Ezee Bazaar
All make-up items
available
what you need
04/07/2026
ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির গুঁড়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে, যেমন এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শোষণ করে, ব্রণ ও কালো দাগ দূর করে এবং ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে। এটি ত্বকের রোমকূপ শক্ত করতে, ট্যান কমাতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ করতে সাহায্য করে।
এটি সানবার্ন, র্যাশ ও প্রদাহ কমায় এবং ত্বকের মৃত কোষ দূর করে।
মুলতানি মাটির গুঁড়ার উপকারিতা
অতিরিক্ত তেল শোষণ:
মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নেয়, যা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
ব্রণ ও কালো দাগ দূরীকরণ:
এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ব্রণ এবং কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে।
গভীরভাবে পরিষ্কার:
এটি ত্বকের ছিদ্রের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও টক্সিন দূর করে ত্বককে পরিষ্কার করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি:
নিয়মিত ব্যবহারে এটি ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বককে সতেজ ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
মৃত কোষ অপসারণ:
এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে আরও মসৃণ করে তোলে।
সানবার্ন ও প্রদাহ কমানো:
সানবার্ন, র্যাশ ও প্রদাহ কমাতে এটি সাহায্য করে।
ট্যান দূর করা:
এটি ত্বকের ট্যান দূর করে এবং ত্বকের রঙের বৈষম্য কমায়।
ছিদ্র টাইট করা:
এটি ত্বকের ছিদ্রগুলোকে টাইট করতে সাহায্য করে।
কিভাবে ব্যবহার করবেন
ফেসপ্যাক:
মুলতানি মাটির সঙ্গে নিমপাতার গুঁড়ো বা হলুদ গুঁড়ো ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
মুখ ধোয়ার জন্য:
কিছু মুলতানি মাটির গুঁড়ো হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে মুখে মেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন।
04/07/2026
শিকাকাই (Shikakai) গুঁড়া শীতে চুলের যত্নে অত্যন্ত উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এটি চুল পরিষ্কার, কন্ডিশনিং এবং মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে।
শীতকালে শিকাকাই গুঁড়া ব্যবহারের প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
প্রাকৃতিক ক্লিনজার: শিকাকাই একটি মৃদু ও প্রাকৃতিক ক্লিনজার। এটি মাথার ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা দূর করে, কিন্তু শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক তেলগুলো বজায় রাখে, যা চুলকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে।
খুশকি প্রতিরোধ: শীতকালে অনেকেরই খুশকির সমস্যা বাড়ে। শিকাকাইয়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
চুলের কন্ডিশনিং: এটি চুলকে নরম ও রেশমী করে তোলে। শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহারের পর আলাদাভাবে কন্ডিশনার ব্যবহারের প্রয়োজন নাও হতে পারে। এটি চুলের জট ছাড়াতেও সাহায্য করে।
চুল পড়া রোধ: শিকাকাই মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে, যা শীতকালে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যকর মাথার ত্বক: এটি মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
PH ভারসাম্য বজায় রাখা: শিকাকাইয়ের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ (pH) ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শিকাকাই গুঁড়া সাধারণত পানি বা গোলাপ জলের সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করা যেতে পারে। ভালো ফলাফলের জন্য এটি মেথি বা আমলা গুঁড়ার সাথেও মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
Hair Growth with Shikakai | How to use Shikakai powder -
04/07/2026
