Error100
ভীষণ দম্ভ তোমার,নিজেকে বলো অন্তর্যামী;
খবর রেখেছো আদৌ? কতটা কেঁদেছি আমি!
29/06/2024
কার কার লাগবে? 😃🤣
29/06/2024
বিভিন্ন লিগের জন্য বিসিবি এনওসি দিয়েছে যেসব ক্রিকেটারদের🇱🇰🇺🇲🇨🇦
এলপিএল 🇱🇰 (জুলাই ১-২১)
◾তাসকিন আহমেদ ➡️ কলোম্ব স্ট্রাইকার্স
◾তাওহীদ হৃদয় ➡️ ডাম্বুলা সিক্সার্স
◾মোস্তাফিজুর রহমান ➡️ ডাম্বুলা সিক্সার্স
এমএলসি 🇺🇲 ( জুলাই ৬-২৯)
◾সাকিব আল হাসান ➡️ লস অ্যাঞ্জেলেস কিংস রাইডার্স
গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি 🇨🇦 (জুলাই ২৫ - আগস্ট ১১)
◾সাকিব আল হাসান ➡️ বাংলা টাইগার্স মিসোসিয়াগা
◾রিশাদ হোসাইন ➡️ টরন্টো ন্যাশনলস
◾শরিফুল ইসলাম ➡️ বাংলা টাইগার্স মিসোসিয়াগা
◾মোহাম্মাদ সাইফুদ্দিন ➡️ মন্ট্রিল টাইগার্স
আফগানিস্তান সিরিজ বাতিল করে খেলোয়াড়দের লিগ খেলার জন্য এনওসি দেওয়ার উদ্যোগের জন্য বিসিবিকে সাধুবাদ জানাই 👏
এতো দিনে বিসিবি একটা ভালো উদ্যোগ নিয়েছে! কি বলেন আপনারা?
শুভ কামনা রইল ❤️
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
এর মাত্রা ছিল ৫.৬
18/05/2024
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’
মে মাসের শেষের দিকে আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’। ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম বাংলা ও বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়ার অধিদপ্তর।
#ঘূর্ণিঝড় #রেমাল
01/04/2024
ইসলামের আগে কি যাকাত দেয়ার ব্যবস্থা চালু ছিল ?
বাংলাদেশে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা ৩১ লাখ ৯০ হাজার বেশি !
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে বলেন, আর যতক্ষণ না ভোরের সাদা রেখা কালো রেখা থেকে পৃথক হয়ে যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা খাও ও পান করো। তারপর রাতের আগমন পর্যন্ত রোজা পূর্ণ করো। (সুরা বাকারা: আয়াত- ১৮৭)
কেউ দুর্বল হলেও নম্রতার কারণে এগিয়ে যায়। আর কেউ মেধাবী হলেও বেয়াদবির কারণে ধ্বংস হয়ে যায়।
10/02/2024
আয়না – জসীম উদ্দীন
এক চাষী খেতে ধান কাটিতে কাটিতে একখানা আয়না কুড়াইয়া পাইল। তখন এদেশে আয়নার চলন হয় নাই। কাহারও বাড়িতে একখানা আয়না কেহ দেখে নাই। এক কাবুলিওলার ঝুলি হইতে কি করিয়া আয়নাখানা মাঠের মাঝে পড়িয়া গিয়াছিল। আয়নাখানা পাইয়া চাষী হাতে লইল। হঠাৎ তাহার উপরে নজর দিতেই দেখে, আয়নার ভিতর মানুষ! আহা-হা, এ যে তাহার বাপজানের চেহারা!
