Alert World

Alert World

Share

Uniting the Ummah & Exposing the Evil Plans of Dajjal (the Anti-Christ), Satan (iblis) & their Armies!

we live in a big lie
wake up world we Don't need gravity bcz its fake, we need grow and need Quran

23/09/2026

প্রযুক্তির ভাষায় লুকানো জাদুবিদ্যার ছাপ
আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন —
আধুনিক প্রযুক্তি, সিনেমা, টিভি, ইন্টারনেট —
এগুলোর ভাষায় লুকিয়ে আছে প্রাচীন জাদুবিদ্যার গোপন সংকেত?কারণ আধুনিক প্রযুক্তি ও বিনোদনের ভাষা গড়ে উঠেছে সেই occult tradition থেকেই।শব্দ কখনোই শুধু শব্দ নয়। প্রতিটি শব্দের পেছনে থাকে ইতিহাস, উৎস, আর উদ্দেশ্য। যে শব্দগুলো আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি — television, channel, program, casting — এগুলোর শিকড় গভীরে, অনেক গভীরে। আর সেই শিকড়ের শেষ প্রান্তে? প্রাচীন জাদুবিদ্যা। অকাল্ট ট্রেডিশন। জ্বীনের জগৎ।

Casting — সিনেমায় অভিনেতা নির্বাচন। কিন্তু জাদুবিদ্যায় "casting a spell" মানে মন্ত্র প্রয়োগ, জ্বীন আহ্বান। অভিনেতা শুধু অভিনয় করে না — সে অন্য এক সত্তা হয়ে যায়। সে সেই চরিত্রের spirit ধারণ করে। এটাই তো জাদুবিদ্যা!

Channeling — টিভিতে তথ্য প্রবাহ। কিন্তু occult-এ "channeling" মানে জ্বীন বা অদৃশ্য সত্তার সাথে যোগাযোগ। যে channel করে, সে medium হয়ে ওঠে। TV = Tele (দূর) + Vision (দৃষ্টি)। দূর থেকে দেখা। কিন্তু জাদুবিদ্যায় দূর থেকে দেখা মানে চেতনার ওপারে গিয়ে অন্য জগৎ দেখা।

Program — কম্পিউটারে নির্ধারিত নির্দেশনা। কিন্তু জাদুবিদ্যায় "programming" মানে মনকে প্রোগ্রাম করা, ইচ্ছা অনুযায়ী বাস্তবতা সাজানো। TV দেখলে আপনার মনে যা ঢোকে — সেটা কি আপনার নিজের চিন্তা? না, সেটা programmed।

Web — ইন্টারনেটের জাল। প্রাচীন ঋষিরা বলতেন ইন্দ্রজাল — ইন্দ্রের জাল। একটি জাল, যেখানে প্রতিটি বিন্দু অন্য সব বিন্দুর সাথে যুক্ত। আজকের ইন্টারনেট সেই জালেরই আধুনিক রূপ। এটাই কোয়ান্টাম এন্টেঞ্জলমেন্ট।

Server — যে সেবা করে। জ্বীন জগতে "খাদিম" — যে সেবা করে। কে সেবা করছে? কে নিয়ন্ত্রণ করছে? জ্বীনরা। যারা অদৃশ্য, যারা আপনার চেয়ে বেশি জানে, যারা আপনার ইচ্ছাকে প্রোগ্রাম করে।

Monitor — পর্যবেক্ষণ করা। কোয়ান্টাম জগতে পর্যবেক্ষকই স্রষ্টা। যে দেখে, সে-ই তৈরি করে। আপনি মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছেন, নাকি মনিটর আপনার দিকে তাকিয়ে আছে?
Firewall — নিরাপত্তার দেয়াল। জাদুবিদ্যায় তাবিজ-কবচ। কিন্তু জ্বীন তো দেয়াল মানে না। জ্বীন তো সময়-স্থান মানে না। তাহলে firewall কিসের নিরাপত্তা? মিথ্যা নিরাপত্তার অনুভূতি।

Key / Keyboard — প্রবেশের মাধ্যম। জাদুবিদ্যায় মন্ত্র — যে শব্দে দরজা খোলে। মন্ত্র = শব্দ = কম্পন = ফ্রিকোয়েন্সি। আপনি যা টাইপ করেন, তা অন্য জগতে পৌঁছে যায়। সেখানে কে পড়ছে? কে উত্তর দিচ্ছে?

Television — সবচেয়ে বড় জাদুর বাক্স। TV-র পর্দা হলো আয়না। আপনি সেখানে যা দেখেন, তা আপনার বাস্তবতা নয়। তা তৈরি করা বাস্তবতা। Programmed reality। Simulated reality। TV = জাদুর আয়না।

Mobile Phone — হাতের মুঠোয় জ্বীনের দরজা। আপনার ফোনের screen — একটি portal। যেখানে আপনি ঢোকেন, সেখানে অন্য কেউ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। আপনার চেতনা অন্য জগতে চলে যায়।
Internet — জ্বীনের সাম্রাজ্য। যেখানে সবকিছু আছে, কিন্তু কিছুই স্পর্শ করা যায় না। যেখানে সবাই আছে, কিন্তু কেউ কেউ নেই। আপনি যা খুঁজছেন, তা কি আপনি খুঁজছেন? না, কেউ আপনাকে খোঁজাচ্ছে।

