Nahar's Mirror
Nahar's Mirror
অন্য কাউকে বিচার করার অধিকার আমার কীভাবে থাকে, যখন আমি নিজেই ত্রুটিহীন নই?
- জালাল উদ্দীন রুমি
Kotha gulor tatporjjo onek govir....🙏🙏🙏🙏
03/09/2026
Avabei akdin sobai k chole jete hobe..... Tokhon ki hobe ai prithibite!!!!
আমি নেই ভাবতেই ব্যাথায় ব্যাথায় মন ভরে যায়... Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.
24/08/2026
15/08/2026
Collected...
12/08/2026
Tai nijeke sosta banano theke biroto thakun....
Narider Amol ghor a share kora ghotona share korlam onumoti chharai..... Amader Jana bujhar dorkar achhe.
মদিনা মুনাওয়ারায় একটি নির্দিষ্ট গোসলখানা ছিল, যেখানে মৃত নারীদের গোসল ও কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা হতো।
মদিনা মুনাওয়ারায় একটি নির্দিষ্ট গোসলখানা ছিল, যেখানে মৃত নারীদের গোসল ও কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা হতো।
একবার এক মৃত নারীকে গোসল করানোর জন্য সেখানে আনা হলো। যখন গোসলের কাজ চলছিল, তখন মৃতদেহের পাশে থাকা এক নারী হঠাৎ সেই লাশের প্রতি তীব্র অবমাননা করে বসল।
সে মৃত নারীটির চরিত্র নিয়ে নোংরা অপবাদ দিয়ে বলল,"তুই একটা চরিত্রহীন, বদকার মহিলা ছিলি!"
এই কথা বলেই সে লাশের কোমরের নিচের অংশে সজোরে একটি থাপ্পড় মারল।
কিন্তু সাথে সাথেই ঘটল এক অলৌকিক ও ভয়ানক কাণ্ড! থাপ্পড় মারার পরপরই ওই জীবিত নারীর হাতটি লাশের শরীরের সাথে এমনভাবে আটকে গেল যে, সে আর কোনোভাবেই হাতটি সরাতে পারছিল না।
ঘরের বাকি নারীরা অনেক চেষ্টা করল, নানা রকম কৌশল খাটাল, কিন্তু হাত এক চুলও আলাদা করা গেল না।
মুহূর্তের মধ্যে এই অদ্ভুত ও লোমহর্ষক খবর পুরো মদিনা শহরে ছড়িয়ে পড়ল। এক জ্যান্ত মানুষের হাত লাশের সাথে আটকে আছে, এখন কী করা হবে?
মৃতদেহ দাফন করা জরুরি, আবার ওদিকে জীবিত নারীটির পরিবারও চরম সংকটে।
মামলা গড়াল মদিনার শাসকের দরবারে। শাসক দ্রুত মদিনার ফকীহ ও আলেমদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসলেন।
একজন মতামত দিলেন, জীবিত নারীর হাতটি কেটে আলাদা করে দেওয়া হোক।
আরেকজন বললেন, না, বরং মৃতদেহের যতটুকু অংশের সাথে হাত আটকে আছে, লাশের ততটুকু অংশ কেটে নেওয়া হোক।
কিন্তু বাকিরা আপত্তি করে বললেন, মৃতদেহের অসম্মান করা শরীয়তে সম্পূর্ণ হারাম। আবার জীবিত মানুষের হাত কেটে ফেললে সে সারাজীবনের জন্য অচল হয়ে যাবে।
কোনো কূল-কিনারা না পেয়ে মদিনার শাসক বললেন, "যতক্ষণ না আমি মদিনার শ্রেষ্ঠ ইমাম, গভীর ইলমের অধিকারী ইমাম মালিক (রহ.)-এর রায় নিচ্ছি, ততক্ষণ আমি কোনো ফয়সালা দেব না।"
ইমাম মালিক (রহ.)-এর সামনে পুরো ঘটনাটি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। তিনি সবকিছু গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনলেন এবং তাঁর দূরদর্শী ফিকহী জ্ঞান থেকে এক যুগান্তকারী ফয়সালা দিলেন।
তিনি বললেন,
"না জীবিত নারীর হাত কাটা হবে, আর না মৃতদেহের কোনো ক্ষতি করা হবে। আল্লাহর এই অলৌকিক কুদরতের আসল রহস্য হলো,এই জীবিত নারীটি একজন সতী-সাধ্বী মৃত নারীর ওপর ব্যভিচারের মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে।
আর এই মৃত আত্মা এখন আল্লাহর দরবারে তার ইজ্জতের বদলা দাবি করছে। অতএব, এই অপবাদকারী নারীকে শরীয়তের নির্ধারিত 'হদ্দে কযফ' (অপবাদের শাস্তি) প্রয়োগ করা হোক।"
ইসলামী শরীয়তের আইন অনুযায়ী কোনো পবিত্র মানুষের নামে ব্যভিচারের মিথ্যা অপবাদ দিলে তার শাস্তি হলো ৮০টি দোররা মারা।
ইমাম মালিক (রহ.)-এর নির্দেশ অনুযায়ী জল্লাদ সেই আটকে থাকা নারীর পিঠে কোড়া মারা শুরু করল। ১, ২, ১০, ২০, ৫০, ৭০... এমনকি ৭৯টি কোড়া মারা পর্যন্ত ওই নারীর হাত লাশের সাথে শক্তভাবে আটকে রইল।
কিন্তু যেই মুহূর্তে তার পিঠে ৮০তম (শেষ) কোড়াটি আঘাত করল, সাথে সাথে অলৌকিকভাবে তার হাতটি মৃতদেহের শরীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেল! সুবহানাল্লাহ!
