ovizat.com
Health and beauty products
02/07/2026
বিজ্ঞান মহলে রীতিমত হইচই ফেলে দেন, খেয়ালি বিজ্ঞানি রবার্ট হুক। তার বয়স ৩০ বছর। ১৬৬৫ সালে লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটিতে একটি আবিস্কার তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কর্ক গাছের আণুবীক্ষণিক জগত ছোট ছোট প্রকোষ্ঠ দিয়ে গঠিত। চৌকোণ আকৃতির এই প্রকোষ্ঠ কে তিনি নাম দেন, সন্ন্যাসিদের থাকার ঘর। অর্থাৎ Cell.
এখন বাংলায় আমরা যাকে বলি 'কোষ'। তিনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন শুকনো কর্ক গাছের পাতলা বাকল নিয়ে। পরবর্তীতে অ্যান্টনি ভ্যান লেভেনহুক জীবিত কোষ ব্যাকটেরিয়া প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন। এতে তিনি ব্যবহার করেন উন্নত মাইক্রোস্কোপ।
তারপর বিজ্ঞান দ্রুত এগোয়। আমরা মানব কোষ সম্পর্কে জানতে পারি। ৩০-৪০ ট্রিলিয়ন কোষ নিয়ে মানব শরীর গঠিত। কোষ সুস্থ থাকলে আমরা সুস্থ থাকি। মজার ব্যাপার, প্রতিদিন প্রায় ২০ বিলিয়ন কোষ শরীর থেকে ঝরে যায়। আবার নতুন করে ২০ বিলিয়ন কোষ তৈরি হয়।
শরীরের বেশিরভাগ কোষেরই একটা নির্দিষ্ট আয়ু থাকে এবং তা প্রতিনিয়ত নতুন কোষে প্রতিস্থাপিত হয়। পুরো বছর ভাঙাগড়ার খেলা চলে। শরীরের একটা বড় অংশই একদম নতুন কোষে রূপ নেয়।
আমরা সুস্থ থাকব নাকি অসুস্থ হব, তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার উপর। নতুন কোষ গুলোকে আপনি কতটা পুষ্টি দিচ্ছেন। স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শরীরে সুস্থ কোষ তৈরি হবে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। তাই অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন। আজ থেকে সচেতন হলে আগামী বছর এই দিনে নিজেকে আরও অনেক বেশি সুস্থ ও প্রাণবন্ত মানুষ হিসেবে আবিষ্কার করতে পারবেন।
তথ্য টি স্বাস্থ্য সচেতনায় গুরুত্বপূর্ণ, শেয়ার করতে পারেন।
30/06/2026
মেলাটোনিন হলো 'ঘুমের হরমোন'। এটি মূলত মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি (Pineal Gland) থেকে নিঃসৃত হয়। এর নিঃসরণ আলোর ওপর নির্ভরশীল।আলো কমলে নিঃসরণ শুরু হয় এবং আলো বাড়লে বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমানোর পূর্বে রুম অন্ধকার করে ফেলুন।
29/06/2026
আপনার ছেলে বা মেয়ে কি বয়সে তরুন ? একটু খেয়াল করুন। দেখবেন তাদের হাতের নাগালে ভালো লাগার সবকিছু আছে। তারা মন চাইলেই খেতে পারছে যে কোন ফাস্ট ফুড। বাহারি রঙ, নানান রকম স্বাদের খাবার। এখন শুধু শহরে নয় গ্রামেও আছে এসব খাবারের দোকান। নেট দুনিয়ার তাবৎ বিনোদন হাতের মুঠোয়।
এত এত ভালো লাগার জিনিস থাকার পরেও দিনশেষে তাদের ভাল্লাগে না। কিছুই ভাল্লাগেনা। রাতের ঘুম দেরিতে আসে। বিষয় টা এখন বড়দের মাঝেও দেখা যাচ্ছে ব্যাপকভাবে। তবে কি আমাদের নতুন পথ খুজতে হবে ?
একটি পথ পেয়েছেন সিলিকন ভ্যালির বাঘা বাঘা নির্বাহীরা। তারা করছেন 'ডোপামিন ফাস্টিং'।
ডোপামিন ফাস্টিং জিনিস টা আসলে কি?