চুলের যত্নে নিম কাঠের চিরুনির বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে, বিশেষ করে যখন এর প্রাকৃতিক উপাদান এবং গঠনগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করা হয়। এটি চুলের ফলিকলকে পুষ্টি জোগায় এবং প্লাস্টিকের চিরুনির তুলনায় এটি কম ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, যার ফলে চুল পড়া কম হয়।
চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে
চুল পড়া কমায়: নিম কাঠ প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত হওয়ায় এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
খুশকি প্রতিরোধ করে: নিমের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য মাথার ত্বককে সংক্রমণমুক্ত রাখে, খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি কমায়।
রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়: নিম চিরুনির দাঁত মাথার ত্বকে আলতো করে মালিশ করে, যা রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এবং চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।
ফ্রিজ কমায়: কাঠের চিরুনি প্লাস্টিকের চিরুনির মতো স্ট্যাটিক চার্জ তৈরি করে না। ফলে চুল কোঁকড়ানো বা ফ্রিজি হয় না এবং চুল মসৃণ ও সুন্দর দেখায়।
চুলের গঠন উন্নত করে
চুলের প্রাকৃতিক তেল বিতরণ করে: নিম চিরুনি মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল (সেবাম) সমানভাবে পুরো চুলে ছড়িয়ে দেয়, যা চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করে।
জট ছাড়াতে সাহায্য করে: কাঠের চিরুনির মসৃণ দাঁতগুলো চুলকে টেনে না ছিঁড়ে সহজে জট ছাড়াতে পারে, যা চুল ভাঙার ঝুঁকি কমায়।
পরিবেশগত সুবিধা
পরিবেশবান্ধব: নিম কাঠ একটি পরিবেশবান্ধব এবং জৈব-পচনশীল উপাদান। তাই এটি প্লাস্টিকের চিরুনির মতো পরিবেশের ক্ষতি করে না।
দীর্ঘস্থায়ী: ভালোভাবে তৈরি নিম কাঠের চিরুনি বেশ মজবুত এবং টেকসই হয়, যা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।
বাজারে প্রাপ্ত পণ্য
বাজারে বিভিন্ন ধরনের নিম কাঠের চিরুনি পাওয়া যায়। নিচে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
Keya Seth Aromatherapy-র নিম কাঠের চিরুনি: এই চিরুনিটি চওড়া দাঁতের এবং এটি খুশকি ও চুল পড়া কমানোর জন্য উপকারী।
Klassy Missy-র নিম কাঠের চিরুনি: এটি হাতে তৈরি এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এটি সব ধরনের চুলের জন্য উপযোগী।
Mata Neem Wood Comb: এটি রকমারি.কম-এ পাওয়া যায় এবং এটি স্ট্যাটিক প্রতিরোধক, যা চুলের ফ্রিজ কমায়।
Gentify Neem Wooden Comb: অ্যারোগা-তে পাওয়া এই চিরুনিটি চুল এবং দাড়ির যত্নের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রাকৃতিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল।
04/07/2026
গ্লোয়িং বা উজ্জ্বল ত্বক পেতে বিটরুট পাউডার অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (বেটালাইনস) রয়েছে। এটি ত্বকের কালচে ভাব দূর করে, প্রাকৃতিক গোলাপি আভা এনে দেয় এবং বলিরেখা ও ডার্ক সার্কেল কমাতে সাহায্য করে।
ত্বকের যত্নে বিটরুট পাউডারের প্রধান উপকারিতা
প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা: এটি ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়, যা ত্বককে ভেতর থেকে সতেজ ও উজ্জ্বল করে।
দাগ ও পিগমেন্টেশন দূর করে: বিটরুটের ভিটামিন সি ত্বকের রঞ্জকতা, ব্রণ এবং রোদে পোড়া দাগ (ট্যান) প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
ব্রণ নিয়ন্ত্রণ: এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও জীবাণুনাশক উপাদান ত্বককে বিষমুক্ত করে এবং ব্রণের সমস্যা কমায়।
ত্বকে আর্দ্রতা যোগায়: এটি ত্বককে হাইড্রেট বা আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক শুষ্ক হয় না এবং তারুণ্য ধরে রাখে।
04/07/2026
** জোজোবা অয়েল **
চুলের জন্য দুরন্ত কাজে দেয় জোজোবা তেল, কীভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নিন
