Global Beauty And Fashion
Global Beauty & Fashion offers a wide range of products in the beauty and fashion industry.
11/08/2026
আপনার বয়স ২২-৩০ এর মধ্যে হলে আপনার টার্গেট হবে সবার আগে ২ লাখ টাকা জমানো।
এরপর নিজে পারলে ভালো, না পারলে কোন এজেন্সি মাধ্যমে মদিনা ৬০% দিন বেশি থাকবে এমন প্যাকেজে উমরাহ বুক করা।
প্যাকেজে মধ্যে ৫ স্টার হোটেল বাদ দিয়ে বলবেন কুবা রোডের ভাংগাচুরা হোটেলে ব্যবস্থা করতে। খাবার প্যাকেজ নরমাল,সব নরমাল।
মদিনায় ল্যান্ড করেই আগে বিশাল ঘুম দিবেন,ফজর যোহর আসর যে কোন জায়গায় পড়বেন।
মাগরিবের নামাজ পড়তে চলে যাবেন সোজা মসজিদুল নবী (সা) তে।সেখানে দোতলায় নামাজ পড়বেন,নামাজ শেষে পা ছড়িয়ে শুয়ে আকাশ দেখবেন।
আকাশ দেখা শেষ হলে ৪ গ্লাস পানি খাবেন,জমজমের। নাম জমজম হলেও এই পানি স্বাদ দুনিয়া যে কোন পানি থেকে আলাদা। মনে হবে মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাত থেকে পানি খাওয়াচ্ছেন ( সুবহানাল্লাহ)
পানি খাওয়া শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে আশে পাশে সাহাবাদের মসজিদ দেখবেন।যে কোন এক সাহাবা মসজিদে এশার নামাজ পড়ে নিবেন।
এরপর বের হয়ে মদিনা চারিদিকে হাটবেন। আপনি ফিল করবেন মদিনার বাতাস,মদিনার রাস্তা,সব কিছু কেমন আরামদায়ক।আপনার সেই সময় মনে হবে,মদিনা শহর মনে হয় জান্নাতে এক টুকরো।কারন এই শহরে ঘুমিয়ে আছেন প্রিয় নবী (সা)।
হাটতে হাটতে একটা ঘাসের জমিতে বসবেন।রাস্তা থেকে এক টুকরো মুরগি ফ্রাই নিয়ে রাস্তায় ছিটিয়ে দিবেন।কোথা থেকে এক পাল বিড়াল এসে আপনাকে ঘিরে ধরবে,কোলে উঠবে,মুরগি খাবে।আপনি শুধু বিড়ালের কান্ডকারখানা দেখবেন।এরপর গা ঝাড়া দিয়ে মসজিদে নবী ( সা) এসে তাহাজ্জুদ পড়ে নিবেন,সামনে কাতারে।
নামাজ পড়া শেষে মানুষজনের সাথে কথা বলবেন।বাইরে গিয়ে পুলিশ অফিসারদের সাথে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে গল্প করবেন। মসজিদে মেহমানদের সাথে দ্বীন নিয়ে আলোচনা করবেন।মনে হবে,আরেহ এই তো আমার পরিচিত বন্ধু,কত দিনের চেনা।
আস্তে আস্তে ফজরে সময় হবে। ফজর পড়ে নবী (সা) রওজায় সালাম দিবেন, আপনার মনের কথা বলবেন। সালাতুল ইসরাকে নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ঘুম দিবেন।
সিম্পল কিছু কাজ।৷ কিন্ত এই কাজের যে শান্তি,দুনিয়া সব সম্পদ হাতে দিলে আপনি এই শান্তি পাবেন না।
যদি সুযোগ হয়,একবার হলেও মদিনায় যাবেন,বেহেস্ত স্বাদ আপনি দুনিয়া পাবেন।
সংগৃহীত ____
হে কাবার মালিক!
কবুল করে নেন আমাদের 🖤
03/08/2026
🌍 আদম (আ.)-এর সৃষ্টি: এক মুঠো মাটির মধ্যে লুকিয়ে থাকা মানবজাতির বিস্ময়কর গল্প!