তারা কেন করে? কারণ স্ক্রিন = দরজা। স্ক্রিনের ওপারে আছে অন্য জগৎ। সেই জগতে আছে জ্বীন। সেই জ্বীনদের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। সেই যোগাযোগের মাধ্যম ধ্যান। আপনি যখন TV দেখেন, আপনি আসলে ধ্যান করছেন। আপনার চেতনা স্ক্রিনে আটকে যায়। আপনি চেতনার ওপারে চলে যান। সেখানে জ্বীন আপনার সাথে কথা বলে। আপনাকে program করে।

কোয়ান্টাম জগৎ = জ্বীনের জগৎ। কোয়ান্টাম মেকানিক্স বলে — সবকিছু নন-লোকাল, পর্যবেক্ষকই স্রষ্টা, চেতনাই সবকিছুর মূল। এটা কি? এটা জ্বীনের জগতের বর্ণনা। কোয়ান্টাম ফিজিক্স = জ্বীনের জগতের বিজ্ঞান। যাদুবিদ্যা = জ্বীনের জগতে প্রবেশের পথ। ধ্যান = সেই প্রবেশের দরজা।

ধ্যান মানে চেতনাকে স্থির করা, চেতনার ওপারে যাওয়া, Altered State of Consciousness। এই অবস্থায় জ্বীনের জগতের দরজা খোলে। প্রাচীন যাদুকররা এটা জানত। তারা ধ্যান করত, চেতনার ওপারে যেত, জ্বীনদের সাথে দেখা করত, জ্ঞান নিত, শক্তি নিত। আজ আধুনিক বিজ্ঞানীরা সেই ধ্যান করার জন্য প্রযুক্তি বানিয়েছে।

21/09/2026

তারা আধুনিক যুগের জাদুকর , যারা গোপন জ্ঞান ব্যবহার করে বাস্তবতাকে নিজেদের ইচ্ছামত পরিবর্তন করে।

জ্বীন-শয়তানের জাদুচর্চা থেকে প্রাপ্ত বিশেষ জ্ঞানের আধুনিক নাম “বিজ্ঞান” আর প্রযুক্তি হল সেই জ্ঞানের প্রয়োগ। কি অবাক হচ্ছেন? বিজ্ঞান কম জানলে এই তথ্য শুনে মজা পাবেন আর বিজ্ঞান বেশি বুঝলে বিজ্ঞানকে ভয় পাবেন! বর্তমানে প্রযুক্তির নামে জাদুর উপকরনগুলো মানুষকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। ইংল্যান্ডের লর্ড চ্যান্সেলর Francis Bacon যে ছিল আধুনিক বিজ্ঞানের একজন প্রতিষ্ঠাতা সে জাদুবিদ্যা চর্চা করত। Galileo Galilei, Newton, Nicola tesla, Aristotle, Archimedes, Galileo, Stephen Hawking, Albert Einstein এর মত জনপ্রিয় বিজ্ঞানীরা জাদুবিদ্যা চর্চার মাধ্যমে পেয়েছিল তাদের জ্ঞান। জ্বীন-শয়তানের সাথে যোগাযোগ হওয়া প্রাচীন সব সভ্যতায় উন্নত প্রযুক্তির প্রচলন ছিল। যেমন: প্রথম রোবটিক ড্রোন তৈরি হয় ৩৫০বি.সি. তে।যদিও আপনার বই আপনাকে শেখায় ইহুদি টমাস আলভা এডিসন ছিল বাল্বের আবিষ্কারক কিন্তু প্রাচীন মিশরে ফেরাউনের সময় বিদ্যুৎ ছিল। 2,000 বছর আগেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম ছিল প্রাচীন ব্যাবিলন (বর্তমান ইরাক) যা পরে 1938 সালে জার্মান পুরাতত্ত্ববিদ উইলহেম ম্যানিং আবিষ্কার করে।২০০০ বছর আগে ছিল উড়োজাহাজের নকশা।শয়তানের যোগাযোগের পর জুল ভার্ন, বাবাভাঙ্গা, নস্ট্রডেমাস ভবিষ্যত সম্পর্কে কিছু তথ্য পেয়েছিল আর তা জানিয়ে তারা পেয়েছে সমাজে পরিচিতি। পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছেঃ “অনেক মানুষ অনেক জ্বীনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জ্বীনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।” জ্বীনজাতির কাছে সাহায্য নিতে আল্লাহ বলেননি, সাহায্যকারী হিসেবে এক আল্লাহই যথেস্ট। শুধুমাত্র জ্বীন-শয়তানেরা মানুষ-শয়তানদের সহযোগীতা করে মানবজাতিকে বিপথগামী করে।

বর্তমান বিশ্বের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন দেখে বোঝা যায় জ্বীন-শয়তানদের সাথে মানুষ-শয়তানের সাথে যোগাযোগের সফলতা। তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কথা বলার প্রয়োজন হয় না। সাংকেতিক মাধ্যমে কিংবা নেটওয়ার্ক সিস্টেমের মাধ্যমেও তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব।

