Beauty with Nature
We describe about beauty which we can obtain from nature that provide us lots of health issues.
07/10/2026
07/10/26
"সজারুর দ্বিধা" — শোপেনহাওয়ার
যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন, তার সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি ঝগড়া হয় — খেয়াল করেছেন?
খুব কাছে গেলে দমবন্ধ লাগে। আবার একটু দূরে সরলে ফাঁকা লাগে, অস্থির লাগে।
কাছেও থাকা যায় না, দূরেও যাওয়া যায় না। এই টানাপোড়েনটার একটা নাম আছে।
শীতের রাতে একদল সজারু-
জার্মান দার্শনিক আর্থার শোপেনহাওয়ার ১৮৫১ সালে ছোট একটা গল্প লিখেছিলেন।
কনকনে শীতের এক রাত। একদল সজারু ঠান্ডায় জমে যাচ্ছে। ওম পাওয়ার জন্য তারা গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়াল।
সঙ্গে সঙ্গে একে অন্যের কাঁটা বিঁধল। ব্যথায় তারা ছিটকে সরে গেল।
দূরে গিয়ে আবার শীত লাগতে শুরু করল। তারা আবার কাছে এল। আবার কাঁটা বিঁধল। আবার সরে গেল।
এভাবে কাছে-দূরে করতে করতে শেষমেশ তারা এমন একটা দূরত্ব খুঁজে পেল, যেখানে দাঁড়ালে কিছুটা ওম পাওয়া যায়, আর কাঁটাও তেমন বেঁধে না।
শোপেনহাওয়ার বললেন, মানুষের সম্পর্কও ঠিক তাই। আমাদের ভেতরের শূন্যতা আমাদের একসঙ্গে ঠেলে দেয়, আর আমাদের ভেতরের কাঁটা আমাদের দূরে সরিয়ে দেয়। সারা জীবন আমরা কেবল ওই মাঝের দূরত্বটা খুঁজতে থাকি।
পরে ফ্রয়েড তাঁর একটি লেখায় এই গল্পটা তুলে ধরেন। সেখান থেকেই এটি মনোবিজ্ঞানে ঢুকে পড়ে।
মস্তিষ্ক দুটো জিনিসই চায়
একটা গবেষণায় কিছু নারীকে জানানো হয়েছিল, পরীক্ষার সময় তাঁরা হালকা অস্বস্তিকর ধাক্কা পেতে পারেন। এরপর দেখা হলো, কেউ হাত ধরে বসে থাকলে মস্তিষ্কে ভয়ের সাড়া কেমন হয়।
স্বামীর হাত ধরে থাকা অবস্থায় ভয়ের সাড়া কমে গিয়েছিল। অপরিচিত কারো হাত ধরলে কমেছিল অল্প। আর যাঁদের দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো ছিল, তাঁদের ক্ষেত্রে কমেছিল সবচেয়ে বেশি।
অর্থাৎ কাছের মানুষ থাকলে মস্তিষ্ককে একা সব ভার বইতে হয় না। এটা কোনো আবেগি কথা নয়, স্ক্যানে ধরা পড়া বাস্তবতা।
আবার উল্টো দিকটাও সত্যি। প্রত্যেক মানুষের চারপাশে একটা অদৃশ্য ব্যক্তিগত পরিসর থাকে। কেউ সেই সীমা পেরিয়ে এলে মস্তিষ্ক সতর্ক হয়ে ওঠে, শরীর টানটান হয়ে যায়।
মনোবিজ্ঞান বলে, নিজের মতো থাকার স্বাধীনতা আর কারো সঙ্গে জুড়ে থাকা — দুটোই মানুষের মৌলিক চাহিদা। একটা পেলে আরেকটা লাগবে না, ব্যাপারটা এমন নয়।
তাই কাছে এলেই স্বস্তি নয়, আর দূরে গেলেই মুক্তি নয়।
সবচেয়ে চেনা ঝগড়ার ছকটা:
সম্পর্কের গবেষণায় সবচেয়ে বেশি যে ছকটা দেখা যায়, সেটা হলো — একজন ধাওয়া করেন, আরেকজন পালান।
একজন বলতে চান, মিটিয়ে ফেলতে চান, এখনই কথা বলতে চান। আরেকজন চুপ হয়ে যান, ঘর থেকে বেরিয়ে যান, ফোনে মুখ গুঁজে থাকেন।
যিনি ধাওয়া করেন, তিনি ভাবেন — ও আমাকে গুরুত্বই দিচ্ছে না।
যিনি পালান, তিনি ভাবেন — আর একটু কথা বললে আমি ফেটে পড়ব।
আসলে দুজনেই ভয় পাচ্ছেন। একজন ভয় পাচ্ছেন হারিয়ে ফেলার, আরেকজন ভয় পাচ্ছেন গিলে ফেলার।
আর এই চক্রটা যত চলে, দুজনেই তত বেশি করে ঠিক সেই কাজটাই করেন যেটা অন্যজনকে আরও ভয় পাইয়ে দেয়।
তবে একটা কথা পরিষ্কার থাকা দরকার-
সব কাঁটা স্বাভাবিক নয়।
যদি সম্পর্কের ভেতরে নিয়মিত অপমান থাকে, ভয় থাকে, নিয়ন্ত্রণ থাকে বা গায়ে হাত তোলা থাকে — তাহলে সেটা "সজারুর দ্বিধা" নয়। সেটা নিরাপত্তার প্রশ্ন।
সেখানে দরকার দূরত্ব খোঁজা নয়, দরকার স্পষ্ট সীমানা আর প্রয়োজনে সাহায্য নেওয়া। এই দুটোকে এক করে ফেলবেন না।
আজকের ছোট কাজ:
ঝগড়া যখন তুঙ্গে, তখন দুজনের কেউই আর যুক্তি শোনার অবস্থায় থাকেন না। শরীর তখন যুদ্ধের মোডে। ওই অবস্থায় কথা চালিয়ে গেলে ক্ষতি ছাড়া কিছু হয় না।
তাই সরে আসুন। কিন্তু চুপচাপ নয়।
"আমার মাথা এখন ঠান্ডা নেই। আমি বিশ মিনিট একটু একা থাকি, তারপর ফিরে এসে কথা বলব।"
নিঃশব্দে সরে যাওয়া আর এই বাক্যটা বলে সরে যাওয়া — দুটোর দূরত্ব একই, কিন্তু বার্তা সম্পূর্ণ আলাদা।
প্রথমটা বলে: আমি তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি।
দ্বিতীয়টা বলে: আমি তোমাকে ছাড়ছি না, শুধু নিজেকে সামলে নিচ্ছি।
সম্পর্কে দূরত্ব সমস্যা নয়। ব্যাখ্যাহীন দূরত্বই সমস্যা।
আপনার সবচেয়ে কাছের সম্পর্কটায় আপনি কোনটা বেশি করেন — ধাওয়া, নাকি পালানো?
Soul Wellness — Breathe · Believe · Blossom
16/09/26...
September "
I choose you again and again
06/09/2026
03/07/26
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Ooo
Dhaka
1216
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Beauty with Nature posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