কখনো কি ভেবে দেখেছেন—আপনি আর আমি আসলে কী দিয়ে তৈরি?
আল্লাহ বলেন—
“তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়ামাটির মতো শুকনো মাটি থেকে।”
— সূরা আর-রহমান, ৫৫:১৪
একটু থামুন…
আমরা যে মানুষকে নিয়ে এত অহংকার করি, যে সৌন্দর্য, গায়ের রং, জাতি, দেশ, বংশ আর সম্পদ নিয়ে নিজেদের অন্যের চেয়ে বড় ভাবি—আমাদের শুরুটা কিন্তু ছিল মাটি থেকে।
আর সেই মাটিও ছিল কোনো একটি জায়গার মাটি নয়!
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সমগ্র পৃথিবী থেকে নেওয়া এক মুঠো মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তাই আদম সন্তানদের মধ্যে কেউ লাল, কেউ সাদা, কেউ কালো এবং কেউ মাঝামাঝি বর্ণের; আবার মানুষের স্বভাবেও রয়েছে কোমলতা-কঠোরতা, ভালো-মন্দের বিভিন্ন বৈচিত্র্য।
— জামে তিরমিজি, ২৯৫৫; সুনান আবু দাউদ, ৪৬৯৩
কী অসাধারণ একটি শিক্ষা!
🌍 পৃথিবীর মাটির বৈচিত্র্য যেমন অসংখ্য,
👤 মানুষের চেহারা ও বর্ণের বৈচিত্র্যও তেমন অসংখ্য।
আর মানুষের স্বভাব-চরিত্রেও রয়েছে ভিন্নতা।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—উৎস আমাদের সবার এক।
কেউ আফ্রিকার, কেউ এশিয়ার, কেউ ইউরোপের, কেউ আরবের—কিন্তু আমাদের আদি পিতা একজন।
আমাদের শুরু এক মাটি থেকে, আর শেষও সেই মাটিতেই।
আল্লাহ বলেন—
“আমি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, তাতেই তোমাদের ফিরিয়ে দেব এবং তা থেকেই আবার তোমাদের বের করব।”
— সূরা ত্বহা, ২০:৫৫
আরও আশ্চর্যের বিষয়, আদম (আ.)-এর সৃষ্টি শুধু দেহের সৃষ্টি ছিল না। আল্লাহ তাঁর মধ্যে রূহ প্রদান করলেন, আর তখনই সেই মাটির অবয়ব জীবন্ত মানুষে পরিণত হলো।
হাদিসে এসেছে, আদম (আ.)-এর মধ্যে রূহ প্রবেশ করার পর তিনি হাঁচি দিয়ে “আলহামদুলিল্লাহ” বলেছিলেন। আর আল্লাহ তাঁর জবাবে রহমতের কথা বলেন।
— হাদিসের বর্ণনা: আবু হুরাইরা (রা.); তিরমিজি
আর আজও একজন মানুষ হাঁচি দিয়ে “আলহামদুলিল্লাহ” বললে তার জন্য রহমতের দোয়া করা সুন্নাহ। সহিহ বুখারিতে এসেছে, যে ব্যক্তি হাঁচির পর আল্লাহর প্রশংসা করে, তার জন্য “ইয়ারহামুকাল্লাহ” বলা হয়।
এরপর আল্লাহ ফেরেশতাদের আদম (আ.)-কে সম্মানসূচক সিজদা করার নির্দেশ দিলেন। সবাই আল্লাহর আদেশ পালন করল—কিন্তু ইবলিস অহংকার করল।
তার অপরাধ কী ছিল?
অহংকার।
সে ভাবল, আগুনের তৈরি বলে সে মাটির তৈরি মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
আজ আমাদের জন্য এখানেই সবচেয়ে বড় শিক্ষা—
আমরাও তো মাটির সন্তান।
তাহলে এত অহংকার কিসের?
গায়ের রং নিয়ে অহংকার কেন?
বংশ নিয়ে অহংকার কেন?
টাকা-পয়সা নিয়ে অহংকার কেন?
ক্ষমতা, সৌন্দর্য, শিক্ষা বা পদমর্যাদা নিয়ে অন্যকে ছোট করা কেন?
