Watch Video

Watch Video

Share

we are entertainer & we love entertainment.

14/09/2026
27/08/2026

অবশ্যই। তবে এখানে একটা নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তুলনা করা খুব জরুরি। কারণ “উন্নয়ন” বলতে শুধু রাস্তা-ব্রিজ নয়—অর্থনীতি, মানুষের আয়, মূল্যস্ফীতি, দারিদ্র্য, ব্যাংকিং, গণতন্ত্র ও প্রতিষ্ঠান—সবকিছুই দেখতে হয়।

আমি বিষয়টা তিনটি সময় ভাগ করে বলছি:

২০০৯–২০২৩: শেখ হাসিনা/আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়

আগস্ট ২০২৪–ফেব্রুয়ারি ২০২৬: ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার

ফেব্রুয়ারি ২০২৬–বর্তমান: বিএনপি সরকারের প্রথম প্রায় ছয় মাস

> একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা: ২০২৬ সালের বিএনপি সরকার এখনো খুব নতুন। তাই তাদের ক্ষেত্রে “এটা তারা তৈরি করেছে” আর “আগের সরকারের প্রকল্প চালু রেখেছে”—এই দুইটা আলাদা করে দেখা উচিত।

---

🇧🇩 এক নজরে বাংলাদেশের পরিবর্তন: ২০০৮ → ২০২৩ → ২০২৬

🟢 ১. ২০০৯ থেকে ২০২৩: কোন জায়গাগুলোতে সবচেয়ে বড় উন্নতি হয়েছিল?

📈 অর্থনীতির আকার

বাংলাদেশের অর্থনীতি এই সময়ে অনেক বড় হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে বাংলাদেশের GDP প্রায় ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার; ২০০৯ সালের তুলনায় অর্থনীতির আকার কয়েক গুণ বেড়েছে। ২০১০-এর দশকজুড়ে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর একটি ছিল।

🛣️ অবকাঠামো: সবচেয়ে দৃশ্যমান উন্নয়ন

এই সময়ের বড় পরিবর্তনগুলো হলো—

পদ্মা সেতু

ঢাকা মেট্রোরেল

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অংশ

বঙ্গবন্ধু টানেল

ঢাকা–কক্সবাজার রেল সংযোগ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল

গ্রাম ও শহরের সড়ক যোগাযোগের ব্যাপক সম্প্রসারণ

এগুলো দেশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বাস্তব এবং দৃশ্যমান পরিবর্তন।

⚡ বিদ্যুৎ

এটি আওয়ামী লীগ আমলের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি হিসেবে ধরা যায়। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালে জনসংখ্যার প্রায় ৯৯.৫% মানুষের বিদ্যুৎ সুবিধায় প্রবেশাধিকার ছিল। ২০০৯ সালের বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করলে এটি বিশাল পরিবর্তন।

👨‍👩‍👧 দারিদ্র্য ও সামাজিক উন্নয়ন

বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদে দারিদ্র্য কমেছে, আয়ু বেড়েছে, শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্যে উন্নতি হয়েছে এবং শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে আন্তর্জাতিক চরম দারিদ্র্য ২০১৬ সালের ৯% থেকে ২০২২ সালে প্রায় ৫%-এ নেমেছিল।

---

🔴 কিন্তু ২০২৩ সালেই কি সবকিছু ভালো ছিল?

না। এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাইরে থেকে উন্নয়ন দ্রুত হলেও ভেতরে কিছু বড় সমস্যা তৈরি হচ্ছিল।

🏦 ব্যাংকিং খাত দুর্বল হচ্ছিল

খেলাপি ঋণ, দুর্বল ব্যাংক পরিচালনা এবং আর্থিক খাতের অনিয়ম বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। IMF বলছে, দুর্বল শাসন ও প্রতিষ্ঠানগত সমস্যা ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

💵 ডলার ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপ

২০২২–২৩ থেকেই রিজার্ভ ও ডলারের বাজারে চাপ বাড়ছিল। আমদানি ব্যয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা একসঙ্গে সমস্যা তৈরি করে।

🛒 মূল্যস্ফীতি

২০২৩ সালের শেষ দিকে সাধারণ মানুষের জন্য জীবনযাত্রার খরচ বাড়তে শুরু করেছিল। অর্থাৎ GDP বড় হচ্ছিল, কিন্তু বাজারের চাপও বাড়ছিল।

🏛️ গণতন্ত্র ও প্রতিষ্ঠান

এই জায়গাটাই আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড় সমালোচনার বিষয়। বিরোধী রাজনীতির দমন, বিতর্কিত নির্বাচন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশ্ন ছিল। উন্নয়ন হয়েছে—কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাও একই সঙ্গে বেড়েছে।

---

🔻 ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪–২৬ এ কোন জায়গাগুলো খারাপ হয়েছে?