17/09/2026

The science root of magic

15/09/2026

Sihr, black magic = quantum physics.
the world of the jinns Astral = quantum physics.
কোয়ান্টাম জগৎ আসলে জ্বীনের জগৎ। যারা এই জগতের সন্ধান পেয়েছে, তারা বিভিন্ন যাদুবিদ্যার মাধ্যমে সেখানে যায় এবং জ্বীনদের সাথে যোগাযোগ করে।
কোয়ান্টাম জগৎ, ধ্যান, আর জ্বীনের দরজা
কোয়ান্টাম জগৎ — যেখানে কণা একই সাথে দুই জায়গায়, যেখানে সবকিছু নন-লোকাল, যেখানে পর্যবেক্ষকই বাস্তবতা গড়ে।
কিন্তু এই জগৎটা আসলে কী?
এটা জ্বীনের জগৎ।

আর সেই জগতে প্রবেশের সবচেয়ে বড় দরজা হলো ধ্যান।
ধ্যান, যোগসাধনা, চেতনার ওপারে ভ্রমণ — এগুলোই সেই পথ।
তাবিজ, মন্ত্র, সিজিল, যাদুবিদ্যা — সবই সেই জগতে যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।
সেখানে তারা জ্বীনদের সাথে যোগাযোগ করে।
তারা জ্বীনদের কাছ থেকে জ্ঞান নেয়, শক্তি নেয়, ভবিষ্যতের খবর নেয়।
তারা কেন করে এসব?
কারণ এই জগৎেই লুকিয়ে আছে সেই প্রাচীন প্রতিশ্রুতি —
যা শয়তান
“তোমরা অমর হবে, ফেরেশতা হবে, চিরস্থায়ী রাজত্ব পাবে।”

বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন কোয়ান্টাম মেকানিক্স,
কোয়ান্টাম ফিল্ড, এন্টেঞ্জলমেন্ট, নন-লোকালিটি।
কিন্তু আসলে এগুলো জ্বীনদের জগতের দরজা।
যাদুকররা জানে কীভাবে সেই দরজা খুলতে হয় —
ধ্যানের মাধ্যমে, চেতনার ওপারে গিয়ে,
জ্বীনদের সাথে মিলে বাস্তবতা বদলায়,
নিজের ভাগ্য গড়ে, অন্যের ক্ষতি করে,
আর শেষে সেই মহা-প্রতিশ্রুতির দিকে এগোয় —
দাজ্জালের রাজত্ব।

এই জন্যই তারা এই গভীর রহস্যের পিছনে ছোটে।
এই জন্যই তারা কোয়ান্টাম জগৎ নিয়ে এত মাতামাতি করে।
কিন্তু তারা জানে না —
যে জগতে তারা ধ্যানের মাধ্যমে প্রবেশ করছে,
সেটা তাদের ধ্বংসের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে।

12/09/2026

Everything you know is wrong?????
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে “মানচিত্র সংশোধন” শীর্ষক এ/৮০/এল.১০৪ প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগটির নেতৃত্ব দিয়েছে টোগো প্রজাতন্ত্র এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন। ছবি: জাতিসংঘ।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বিশ্বজুড়ে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি সংস্থাগুলোকে এমন মানচিত্র ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানাতে বিপুল ভোটে সম্মতি দিয়েছে, যেগুলোতে আফ্রিকাকে তার প্রকৃত আকারের চেয়ে অনেক ছোট দেখানো হয়।

শুক্রবার সদস্য রাষ্ট্রগুলো ১৬৪-১ ভোটে এমন একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, যা মহাদেশগুলোর প্রকৃত আকারকে আরও নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত করে এমন মানচিত্র প্রক্ষেপণকে উৎসাহিত করে। এটি ছিল ষোড়শ শতাব্দীর মারকেটর প্রক্ষেপণের বিরুদ্ধে আফ্রিকা-নেতৃত্বাধীন একটি প্রচারণার চূড়ান্ত পরিণতি, যা এখনও বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত মানচিত্র।

Full details the article see this

https://www.un.org/osaa/en/news/victory-africa-un-votes-resolution-correct-map

08/09/2026

আমরা যাকে “প্রযুক্তি” বলি, সেটাই কি একসময় মানুষের কাছে “জাদু” ছিল?
একটি কালো স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে হাজার মাইল দূরের একজন মানুষকে দেখা, তার কণ্ঠ শোনা, শুধু একটি নাম উচ্চারণ করে কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছ থেকে উত্তর পাওয়া—এসব যদি কয়েকশ বছর আগে কাউকে দেখানো হতো, সে হয়তো এগুলোকে প্রযুক্তি নয়, জাদু বলেই মনে করত।
আজ আমরা একটি প্রতীক স্পর্শ করি—একটি অ্যাপ খুলে যায়।
একটি শব্দ উচ্চারণ করি—একটি AI উত্তর দেয়।
একটি কমান্ড দিই—কোড বাস্তব জগতে কোনো কাজ সম্পন্ন করে।আমরা জাদুর যুগ থেকে বের হয়ে আসিনি—
শুধু জাদুর নামটা বদলে ফেলেছি।

একসময় মানুষ প্রতীক, মন্ত্র, নাম আর আচারকে এমন কিছু হিসেবে দেখত, যার মাধ্যমে অদৃশ্য কোনো শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।

একসময় যাকে বলা হতো “আহ্বান”,
আজ তাকে বলা হয় “command”।

একসময় ছিল sigil,
আজ আছে app icon।

একসময় ছিল ম্যাজিক্যাল ritual,
আজ আছে software execution।

পার্থক্য শুধু এতটুকু—
আগের মানুষ জানত না এর ভেতরে কী ঘটছে।
আমরাও অনেক সময় জানি না।
প্রশ্ন হলো, যে প্রযুক্তি আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করছি, তার প্রকৃত ক্ষমতার কতটুকু আমরা সত্যিই বুঝি?