কারণ, যে মাটি দিয়ে আদম (আ.) সৃষ্টি, সেই মাটির বৈচিত্র্য থেকেই আমাদের এই বৈচিত্র্য।
কেউ কালো বলে ছোট নয়, কেউ সাদা বলে বড় নয়।
কেউ ধনী বলে শ্রেষ্ঠ নয়, কেউ দরিদ্র বলে তুচ্ছ নয়।
কেউ কোনো দেশের বলে বড় নয়, অন্য দেশের বলে ছোট নয়।
মানুষের আসল মর্যাদা তার মাটির রঙে নয়—তার ঈমান, তাকওয়া ও চরিত্রে।
আর সবচেয়ে বড় সত্য?
আজ আমরা মাটির ওপর হাঁটছি,
কাল হয়তো সেই মাটির নিচেই শুয়ে থাকব।
যে দেহ নিয়ে এত অহংকার, একদিন সেটাই মাটির কাছে ফিরে যাবে।
তাই মানুষকে ছোট করার আগে একবার নিজের শুরুটা মনে করুন—
**আমি মাটি থেকে এসেছি,****আদম (আ.)-এর সৃষ্টি: মাটির সেই রহস্যময় অবয়ব, যা আসমানের বাসিন্দাদের মধ্যেও আলোড়ন তুলেছিল! **
আপনি কি জানেন, আপনার আর আমার দেহে এই পৃথিবীর কত প্রান্তের মাটি মিশে আছে?
এক মুহূর্তের জন্য ভাবুন!
আমরা যখন শুনি, "মানুষকে মাটি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে", তখন অনেকেই এটিকে শুধু একটি প্রচলিত কথা ভেবে এড়িয়ে যাই।
কিন্তু বাস্তবে, এটিই ছিল সৃষ্টিজগতের অন্যতম মহান বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক নিদর্শনের সূচনা।
যখন সৃষ্টিকর্তা ফেরেশতা ও জিনদের পর পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি (খলিফা) পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন, তখন সেই প্রতিনিধির মূল উপাদান কোনো এক স্থানের সাধারণ মাটি থেকে নেওয়া হয়নি।
বরং এই নতুন উত্তরাধিকারীর সৃষ্টির জন্য সমগ্র পৃথিবীকে এক বিস্ময়কর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
সুনান আবু দাউদ এবং জামে তিরমিজি-তে হযরত আবু মূসা আশআরী (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
“আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে এমন এক মুঠো মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, যা তিনি সমগ্র পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। এ কারণেই আদম সন্তানের মধ্যে কেউ লাল বর্ণের, কেউ সাদা, কেউ কালো; কেউ কোমল স্বভাবের, আবার কেউ কঠোর স্বভাবের।”
বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে, ফেরেশতারা পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চল, পাহাড় ও উপত্যকা থেকে মাটি সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর তাতে জান্নাতের পানি মিশিয়ে কাদায় পরিণত করা হয়।
পবিত্র কুরআনের সূরা আর-রহমান (আয়াত ১৪)-এ বলা হয়েছে, সেই মাটি শুকিয়ে পোড়ামাটির মতো টুংটাং শব্দ করত।
সেই সময় আদম (আ.)-এর প্রাণহীন অবয়ব জান্নাতের দরজায় চল্লিশ বছর পড়ে ছিল। ইবলিস তাকে ঘিরে ঘুরে বেড়াত এবং হিংসায় জ্বলত।
সে ওই অবয়বের ভেতরে ঢুকত, আবার বেরিয়ে আসত। সে বুঝেছিল, এটি ভেতর থেকে ফাঁপা, তাই একে সহজেই প্ররোচিত করা যাবে।
অবশেষে সেই মহান মুহূর্ত উপস্থিত হলো, যার অপেক্ষায় আসমানের সৃষ্টিরা ছিল।
তাফসির ইবনে কাসির এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, যখন আল্লাহ সেই অবয়বে রূহ ফুঁকে দিলেন (রূহ আল্লাহর আদেশের বিষয়), তখন রূহ মাথা থেকে নিচের দিকে নামতে থাকলে মাটির সেই অবয়ব ধীরে ধীরে রক্ত-মাংসের মানুষে পরিণত হতে লাগল।
রূহ যখন নাক পর্যন্ত পৌঁছাল, তখন আদম (আ.) হাঁচি দিলেন। আর মানবজাতির মুখ থেকে উচ্চারিত প্রথম শব্দ ছিল “আলহামদুলিল্লাহ”।
মাটির সেই আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছ অবয়ব জীবন লাভ করার পর সকল ফেরেশতাকে তাকে সিজদা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর অহংকারে ডুবে থাকা ইবলিস চিরদিনের জন্য আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হয়।
একবার ভেবে দেখুন, যে মানুষের ভিত্তিই পৃথিবীর নানা রং, আবহাওয়া ও স্বভাবের মাটি দিয়ে গড়া, সেই মানুষের মধ্যে আজ এত বৈচিত্র্য ও পার্থক্য দেখে আমরা কেন বিস্মিত হই?