Jojoba oil: আপনি যদি চুল পড়া এবং শুষ্ক খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকেন এবং অনেক প্রতিকারের চেষ্টা করেছেন ৷ তবে আপনি কি এর জন্য জোজোবা তেল ব্যবহার করেছেন ? যদি না হয়, তাহলে আপনার চুলের যত্নের রুটিনে এটি অন্তর্ভুক্ত করুন ৷ এটি কীভাবে ব্যবহার করবেন তা আগে জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
চুলের জন্য জোজোবা তেল ব্যবহার করতে চান
জোজোবা তেল শুধু চুলের শুষ্কতাই দূর করে না, এটি চুলের পুষ্টি, তাদের বৃদ্ধি, মাথার ত্বকের শুষ্কতা এবং খুশকি দূর করতেও সহায়ক ৷ তাই তেল বাছাই করার সময় এই সমস্ত গুণাবলি বিবেচনা করা জরুরি ৷ কিন্তু একই সঙ্গে এর গুণাগুণ সম্পর্কেও জেনে নিন । আপনার চুল এটি আপনার জন্য কোন তেল নির্বাচন করা সহজ করে তুলবে ।
যদি কেউ আপনাকে চুলের সৌন্দর্য এবং শক্তি বাড়াতে জোজোবা তেল ব্যবহার
04/07/2026
🌹-চুলের যত্নে মেরুন কালার মেহেদি অত্যন্ত কার্যকরী। এটি কোনো কৃত্রিম রাসায়নিক ছাড়াই চুলকে একটি সুন্দর মেরুন আভা দেওয়ার পাশাপাশি চুলের গোড়া মজবুত করে। পাকা চুল ঢাকতে এটি একটি দারুণ প্রাকৃতিক উপায়।মেরুন রঙের মেহেদি ব্যবহারের প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:প্রাকৃতিক কালার: সাধারণ মেহেদির কমলা রঙের পরিবর্তে এতে কফি, আমলকি, বা বিটের গুঁড়া মেশানো হলে চুলে চমৎকার মেরুন ও গাঢ় লালচে আভা আসে। এটি ক্ষতিকর রাসায়নিক ডাইয়ের একটি চমৎকার বিকল্প।চুলের বৃদ্ধি ও মজবুতি মেরুন কালার : মেহেদিতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান চুলের গোঁড়া শক্ত করে, চুল পড়া কমায় এবং চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করে।ডিপ কন্ডিশনিং: এটি চুলের আর্দ্রতা ধরে রেখে চুলকে সিল্কি ও মসৃণ করে। রুক্ষ ও শুষ্ক চুল ঠিক করতে এটি খুব ভালো কাজ করে।।
👍মাথার ত্বকের স্বাস্থ্য: মেরুন কালার মেহেদির অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ খুশকি ও মাথার ত্বকের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।অকালপক্বতা রোধ: মেহেদিতে প্রচুর পরিমাণে ট্যানিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা চুল পাকা রোধ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।আপনি কি জানতে চান কিভাবে মেহেদির সাথে কফি, চা-পাতা, বা বিটের রস মিশিয়ে চুলে একদম নিখুঁত মেরুন কালার আনা যায়?
New product by Ezee Bazar
04/07/2026
ত্বকের জন্য বেসন গুঁড়ার উপকারিতা হলো এটি ত্বককে গভীরভাবে পরিষ্কার করে, মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এটি ব্রণের দাগ, কালো দাগ এবং ট্যান দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া, বেসন ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ত্বককে মসৃণ ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
বেসনের প্রধান উপকারিতা:
গভীর পরিষ্কারকরণ: বেসন ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
মৃত কোষ দূরীকরণ: এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ করে তোলে।
ট্যান ও দাগ দূরীকরণ: সূর্যের পোড়া দাগ, কালো দাগ এবং ব্রণের দাগ কমাতে বেসন খুবই কার্যকর।
অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ: তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বেসন একটি দারুণ উপাদান। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: বেসন ত্বকের প্রাকৃতিক জেল্লা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে এবং ত্বককে আরও উজ্জ্বল ও মসৃণ করে তোলে।
বয়স বিরোধী প্রভাব: বেসন ত্বককে বার্ধক্য থেকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে।
ব্যবহারের টিপস:
ট্যান দূর করতে: টক দইয়ের সাথে বেসন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য: বেসন, লেবুর রস এবং দুধ বা দই মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
স্ক্রাবিংয়ের জন্য: বেসন গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো এবং গোলাপজল মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
04/07/2026
%- তুলসী বীজ-%
ঔষধি গুণে ভরপুর তুলসীর বীজ! রোজ খেলে কী কী উপকার মিলবে জানেন?