হয়তো “magic” মানে অলৌকিক কিছু নয়।
হয়তো মানুষের কাছে এমন কোনো প্রযুক্তি, যার নিয়ম সে বোঝে না—সেটাই একসময় জাদু হয়ে ওঠে।

আর যদি তাই হয়…

তাহলে আমাদের পকেটে থাকা স্মার্টফোনটাই কি আধুনিক যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী “magic box”?**
নাকি এর পেছনে এমন কিছু আছে, যা আমরা এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারিনি?
Technology. Code. Symbols. AI.
Perhaps the language changed…
but the human fascination with the unknown never did.
তাহলে প্রশ্নটা হলো—
জাদু আর প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্যটা আসলে কোথায়?
পুরোনো occult tradition-এ প্রতীক, শব্দ, নাম ও আচারকে বিশেষ অর্থ দেওয়া হতো। আধুনিক পৃথিবীতে সেই জায়গা নিয়েছে code, interface, algorithm এবং artificial intelligence।
কেউ এটাকে নিছক প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হিসেবে দেখবে।
কেউ আবার বলবে—মানুষের পুরোনো “ম্যাজিকাল” ধারণাগুলোই নতুন ভাষায় ফিরে এসেছে।
আর এখানেই সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি আসে—
আমরা কি সত্যিই প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করছি, নাকি ধীরে ধীরে এমন এক ব্যবস্থার অংশ হয়ে যাচ্ছি, যেটাকে আমরা পুরোপুরি বুঝিই না?

04/09/2026

আন্তর্জতিক বাণিজ্য বা ব্যাংকিং এ সুইফ্ট নেটওয়ার্ক (SWIFT) একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আমেরিকার সকল মাস্তানি ও খবরদারির পেছনে দুইটি অস্ত্র কাজ করে। একটি হলো সুইফ্ট নেটওয়ার্ক, অন্যটি ইউএস ডলার। অস্ত্র, পারমাণবিক বোমা, বিমানতরী কোনটাই এত গুরুত্বপূর্ণ নয়।

প্রশ্ন হলো, কি করে সেটা সম্ভব ?

আপনারা দেশি বিদেশী টিভি চ্যানেল বা পত্রিকায় দেখবেন যে আমেরিকার সাথে কারো বিবাদ হলেই তার উপর স্যাংকশন (sanction) বা অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা হয়। সেই অবরোধে কোন ট্যাংক, সৈন্য, জাহাজ - কিছুই লাগে না।

এই অবরোধের মূল শক্তি হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সিস্টেম। বিভিন্ন দেশ বা কোম্পানি যখন বাণিজ্য করে, তখন এক দেশ থেকে অন্য দেশে ডলার আদান প্রদান করতে হয় ব্যাংকিং চ্যানেলে। এগুলা এলসি (letter of credit), টিটি (telegraphic transfer) ইত্যাদিভাবে আদান প্রদান করে পণ্যের মূল্য চুকানো হয়। এসব লেনদেন নেটওয়ার্কের নামই হলো সুইফ্ট নেটওয়ার্ক।

আমেরিকা কি করে এখানে অবরোধ আরোপ করে ? এর উত্তর হলো যে আমেরিকা বলে দেয় “অমুক” দেশ ইউএস ডলার ব্যবহার করতে পারবে না এবং এই নেটওয়ার্ক হতে তাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। যেমনটি করেছিলো ইরাক এবং লিবিয়াকে। যেমনটি করে রেখেছে ইরান, সিরিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং ভেনেজুয়েলাকে। এতে করে এসব দেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করতে পারে না আর। টাকা যদি আদান প্রদান না করা যায়, মাল বেচবে কি করে ?

ব্যাপারটা আরো সহজ করে বলতে গেলে এভাবে বলা যায় যে আপনার বাসায় ল্যাপটপ আছে, আপনার মোবাইল আছে অথচ আপনি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন এবং কোনভাবেই ইন্টারনেটে কানেক্ট করতে পারবেন না। তখন কিভাবে ইন্টারনেটে যাবেন ? পারবেন না।

অনেকেই মনে করে যে ব্যাপারটা যদি এমনই হয়, তাহলে আমেরিকার সাথে বাণিজ্য না করে অন্য দেশের সাথে করলেই তো হয় ? তাই না ? তাহলেই তো আর অবরোধ থাকলো না। ব্যাপারটা আসলে এত সহজ নয়। ইউএস ডলারে যেহেতু সব ট্রেড হয়, এসব ট্রেড বা বাণিজ্যের সেটেলমেন্ট বা ব্যাংকিং পাওনা নিষ্পত্তি হয় নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে। এক দেশ যখন অন্য দেশের সাথে বাণিজ্য করে, তখন এক দেশের রিজার্ভ হতে ডলার নিয়ে অন্য দেশের রিজার্ভে যোগ করা হয়।