এখানে সবকিছুর দায় কোনো একটি সরকারকে দেওয়া ঠিক হবে না। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং পুরোনো সমস্যাগুলো একসঙ্গে প্রভাব ফেলেছে।

📉 অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমেছে

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের GDP প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালে প্রায় ৩.৫%—যা আগের দশকের ৬–৭% বা তার বেশি প্রবৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বিনিয়োগ কমে যাওয়াও এতে ভূমিকা রেখেছে।

😟 দারিদ্র্য আবার বেড়েছে

বিশ্বব্যাংকের এপ্রিল ২০২৬ আপডেট অনুযায়ী, জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮.৭% থেকে ২০২৫ সালে ২১.৪%-এ উঠেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে।

🛒 মূল্যস্ফীতি এখনো বড় সমস্যা

২০২৬ সালের শুরুতেও মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮–৯% পর্যায়ে ছিল। অর্থাৎ সরকার পরিবর্তন হলেও সাধারণ মানুষের বাজারের কষ্ট দ্রুত কমেনি।

🏗️ নতুন বড় প্রকল্পের গতি কমেছে

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বাভাবিকভাবেই অনেক নতুন বড় প্রকল্পের সিদ্ধান্ত ধীর হয়েছে এবং সরকারি ব্যয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। ফলে অবকাঠামো নির্মাণের দৃশ্যমান গতি আগের তুলনায় কম মনে হয়েছে।

---

🟡 ইউনূস সরকারের সময় কী উন্নতি বা ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে?

ইউনূস সরকারের সবচেয়ে বড় কাজ ছিল নতুন ব্রিজ বানানো নয়, বরং একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দেশকে স্থিতিশীল করা এবং সংস্কার শুরু করা।

🏦 ব্যাংকিং সংস্কার শুরু

ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। IMF বলেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত সংস্কার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে উঠে আসে।

🗳️ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি

নির্বাচন আয়োজন এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিয়ে কাজ করা অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভূমিকা ছিল। এর মাধ্যমে দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর নির্বাচিত সরকারে ফেরার পথ তৈরি হয়।

⚖️ প্রতিষ্ঠান ও জবাবদিহিতার সংস্কারের আলোচনা

নির্বাচন কমিশন, সংবিধান, প্রশাসন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা ও উদ্যোগ নেওয়া হয়।

📌 তবে সমালোচনাও আছে: এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা, ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল। অর্থাৎ ইউনূস সরকারের সময়কে “সব উন্নয়ন” বা “সব ধ্বংস”—দুটোর কোনোটাই বলা ঠিক হবে না।

---

🔵 বিএনপি সরকার ২০২৬ সালে এসে কী করেছে?

এখানে সবচেয়ে সতর্ক থাকা দরকার, কারণ বিএনপি সরকার মাত্র কয়েক মাস হলো ক্ষমতায় এসেছে।

✅ এখন পর্যন্ত ইতিবাচক দিক

বিএনপি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে—

অর্থনীতি ও শাসনব্যবস্থার সংস্কার

বন্ধ শিল্প চালু করা

রপ্তানি বহুমুখীকরণ

আইটি খাতে কর্মসংস্থান

বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ

এসবকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত কিছু অর্থনৈতিক সূচকে উন্নতির ইঙ্গিত দেখা গেলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে সেই স্বস্তি এখনো পুরোপুরি আসেনি—অর্থনীতিবিষয়ক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের মূল বক্তব্যও সেটাই।

❌ এখনো যেসব বড় চ্যালেঞ্জ আছে

উচ্চ মূল্যস্ফীতি

ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা

দারিদ্র্য বৃদ্ধি

কর্মসংস্থান

জ্বালানি ও বৈদেশিক অর্থনৈতিক চাপ

এগুলো বিএনপি সরকারের তৈরি সমস্যা নয়—বেশিরভাগই তারা উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে। কিন্তু সমাধান করার দায়িত্ব এখন তাদের। IMF-ও বলছে, ব্যাংকিং, রাজস্ব, মূল্যস্ফীতি ও কাঠামোগত সংস্কার এখনো জরুরি।

---

📊 তাহলে সবচেয়ে সহজ তুলনা কী?

