Rumana's Vlogs
Welcome to my Rumana's Vlogs. Beside that I will also share some of my own experiences.
I will try to generate various types of Islamic Content, Motivational content, Daily life Content, Daily Cooking recipes, Health/Beauty content and much more.
ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।
১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। এক দুই হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করবেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব, মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দু'আ কবুল হবে।
২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দু'আ পাওয়া যায়।
৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে, ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়।
৪) ছোট কাজ হোক, তবুও তা বাসমালাহ (বিসমিল্লাহ) পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷
৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন।
৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার, পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদ মুক্তির উসিলা।
৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল, সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন।
৮) টাকা-পয়সা, সম্পদ, ঘরের আসবাব, জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়, মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷
৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন, সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে।
১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন, আল্লাহকে আগে বলবেন; পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দু'আর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে।
১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই, তুমি দাও নাই, কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দু'আ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।
এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।
Collected…..
Viral reels @
Amer page ami onek din theke inactive achi…jibon theke onek akta mulloban Jinish hariye gece kono vabei vulte parci na shudhu opekhai achi amer Allah kobe aber amake rohomot korbe 🥲😢🥲
একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম, যৌনজীবন, আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে—এসবের মূল ভিত্তি হলো তার emotional safety। আর এই emotional safety সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ, অর্থাৎ তার স্বামী বা তার প্রেমিকের আচরণে। মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে খুব সংবেদনশীল। তাদের হরমোনগুলো minute-to-minute পরিবর্তন হয়। পুরুষদের হরমোন স্থির হয়—কিন্তু মেয়েদের estrogen, progesterone, oxytocin, cortisol সারাক্ষণ ওঠানামা করে। তাই একজন পুরুষের বা তার কাছের মানুষগুলোর একটা কথা, একটা আচরণ, একটু রূঢ়তা, কিংবা একটু মমতা তার হরমোনে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলে।
যখন একজন পুরুষ গভীরভাবে সম্মান দেয়, কথা বলার সময় নরম থাকে, তার feelings–কে গুরুত্ব দেয়—তখন মেয়েদের শরীরে oxytocin দ্রুত বাড়ে। এই oxytocin শুধু bonding নয়, শরীর ও মনকে ভিতর থেকে শান্ত করে। এই শান্ত অবস্থাই estrogen–progesterone–thyroid–insulinকে সুন্দরভাবে ব্যালান্স করে রাখে। তার ফলে period regular থাকে, mood stable থাকে, anxiety কমে, ঘুম গভীর হয়, মাথা ব্যথা কমে, হজম শক্তিশালী হয়।
কিন্তু যখন সে harsh কথা শোনে, বারবার অবহেলা পায়, ভালোবাসার অভাব অনুভব করে—তার শরীর তখন সেই পরিস্থিতিকে “threat” হিসেবে নেয়। তখন cortisol বাড়ে। স্ট্রেস হরমোন cortisol বাড়লে খুব অদ্ভুত সব পরিবর্তন হয়: মনের ওঠানামা শুরু হয়, পিরিয়ড গোলমাল হয়, বুকে ভারী লাগে, ঘুম কমে যায়, শরীরে পানি ধরে, ওজন বেড়ে যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে হঠাৎ ওজন কমে যায়। কেউ বিরক্ত হয়, কেউ চুপ হয়ে যায়, কেউ খুব emotional হয়ে পড়ে, কেউ আবার hyper-reactive হয়ে যায়।
তার মানে— আপনি যেভাবে তার সাথে কথা বলেন, সে ঠিক সেই অনুযায়ী তার হরমোন behave করে।
