The Message Of Islam

The Message Of Islam

Share

ইসলাম সম্পর্কে গভীর ভাবে জানতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখুন...
অনেক কিছু শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ...!

23/01/2026

তাওবার নামাযের নিয়ম—
কোনো গুনাহ হয়ে গেলে ওযু করে পবিত্র হয়ে দুই রাকাত সালাতুত তওবার নামাজ পড়ুন।

সালাতুত তাওবা বিষয়টি আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমাদসহ অনেক হাদিসে রয়েছে।

❑ সালাতুত তওবা নামাজের নিয়ত :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
নাওয়াইতু আন্ উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাক্ আতাই ছালাতিত্ তাওবাতি মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা'বাতিশ্ শারীফাতি আল্লাহুআকবার।

☞ আরবিতে নিয়্যত না জানলে বাংলায় করুন—
হে আল্লাহ আমি কেবলা মুখি হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে দুই রাকাত সালাতুত তওবার নামাজের নিয়ত করছি আল্লাহু আকবার।

☞ তারপর নিয়ত করে সানা পড়ে যথারীতি—
প্রথম রাকাতে সুরা ফাতেহার পর সূরা নছর,
দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতেহার পর সুরা নাস।

রুকু সিজদা করে বসে আত্তাহিয়্যাতু পড়ে সালাম ফিরিয়ে কয়েকবার দরুদ পড়ে(নিচে উল্লেখিত দোয়াটি) পড়ে আল্লাহর কাছে অতীত-বর্তমানের সকল গোনাহর মাফ চান এবং ভবিষ্যতের সকল গোনাহ থেকে হেফাজত করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।

❑ দোয়ায় তওবা—
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
উচ্চারণঃ “আসতাগফিরুল্লা-হাল আ’যীমাল্লাযী লা- ইলা- হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।”

অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ছাড়া ইবাদতের আর কোন যোগ্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। আমি তাঁর কাছে তওবা করছি।

☞ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
যেই ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামীও হয় অর্থাৎ সে যদি বড় রকমের গুনাহগার হয়, তবুও আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন।(তিরমিযী ৪/৬৯, আবুদাঊদ ২/৮৫, মিশকাত হা/২৩৫৩, হাদীসটি সহীহঃ সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭২৭)

☞ নিয়ত সম্পর্কে একটি বিষয়—
নিয়ত অন্তরে গেঁথে নিন যে, মুখে নিয়ত করা জরুরী নয়, তবে বিশুদ্ধ উচ্চারণ হতে হবে যদি আরবী নিয়ত করেন। আর বাংলাতেও বলতে পারেন। তবে অন্তরের নিয়তই যথেষ্ট। সর্বাবস্থায় অন্তরে নিয়ত উপস্থিত থাকা বাঞ্চনীয়।

❑ তওবার নিয়ম—
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. পাপ কাজ করা বন্ধ করতে হবে। এখন শুধু মুখে মুখে তওবা করি, কয়েকদিন পর থেকে পাপ কাজটা ছেড়ে দেবো – এ রকম হলে তওবা হবে না।

২. অতীতের সমস্ত পাপ কাজ ও ভুল ত্রুটি আল্লাহর কাছে স্বীকার করে তাঁর কাছে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।

৩. অন্তরে ঐকাজগুলোর প্রতি ঘৃণা রেখে সেইগুলোতে আর ফিরে না যাওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করতে হবে।

৪. লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সমস্ত গুনাহ খাতার জন্য “ইস্তিগফার” করতে হবে (মাফ চাইতে হবে) + “তওবা” করতে হবে (গুনাহ করা বন্ধ করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসতে হবে)।

৫. কারো হক্ক নষ্ট করে থাকলে তাকে তার হক্ক ফিরিয়ে দিতে হবে, অথবা যেইভাবেই হোক, সামর্থ্য না থাকলে অনুরোধ করে, ক্ষমা চেয়ে তার কাছ থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে।