বহুদিন তার বাপ মারা গিয়াছে। আজ বড় হইয়া চাষীর নিজের চেহারাই তার বাপের মতো হইয়াছে। সব ছেলেই বড় হইয়া কতকটা বাপের মতো চেহারা পায়। তাই আয়নায় তাহার নিজের চেহারা দেখিয়াই চাষী ভাবিল, সে তাহার বাবাকে দেখিতেছে। তখন আয়নাখানাকে কপালে তুলিয়া সে সালাম করিল।—মুখে লইয়া চুমো দিল। “আহা বাপজান! তুমি আসমান হইতে নামিয়া আসিয়া আমার ধান-খেতের মধ্যে লুকাইয়া আছ! বাজান—বাজান!— ও বাজান!”
চাষী এইভাবে কথা কয় আর আয়নার দিকে চায়। আয়নার ভিতর তাহার বাপজান কতই ভঙ্গি করিয়া চায়।
চাষী বলে, “বাপজান! তুমি ত মরিয়া গেলে। তোমার খেত ভরিয়া আমি সোনাদিঘা ধান বুনিয়াছি, শাইল ধান বুনিয়াছি। দেখ দেখ বাজান! কেমন তারা রোদে ঝলমল করিতেছে। তোমার মরার পর বাড়িতে মাত্র একখানা ঘর ছিল। আমি তিনখানা ঘর তৈরি করিয়াছি। বাজান!—আমার সোনার বাজান! আমার মানিক বাজান!”
সেদিন চাষী আর কোনো কাজই করিল না। আয়নাখানা হাতে লইয়া তার সবগুলি খেতে ঘুরিয়া বেড়াইল। সাঁঝ হইলে বাড়ি আসিয়া আয়নাখানাকে কোথায় রাখে! সে গরিব মানুষ। তাহার বাড়িতে ত কোনো বাক্স নাই! সে পানির কলসির ভিতর আয়নাখানাকে লুকাইয়া রাখিল।
পরদিন চাষী এ কাজ করে, ও কাজ করে, দৌড়াইয়া বাড়ি আসে। এখানে যায়, সেখানে যায়, আর দৌড়াইয়া বাড়ি আসে। পানির কলসির ভিতর হইতে সেই আয়নাখানা বাহির করিয়া নাড়িয়া চাড়িয়া দেখে, আর কত রকমের কথা বলে! “বাজান!—আমার বাজান!—তোমাকে একলা রাখিয়া আমি এ কাজে যাই—ও কাজে যাই, তুমি রাগ করিও না। দেখ বাজান! যদি আমি ভালমতো কাজ-কাম না করি তবে আমরা খাইব কি?”
চাষার বউ ভাবে, “দেখরে। এতদিন আমার সোয়ামি আমার সাথে কত কথা বলিত, কত হাসি-তামাশা করিয়া এটা-ওটা চাহিত, কিন্তু আজ কয়দিন আমার সাথে একটাও কথা বলে না। পানির কলসি হইতে কি যেন বাহির করিয়া দেখে, আর আবল-তাবল বকে, ইহার কারণ কি?”
সেদিন চাষী খেতখামারের কাজে মাঠে গিয়াছে। চাষীর বউ গোপনে গোপনে পানির কলসি হইতে সেই আয়নাখানা বাহির করিয়া তাহার দিকে চাহিয়া রাগে আগুন হইয়া উঠিল। আয়নার উপর তার নিজেরই ছায়া পড়িয়াছিল; কিন্তু সে ত কোনোদিন আয়নায় নিজের চেহারা দেখে নাই। সে মনে করিল, তার সোয়ামি আর একটি মেয়েকে বিবাহ করিয়া আনিয়া এই পানির কলসির ভিতর লুকাইয়া রাখিয়াছে। সেইজন্য আজ কয়দিন তার স্বামী তার সাথে কোনোই কথা বলিতেছে না। যখনই অবসর পায় ওই মেয়েটির সাথে কথা বলে।
“আসুক আগে মিন্সে বাড়ি। আজ দেখাইব এর মজা!” একটি ঝাঁটা হাতে লইয়া বউ রাগে ফুলিতে লাগিল; আর যে যে কড়া কথা সোয়ামিকে শুনাইবে, মনে মনে আওড়াইয়া তাহাতে শাণ দিতে লাগিল।
দুপুরবেলা মাঠের কাজে হয়রান হইয়া, রোদে ঘামিয়া, চাষী যখন ঘরে ফিরিল; চাষার বউ ঝাঁটা হাতে লইয়া তাড়িয়া আসিল, “ওরে গোলাম, তোর এই কাজ? একটা কাকে বিবাহ করিয়া আনিয়াছিস?” এই বলিয়া আয়নাখানা চাষীর সামনে ছুড়িয়া মারিল।
“কর কি?—কর কি?—ও যে আমার বাজান!” অতি আদরের সাথে সে আয়নাখানা কুড়াইয়া লইল।
“দেখাই আগে তোর বাজান!” এই বলিয়া ঝটকা দিয়া আয়নাখানা টানিয়া লইয়া বলিল, “দেখ্ ত মিন্সে! এর ভিতর কোন মেয়েলোক বসিয়া আছে? এ তোর নতুন বউ কি না?”
