Design collection

Design collection

Share

canada I provide and suggested If you need quality full
dress ofcourse you purchase from Design collection. Its a large trusted page.

11/06/2026

আমরা এমন একটা জাতি খুবই ইমোশনাল আমরা মুভি দেখে কান্না করি আর বিডিও দেখে সেড রিয়েক্ট দেই অথচ আমরা কি আমাদের আশপাশের মানুষের প্রতি কতটা লয়াল আমাদের কিন্তু সবাইকে সহমর্মিতা দেখানো লাগবে না আমরা যদি খুব সামান্য কিছুসংখ্যক মানুষের কাছে গিয়ে তাদের একটু খোঁজখবর নিতে পারি সে হতে পারে আমার আমার বাবামা ভাইবোন এমনকি আরো যারা আছেন তাহলেই হবে । আমাদের দরকার নাই গোটা জাতির জন্য চিন্তা করে সেড রিয়েক্ট দেওয়ার। সেড রিয়েক্ট দিয়ে আমরাতো মনে করি আমাদের দায়িত্ব এখানেই শেষ

03/06/2026
23/05/2026

হতাশ হয়ে পড়েছিলাম, ভেঙে পড়েছিলাম…
তারপর শুনলাম — Surah Al-Anfal এর ৭০ নং আয়াত!

“হে নবী! তোমাদের হাতে যে বন্দীরা আছে তাদের বলে দিন, আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে কল্যাণ দেখেন, তবে তিনি তোমাদেরকে তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করবেন যা তোমাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং তিনি তোমাদের ক্ষমা করবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
— (সূরা আনফাল: ৭০)

এই আয়াত শুধু যুদ্ধবন্দীদের জন্য নয়, বরং প্রতিটি ভাঙা হৃদয়ের মানুষের জন্য এক বিশাল সান্ত্বনা।
যে মানুষ হারিয়েছে, কেঁদেছে, ঠকেছে, ব্যর্থ হয়েছে— আল্লাহ তাকে বলছেন:

“তুমি যা হারিয়েছ, আমি চাইলে তার চেয়েও উত্তম কিছু দিতে পারি।”

✅ আয়াতটির গভীর শিক্ষা

১. আল্লাহ কখনো শুধু কেড়ে নেন না
আমরা যখন কিছু হারাই—
সম্পর্ক, অর্থ, সম্মান, সুযোগ কিংবা প্রিয় মানুষ— তখন মনে হয় সব শেষ।

🌿 কিন্তু এই আয়াত শেখায়:

▪️আল্লাহ কোনো কিছু বিনা কারণে নেন না।
▪️তিনি কখনো ক্ষতি দিয়ে শেষ করেন না।
▪️অনেক সময় কষ্টের আড়ালেই থাকে সবচেয়ে বড় রহমত।

আজ যা হারিয়েছেন, হয়তো কাল সেটাই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামতের দরজা খুলে দেবে।

২. অন্তর ভালো হলে আল্লাহ পরিস্থিতি বদলে দেন

আয়াতে এসেছে:
“আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে কল্যাণ দেখেন…”

🌿 অর্থাৎ—

▪️আপনার নিয়ত ভালো হলে,
▪️আপনি আল্লাহর দিকে ফিরে এলে,
▪️তাওবা করলে,
▪️ধৈর্য ধরলে,

তাহলে আল্লাহ আপনার ভাগ্যও বদলে দিতে পারেন।
মানুষ বাহ্যিক অবস্থা দেখে,
কিন্তু আল্লাহ দেখেন হৃদয়।

৩. হারানোর পরেও নতুন শুরু সম্ভব

🌿 অনেকেই মনে করেন:

▪️“আমার জীবন শেষ”
▪️“আমি আর পারবো না”
▪️“সব শেষ হয়ে গেছে”

কিন্তু কুরআন বলে— আল্লাহ চাইলে ধ্বংসস্তূপ থেকেও নতুন জীবন তৈরি করতে পারেন।

যে রব শুকনো জমিনে বৃষ্টি নামিয়ে সবুজ করেন,
তিনি ভাঙা হৃদয়েও শান্তি ফিরিয়ে দিতে পারেন।

৪. আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিতে ভালোবাসেন

এই আয়াতে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন:
"তিনি তার চেয়েও উত্তম কিছু দান করবেন…"

🌿 কখনো:

▪️হারানো মানুষের বদলে ভালো মানুষ,
▪️ব্যর্থতার বদলে সফলতা,
▪️কষ্টের বদলে প্রশান্তি,
▪️চোখের জলের বদলে সম্মান,
▪️দুঃখের বদলে বারাকাহ দান করেন।

তাই দেরি হলেও হতাশ হওয়া যাবে না।

৫. ক্ষমা ও রহমতের দরজা সবসময় খোলা

আয়াতের শেষ অংশ:
“আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
এটাই সবচেয়ে বড় আশ্বাস।

🌿 আপনি যত ভুলই করে থাকুন না কেন—

▪️তাওবা করলে,
▪️ফিরে এলে,
▪️আল্লাহকে ডাকলে,

আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না।
Sahih Muslim এ এসেছে, আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় এত বেশি খুশি হন, যেমন মরুভূমিতে হারানো উট ফিরে পেয়ে একজন মানুষ আনন্দিত হয়।

✅ যখন খুব ভেঙে পড়বেন, তখন এই কথাগুলো মনে রাখবেন

▪️আল্লাহ আপনাকে ভুলে যাননি।
▪️দেরি মানেই প্রত্যাখ্যান নয়।
▪️কষ্ট মানেই শাস্তি নয়।
▪️হয়তো আল্লাহ আপনাকে আরও সুন্দর কিছুর জন্য প্রস্তুত করছেন।

✅ করণীয় কী?