☞ উল্লেখ্য, তওবা করলে আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন, এমনকি কারো পাপ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। কিন্তু বান্দার কোনো হক্ক নষ্ট করলে সেটা বান্দা মাফ না করলে তিনি মাফ করবেন না।

৬. অন্তরে আশা রাখতে হবে, যে আমি গুনাহগার কিন্তু আল্লাহ গাফুরুর রহীম – অতীব ক্ষমাশীল ও দয়ালু। সুতরাং তিনি আমার তওবা কবুল করবেন।

৭. তওবা করার পরে প্রাণপণে চেষ্টা করতে হবে পাপ কাজ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে, এবং সাধ্য অনুযায়ী বেশি বেশি করে নেকীর কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।

৮. যে পাপ কাজ থেকে তওবা করা হলো (সমস্ত পাপ কাজ থেকেই তওবা করা ফরয), কোনো ভুলে বা কুপ্রবৃত্তির কারণে পাপ কাজটা করে ফেললে সাথে সাথে আবার তওবা করে সেটা থেকে ফিরে হবে। এইভাবে যখনই কোনো পাপ হবে সাথে সাথেই তওবা করতে হবে, মৃত্যু পর্যন্ত।

৯. কারো তওবা কবুল হয়েছে কিনা এটা কিভাবে বুঝবেন ?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
☞ অনেক আলেম এ সম্পর্কে বলেন—
কারো যদি তওবা করার পরের জীবন আগের জীবন থেকে ভালো হয় অর্থাৎ, পাপের কাজ অনেক কমে যায় ও ভালো কাজ বৃদ্ধি পায়, তাহলে আশা করা যেতে পারে – তার তওবা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়েছে। কিন্তু কারো যদি এমন না হয় অর্থাৎ, তওবার আগের ও পরের জীবনে কোনো পার্থক্য না থাকে, তাহলে বুঝতে হবে তার তওবাতে ত্রুটি আছে। তার উচিত হতাশ না হয়ে – বার বার আন্তরিকতার সাথে খালেস নিয়তে তওবা করা, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া।

আল্লাহ আমাদের অন্তরের খবর রাখেন, তিনি অন্তরজামী।
আল্লাহ সকলকে তওবা করার তওফিক দান করুন। কবুল করুন, আমাদের ক্ষমা করুন, আমিন🤲

21/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ!