এই ভিন্নতাই তো আমাদের সৃষ্টির প্রকৃত সাক্ষ্য। ও
মাটিতেই ফিরে যাব,
আর একদিন আমার রবের সামনে দাঁড়াব।
🌿 হে আল্লাহ, আমাদের অহংকার থেকে বাঁচান, মানুষের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা দান করুন এবং আদম (আ.)-এর সন্তান হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করার তাওফিক দিন। আমিন।
“এক মুঠো মাটি থেকে আমাদের শুরু—তাই অহংকার নয়, বিনয়ই হোক আমাদের পরিচয়।”
01/08/2026
বাংলাদেশে বেঁচে থাকা এখন একটা Full-Time Challenge! 😂
সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম চিন্তা—আজকে কী খাব?
দুধ খাব? — Original তো?
মাছ খাব? — Formalin free তো?
ফল খাব? — Carbide দিয়ে পাকানো না তো?
শাক-সবজি খাব? — Chemical কতটুকু আছে?
মুরগি খাব? — এটা Chicken, নাকি Periodic Table-এর নতুন কোনো Element? 🤣
তারপর দাঁত ব্রাশ করতে গেলাম—
টুথপেস্টেও নাকি Microplastic!
মানে ভাই, দাঁত পরিষ্কার করতে গিয়ে শরীরের ভিতরে আবার Plastic Entry! 😂
পানি খাব—জীবাণুর চিন্তা।
বাতাসে দূষণ—সীসার চিন্তা।
বাইরে খাব—হাইজিনের চিন্তা।
রেস্টুরেন্টে খাব—“Chef কী রান্না করেছে” এর চেয়ে “কী দিয়ে রান্না করেছে” সেটাই বড় প্রশ্ন! 😐😂
শিশুর খাবার কিনতেও চিন্তা, চিপস-নুডলস কিনতেও চিন্তা।
সবশেষে মনে হয়—
“ভাই, ক্ষুধা লাগছে… কিন্তু কী খাব?” 🤦♂️😂
আচ্ছা, খাবার বাদ দিলাম।
ওষুধ তো খাব?
সেখানেও যদি প্রশ্ন আসে—
“Medicineটা genuine তো?”
তখন তো মনে হয়, অসুস্থ হওয়ার আগে রোগের চিকিৎসা না করে ওষুধের Authenticity Check করানো উচিত! 🤣
এদিকে দুনিয়া কোথায় চলে গেছে!
ওরা AI বানাচ্ছে, Drone বানাচ্ছে, Robot বানাচ্ছে—
আর আমরা রাস্তায় Auto-Rickshaw 3D Racing Championship আয়োজন করছি! 🏎️😂
Traffic signal?
— Just a suggestion!
Helmet?
— Optional!
Wrong side?
— Shortcut!
Horn?
— National Instrument! 📢🤣
ডিসিপ্লিন এমন পর্যায়ে গেছে যে, রাস্তার নিয়ম মেনে চললে উল্টো মানুষ তাকিয়ে ভাবে—
“ভাই, নতুন নাকি?” 😂
এর মধ্যে গ্যাসের pressure কম, জ্বালানির দাম বেশি, বাজারে price high, মানুষের patience low!