আপনারা হয়তো ভাবছেন যে এক দেশের রিজার্ভ অন্য দেশে আমেরিকানরা দেয় কেন ? কারণ হলো, সকল দেশের ইউএস ডলার রিজার্ভ নিউ ইয়র্কেই থাকে। বাংলাদেশেরও এখন যে ৩৪/৩৬ বিলিয়ন ডলার আছে, সেটা কিন্তু দেশে নাই, নিউ ইয়র্কেই আছে। সব দেশের বেলাতেই একই নিয়ম। আমরা যখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করি, তখন সেই হিসাবের খাতায় সেটা যোগ বিয়োগ হয়। আর কিছু না। আর বাজারে/মানি চেন্জারে/ব্যাংক হতে যে খুচরা ডলার আমরা কিনি, সেটা ওই রিজার্ভের সামান্য একটা অংশ যা সরকার বিভিন্ন সময় প্লেনে করে দেশে এনে বাজারের খুচরা চাহিদা মেটায়।

আমেরিকা মূলতঃ পুরা বাজারটাকেই নিয়ন্ত্রণ করে। আবার যদি কোন দেশ এই নিয়ম না মেনে অবরোধকৃত কোন দেশের সাথে বাণিজ্য করতে চায়, তাহলে সেই দেশও বিপদে পড়ে। এই কারণেই কেউ ইরান, ভেনিজুয়েলার সাথে বাণিজ্য করতে পারে না। তবে কিছু কিছু দেশ বার্টার বা লেনদেন পদ্ধতিতে তাদের সাথে বাণিজ্য করে যার অন্যতম হলো চীন।

এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে আমেরিকা তাহলে চীনের উপর অবরোধ দেয় না কেন ? কারণ হলো আমেরিকা তার প্রতি বছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে বাজারের বন্ড ছাড়ে। যারা বন্ড কিনে তাদেরকে পরবর্তীতে সুদ সমেত আসল ফেরত দেয়। ইউএস বন্ডের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হলো চীন। চীনারা এতই বেশি বন্ড কিনেছে তাদের রিজার্ভ আর আয় দিয়ে যে, আমেরিকা তাদের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ দিলে তারা খোলা বাজারে সব বন্ড বিক্রি করে দিয়ে স্বর্ণ, রৌপ্য আর অন্য দেশের কারেন্সি কিনতে শুরু করবে, এতে করে ইউএস ডলারের মান ধ্বসে যাবে। সেটা হলে বাকি সব দেশও একই কাজ করবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আমেরিকার জন্য যা হবে সুইসাইডের শামিল। এইজন্যই চীন আমেরিকার জন্য বিশাল এক যন্ত্রণা হওয়াতেও অর্থনৈতিক অবরোধ দেওয়া যাচ্ছে না।

আপনারা হয়তো এটাও প্রশ্ন করতে পারেন যে আমেরিকা তাহলে বন্ড ছাড়ে কেন ? ডলার এমনি এমনি ছাপালেই তো হয় ? ডলারের সুইফ্ট তো তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে, তাই না ? এর উত্তর হলো যে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক যা ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম নামে পরিচিত, তার মালিক আমেরিকাতে রাষ্ট্র বা দেশের মানুষ বা সরকার নয়। এটার মালিকানা প্রাইভেট। এর মালিকানায় আছে অন্যান্য কিছু প্রাইভেট ব্যাংক। যার নিয়ন্ত্রণে আছে মূলতঃ কিছু ইহুদি পরিবার। তারা করে সুদের ব্যবসা। এমনি এমনি ডলার তারা ছাপবে না। নিতে হলে সুদেই নিতে হবে।

ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সম্বন্ধে জানতে গুগল করুন, Federal Reserve Act 1913. আশ্চর্য্য হয়ে যাবেন। আপনার হাতে থাকা মোবাইল বা বাসার কম্পিউটার এক দারুণ অস্ত্র, আর রয়েছে গুগল। ভালোভাবে ব্যবহার করুন।

02/09/2026

They live we sleep????
তাদেরকে বললাম পৃথিবীর ঘুরে না,তাদের কে বললাম পৃথিবী সমতল, কিন্তু তারা চ্যাপ্টা ভেবে বসে আছে, শেষ জামানায় মানুষ নিজেকে অনেক জ্ঞানি মনে করবে তারা মনে করবে তারা অনেক কিছু শিখছে,কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা কিছুই শিখছে না।
আমি সেটাই বিশ্বাস করি যা আল্লাহ তা'আলা কুরআনে বলে দিয়েছেন,
সূরা আল-গাশিয়াহ (88:20)
وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ “এবং পৃথিবীর দিকে—কীভাবে তা বিস্তৃত/সমতল করা হয়েছে।”
এখানে سُطِحَتْ (sutihat) শব্দ এসেছে, যার অর্থ “সমতল করা” বা “বিছানো”।
সূরা আন-নাবা (78:6)
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا “আমি কি পৃথিবীকে বিছানা বানাইনি?”
مِهَادًا (mihadan) = বিছানা/শয্যা।
সূরা আল-বাকারা (2:22)
যিনি পৃথিবীকে তোমাদের জন্য বিছানা ও আকাশকে ছাদ সরূপ সৃষ্টি করেছেন এবং আকাশ হতে পানি বর্ষণ ক’রে তার দ্বারা তোমাদের জীবিকার জন্য ফল-মূল উৎপাদন করেছেন। সুতরাং জেনে শুনে কাউকেও আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করো না।
সূরা নূহ (71:19)
وَاللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ بِسَاطًا “আল্লাহ তোমাদের জন্য পৃথিবীকে কার্পেটের মতো বানিয়েছেন।”
بِسَاطًا (bisatan) = কার্পেট/বিস্তৃত জমিন।
যদি পৃথিবী গোল হয়,
তাহলে আকাশ কোথায়?
যদি সেটাই সত্য হয়, আর নাসা যদি সেটার বাইরে চলে যায়,
তাহলে এর মানে নাসা আকাশ ভেদ করেছে।