21/01/2026

দু'আ কবুলে দুরুদের অলৌকিকতা

গল্প ১ :
একজন নারী সলাতুদ্ দুহা পড়েছিলেন। তিনি প্রতিটি রাকাতে, প্রতিটি সিজদায় দুরুদে ইব্রাহিম সালাত ৫০ বার পাঠ করতেন।
বক্তা বলেন: এই সংখ্যা বাধ্যতামূলক নয়—এটা শুধু আল্লাহর সাথে আপনার সম্পর্ক; চাইলে বাড়াতে বা কমাতে পারেন।
তিনি সবসময় নেক বিবাহের জন্য দু'আ করতেন। অবশেষে তিনি বাগদান করলেন, আর আল্লাহ তা সহজ করে দিলেন।
বক্তার মন্তব্য: “নবীর ﷺ উপর সালাওয়াত পাঠ করা অলৌকিকভাবে কাজ করে, অসম্ভবকে সম্ভব করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইয়াকীন। ইয়াকীনই অলৌকিকতা নিয়ে আসে। নিশ্চিত থাকুন আল্লাহ আপনার চাওয়ার থেকেও বেশি দিতে সক্ষম।”
গল্প ২ :
একজন ৩০ বছর বয়সী নারী বিয়েতে সমস্যার সম্মুখীন ছিলেন। তিনি তাজ আল-যিকর (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা.... ক্বদীর) এবং দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করতেন।
একটি ভিডিও দেখে তিনি রমাদান মাস জুড়ে নিয়মিত এই যিকির করলেন এবং রমাদানের পরওচালিয়ে গেলেন। এতে তিনি গভীর শান্তি ও নিরাপত্তা অনুভব করলেন।
পরে তিনি এমন একজনের সাথে বাগদান করলেন যিনি উচ্চ পদস্থ, সুদর্শন, ধনী। মানুষ অবাক হয়ে গেলেন, কারণ তিনি তার জন্য একেবারে উপযুক্ত ছিলেন না।
তিনি বললেন: “এটা আল্লাহর অনুগ্রহ এবং নবীর ﷺ উপর সালাওয়াতের বরকত।”
গল্প ৩ :
একজন নারী একজনকে ভালোবাসতেন এবং তাকে বিয়ে করার আশা করতেন। তিনি মক্কায় গেলেন, ভগ্নহৃদয় অবস্থায় এবং ক্রমাগত দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করলেন। ফিরে এসে দুরুদ পড়া চালিয়ে যেতে থাকলেন।
অবশেষে সেই মানুষটি তাকে প্রস্তাব দিলেন এবং সবকিছু সহজ হয়ে গেল।
বিয়ের পর তিনি বললেন, "তিনি আসলে কাউকে বিয়ে করতে চাইতেন না—কিন্তু তার অন্তরে কিছু পরিবর্তন হলো যা তাকে বিয়ের দিকে ঠেলে দিল।
বক্তা বলেন: “এটা আল্লাহর অলৌকিকতা। যখন আল্লাহ কারও অন্তরে কিছু স্থাপন করেন, কোনো বুদ্ধি তা ব্যাখ্যা করতে পারে না।

21/01/2026

ইস্তিগফার বা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা কেবল গুনাহ মাফ করার মাধ্যম নয়, বরং এটি দুনিয়া ও আখিরাতে সৌভাগ্য লাভের চাবিকাঠি। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইস্তিগফারের ১৭টি বিস্ময়কর ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো:

"ইস্তিগফারের বিস্ময়কর ফজিলতসমূহ"

১. গুনাহ মাফ হওয়া: ইস্তিগফারের প্রধান কাজই হলো বান্দার ছোট-বড় সব গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া। (সূরা নুহ: ১০)

২. অভাব ও দারিদ্র্য মুক্তি: নিয়মিত ইস্তিগফার করলে আল্লাহ তায়ালা অভাব দূর করে সচ্ছলতা দান করেন। (সূরা নুহ: ১১)

৩. বৃষ্টির মাধ্যমে রহমত লাভ: অনাবৃষ্টির সময় ইস্তিগফার করলে আল্লাহ আকাশ থেকে রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করেন। (সূরা নুহ: ১১)

৪. সম্পদ ও সন্তান লাভ: যারা নিঃসন্তান বা আর্থিক কষ্টে আছেন, তাদের জন্য ইস্তিগফার হলো উত্তম দাওয়াই। (সূরা নুহ: ১২)

৫. উন্নত ও উত্তম জীবন: দুনিয়ার জীবনে সম্মানজনক ও সুখময় জীবন লাভের মাধ্যম হলো ইস্তিগফার। (সূরা হুদ: ৩)

৬. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি: ইস্তিগফার করলে আল্লাহ তায়ালা শারীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দেন। (সূরা হুদ: ৫২)

৭. বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি: রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করবে, আল্লাহ তাকে সব সংকীর্ণতা থেকে বের হওয়ার পথ করে দেবেন। (আবু দাউদ: ১৫১৮)

৮. দুশ্চিন্তা দূর হওয়া: ইস্তিগফার করলে অন্তরে প্রশান্তি আসে এবং সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। (ইবনে মাজাহ: ৩৮১৯)

৯. রিজিকে বরকত: অচিন্তনীয় উৎস থেকে আল্লাহ তায়ালা বান্দার রিজিকে বরকত দান করেন। (মুসনাদে আহমাদ: ২২৩৪)

১০. আজাব ও গজব থেকে সুরক্ষা: যতক্ষণ মানুষ ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তাদের ওপর আজাব দেন না। (সূরা আনফাল: ৩৩)