চাষী বলে, “তুমি কি পাগল হইলে? এ যে আমার বাজান!”
“ওরে গোলাম! ওরে নফর! তবু বলিস তোর বাজান! তোর বাজানের কি গলায় হাসলি, নাকে নথ আর কপালে টিপ আছে নাকি?” বউ আরও জোরে চিৎকার করিয়া উঠিল।
ও বাড়ির বড় বউ বেড়াইতে আসিয়াছিল। মাথায় আধঘোমটা দিয়া বলিল, ‘কিলো, তোদের বাড়ি এত ঝগড়া কিসের? তোদের ত কত মিল। একদিনও কোনো কথা কাটাকাটি শুনি নাই।”
চাষীর বউ আগাইয়া আসিয়া বলিল,—“দেখ বুবুজান! আমাদের মিন্সে আর একটা বউ বিবাহ করিয়া আনিয়া পানির কলসির ভিতর লুকাইয়া রাখিয়াছিল। ওই সতীনের মেয়ে সতীনকে আমি পা দিয়া পিষিয়া ফেলিব না? দেখ দেখ, বুবুজান! এই আয়নার ভিতর কে?”
ও বাড়ির বড় বউ আসিয়া সেই আয়নার উপরে মুখ দিল! তখন দেখা গেল আয়নার ভিতরে দুইজনের মুখ। ও বাড়ির বড় বউ বলিল, “এত ত তোর চেহারা। আর একজন কার চেহারাও যেন দেখিতে পাইতেছি।”
চাষী বলিল, “কি বলেন বুবুজান, এর ভিতর আমার বাপজানের চেহারা।”
এই বলিয়া চাষী আসিয়া আয়নার উপরে মুখ দিল। তখন তিনজনের চেহারাই দেখা গেল। তাহাদের কলরব শুনিয়া ও বাড়ির ছোট বউ, সে বাড়ির মেজো বউ আসিল, আরফানের মা, রহমানের বোন, আনোয়ারার নানী আসিল। যে আয়নার উপরে মুখ দেয়, তাহারি চেহারা আয়নায় দেখা যায়—এ ত বড় তেলেছমাতির কথা!
শেনাশোন এই কথা এ গাঁয়ে সে গাঁয়ে রটিয়া গেল। এদেশ হইতে ওদেশ হইতে লোক ছুটিয়া আসিল সেই যাদুর তেলেছমাতি দেখিতে। তারপর ধীরে ধীরে লোকে বুঝিতে পারিল, সেটা আয়না।
বোকা পুরুষরা বউ নিয়ে বাণিজ্য মেলায় যায়। আর বুদ্ধিমান পুরুষরা বউ নিয়ে বইমেলায় যায়।
27/10/2023
এই নগ্ন নগরীতে ঈমান বাঁচিয়ে রাখা বড্ড কঠিন।😵
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Error100 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Subscribe
We will notify you when anything happens in Dhaka.