তার ওপর দুর্নীতি, ঘুষ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, money laundering—
সবকিছু মিলিয়ে মনে হয় দেশের কিছু জায়গায় “Honesty” নামের জিনিসটা এখন Rare Item! 😐
মাদক আছে, অবৈধ অস্ত্র আছে, অপরাধ আছে—
শুধু সাধারণ মানুষের Peace of Mind-টাই যেন কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।
কখনো কখনো মনে হয়—
“ভাই, বেঁচে আছি—এটাই তো বড় Achievement!” 😂
তারপর নিজের Blood Pressure মাপলাম।
রেজাল্ট দেখে মনে হলো—
আমার শরীরও বুঝি দেশের পরিস্থিতি Follow করছে! 🤣
ডাক্তার বললেন, “Stress কমান।”
আমি বললাম,
“Doctor, আপনি আমাকে Stress কমানোর ওষুধ দেন, কিন্তু ওষুধটা আসল কিনা—সেটা কে Guarantee করবে?” 😂
সত্যি বলতে কী, আমরা Luxury চাই না।
আমরা চাই না সবাই আমাদের জন্য Red Carpet বিছিয়ে দিক।
আমরা শুধু চাই—
খাবারটা যেন খাবার হয়,
পানিটা যেন পানি হয়,
ওষুধটা যেন আসল ওষুধ হয়,
রাস্তাটা যেন Race Track না হয়,
আর আইনটা যেন সবার জন্য Same হয়।
৯২% মুসলিমের দেশে অন্তত সততা, আমানতদারি আর মানুষের হক—এই জিনিসগুলো যেন শুধু বইয়ের পাতায় না থাকে।
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আমাদের চাওয়া খুব simple—
“ভাই, একটু ভেজাল কম দেন…
বাঁচতে চাই!” 😐😂
আমাদের মতো গরিব দেশের মানুষ, এত কিছুর ভিড়েও কি কোনোদিন সত্যিকারের সুন্দর, নির্মল, নির্ভেজাল একটা সকাল দেখতে পাবো?
এমন একটা সূর্যোদয়—যেখানে সূর্যের আলো শুধু আকাশটাকেই নয়, আমাদের সমাজ, আমাদের বিবেক আর আমাদের ভবিষ্যৎকেও একটু আলোকিত করবে… সেই সূর্যটা কি কোনোদিন উঠবে?
মরতে তো একদিন হবেই—
কিন্তু তার আগে অন্তত Genuine খাবার, Genuine medicine আর Genuine শান্তি নিয়ে কিছুদিন বাঁচার সুযোগটা হবে তো, পাঞ্জেরী? 😂
ভালোবাসা অবিরাম… ❤️
আর দুশ্চিন্তা—Unlimited! 🤣
31/07/2026
বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে আমরা দূরুদ বেশি বেশি পড়ার চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ।🤲
জুম্মার দিন দূরুদ পড়া সুন্নাত।এক হাজার বার দূরূদ পাঠে অনেকেরই দোয়া কবুল হওয়ার সত্য ঘটনা শুনা যায়।তাই নিজের কাঙ্ক্ষিত দোয়া পূরণের জন্য এই দিন একটুও সময় নষ্ট করা উচিৎ নয়।
আজকে বৃহস্পতিবার, দূরুদ পড়েছেন তো?