১১. দোয়া কবুল হওয়া: ইস্তিগফারকারীর দোয়া আল্লাহ খুব দ্রুত কবুল করেন। (সূরা হুদ: ৬১)

১২. অন্তর পরিষ্কার হওয়া: গুনাহের ফলে অন্তরে যে কালো দাগ পড়ে, ইস্তিগফারের মাধ্যমে তা পরিষ্কার হয়ে যায়। (তিরমিজি: ৩৩৩৪)

১৩. জান্নাত লাভ: ইস্তিগফারকারী ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। (সূরা নুহ: ১২)

১৪. আল্লাহর ভালোবাসা লাভ: ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের আল্লাহ তায়ালা অত্যন্ত ভালোবাসেন। (সূরা বাকারা: ২২২)

১৫. ফেরেশতাদের দোয়া পাওয়া: যারা ইস্তিগফার করে, ফেরেশতারা তাদের জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করে। (সূরা গাফির: ৭)

১৬. আমলনামা ভারী হওয়া: কেয়ামতের দিন আমলনামায় অনেক ইস্তিগফার পাওয়া গেলে সেটি আনন্দের কারণ হবে। (ইবনে মাজাহ: ৩৮১৮)

১৭. শয়তানের ওপর বিজয়: শয়তান মানুষকে গুনাহ করাতে চায়, কিন্তু ইস্তিগফারের মাধ্যমে মানুষ শয়তানের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। (মুসনাদে আহমাদ: ১১০১৫)

✅ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "সুসংবাদ সেই ব্যক্তির জন্য, যার আমলনামায় প্রচুর পরিমাণ 'ইস্তিগফার' পাওয়া যাবে।" (সুনানে ইবনে মাজাহ)
ইস্তিগফার পড়ার সবচেয়ে সহজ শব্দ হলো— "আস্তাগফিরুল্লাহ" (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই)।

21/01/2026

এক বোনের দোয়া কবুলের গল্প।

আসসালামু আলাইকুম!
২০২৫ সালে আমার এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছিলো এবং সব পরিক্ষা আলহামদুলিল্লাহ ভালো হলেও গণিত পরিক্ষা খুবই বাজে হয়েছিলো, মানে আমি ধরেই নিয়ে ছিলাম ফেইল আসবে কারণ আমার mcq হয়েছিলো শুধু ৭টা, যেখানে ১০টা হলে পাস! তারপর আমি সারাক্ষণ মন খারাপ করে থাকতাম ঘরে। তারপর থেকে প্রতিদিন রাতে তাহাজ্জুদ পড়া শুরু করলাম আলহামদুলিল্লাহ! আমি বাচ্চাদের মতো কান্না করতে করতে সিজদায় লুটিয়ে পড়তাম আর বেশি বেশি করে আমার রবের কাছে চাইতাম।

অবশেষে রেজাল্টের দিনটা আসলো, সময় যত যাচ্ছিলো আমার বুকে ঝড় বয়ে যাচ্ছে অনুভব হচ্ছিলো তখন, অতঃপর যখন শুনি আমি পাস করেছি তখনও বিশ্বাস হচ্ছিলো না , তারপর নিজ চোখে দেখলাম এবং বুঝলাম আমার দোয়া বিফলে যায়নি আমার রব আমায় নিরাশ করেননি আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ!! আমার লাইফের সবচেয়ে বেস্ট একটা দিন ছিলো সেদিন,,আমি সেদিন বুঝেছিলাম তাহাজ্জুদের নামাজ আসলে কি জিনিস! আল্লাহ কাউকে নিরাশ করেন না তিনি আমাদের রব অবশ্যই ভালো মন্দ উভয়ই তার হাতে।

তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে তিনি কখনো ফিরিয়ে দেন না।