আমেরিকান ব্যবসায়ী জেমস সিনকার মতে, এটি হলো আধুনিক জীবনের সেই সব উপাদান থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখা যা মস্তিষ্কে ডোপামিন ছড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে রয়েছে -
সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার বন্ধ রাখা। খাবার ও মানুষের সাথে যোগাযোগ থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়া।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং 'ডোপামিন নেশন' বইয়ের লেখক অ্যানি লেম্বকে দারুণ একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলছেন:
"আমরা মনে করি সবসময় যা চাই তা পেলেই জীবন সুখের হবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে তার উল্টো।"
অতিরিক্ত প্রাচুর্য বিশ্ব মানবতার ওপর এমন চাপ তৈরি করছে যা আগে কখনো ছিল না। আগে স্মার্ট ফোন ছিলনা। সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না।
সপ্তাহে অন্তত একদিন ডোপামিন ফাস্টিং করুন। সারাদিন নিজেকে ফোন থেকে দূরে রাখবেন। ওইদিন অফিসিয়াল যোগাযোগ করবেন না। বাসায় সময় কাটান। ঘরদোর পরিস্কার করুন। গাছ থাকলে পরিচর্যা করুন। প্রাণী পালন করতে পারেন। বই পড়া দারুণ কাজে দেবে।
একমাসেই নিজের মাঝে এক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
পোস্ট টি সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই শেয়ার করে দিন।
28/06/2026
পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা, বাসার খাবার খেলেও পেট ফুলে যায়। নিয়মিত পুদিনা পাতা খান। এটি হজম প্রক্রিয়ার উপর ব্যাপক প্রভাব রাখে বলে যুগ যুগ ধরে পরিচিত।
28/06/2026
বাড়িতে ঈদের ছুটিতে একটি ফার্মেসির সামনে বসতাম। বড় ফার্মেসি। পাইকরি খুচরা বিক্রি হয়। ভিড় সামলাতে ৫/৬ জন কর্মচারী আছে। মার্কেটের গলিপথের একেবারে শেষ দোকান। দোকানের সামনে বেশ খানিক টা বসার জায়গা আছে। সেখানে চেয়ারে বসে আড্ডা দিতাম।
দোকানি ক্যাশে থাকতেন। আমি একটা বিষয় লক্ষ্য করছিলাম। সন্ধ্যার দিকে বা একটু পরে কিছু মানুষ ঔষধ নিতে আসতেন। তারা এসে চুপচাপ দাঁড়াতেন ক্যাশের সামনে। বয়স ৩৫ থেকে ৫০/৫৫ এর মধ্যে। দোকানি তাদের দেখে মুচকি হাসতেন। এরপর প্যাকেটে ঔষধ দিতেন।
কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ওনারা কিসের ঔষধ নেন?
শক্তি বাড়ানোর ট্যাবলেট, দোকানি হেসে বলল।
আপনি যদি টেস্টোস্টেরন বাড়াতে চান, তবে নিজ উদ্যোগে এসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়। যা কখনো মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।
হেলদি লাইফস্টাইলে কাজটা আপনি করতে পারেন। আপনাকে যা যা করতে হবে -
১) নিয়মিত কমব্যাট স্পোর্টসে অংশগ্রহন করা- জিমে যান, বক্সিং খেলুন। মাসে অন্তত ২ দিন।
২) সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ওয়েইট লিফটিং করুন, এটা করতে জিমে যাওয়াই ভালো হবে।
৩) দুই হাতে ডাম্বেল নিয়ে হাঁটুন বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠা নামা করুন।
৪) বাড়িতে সুযোগ থাকলে রোদের ভিতর কাজ করুন। সপ্তাহে অন্তত এক দিন। এটা শুধু টেস্টোস্টেরন বাড়াবেই না, ধরে রাখবে।
৫) রাত ১০টার পরপর শুয়ে পড়েন। রাত ৮ টার ফোন সহ সব ডিভাইস থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। ভোরে বিছানা ছাড়ুন। সাস্থ্যকর খাবার খান। একমাস পর নিজের ফিটনেসে অবাক হয়ে যাবেন।