অন্যান্য আমলের সাথে দূরূদ পাঠেও মনোযোগী হওয়া উচিত।অধিক পরিমাণে দূরুদ পাঠে জীবন হয় বরকতময়।
"আল্লাহুমা সল্লী ওয়া'সাল্লীম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (ﷺ)।"
21/07/2026
কখনো কখনো আল্লাহ তাআলা আমাদের জীবনে এমন একটি দরজা খুলে দেন, যেটিকে আমরা প্রথমে তুচ্ছ মনে করি। অথচ সেই দরজার আড়ালেই লুকিয়ে থাকে অগণিত বরকত, রহমত ও কল্যাণ। মানুষের চোখ যেখানে অভাব দেখে, আল্লাহ সেখানে অফুরন্ত দান রেখে দেন।
এমনই এক অনন্য ঘটনা ঘটেছিল হযরত হালিমাতুস সাদিয়া (রা.)-এর জীবনে।
দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র্য আর অনটনের সময় সবাই যখন এতিম শিশু মুহাম্মদ (ﷺ)-কে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, তখন হালিমা (রা.) বলেছিলেন— "খালি হাতে ফিরব না, এই এতিম শিশুকেই আমি নিয়ে যাই।" আর সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিয়েছিল তাঁর পুরো জীবন।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কোলে তোলার পরই তাঁর শুকিয়ে যাওয়া স্তনে দুধ ফিরে আসে, উটনী দুধে ভরে যায়, দুর্বল গাধাটি দ্রুতগামী হয়ে ওঠে, আর অনুর্বর জমিনেও তাঁদের পশুগুলো পরিতৃপ্ত হয়ে দুধভরা ওলান নিয়ে ফিরতে থাকে। এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর প্রিয় নবী (ﷺ)-এর মাধ্যমে প্রকাশিত এক অপূর্ব বরকতের নিদর্শন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
"আমি তো আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।" (সূরা আল-আম্বিয়া, ২১:১০৭)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি দয়া করেন না।" (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
আর তিনি আরও বলেছেন:
"যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।" (অর্থগতভাবে কুরআনের সূরা আত-তালাক, ৬৫:৩-এর শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ)
এই ঘটনাটি আমাদের একটি গভীর শিক্ষা দেয়—
মানুষ বাহ্যিক অবস্থা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু আল্লাহ তাকান অন্তর, নিয়ত ও তাকওয়ার দিকে। অনেক সময় যে সুযোগটিকে আমরা ছোট মনে করি, সেটিই আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় রহমত হয়ে আসে।
আসুন, আমরা কখনো কোনো এতিম, অসহায় বা দরিদ্র মানুষকে অবহেলা না করি। কারণ কে জানে, আল্লাহ হয়তো তাদের মাধ্যমেই আমাদের জীবনে এমন বরকত নাজিল করবেন, যা আমাদের কল্পনারও বাইরে।
হে আল্লাহ! আমাদের জীবনে হালাল রিজিক, অফুরন্ত বরকত, উত্তম নিয়ত এবং প্রিয় নবী মুহাম্মদ (ﷺ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন। আমীন। 🤲🌿
— তথ্যসূত্র: আর-রাহীকুল মাখতূম, শাইখ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.)
Collected
#ইসলাম #নবীজি_ﷺ #সীরাত #ইসলামিক_পোস্ট #হালিমাতুস_সাদিয়া াহিকুল_মাখতুম #আলহামদুলিল্লাহ #মাশাআল্লাহ
Science আজ অনেক কিছু করতে পারে। কঠিন রোগের চিকিৎসা আছে, আধুনিক treatment আছে, নতুন technology আছে।
কিন্তু যে মানুষটা প্রতিদিন একটু একটু করে ভেতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে—তার জন্য কী আছে?
অনেক নারী প্রতিদিন emotional abuse, mental torture আর gaslighting-এর শিকার হন। বাইরে তাদের মুখে হাসি থাকে, কিন্তু ভেতরে তারা নীরবে হাজারবার ভেঙে পড়েন। একসময় তারা নিজেরাই বিশ্বাস করতে শুরু করেন—"হয়তো সমস্যাটা আমিই... হয়তো আমি যথেষ্ট নই..."
সব ক্ষত চোখে দেখা যায় না। কিছু ক্ষত থাকে হৃদয়ে, কিছু ক্ষত থাকে আত্মায়।
আজ শুধু এতটুকুই বলি—একজন নারী কোনো খেলনা নয়, কোনো দায়িত্ব নয়। তিনি একজন মানুষ। তাঁরও অনুভূতি আছে, স্বপ্ন আছে, সম্মান নিয়ে বাঁচার অধিকার আছে।
Be kind. Respect her. Value her. কারণ ভালোবাসা কখনো কাউকে ভেঙে দেয় না, ভালোবাসা মানুষকে বাঁচতে শেখায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Riaz Tower, , B 24/A, Malibagh Chowdhury Para, DIT Road
Dhaka
DHAKA-1219