21/01/2026

স্ত্রী গরমে ঘেমে অনেক সময় নিয়ে চা-নাস্তা বানিয়ে নিয়ে এসেছে।
শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই বসে খাচ্ছে।
স্বামী চা’য়ে চুমুক দিয়ে বিরক্ত হয়ে বলছে,
“নাহ, এখনও তুমি মা’র মত চা বানাতে শিখলে না। কতবার বললাম মা’র কাছ থেকে দেখো কতখানি লিকার দিতে হয়।
মা! ওকে দেখিয়ে দিয়েন তো কীভাবে চা বানাতে হয়।”

☞ এ হচ্ছে “লুমাযাহ।”
❑ এরা সুযোগ পেলেই মানুষের মুখের উপর তার বদনাম করে।
❑ কারও কোনো দোষ ধরার সুযোগ পেলে সহজে ছেড়ে দেয় না।
❑ সারাদিন একে ধমকানো, ওকে খোঁচা মারা, একে গালি দেওয়া, ওকে ব্যঙ্গ করা, এগুলো হচ্ছে এদের স্বভাব।
❑ এদের নিজেদের দোষের কোনো শেষ নেই।
নিজের দোষ ঢাকার জন্য এরা সবসময় অন্যের দোষ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

☞ এদের জিভ হচ্ছে একটা “ধারালোঅস্ত্র।”
এই অস্ত্র দিয়ে সারাদিন এরা একের পর এক মানুষের হৃদয় ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে।

〰️〰️〰️

আত্মীয় বেড়াতে এসেছে।
গল্প করার ফাঁকে জিজ্ঞেস করলো, “আপনার মেয়ে কেমন আছে? ওর বাচ্চাগুলো ভালো আছে?”
মা উত্তর দিলেন, “গত সপ্তাহে শুনলাম ওরা অসুস্থ। দেখি শুক্রবারে ফোন করলে বুঝতে পারবো কী অবস্থা?”

আত্মীয় অবাক হয়ে বললেন, “শুক্রবারে?
আপনার মেয়ে প্রতিদিন আপনাকে ফোন করে না?
আমার মেয়ে প্রতিদিন সকালে ফোন করে সবার আগে আমার খোঁজ নেয়।
আপনি এত কষ্ট করে মেয়ে বড় করে বিয়ে দিলেন, আর মেয়েটা আপনাকে দিনে একটা ফোনও করতে পারে না?”

মা আমতা আমতা করে বললেন, “না, না, ব্যাপারটা সেরকম না।
ও ঘর-সংসার, চাকরি নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকে।
প্রতিদিন কি আর ফোনে কথা বলা যায়?”

আত্মীয় তার নিজের মেয়ের সাথে আরও কিছু তুলনা করে চলে গেলেন।
তারপর মা সারাদিন ‘বিষণ্ণতায় ভুগলেন’ আর বাবা’র কাছে অভিযোগ করতে থাকলেন,
“দিনে একটা ফোনও করতে পারে না?
এই মেয়ের জন্য আমি রক্ত পানি করেছি?
একে আমি নয় মাস পেটে ধরেছি?
নিজের বাবা-মা’র থেকে ওর সংসার আজ বেশি বড় হয়ে গেলো?”

☞ সেই আত্মীয় হচ্ছে “হুমাযাহ।”
❑ এরা মানুষে-মানুষে সম্পর্ক বিষিয়ে দিতে পেশাদারি দক্ষতা অর্জন করেছে।
❑ এদের বিষাক্ত জিভের ছোবলে সুখী পরিবারের মধ্যেও মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায়।

〰️〰️〰️

হুমাযাতিল লুমাযাহ হচ্ছে এমন এক ধরনের মানুষ,
• যে অন্যকে তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য করে।
• মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য ভরে আঙ্গুল দেখায়।
• চোখের ইশারা করে ব্যাঙ্গ করে।
• কারও চরিত্রের কোনো দিক নিয়ে ব্যঙ্গ করে।
• কারও মুখের উপর তার বিরুদ্ধে মন্তব্য করে।
• কারও পেছনে তার দোষ বলে বেড়ায়।
• এর নামে ওর কাছে কথা লাগায়।
এটা তারা একবার দুইবার করে না।
এমন করে তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।