🌿 বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন
বলুন:
“আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি”

🌿 তাহাজ্জুদে কাঁদুন
রাতের নিরবতায় আল্লাহর কাছে নিজের কষ্ট খুলে বলুন।

🌿 কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়ান
বিশেষ করে Surah Ad-Duha ও Surah Ash-Sharh পড়ুন।

🌿 আশা হারাবেন না
কারণ আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।”
— Surah Ash-Sharh

✅ শেষ কথা

হয়তো আজ আপনি ভেঙে পড়েছেন…
কিন্তু মনে রাখবেন:

আল্লাহ যখন কোনো দরজা বন্ধ করেন, তখন তার চেয়েও উত্তম দরজা খুলে দেওয়ার পরিকল্পনাও করেন।

তাই হতাশ হবেন না।
আপনার রব এখনও সবকিছু ঠিক করে দিতে পারে। আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন।

25/04/2026

আসসালামু আলাইকুম আমি খুব তাড়াতাড়ি লাইভে আসব, সবাই কেমন আছেন?

20/03/2026

17/03/2026

আল্লাহ এই শবেকদর উছিলায় সবার দোয়া কবুল করো মালিক । আমিন

17/02/2026

সম্রাট আকবর নিজের জীবনের বিনিময়ে সন্তানের জন্য জীবন চেয়েছিলেন এবং মহান আল্লাহতায়ালস তা কবুল করেন
আরেকটা ঘটনা পড়ুন
আসলে বাবার বিশ্বাস বড়ই কঠিন
ডাক্তাররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন— ‘আপনার ছেলে আর ফিরবে না। ও 'ব্রেন ডেড' (Brain Dead)। লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

ঘটনাটি ২০১৫ সালের। টেক্সাসের এক হাসপাতালে ২৭ বছরের তরুণ জর্জ পিকারিং (জুনিয়র) ম্যাসিভ স্ট্রোক করে কোমায় চলে যায়। ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঘোষণা দেন, তার মস্তিষ্ক আর কাজ করছে না। তারা ‘টার্মিনাল উইনিং’ বা লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

কিন্তু বাবা জর্জ পিকারিং (সিনিয়র) এটা মানতে পারছিলেন না। তাঁর মনে হচ্ছিল, কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। ছেলের হার্টবিট তখনো চলছে, শরীর উষ্ণ। তিনি ডাক্তারদের কাছে আরও একটু সময় ভিক্ষা চাইলেন। কিন্তু হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী, ‘ব্রেন ডেড’ রোগীর লাইফ সাপোর্ট বেশিক্ষণ রাখা যায় না।

উপায় না দেখে মরিয়া হয়ে উঠলেন বাবা। তিনি
পি/স্ত/ল হাতে সোজা আইসিইউ-তে ঢুকে পড়েন এবং ডাক্তারদের হু/ম/কি দেন— ছেলে পুরোপুরি মা/রা না যাওয়া পর্যন্ত কেউ যেন মেশিনে হাত না দেয়! পুলিশ এসে পুরো হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। প্রায় তিন ঘণ্টা চলে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।

ঠিক সেই উত্তপ্ত মুহূর্তেই ঘটে মিরাকল!
বাবা তাঁর ছেলের হাত ধরে বারবার ডাকছিলেন। হঠাৎ তিনি অনুভব করলেন, ছেলে তাঁর হাতে আলতো করে চাপ দিচ্ছে। ডাক্তাররা প্রথমে বিশ্বাস করেননি, কিন্তু বাবার জেদের কাছে হার মেনে আবার চেক করেন। দেখা যায়, ছেলে সত্যিই সাড়া দিচ্ছে! অর্থাৎ, সে 'ব্রেন ডেড' ছিল না, বরং গভীর কোমায় ছিল।

ছেলের জ্ঞান ফেরার পর বাবা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর জেল হয়েছিল। কিন্তু কারাগার থেকে তিনি যখন বের হন, তখন তাঁকে রিসিভ করতে এসেছিল তাঁর সেই ছেলে— যাকে পৃথিবী মৃ/ত ঘোষণা করেছিল! ছেলেটি এখন পুরোপুরি সুস্থ।

সায়েন্স বা মেশিন সব সময় শেষ কথা বলে না, কখনও কখনও ভালোবাসার বিশ্বাস মেশিনের রিডিংকেও ভুল প্রমাণ করে দেয়। ❤️👨‍👦

15/02/2026

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Shantinagar
Dhaka