বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৬-র মধ্যে। মুহম্মদ তাঁর সন্তানদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্ত্রীদের কম বয়সকেও দায়ী করেন। তাঁর মতে, স্ত্রীরা কমবয়সি হওয়ায় সন্তানের ঠিক মতো যত্ন নিতে পারতেন না। এ বিষয়ে অনভিজ্ঞ ছিলেন তাঁর সে সময়কার কিশোরী স্ত্রীরা। সেই কারণে যক্ষ্মা, হাম প্রভৃতি রোগে মৃত্যু হয় একের পর এক সন্তানের। মুহম্মদ এবং তাঁর স্ত্রীদের কাছে এই ঘটনাগুলি ছিল অত্যন্ত বেদনার।

বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মুহম্মদ বিবিসি-কে বলেছেন, আর্থিক অবস্থা এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করবে জানলে তিনি এতগুলি সন্তানের জন্ম দিতেন না! বিশ্বে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়াতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন। ভবিষ্যতে কী দিন আসতে চলেছে, সে ভাবনা সেই সময় তাঁর মাথায় আসেনি।

তবে, এখনও কেন মুহম্মদ সন্তানের জন্ম দেওয়ায় রাশ টানছেন না, সে বিষয়ে বিবিসি-কে কিছু জানাননি। তবে, বাবা হিসেবে নিজের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করতে না পারার আক্ষেপ অকপটে স্বীকার করেছেন মুহম্মদ। তাঁর পরিবারের এই দুর্দশা আবারও একবার আফগানিস্তানের মহিলা এবং শিশুদের অবস্থা নিয়ে চিন্তার উদ্রেক ঘটাচ্ছে। জাতিসংঘের করা সমীক্ষা অনুয়ায়ী, আফগানিস্তানের প্রতি চার জনের মধ্যে তিন জনই নিজেদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে অক্ষম।

তথ্য সূত্র আনন্দবাজার অনলাইন।

Category

Website

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tarun's Page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in KOLKATA.