এরা হচ্ছে হুমাজাতিল লুমাযাহ্।
এদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা।
— আল্লাহুম্মাগ-ফিরলী।

☞ মোটকথা লুমাযাহ হলো—
কর্মক্ষেত্রে বা পারিবারিক বা বন্ধু মহলে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, “আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না। আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই। আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড! যা মনে আসে তাই বলি।”

সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত! সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন! ইসলাম ধর্মে এটাকেই “লুমাযাহ” বলা হয়।

আল্লাহ্‌ এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন ‘সূরা হুমাজাহ’ তে। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।

আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন। হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন, আমিন।🤲

20/01/2026

দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য উপকারী ৯ টি দোয়া ও আমল।🌸

মানুষের জীবনের প্রতিটি বিষয়ই আল্লাহ তাআলার সিদ্ধান্তে হয়। বিয়ে-এটি আনন্দের, স্থিতির ও বরকতের ব্যবস্থা। কেউ কেউ খুব চাইলেও বিয়েতে দেরি হয়, আবার কারো ক্ষেত্রে খুব সহজে হয়ে যায়।

আল্লাহ যাকে যখন উপযুক্ত মনে করেন, তাঁর জন্য তখনই দরজা খুলে দেন। তবে কিছু সহিহ আমল আছে, যা নিয়মিত করলে আল্লাহ কাজ সহজ করে দেন, মনও শান্ত হয়, এবং হালাল পথে ভালো সিদ্ধান্ত পাওয়া সহজ হয়।

১) বেশি বেশি ইস্তিগফার।🌸

ইস্তিগফার এমন এক আমল-যা সব ধরনের সংকট দূর করে, রিজিক বাড়ায় এবং জীবনের কঠিন কাজগুলো সহজ করে দেয়।

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ
দিনের যেকোনো সময়, যত বেশি সম্ভব পড়বেন। এতে অন্তর পরিষ্কার থাকে, আর আল্লাহ রহমতের দরজা খুলে দেন।

২) তাহাজ্জুদের সময় আল্লাহকে ডাকুন 🌸

রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে একটু উঠে আল্লাহর কাছে নিজের মন-চাওয়া কথা বলুন। সেজদায় গিয়ে বলুন-"হে আল্লাহ, আমার জন্য একজন দ্বীনদার ও উপযুক্ত জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করে দিন এবং আমার বিয়ের বিষয়টি সহজ করে দিন।"

তাহাজ্জুদের দোয়া খুব দ্রুত কবুল হয়।

৩) 'সালাতুল হাজত'।🌸

কোনো প্রয়োজন বা গুরুত্বপূর্ণ ইচ্ছা থাকলে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হয়। আপনার চাওয়াটা-বিয়ে, রিজিক, ভবিষ্যৎ-এটি আল্লাহর কাছে তুলে ধরুন। আল্লাহ কখনোই খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না।

৪) নিয়মিত সূরা ইয়াসিন পড়া।🌸

প্রতিদিন সূরা ইয়াসিন একবার করে পড়লে আল্লাহ তাআলা অনেক কাজ সহজ করে দেন। এটি মনেও প্রশান্তি আনে।

৫) সূরা আল-ইমরান (আয়াত ২৬-২৭)
এই দু'টি আয়াত আল্লাহর ক্ষমতা, পরিবর্তন ও ভালো জিনিস দেওয়ার দোয়ার মতো।
দিনে ৩ বার পড়লে হৃদয় শক্ত হয়, দুশ্চিন্তা কমে, আর কাজগুলো সহজ হতে শুরু করে।

৬) দরুদ শরিফ বেশি পড়ুন।🌸

দরুদ এমন একটি আমল যা দোয়ার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়।
"আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ।" যত বেশি পড়বেন, মন তত নরম হবে, আর দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