বিষয় ২০০৯–২০২৩ ২০২৪–ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০২৬ বিএনপি সরকার

🛣️ অবকাঠামো ⭐⭐⭐⭐⭐ বড় উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা/ধীরগতি চলমান প্রকল্প ও নতুন নীতি
📈 GDP প্রবৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী কমে যায় পুনরুদ্ধারের চেষ্টা
⚡ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাপক সম্প্রসারণ সরবরাহ ও ব্যয় সমস্যা সংকট মোকাবিলা চলছে
🏦 ব্যাংকিং বড় দুর্বলতা তৈরি সংস্কার শুরু বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে
🛒 বাজারদর শেষ দিকে চাপ বাড়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হয়নি
🗳️ রাজনৈতিক পরিবেশ ব্যাপক বিতর্ক ও দমন অভিযোগ পরিবর্তন ও সংস্কারের সময় নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা
🏗️ দৃশ্যমান মেগা প্রকল্প সবচেয়ে শক্তিশালী সময় তুলনামূলক কম মূল্যায়নের জন্য সময় দরকার

---

🧠 আমার তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন

শেখ হাসিনা সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন:
👉 অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি এবং সামাজিক সূচকে দীর্ঘমেয়াদি উন্নতি।

সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা/সমালোচনা:
👉 ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, দুর্নীতির অভিযোগ, বৈষম্য এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হওয়া।

ইউনূস সরকারের সবচেয়ে বড় ভূমিকা:
👉 রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রকে চালু রাখা, নির্বাচনের পথ তৈরি করা এবং অর্থনৈতিক-প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শুরু করা।

সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা:
👉 অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড় করানো যায়নি; প্রবৃদ্ধি ও মানুষের জীবনযাত্রার চাপ বেড়েছে।

বিএনপি সরকারের বর্তমান অবস্থা:
👉 এখনো বিচার করার জন্য সময় খুব কম। কিছু সূচকে স্থিতিশীলতার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মূল্যায়ন হবে তারা মূল্যস্ফীতি কমাতে, কর্মসংস্থান বাড়াতে এবং ব্যাংকিং খাত ঠিক করতে পারে কি না—তার ওপর।

🔥 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্যটা হলো:

একটি সরকার ব্রিজ বানিয়েছে বলে দেশের সব সমস্যা সমাধান হয়ে যায় না। আবার কোনো সরকার সংস্কার শুরু করেছে বলে অর্থনীতি রাতারাতি ভালো হয়ে যায় না। বাংলাদেশের ২০০৯–২০২৬ সময়টাকে সবচেয়ে নিরপেক্ষভাবে দেখলে বলা যায়—দেশের অবকাঠামো ও অর্থনীতি বড় হয়েছে, কিন্তু সেই উন্নয়নের ভিতের মধ্যে কিছু গুরুতর দুর্বলতাও জমে ছিল; ২০২৪-এর পরিবর্তনের পর এখন সেই দুর্বলতাগুলো ঠিক করার পরীক্ষা চলছে।

04/08/2026

IBB fashion থেকে অর্ডার করতে ইনবক্সে করুন 01866649949 / 01915844849

01/01/2026

স্বামীর তৃতীয় বিয়ে খেয়ে বাসায় ফিরছিলাম। গাড়িতে চারটি সিট। পেছনের সিটে স্বামী, নতুন স্ত্রী আর দ্বিতীয় স্ত্রী বসে গেছে। তাই আমি বসলাম ড্রাইভারের পাশের সিটে। সারাটা সময় স্বামী আমার সাথে কোন কথা বললো না। ভাবলাম সালাসাতুনের এর সাথে ভাব জমাচ্ছে।

বাসায় ফিরে দেখি তাও কোন কথা বলছে না। অনেক্ষণ কাকুতিমিনতি করার পর বললো, "খুব তো বসে ছিলে ড্রাইভারের সাথে। তারই মাসানা হও।" আমি স্বামীকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলাম। অনেক্ষণ কান্নাকাটি করেও যখন লাভ হলো না, তখন বললাম "আপনার জন্য রুবায়া খুঁজে বের করেছি।" স্বামী সাথে সাথে আমাকে বুকে জড়িয়ে নিলো।

চতুর্থ স্ত্রীকে সাজাতে সাজাতে ভাবছি "একটা মানুষ এতজনকে ভালো কিভাবে বাসতে পারে?"

Category

Address


Road/5
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Watch Video posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.