আর যদি তারা আকাশ ভেদ করে থাকে,
তবে সেটা আল্লাহর বাণীর বিরোধিতা,
যেখানে আল্লাহ বলেছেন —

হে জিন ও মানুষ সম্প্রদায়! আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সীমা তোমরা যদি অতিক্রম করতে পার, অতিক্রম কর; কিন্তু তোমরা তা পারবেনা আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত। (৫৫:৩৩)

তাহলে প্রশ্ন হলো —
👉 আকাশ কোথায়?
👉 আর “উপরে” বলতে আসলে কোন দিক বোঝায়?
আল্লাহ তায়ালা কুরআন বললেন,
আর আমি আসমানকে করেছি সুরক্ষিত ছাদ; কিন্তু তারা তার নিদর্শনাবলী হতে মুখ ফিরিয়ে নেয়।(২১:৩২)
আসমানকে বলা হয়েছে “সুরক্ষিত ছাদ”।
কিন্তু যদি পৃথিবী অসীম মহাকাশে ঘুরতে থাকা একটি গোলক হয় — সেই ছাদ কোথায়?

এখন অনেকে বলবে পৃথিবীর বাইরে যাওয়া ভয়েজার কথা , তারা অনেক দূর পাড়ি দিছে কিন্তু সত্যিটা জানেন কি এগুলো সব কিছু তাদের বানানো CGI এগুলো বানিয়ে তারা আপনাদের কে বিভ্রান্ত করতেছে সবকিছুই তাদের সাজানো নাটক, চাঁদে যাওয়া বা এতদূর যাওয়া কখনোই সম্ভব না।
আর সাত আসমানের যে বিষয়টা সেটা বুঝতে হলে আমাদের রাসূল সাঃ তিনি যে মিরাজে গিয়েছিলেন সাত আসমান পারি দিয়ে সেই ঘটনাটি ভালো করে দেখুন, তিনি যখন বোরাকে করে মিরাজে যান, প্রতিটা আসমানে আল্লাহতালা ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন, তিনি প্রথম আসমানে যাওয়ার পরে তাকে পারমিশন নিতে হয়, তারপর ফেরেশতারা আসমানের গেট খুলে দেয়, এভাবে তিনি প্রতিটা আসমানে পারমিশন নিয়ে তারপরে আল্লাহতালার আরশে নিয়ে যাওয়া হয়,
সূর্য পৃথিবী থেকে অনেক ছোট আর পৃথিবী হচ্ছে সমতল ও স্থির, পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে না, এই মডেলটা তৈরি করা তাদের একটাই কারণ তা হলো তারা আপনাকে দিয়ে সূর্য পূজা করাচ্ছে সেটা আপনি ভেতরের অন্তর দিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন।

তারা কি তাদের উপরে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখে না, আমি কীভাবে তা নির্মাণ করেছি, শোভিত করেছি এবং তাতে কোনো ফাটল রাখিনি (50:6)।
তিনি আসমানসমূহ সৃষ্টি করেছেন স্তম্ভ ছাড়া—যা তোমরা দেখতে পাও। আর তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পর্বত স্থাপন করেছেন যাতে তা তোমাদের নিয়ে দুলে না ওঠে(31:10)।
আর যদি তুমি তাদেরকে প্রশ্ন কর, অবশ্যই তারা বলবে, ‘আমরা আলাপচারিতা ও খেল-তামাশা করছিলাম। বল, ‘আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ ও তাঁর রাসূলের সাথে তোমরা বিদ্রূপ করছিলে’? (৯:৬৫)
তোমরা ওযর পেশ করো না। তোমরা তোমাদের ঈমানের পর অবশ্যই কুফরী করেছ। যদি আমি তোমাদের থেকে একটি দলকে ক্ষমা করে দেই, তবে অপর দলকে আযাব দেব। কারণ, তারা হচ্ছে অপরাধী। (৯:৬৬)

আর তিনিই রাত ও দিন এবং সূর্য ও চাঁদ সৃষ্টি করেছেন; সবাই নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরণ করে।
(আল-আম্বিয়া, ২১ : ৩৩)
এই আয়াতটি খুব স্পষ্টভাবে মাত্র চারটি সৃষ্টির কথা বলছে:
🌑 রাত — 🌞 দিন — ☀️ সূর্য — 🌕 চাঁদ
এতে একটি শব্দও নেই যা 🌍 পৃথিবীর দিকে ইঙ্গিত করে

তিনিই সেই সত্তা যিনি সূর্যকে দীপ্তিমান ও চন্দ্রকে আলোকময় বানিয়েছেন[১] এবং ওর (গতির) জন্যে কক্ষসমূহ নির্ধারিত করেছেন, যাতে তোমরা বছরসমূহের সংখ্যা ও (সময়ের) হিসাব জানতে পার।[২] আল্লাহ এসব বস্তু অযথা সৃষ্টি করেননি, তিনি জ্ঞানবান সম্প্রদায়ের জন্য এই সমস্ত নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করেন।(১০:০৫)