৭) গীবত, হারাম সম্পর্ক, হারাম আয় থেকে দূরে থাকুন।

যে জীবন যত বেশি পরিষ্কার থাকবে, আল্লাহ তার জীবনে তত দ্রুত বরকত দেবেন। এগুলো থেকে বাঁচলে বিয়ের মতো বড় বিষয়গুলোও দ্রুত সহজ হয়।

৮) বাবা-মায়ের দোয়া নিন বাবা-মায়ের দোয়া সব দোয়ার চেয়ে শক্তিশালী। তাদের একটুখানি দোয়াই মানুষের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।

৯) অন্তর শান্ত রাখার জন্য ছোট দোয়া।🌸

মাঝেমধ্যে মনে মনে বলুন- "হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।"
অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণকারী।

এই দোয়া মনকে শান্ত করে এবং জীবনের কঠিন দরজাগুলো সহজ করে দেয়।

শেষ কথা - বিয়ে দেরি হওয়া মানে কখনোই আল্লাহ আপনাকে ভুলে গেছেন-তা নয়। বরং তিনি সঠিক সময়ে, সঠিক মানুষের সঙ্গে, সঠিকভাবে আপনার পথ খুলে দেবেন। আপনি শুধু নিয়মিত আমল করুন, দোয়া করুন, এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রাখুন।

ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য সবচেয়ে ভালোটাই ঘটবে।

20/01/2026

আমি গত এক বছর ধরে ইস্তিগফার করছি। আমি ২০২৩ এর রমাদান থেকে ইস্তিগফার করা শুরু করি। প্রথম প্রথম আমি দিনে ১০০০ বার ইস্তিগফার করতাম। এখন দিনে ২০ হাজার/২৫ হাজার বার ইস্তিগফার করি।

ফলাফল: আমি কোনো কিছু ভাবার সাথে সাথেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সেটা কবুল করে নেন।

আমি উমরাহ যেতে চেয়েছিলাম। আল্লাহ একদিনের মধ্যে আমার ভিসার ব্যবস্থা করে দেন। ট্রাভেল এজেন্টও অবাক হয়ে গিয়েছিলো কারন ভিসা আসতে কমপক্ষে ৫ দিন লাগে।

আমার জীবনে ইস্তিগফারের আরো অনেক অনেক অলৌকিক গল্প আছে। আমি কিছু চাইলেই সেটা কবুল হয়ে যায় সাথে সাথে। আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে শেষ করতে পারবো না।

বিঃদ্রঃ নির্দিষ্ট সংখ্যায় ইস্তিগফার করলে বিশেষ ফজিলত আছে এমন ভাবা যাবে না। টার্গেট রাখতে পারেন যে আমি দিনে এতোবার ইস্তিগফার করবো। তবে এতোবারই করতে হবে বা এতোবার করলেই দু'আ কবুল হবে এমন ভাবলে বিদআত হবে বরং যতো ইচ্ছা করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

—সংগৃহীত ||

19/01/2026

সালাতুত তাসবিহ নামাজ।

সালাতুত তাসবিহ ৪ রাকাতে সর্বমোট ৩০০ বার নিম্নের দোয়াটি পড়তে হয়।

(سبحان الله، والحمدُ لله، ولا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَالله أكبر)

উচ্চারণঃ- সুবহানাল্লাহ, ওয়াল'হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার।

▲ এই নামাজ যেকোনো সময় পড়া যায়, তবে জুম্মার রাত (শুক্রবার রাত) ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোতে পড়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)।

- সামনে রমজান আসতেছে রমজান মাসে এই নামাজ কেউ মিস করবেন না।

সালাতুত তাসবিহ হলো ৪ রাকাত সুন্নত নামাজঃ-যেখানে প্রতি রাকাতে বিশেষ একটি তাসবিহ পড়া প্রয়োজন।

(সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার)