যারা শক্তি বাড়াতে চান তাদেরকে পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন।
25/06/2026
খাবার হজমে সমস্যা। পেট ফাঁপা। ঢেকুর বেশি হওয়া। আয়রন, ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন B12-এর ঘাটতি। কিছু ক্ষেত্রে বারবার অন্ত্রের সংক্রমণ বা পেট খারাপ হওয়া এগুলো পেটের এসিড কমে যাওয়ার লক্ষন।
এসব লক্ষনে কিছু ডাক্তার আপেল সিডার ভিনেগার খেতে বলেন। কারন আপেল সিডার ভিনেগার ( উইথ মাদার ) এ এসিটিক অ্যাসিড বেশী পরিমানে আছে। আরও আছে সাইট্রিক এবং ম্যালিক এসিড। যা পেটের এসিডের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে।
অনেকেই ভিনেগারের দাম নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেন। দাম অনেক বেশী! আসলে কি তাই ? আমরা একটু খুজে দেখি।
আমেরিকাতে বাংলাদেশি টাকায় ১ লিটার পরিমান অরগানিক ভিনেগারের দাম প্রায় ৬৫০ থেকে ১,৭৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ৫,২০০ টাকার মত। সুপার স্টোর বা মার্কেট ভেদে দাম কম বেশী হয়।
সিঙ্গাপুরে সাধারণত ১ লিটার অরগানিক ভিনেগারের দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮৭০ থেকে ১,১৩০ টাকা।
সৌদি আরবে ১ লিটার ওজনের অর্গানিক লার্ডার বা অরগ্যান্টির মতো ব্র্যান্ডগুলোর দাম বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকা।
মালয়েশিয়াতে হেলথ প্যারাডাইস' বা 'অল রাইট' এর মতো জনপ্রিয় স্প্যানিশ ও স্থানীয় অর্গানিক ব্র্যান্ডগুলোর খুচরা মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬৫০ থেকে ৮৮০ টাকা।
আমাদের দেশে ১ লিটার বোতলের দাম সাধারনত ১২০০-১৫০০ টাকা। কিছু বিশেষ পরিচিত পেজ বা ডাক্তার গন বিক্রি করেন ১৮০০ - ২৬০০ টাকায়।
পেটের সমস্যা মানুষের ব্যাপকভাবে বেড়েছে। সন্ধ্যার পর ঔষধের দোকানে দাঁড়ানোর জায়গা পাওয়া না। কিন্ত ভিনেগার কিনতে গিয়ে বিপাকে পরেন। দামের কারনে অনেকেই এই ন্যাচারাল উপকারী খাবার টি খেতে পারেন না।
আমরা কি সৌদি, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার থেকেও ধনী দেশ ? অবশ্যই না।
তবে দাম এত বেশী কেন ?
24/06/2026
বাচ্চা পড়তে চায় না? সারাক্ষণ ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকে? প্রাইভেট টিউটর, কোচিং আর স্কুলের এত পড়াশোনার পরেও পরীক্ষায় নাম্বার কম পাচ্ছে?
এমন অভিযোগ আপনারও, তাই না? শুধু আপনি নন, আমাদের দেশের বেশিরভাগ মায়েরই এখন একই কমপ্লেইন।
আসলে বাচ্চার জীবনের সফলতার জন্য ৩টি জিনিস সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিশেষ করে বাচ্চার বয়স যখন ৬ থেকে ১৫ বছর। জেনে অবাক হবেন, এর মধ্যে কিন্তু প্রথাগত লেখাপড়া বা পরীক্ষা নেই!
বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর দিকে একটু তাকানো যাক:
ফিনল্যান্ড: এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পৃথিবীতে অন্যতম সেরা। এখানে শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার পূর্বে কোনো পরীক্ষা নেওয়ার নিয়মই নেই।
সাউথ কোরিয়া: এখানে বাচ্চাদের ফোকাস করা হয় খেলাধুলা এবং প্রবলেম সলভিং (সমস্যা সমাধান) স্কিলের ওপর।
চীন: স্কুলে বাচ্চাদের জন্য দুপুরে কিছু সময় বাধ্যতামূলক ঘুমের ব্যবস্থা থাকে।
বেলজিয়াম: ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের কোনো হোমওয়ার্ক বা বাড়ির কাজ দেওয়া হয় না।