Tulsi Seeds Benefits: তুলসী পাতার যেমন গুণের শেষ নেই, ঠিক তেমনই এর বীজও কিন্তু অত্যন্ত উপকারী। বহু অসুখে দারুণ কাজ করে এই প্রাকৃতিক উপাদান। কোন কোন রোগে দূরে রাখে? কী ভাবে খাবেন? আসুন জানা যাক।
সেই আদিকাল থেকেই কিছু ঐতিহ্য আমাদের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে। আমরা গর্বের সঙ্গে তা পালনও করে চলেছি। এই যেমন তুলসীর ব্যবহারের কথাই ধরুন।
মনে রাখবেন, এই গাছের পাতার পাশাপাশি বীজেরও কিন্তু অনন্য কিছু গুণ রয়েছে। তাই আমাদের সকলেরই সেই দিকটাতেও নজর ফেরানো দরকার। কিন্তু আমাদের অজ্ঞানতায় এই বীজের গুণ রয়ে গিয়েছে অন্তরালে।
১. খনিজের ভাণ্ডার
চিকিৎসা বিজ্ঞান জানাচ্ছে, তুলসীর বীজ হল খনিজের ভাণ্ডার। এই বীজে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই প্রাকৃতিক উপাদান এক চামচ খেলে সারাদিনের ১০ শতাংশ ক্যালশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। তাই হাড়ের কোনও সমস্যা থাকলে অবশ্যই তুলসীর বীজ খেতে হবে। এতে মজুত থাকা ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম দুইই কিন্তু অস্থিকে শক্তিশালী করে তোলে। তাই যে কোনও বাতের ব্যথায় ভুক্তভোগীরা অবশ্যই নিয়মিত তুলসীর বীজ খান। এতেই সমস্যা হবে দূর।
২. ফাইবারে ভরপুর
ফাইবার নিয়ে এখন প্রতিনিয়ত আলোচনা হয়। এই উপাদানটি সুস্থ থাকার অন্যতম হাতিয়ার। তাই বিশেষজ্ঞরা এমন খাবার খেতে বলেন যাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে। এক্ষেত্রে তুলসীর বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার। এই ফাইবার ওজন কমাতে পারে, রক্তে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে, পেটের সমস্যা মেটায়, কোলেস্টেরল কমাতে পারে। তাই বুঝতেই পারছেন এই প্রাকৃতিক উপাদান নিয়মিত খেলে কত উপকারই না পাবেন!
৩. ওমেগা থ্রি-এর উৎস
আমাদের মধ্যে বেশিরভাগজনই ওমেগা থ্রি-এর উৎস হিসাবে কেবল মাছ ও বাদামের কথাই জানেন। শুনলে অবাক হবেন, আমাদের হাতের কাছে থাকা তুলসীর বীজেও কিন্তু রয়েছে বেশকিছুটা পরিমাণে ওমেগা থ্রি। হেলথলাইন জানাচ্ছে, ১ টেবিল চামচ তুলসীর বীজে রয়েছে প্রায় ২.৫ গ্রাম ওমেগা থ্রি। আর ওমেগা থ্রি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী, তা তো বলাই বাহুল্য। এই উপাদান দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে উপস্থিত থাকলে হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। এছাড়াও বহু রোগ থাকে দূরে।
৪. ডায়াবিটিসে কার্যকর-
ডায়াবিটিস রোগটি বিভিন্ন অঙ্গের গুরুতর ক্ষতি করে। বিশেষত, এদেশে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু কয়েক বছরে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, এই অসুখে আক্রান্ত অনেকেরই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। যে কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে চোখ, কিডনি, স্নায়ুতে। তবে চিন্তা নেই মশাই, ওষুধ যেমন খাচ্ছেন খেয়ে যান, এর পাশাপাশি খেতে পারেন তুলসীর বীজ। এই বীজে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৫. কী ভাবে খাবেন?