মোট ৭৫ বার পড়া হয়, যার ফলে ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হয়ে থাকে; এটি সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পাঠের পর এবং রুকু, সিজদাসহ বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়তে হয়।

নামাজের নিয়ম:-

★ নিয়ত: ৪ রাকাত সালাতুত তাসবিহের নিয়ত করুন।

প্রথম রাকাত:- 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করুন।

প্রথমে 'ছানা' পড়ুন (সুবহানা...)-এর পর, সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ুন, এরপর ১৫ বার তাসবিহ পড়ুন:

◆ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার (15 বার)।

◇রুকুর তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার)

'সামিআল্লাহ লিমান হামিদাহ' বলার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।

প্রখম সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দুই সিজদার মাঝে বসে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সেজদার তাজবীদ শেষ করে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাত: একই নিয়মে প্রত্যেক রাকাতে এভাবে ৭৫ বার করে তাসবিহ পাঠ করুন।

* মোট তাসবিহ: ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হবে (৭৫ বার × ৪ রাকাত)।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:- গণনা: জোরে জোরে বা আঙুল গুনে তাসবিহ পড়া অনুচিত; মনে মনে বা আঙুল চেপে গণনা করতে পারেন।

ভুলে গেলে: কোনো ধাপে তাসবিহ পড়া বাদ গেলে, পরের ধাপে সেই সংখ্যা যোগ করে নিন অথবা পরের রাকাতের শুরুতে তা পূরণ করে নিন।

ফজিলত:- এই নামাজে জীবনে সব গুনাহ মাফের বড় ফজিলত রয়েছে, নেক আশা পূরণের ফজিলত রয়েছে এবং এটি প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে বা জীবনে অন্তত একবার পড়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

19/01/2026

ইচ্ছা পূরণের সালাতকেই সালাতুল হাজত বলা হয়!

সালাতুল হাজত পড়ার নিয়মঃ

" কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ'র সন্তষ্টির উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে “সালাতুল হাজত” বলা হয়" [ইবনু মাজাহঃ হা/১৩৮৫]

কখন পড়বেনঃ

কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো দুশ্চিন্তা দেখা দিলে এ নামাজ পড়তে হয়!

নিষিদ্ধ সময়ঃ

সালাতুল হাজত নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ব্যাতীত যেকোনো সময়েই পড়তে পারেন!

নিয়মঃ

নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।

হাজতের নিয়তে অন্যান্য নামাজের মতোই দু-রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন!

করণিয়ঃ

--সালাতুল 'হাজত' নামাজের আলাদা কোনো নিয়ম নেই।

স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে। নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার হামদ ও ছানা (প্রসংসা) এবং নবী করিম সা. এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ করে নিজের মনের কথা ব্যক্ত করে আল্লাহর নিকট দোয়া করবে!!

এই দোয়া পড়বেন মুনাজাতে ইনশাআল্লাহঃ

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

[রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্বিনা আজাবানা নার]

অথবাঃ

الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرِّ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْم وس

لَا تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلَّا غَفَرْتَهُ وَلَا هَمَّا إِلَّا فَرَّجْتَهُ وَلَا حَاجَةً هِيَ لَكَ

رِضًا إِلَّا قَضَيْتَهَا

يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ

উচ্চারণ: লাইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম, সুবহানাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, আছআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক; ওয়াআজা- ইমা মাগফিরাতিক, ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি

বিররিউ ওয়াসাতা মিন কুল্লি ইছমিন লা তাদাঅলি- জাম্বান ইল্লা গাফারতাহুওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়ালা হাজাতান হিয়া লাকা রিজান- ইল্লা কাজাইতাহা ইয়া আর হামার রাহিমীন!

তিরমিজি, মিশকাতঃ হা/৮৭৩, আবু দাউদঃ ১৩১৯; সালাত অধ্যায়-২]

নিজে পড়ুন আর শেয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ দিন

18/01/2026

💞💞

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Barisal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Barisal