একজন পুরুষ যদি ভাবেন, “সে কেন রেগে আছে?”, “সে কেন sensitive?”, “এত emotional কেন?”—তবে তার জানা উচিত যে একজন মহিলার emotional world আসলে তার biological world-এর সাথে সরাসরি যুক্ত। সে যেমন ভাবে, তার শরীরও ঠিক সেভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।
আপনি যদি বারবার দেরি করে উত্তর দেন, তাকে উপেক্ষা করেন, রূঢ় কথা বলেন—তার শরীর সঙ্গে সঙ্গে cortisol বাড়াবে, estrogen কমাবে, progesterone disturb করবে। এর ফল—bloating, cramps, hair fall, mood swings, anxiety, oversensitivity—এসবই দেখা দেয়।
কিন্তু একজন পুরুষ যদি তার ভালোবাসার মেয়েটিকে hug করে বলে, “তুমি আছো, সেটাই আমার সুখ”—তখন তার শরীর মুহূর্তেই relax mode-এ চলে যায়। শুধু psychological নয়, biological transformation ঘটে। হৃদস্পন্দন ধীর হয়, শ্বাস গভীর হয়, nervous system শান্ত হয়, হরমোনগুলো আবার ছন্দে ফিরে আসে।
এটাই একজন মেয়ের সত্য। ভালোবাসা তার শরীরের ওষুধ।।সম্মান তার হরমোনের স্থিরতা। নরম আচরণ তার মানসিক শান্তি। আপনার একটুখানি যত্ন তার পুরো endocrine system heal করে।
একজন পুরুষ কখনোই বুঝতে পারেন না, তার একটি মিষ্টি বাক্য বা সামান্য সহায়তা কিভাবে একজন মেয়ের ব্যথা, মানসিক চাপ, hormonal imbalance—এসবকে মুহূর্তে হালকা করে দেয়।
পুরুষেরা ভালোবাসা প্রকাশে একটু পিছিয়ে থাকে, কিন্তু যখন তারা বোঝে যে তাদের আচরণ একজন নারীকে শুধু emotionally নয়, medically সুস্থ করে—তখন ভালোবাসা তাদের কাছেও দায়িত্ব হয়ে ওঠে। আর একজন পুরুষ যখন সত্যিকারের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তখন একজন নারী শুধু relationship-এ সুখী হয় না—তার পুরো শরীর, মন, আত্মা সব সুস্থ হয়ে ওঠে।
ভালোবাসা কোনো luxury নয়—
ওটাই একজন নারীর প্রথম চাওয়া তার প্রিয় মানুষের থেকে।
(সংগৃহীত)
My baby ゚viralシfypシ゚viralシalシ
***বাধা যত বড়ই হোক—আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড়***
জীবনে এমন কোনো মানুষ নেই, যার কঠিন সময় আসে না। কখনও হঠাৎ দরজা বন্ধ হয়ে যায়, পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে, চারপাশ অন্ধকার মনে হয়। তখন মনে হয়—
“আর পারবো না…”
কিন্তু একজন মুমিনের হৃদয়ে তখনই ভর করে এক বিশেষ শক্তি—
আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল।
কারণ বাধা যত বড়ই হোক, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড়।
**** আল্লাহর রহমত সীমাহীন—কখনও অপ্রত্যাশিত
আমরা সামনে যা দেখি, সেটা খুব সামান্য। কিন্তু পর্দার আড়ালে আল্লাহ এমন ব্যবস্থা করে রাখেন, যা আমাদের ধারণার বাইরে।
হঠাৎ ঘটে যাওয়া সমস্যা কখনও আমাদের বড় বিপদ থেকে রক্ষা করার উপায়।
আজকের হারানো সুযোগ—আগামী দিনের বিশাল নেয়ামতের প্রস্তুতি।
মানুষ ভাবে—“আমি শেষ।”
আল্লাহ বলেন—“আমার রহমত কখনও শেষ নয়।”
**বাধা আল্লাহর পরীক্ষা, রহমত তাঁর উপহার
জীবনের কষ্ট আমাদের ধৈর্য শেখায়।
ব্যর্থতা শেখায় বিনয়।
অপেক্ষা শেখায় তাওয়াক্কুল।
যখন সবকিছু ভেঙে পড়ে মনে হয়—
ঠিক সেই সময়েই আল্লাহর রহমত সবচেয়ে বেশি কাছে আসে।
**ইতিহাস সাক্ষী—যেখানে মানুষ থেমে যায়, আল্লাহ সেখানে পথ তৈরি করেন
** সমুদ্র সামনে, ফেরাউন পেছনে—আল্লাহ সমুদ্র দ্বিখণ্ডিত করে দিলেন।** ইবরাহীম (আ.) আগুনে—আল্লাহ আগুনকে শীতল করে দিলেন।
**মরিয়ম (আ.) একা—আল্লাহ তাঁর জন্য খেজুর ফলিয়ে দিলেন।
মানুষ যখন বলে—“এখানে সমাধান নেই”
আল্লাহ তখন বলেন—“হয়ে যাও”—আর তা হয়ে যায়।
আপনার কষ্টই হয়তো আপনার উন্নতির শুরু
যে সমস্যায় আপনি কাঁদছেন—
সেটিই হয়তো আপনার দোয়া কবুলের মুহূর্ত।
আল্লাহ কখনও এমন বোঝা দেন না, যা বান্দা বহন করতে পারে না।
তিনি যদি একটি দরজা বন্ধ করেন—
নিশ্চয়ই আরও ভালো দরজা খুলে দিতে চান।
***শেষ কথা
জীবনের প্রতিটি বাধার পিছনে লুকিয়ে থাকে আল্লাহর রহমতের দরজা।
আপনার দুশ্চিন্তা যত বড়ই হোক—
আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড়।
ধৈর্য ধরুন।
দোয়া করতে থাকুন।
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।
কারণ শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে সেই মুমিন—
যে বাধাকে নয়, তার রব-কে বড় মনে করে।
01/12/2025
Yummy and tasty 😋
30/11/2025
Kun faya kun….
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Shaymoly
Dhaka
1207