তুলসীর বীজ নানাভাবে খাওয়া যায়। এক্ষেত্রে সারারাত এই বীজ জলে ভিজিয়ে সকালে ছেঁকে নিয়ে সেই জলপান করতে পারেন। এছাড়া তুলসীর বীজ গুঁড়ো করে রান্নায় দিতে পারেন। চাইলে বিভিন্ন পানীয়তে তুলসীর বীজের কয়েকটি দানা ছড়িয়ে পান করতে পারেন। এতে ভিন্নরকম এক স্বাদ পাবেন, আর শরীরও থাকবে ফিট। তাই এই ভেষজকে অবহেলা করার ভুল করবেন আর না যেন।
04/07/2026
%- কস্তুরী হলুদ গুঁড়া-%
কাস্তুরি হলুদ দিয়ে ৫টি অসাধারণ ফেসিয়াল প্যাক। ব্যবহার: মুখে মেখে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ৫. Anti-Aging Pack. উপকরণ: ১ চিমটি হলুদ + ১ চা চামচ কলা পেস্ট + ১ চা চামচ দুধ ব্যবহার: মুখে মেখে ১৫-২০ মিনিট রাখুন।
nul
Wild Turmeric (Kasturi Holud) - কস্তুরি হলুদ
"কস্তরি হলুদগুড়ার উপকারিতা: প্রাচীন আয়ুর্বেদ রূপচর্চায় ব্যবহৃত খুবই জনপ্রিয় উপাদান কস্তরি হলুদ। এছাড়াও এটি ত্বক ফর্সা করে চোখে পড়ার মতো। ব্যবহার বিধি: পরি...
গ্রুপচর্চায় আদি এবং অকৃত্রিম উপকরণ হিসেবে কাচাঁ হলুদের কদর বেশ জনপ্রিয়। তবে কাচাঁ হলুদের থেকেও কস্তুরী হলুদ রুপচর্চায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে
মুখের জন্য বুনো হলুদ গুঁড়ো, ত্বকের জন্য সেরা এবং মুখের মুখ (সাদা করার জন্য কস্তুরী হলুদ ফেস প্যাক ব্যবহার করুন।
বন্য কস্তুরী হলুদ মূলত প্রসাধনী সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর ফেসিয়াল মাস্ক উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো, অবাঞ্ছিত মুখের লোম দূর করতে সহায়ক।
কস্তুরী হলুদ গুঁড়া এবং মধুর ফেস মাস্ক: উজ্জ্বল এবং ... এর জন্য একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার।
কস্তুরী হলুদ ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে, লালচে ভাব কমাতে এবং ত্বকের রঙ সমান করতে সাহায্য করে। মধু ত্বক পরিষ্কার এবং পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে ।
কস্তুরী হলুদ গুঁড়া ব্যবহার করলে মুখ উজ্জ্বল হতে পারে; এখানে জেনে নিন ...