আল্লাহর নিখুঁত আদালত দুনিয়ার বুকেই কায়েম হয়ে গেল।
একটু ভাবুন তো, যে মানুষটি মারা গেছে, সে তো নিজের আমল নিয়ে আল্লাহর দরবারে চলে গেছে। সে ভালো নাকি মন্দ —তার বিচার করার দায়িত্ব কি আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন?
অথচ আমাদের সমাজে আজ বেঁচে থাকা মানুষের তো বটেই, মৃত মানুষেরও গীবত আর তোহমত গাইতে আমাদের একটুও বুক কাঁপে না!
চায়ের আড্ডায় বা ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে আমরা কত অবলীলায় মানুষের চরিত্রের ওপর কাদা ছিটিয়ে দিই।
একজন মুমিন বেঁচে থাকতে যেমন সম্মানের অধিকারী, মারা যাওয়ার পরও আল্লাহর কাছে তার সম্মান ঠিক ততটাই দামী। আল্লাহ তাঁর বান্দার ইজ্জতের ওপর আঘাত সইতে পারেন না।
আজ দুনিয়ার আদালতে হয়তো মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পার পেয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু আল্লাহর সুক্ষ্ম বিচার থেকে পালানোর কোনো পথ নেই।
আসুন, আজ থেকে অন্যের বিচার করা বন্ধ করে নিজের আমলনামা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিই। জবানকে অন্যের গীবত-তোহমত থেকে পবিত্র রাখাই খাঁটি মুমিনের পরিচয়।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের যবানকে অন্যের ওপর মিথ্যা অপবাদ, তোহমত এবং গীবতের মতো মারাত্মক গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ হেফাজত করুন এবং সমাজকে এই বিষাক্ত ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন
© Salman Farsi
(সূত্র: বুস্তানুল মুহাদ্দিসীন, আনওয়ারুল মাসালিক)
Chena Manuser majhe thekeu ochena hoye thakar theke aka thaka valo.
Mone rakhben aka thakao Allah r niyamot.
Lekhata without permission share korlam. Onek kichhu kat chhat kore. 🙏🙏🙏
Valo legechhe tai share korlam.
মা হওয়ার পর একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—‼️
আমার সন্তানের সাথে কোনোদিন হিসাবের সম্পর্ক রাখবো ন|
বাচ্চার এই আচরণ দেখে প্রায় সময় হাসির ছলেই বলেছে...
"এখন মা মা করে,বিয়ের পর দেখব মা আগে নাকি বউ আগে"
কিন্তু কেনো?
এই বিষয় দেখার কি আছে?
বিশেষ করে ছেলে বাচ্চাদের মনে এই পার্থক্য আপনারা আগে থেকেই পুষে দিতে এত ব্যস্ত কেনো?
আমি কোনোদিনও দেখিনি,কোনো মেয়ে যদি বাবা ভক্ত হয়,তাকে এই প্রশ্ন করা হয়েছে যে..
"বিয়ের পর দেখব,বাবা আগে নাকি স্বামী আগে"
আমি কখনো চাই না আমার সন্তান পার্থক্য করার মতো নিম্ন মন মানসিকতার অনুভূতির ভেতর দিয়ে যাক।
আমি আমার সন্তাানকে পৃথিবীতে এনেছি,আল্লাহ আমাকে সেই সৌভাগ্য দিয়েছেন তাই।
আল্লাহর দরবারে এই জন্য লাখো কোটি শুকরিয়া।
এইখানে কোনো লাভ–ক্ষতির হিসাব নাই।আমি তাকে বড় করছি কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশায়ও না।
আমি চাই না,আমার সন্তান আমার কাছে কিছু শোধ করুক।
সে যেন কোনোদিন নিজেকে আমার কাছে ঋণী মনে না করে।
আমার ছেলে বড় হবে,বয়স অনুযায়ী ওর চাহিদা বাড়বে,পরিচিত মানুষ,আপনজন অনেক হবে।ও সবাইকে আপন করে নেবে।সবার প্রতি ওর আলাদা দায়িত্ব থাকবে।
আমি ওকে জন্ম দিয়েছি জন্য সব সময় ওর উপর আমার অধিকার সবার আগে আর আমার ছেলে আমার সব কথা শুনতে
বাধ্য,এমন ভাবে আমি ওকে মানুষ করতে চাইনা।
বয়স অনুযায়ী আমার ছেলে যদি সবার দায়িত্ব না নিতে পারে তাহলে আমি মা হিসাবে নিজেকে ব্যর্থ মনে করব।
শৈশবে যেমন ও আমার কাছে ভালো মন্দ শুনবে,কথা সেয়ার করবে,কোনো ডিসিশন নেওয়ার আগে আমার কাছে মতামত নিবে... সময় এর পরিবর্তনে একটা সময় ও নিজেই নিজের ভালো টা বুঝবে,অনেক সময় আমাকে কিছু কথা বলবে, আবার কিছু ডিসিশন ও নিজে নিবে...
Category
Website
Address
Online Store
Dhaka
1205
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Nahar's Mirror posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