ফ্রান্স, ইতালি ও মেক্সিকো: দুপুরের পূর্বেই শিশুদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, যাতে তারা পরিবারের সাথে লাঞ্চ করতে পারে এবং কোয়ালিটি টাইম কাটাতে পারে।
সেসব দেশে পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হয় না। অথচ আমরা সব চাপ আর ফোকাস দেই শুধু জিপিএ-৫ আর পরীক্ষার খাতার ওপর। সন্তানের প্রকৃত সফলতার জন্য আসলে ৩টি মূল জিনিস শেখানো দরকার:
১. আত্মবিশ্বাস: বাচ্চা পড়াশোনায় যেমনই করুক, তার ছোট ছোট অর্জনগুলোর প্রশংসা করুন। তাকে বলুন, "তুমি চাইলে আরও অনেক ভালো করতে পারো।" এমন ইতিবাচক কথা তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।
২. দায়িত্ববোধ: খাওয়ার আগে হাত ধোয়া, খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা—এগুলো নিজ দায়িত্বে করতে শেখান। স্কুলে যাওয়ার আগে বুঝিয়ে বলুন, "নিয়মিত ক্লাস করা ও নিজের পড়া গুছিয়ে রাখা তোমার দায়িত্ব।" ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে তার ভেতর দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলুন।
৩. খেলাধুলা ও শারীরিক পরিশ্রম: খেলাধুলার ব্যাপারে আমরা অনেকেই উদাসীন। অথচ বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য এটি ভীষণ জরুরি। যেকোনো উপায়ে তার ফিজিক্যাল মুভমেন্ট চালু রাখুন। এতে শরীর ভালো থাকবে, ঠিকমতো ক্ষুধা লাগবে এবং ফোনের স্ক্রিন থেকে মন দূরে থাকবে।
৬ থেকে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত আপনার সন্তানকে মূলত এই ৩টি জিনিস শেখাতে চেষ্টা করুন। কথাগুলো কোনো মনগড়া কথা নয়, আন্তর্জাতিক প্যারেন্টিং এক্সপার্টদের পরামর্শ।
মনে রাখবেন, আপনার সন্তান পৃথিবীতে এসেছে একটি ইউনিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে, যা তাকে সবার চেয়ে আলাদা করে। তাই সন্তানের সঠিক যত্ন নিন, অযথা মানসিক চাপ তৈরি করবেন না।
22/06/2026
আমি এক ভদ্রলোক কে সঙ্গ দিতে দোকানটিতে ঢুকলাম। তিনি বাচ্চাদের জন্য চকলেট কিনলেন। বামদিকে তাকাতেই আমার চোখ পরল খাবার টেবিলটিতে।
দুজন মানুষ সন্ধ্যার খাবার খাচ্ছেন। তারা বার্গার খেলেন। আর সাথে খেলেন দুটো ক্যানে ভরা ম্যাঙ্গো জুস। তারা চলে যেতেই ছবি টেবিলের ছবি তুললাম।
এখন আমের সিজন। মিষ্টি মিষ্টি আম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্ত তারপরেও তারা খেলেন ম্যাঙ্গো জুস। এই জুস নিয়ে আমাদের সমাজে নানা কথা প্রচলিত আছে। সেগুলো নাই বললাম।
কিন্ত বার্গারের সাথে জুস ! এটা খেলে প্রচুর ইনসুলিন আসতে পারে শরীরে। যা শরীরে মেদ জমাবে। ওজন বাড়বে।
মধুমাস চলছে, আম তো খেতে হবে। হেলদি লাইফস্টাইলে যদি আম খেতে চান, তাহলে একবেলার খাবারে শুধু আমই খান। আমের সাথে কোন কিছুই খাবেন না। আম জুস করেও খাবেন না। জুস করে খেলে ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়।
আম খাওয়ার সাথে সাথেই পানি খাবেন না। ৪০/৪৫ মিনিট পরে পানি খান, অন্যথায় পেট ফাঁপা বা বদহজম হতে পারে।
সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন সবাই।
21/06/2026
সামাজিক অনুষ্ঠান, দাওয়াত বা পাবলিক প্লেস। সন্ধ্যা হলেই অনেক সময় গুড়া কৃমির উপদ্রব শুরু হয়। এ অবস্থায় আপনি বিব্রত হন। এই যন্ত্রণায় বড়রা যেমন অস্বস্তিতে পড়েন, বাচ্চারাও তেমনি কান্নাকাটি করে।