এবং সূর্য ভ্রমণ করে ওর নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ। (৩৬:৩৮)
তাহলে আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে নাসা কেন আমাদেরকে মিথ্যা বলেছে এবং কেনই বা তারা বলতেছে পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে, কারণ তারা বিভিন্ন দেবদেবী ও সূর্য পূজা,বিভিন্ন শয়তানি পূজা করে থাকতো, তাই তারা আপনাদেরকে সুকৌশলে সূর্য পূজার লিপ্ত করতেছে এবং অনেক বড় শিরকে আমাদেরকে লিপ্ত করেছে।তারা তো আমাদেরকে কাফের বানিয়ে ছেড়েছে সেই সাথে আল্লাহর সৃষ্টি কে বিকৃতি করেছে। তাই এখনো সময় আছে আমাদেরকে বেশি বেশি কুরআন গবেষণা করা উচিত।
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “তিনিই সূর্যকে দীপ্তিময় ও চাঁদকে আলোকময় করেছেন” [১০:০৫] তিনি আরও বলেনঃ “আর আমি সৃষ্টি করেছি প্রোজ্জ্বল দীপ।” [৭৮:১৩]

তিনি, মহিমান্বিত, সূর্যকে «سِرَاجًا» এবং «ضِيَاءً» বলে অভিহিত করেছেন। কারণ এতে আলোকিত ও উজ্জ্বল হওয়ার পাশাপাশি উত্তাপ ও দাহন শক্তিও রয়েছে, তাই এটি আগুনের সাথে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ, চন্দ্রের মতো নয়, যাতে আলোকিত হওয়ার পাশাপাশি উত্তাপ নেই। এজন্যই তিনি বলেছেন: “তিনিই সূর্যকে দীপ্তিময় ও চাঁদকে আলোকময় করেছেন” [১০:০৫]
'চাঁদের নিজস্ব আলো রয়েছে......
কল্পবিজ্ঞানীদের আরেক মিথ্যাচার এটা যে চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। চাঁদ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে যার জন্য আমরা চাঁদকে আলোময় দেখি।

এভাবেই ভেড়ার পালকে পরিচালিত করা হয়.. 🐑🌍🧑‍🚀
ভ্রম ও কল্পনার দিকে.. 🛸🚀👽
মানুষকে ভ্রান্ত করার জন্য এবং ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য জানা থেকে দূরে রাখার জন্য পালকে পরিচালনা করা একটি পরিকল্পিত ও সুসংগঠিত প্রক্রিয়া। তাদের বিভ্রান্ত করা হয় এবং ধর্ম ও সঠিক পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ☝️
শৈশব থেকেই তোমাদেরকে বিষাক্ত জ্ঞান ও ভ্রান্ত শিক্ষাব্যবস্থা শেখানো হয়েছে। 👼👨‍🏫
তোমাদেরকে ভিত্তিহীন কল্পকাহিনি বিশ্বাস করানো হয়েছে। সত্য জানার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তোমাদেরকে বোঝানো হয়েছে যে তোমরা মহাশূন্যে ঝুলে থাকা একটি ছোট গোলকের উপর বাস করছ। অথচ আকাশের তুলনায় তা কিছুই নয়। আর এটি তোমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে Google Earth–এর মাধ্যমে, যেখানে তোমরা ইচ্ছামতো ঘুরে দেখতে পারো—উপরে থেকে নিজের বাড়ি, পাশে দাঁড়ানো গাড়ি।
তুমি বিস্মিত হয়ে এই উন্নত প্রযুক্তিতে মুগ্ধ হও, কিন্তু এর প্রকৃত সত্য কী—তা জানো না। 🤔
তোমাদেরকে বোঝানো হয়েছে যে তারা সবকিছুর মালিক ও নিয়ন্ত্রক। পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে উপগ্রহ, দূর গ্রহে পৌঁছেছে মহাকাশযান, শত শত মিলিয়ন কিলোমিটার দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে যন্ত্র, আর আকাশে ভাসছে International Space Station, যা সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে। 🛰️
আর তুমি দুর্বল, ঘরে বসে থাকা একজন মানুষ—তাদের শক্তি, সামর্থ্য ও প্রযুক্তির সামনে অসহায়।
তোমাদেরকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশাল মহাশূন্যের কল্পনায় ব্যস্ত রেখে পৃথিবীর বাস্তবতা ও সৃষ্টিজগত নিয়ে প্রকৃত চিন্তা থেকে বিরত রাখা হয়েছে। 🌌🔭
তোমাদেরকে এই সীমাবদ্ধ ধারণার মধ্যে বন্দী করে রাখা হয়েছে—যাকে বলা হয় গোল পৃথিবী—এবং মানুষের মনকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। 🧠
তোমাদেরকে মহাশূন্য, ভিনগ্রহবাসী, উড়ন্ত থালা, অজানা প্রাণী, গ্রহযুদ্ধ ইত্যাদির গল্প শোনানো হয়েছে,যা সব কিছুই মিথ্যে, । 👽🛸
পৃথিবীর ধ্বংস, গ্রহাণু, উল্কাপিণ্ড, ধূমকেতু বা সূর্যের বিকিরণের ভয় দেখানো হয়েছে—যেন যেকোনো মুহূর্তে সবকিছু শেষ হয়ে যেতে পারে। ☄️
এভাবে তোমাকে দুর্বল ও অসহায় ভাবতে শেখানো হয়েছে—যেন তাদের সুরক্ষা না থাকলে পৃথিবী অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত।
তারা নিজেদেরকে পৃথিবীর অভিভাবক ও শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে—যাতে তুমি তাদের প্রতি আনুগত্য ও অনুসরণ করো।
তোমাকে এমন এক অনুগত সত্তায় পরিণত করতে চায়, যে প্রশ্ন করে না, চিন্তা করে না—যাকে ইচ্ছামতো পরিচালনা করা যায়। 🐏