আপনার মুখকে দাগহীন এবং উজ্জ্বল করতে আপনি কস্তুরী হলুদ গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন। কস্তুরী হলুদ তার শক্তিশালী সুগন্ধের জন্য পরিচিত। এটা প্রসাধনী জন্য অনণ্য।
কস্তরি হলুদ গুঁড়া┇ব্যবহার ও উপকারিতা ┇
কস্তুরি হলুদেই ত্বক হবে উজ্জ্বল, দাগহীন! দেখে নিন ব্যবহারের ফলাফল
ফেস ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার বা ফেস সিরাম লাগান। আপনার যদি শুষ্ক ত্বক হয় তাহলে এই ফেস প্যাকটি লাগানোর পর ত্বক ময়েশ্চারাইজ হবে। সপ্তাহে দুই বা তিনবার এই ফেস প্যাক ব্যবহার করবেন।
কস্তুরী হলুদ গুঁড়া কি সত্যিই ত্বক সাদা করে ? প্রাকৃতিক সাদা করার পদ্ধতিগুলি অন্বেষণ করা
কস্তুরী হলুদ গুঁড়া ত্বককে বেশিরভাগ ব্লিচের মতো ব্লিচ করে না। তবে, এটি আসলে কালো দাগ হালকা করতে পারে এবং এর প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
কস্তুরী হলুদ গুঁড়া বা ওয়াইল্ড টার্মেরিক ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী হলেও কিছু নিয়ম মেনে এটি ব্যবহার করতে হয়। কস্তুরী হলুদ কখনোই শুধু মাত্র একক উপাদান হিসেবে সরাসরি ব্যবহার করবেন না।
Ezee Bazaar
04/07/2026
ল্যাভেন্ডার অয়েল
ত্বক এবং চুলে ল্যাভেন্ডার অ্যাসেনশিয়াল অয়েল কিন্তু বহুকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের যত্ন হোক কিংবা চুলের যত্ন কোন ক্ষেত্রেই জুড়ি নেই এই ল্যাভেন্ডার অয়েলের। শুধুমাত্র যে এটার ঘ্রাণ অনেক বেশি ভালো তাই নয়। ঘ্রাণের সাথে সাথে এটির কার্যকারিতাও কিন্তু অনেক বেশি। ত্বকের নানাধরনের সমস্যার সমাধান করে থাকে এই অ্যাসেনশিয়াল অয়েলটি। ব্রনের সমস্যা, লার্জ-পোরস, শুষ্কভাব এমন নানা ধরনের সমাধান কিন্তু পাওয়া যায় ল্যাভেন্ডার অয়েল-এই। হেয়ার গ্রোথ এবং হেলদি স্ক্যাল্পের জন্যেও ল্যাভেন্ডার অয়েলের রয়েছে বহু ব্যবহার। তাই আজ আমি আপনাদের সাথে ল্যাভেন্ডার অয়েলের কিছু গুণাবলি শেয়ার করবো। নিঃসন্দেহে ত্বক এবং চুল ভালো রাখতে এই অয়েলটির কোন ত্রুটি নেই। তাহলে আসুন জেনে নেই, ত্বক এবং চুলের যত্নে অ্যাসেনশিয়াল অয়েলের কিছু ব্যবহার এবং উপকারিতা। তাহলে জেনে নেয়া যাক ল্যাভেন্ডার অয়েলের গুণাগুণ এবং এর কিছু ব্যবহার-
***রাতে অনেকেই ঠিক করে ঘুমাতে পারেন না। নানা ধরনের সমস্যার কারণে অনেকেরই এমনটা হয়। ঘুম আসলেও দেখা যায় মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়। আর এসকল সমস্যার সমাধানে ল্যাভেন্ডার অয়েল অনেক বেশি উপকারী।
(২) প্রায় সব মেয়েদের যেই সমস্যাটা অনেক বেশি থাকে সেটা হল চুল পড়া। আর এই সমস্যার সমাধানে ল্যাভেন্ডার অয়েলের ভূমিকা অনেক। হেয়ার গ্রোথে অনেক সাহায্য করে।
(৩) ব্যথা নিরাময়েও ল্যাভেন্ডার অয়েল অনেক বেশি উপকারী।
(৪) কোথাও কেটে গেলে সাথে সাথে রক্ত বন্ধ করার জন্য ল্যাভেন্ডার অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
(৫) পুড়ে যাওয়া স্থানে সাথে সাথে ২-৩ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল লাগালে ব্যথাও কমে যায় আবার তাপের জন্য যে কষ্টটা পাওয়া যায় সেটাও কমে যায়।
(৬) স্কিনের ইরিটেশনের জন্যে ১-২ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল ঐ স্থানে ব্যবহার করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে ইরিটেশন কমে গিয়েছে।
(৭) খুশকি দূর করার জন্যে অলিভ অয়েল/আরগান অয়েল ১০-১২সেকেন্ড গরম করে তার মধ্যে ১০-১৫ফোটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে ৫মিনিটের মতো সময় ধরে আপনার স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন।
(৮) ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে ল্যাভেন্ডার অয়েল ব্যবহার করুন। মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে শুধু ল্যাভেন্ডার অয়েল লাগান অথবা ময়েশ্চারাইজার এর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mirpur 1
Dhaka