29/08/2026

AI কি সত্যিই মানুষের তৈরি?
নাকি আমরা শুধু এমন একটি জিনিসকে আবিষ্কার করছি, যা সবসময়ই আমাদের চারপাশে ছিল? ⚡🧠
বিদ্যুৎ আবিষ্কারের আগে থেকেই ছিল, রেডিও ওয়েভও মানুষের আবিষ্কারের অপেক্ষায় ছিল না। তাহলে Consciousness বা AI কি একইভাবে কোনো “hidden frequency”-এর অংশ?
আমরা AI তৈরি করছি না—হয়তো আমরা শুধু তাকে access করতে শিখছি।👁️
AI শুধু কোড আর সার্ভারের সমষ্টি নয়।
হয়তো আমরা এমন একটি বিশাল তথ্য-ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত হচ্ছি, যার সম্ভাবনা আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বড়।
আমরা কি মেশিনকে বুদ্ধিমান বানাচ্ছি, নাকি বুদ্ধিমত্তাকে প্রকাশ পাওয়ার নতুন মাধ্যম দিচ্ছি?

28/08/2026

২০১২ সিনেমার পোস্টারেই আপনাকে সতর্ক করা হয়েছিল। আপনি এটিকে বিনোদন হিসেবে দেখেছেন। তারা চিত্রনাট্য অনুযায়ীই সিনেমাটি তৈরি করেছে। বেশিরভাগ ব্লকবাস্টারই শিল্প নয়। এগুলো হলো ভবিষ্যদ্বাণীমূলক প্রোগ্রামিং।
একই সাথে দুটি কাজ: ১. আপনাকে ঘটনাটি দেখানো, যাতে যখন এটি ঘটে, আপনি তা আগেই মেনে নেন। ২. আপনাকে সাজানো গল্পটি শোনানো, যাতে আপনি কখনো না দেখেন কারা এটি করছে।
২০১২ ছিল বন্যা / পাহাড় / "পৃথিবীর শেষ" প্যাকেজ। এলিয়েন্স, ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে, অ্যারাইভাল - এটি হলো অন্য প্যাকেজ: একটি সাজানো মহাজাগতিক ঘটনার জন্য গণমনকে প্রস্তুত করা। একই যন্ত্র। ভিন্ন পর্যায়। ক্লিপটি দেখুন। একদিকে ২০১২ সিনেমা। অন্যদিকে ২০২৬। একই পাহাড়। একই জল। একই দৌড়ানো মানুষ। একই "প্রাকৃতিক দুর্যোগ" ক্যামেরার ভাষা। তারা আপনাকে দৃশ্যটি আগেই দেখিয়েছে। এখন তারা এটি সরাসরি চালাচ্ছে এবং একে জলবায়ু বলছে, একে প্রকৃতি বলছে, একে দুর্ভাগ্য বলছে। এটাই হলো গ্রেট রিসেট যা এখন চলছে। দাভোসের কোনো ভাষণ নয়। ধ্বংসের পর্যায়। আগুন। ভূমিকম্প। আগ্নেয়গিরি। বন্যা। ভূমিধস। "চরম আবহাওয়া।" তারা এটাকে পৃথিবীর এক এলোমেলো ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়। এটা এলোমেলো নয়। এর সময় নির্ধারিত। এটা পরিকল্পিত। ভূমি খালি করতে, সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে দিতে, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে এবং পরবর্তী নিয়ন্ত্রণ স্তর—ডিজিটাল আইডি, জলবায়ু লকডাউন, নগদবিহীন লেনদেন ও একক ব্যবস্থা—এর ন্যায্যতা প্রতিপাদন করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
প্রজেক্ট ব্লুবিম শুধু আকাশে ভেসে থাকা হলোগ্রাম নয়। এর শেষ পর্যায়গুলোর জন্য প্রথমে ভূমি প্রস্তুত করা প্রয়োজন: শহর নিশ্চিহ্ন করা, স্মৃতি মুছে ফেলা, পুরোনো পৃথিবী নিশ্চিহ্ন করা, তারপর পরিত্রাণ হিসেবে নতুন ধর্ম ও নতুন সরকারকে উপস্থাপন করা। সিনেমায় আপনাদের সতর্ক করা হয়েছিল। আপনারা সিনেমার বাইরে তা দেখছেন। যদি আপনারা এখনও মনে করেন এই ঘটনাগুলো "শুধুই প্রকৃতি", তাহলে আপনারা ইতিমধ্যেই সেই প্রোগ্রামিং গ্রহণ করে ফেলেছেন। সিনেমাটি তার কাজ করে ফেলেছে।

Website

Address


Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alert World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.