গুড়া কৃমি সাধারণত রাতের বেলা মলদ্বারের চারপাশে ডিম পাড়ে। যার কারণে তীব্র চুলকানি ও অস্বস্তি হয়। এর ফলে রাতের ঘুম নষ্ট হয়। বাচ্চার পেটে ব্যথা হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে শিশুরা পুষ্টিহীনতা ও রক্তস্বল্পতায় ভুগতে পারে। আপনি ঘরোয়া ভাবেই সমাধান করতে পারেন।
হাত ভালো করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিন। অস্বস্তি কমাতে মলদ্বারের চারপাশে এবং কিছুটা ভিতরে খাঁটি নারিকেল তেল ব্যবহার করুন। Cold pressed coconut oil ব্যবহার করবেন। কোন অবস্থাতেই বাজারে চুলের জন্য যেসব তেল পাওয়া যায়, সেটা ব্যবহার করবেন না। নারিকেল তেল কৃমির নড়াচড়া ও চুলকানি কমিয়ে আরাম দিতে পারে।
ঘরোয়া এই চিকিৎসা আপনার জন্য দারুন সুফল দিতে পারে। এরপরেও যদি সমস্যা না যায়, তবে একটু খেয়াল করুন। জিলাপি, গুড়ের পিঠা, বাচ্চাদের চিনিযুক্ত চকলেট বা খাবার বন্ধ রাখুন। পরিবারের সবার নখ ছোট রাখুন। নিয়মিত বিছানার চাদর ও অন্তর্বাস গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া নিন। প্রয়োজনে নিকটস্থ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
পোস্ট শেয়ার করুন, বাচ্চার মায়েদের উপকারে লাগতে পারে। সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
18/06/2026
সকাল বেলার জিম। ভিড় একটু কম থাকে। এসময় কয়েকজন আসেন ব্যায়াম করতে। তারা চাকুরীজীবী বা ব্যবসায়ী। বয়স ৩০-৪০ এর মধ্যে। ভদ্রলোকদের কর্মঘণ্টা কাটে সাধারণত এসি রুমে। প্রায় সবারই মূল লক্ষ্য থাকে পেটের মেদ কমানো ও ফিটনেস ফিরিয়ে আনা।
আমি জিমে ভর্তি হয়েছি ২০২৪ এর নভেম্বরে। তখন থেকেই খেয়াল করছি। এধরনের মানুষেরা ২/৩ মাস জিমে আসেন। প্রচুর ব্যায়াম করেন। ওজন খুব একটা কমে না। হতাশ হয়ে পরেন। এরপর জিমে আসা বন্ধ করেন।
কেন এমন হয় ? কেন ওজন কমে না ?
আসলে ওজন কমানোর মুল বিষয়ে তারা ফোকাস করেন না। আপনিও যদি ওজন কমাতে হতাশ হয়ে থাকেন, তবে আজকের পোস্ট টা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। মাত্র ৩ টি পয়েন্ট শিখিয়ে দেব। ওজন আর ভুঁড়ি কমাতে পারবেন। যেভাবে নদীর তীরে বিকেলের বাতাস গ্রহন করেন। শরীর শান্ত হয়, ঠিক তেমনি নির্ভাবনায়।
১. প্রথম বিষয় হরমোনের খেলা। আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে হবে। বাড়াতে হবে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি। আপাতত সবরকম শর্করা যুক্ত ছেড়ে দিন। যেমন- চিনি বা চিনিযুক্ত খাবার, সাদাভাত, রুটি, মিষ্টি ফল। আরও বাদ রাখবেন আলট্রা প্রসেসড ফুড। যেমন - বার্গার, চিপস, পিজ্জা, সফট ড্রিঙ্ক, জুস, দোকানের ভেজিটেবল তেলে তৈরি খাবার। যেমন - সয়াবিন, ক্যানোলা, সূর্যমুখীর তেল।
প্রচুর শাকসবজি খাবেন। সালাদ খাবেন। নদীর মাছ, সামুদ্রিক মাছ, মাংস খেতে পারেন। কুসুম সহ ডিম খাবেন। দেশি মুরগি অথবা হাঁসের। বাটার, অলিভ ওয়েল, ঘি এগুলো খাবেন। আপেল সিডার ভিনেগার ( উইথ মাদার ) ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে। এটা নিয়মিত খাবেন।
২. প্রতিদিন ফাস্টিং করবেন। ধরুন রাতের খাবার ৮ টায় শেষ করলেন, ব্রেকফাস্ট সকাল ৯ টায় করলেন। ১৩ ঘণ্টা ফাস্টিং হয়ে গেল। ধীরে ধীরে ফাস্টিং এর সময় বাড়াবেন। ফাস্টিং চলাকালে কি কি খেতে পারেন এ বিষয়ে আমার একটি পোস্টের লিঙ্ক কমেন্ট বক্সে দিলাম। পোস্টটি পড়ে নিবেন। ফাস্টিং শরীরের চর্বি ঝরাবে।
৩. তারাতারি ঘুমাতে যাবেন। রাত ১১ টার পর জেগে থাকবেন না। ঘুমানোর আগে ডাঃ অ্যান্ড্রু ওয়েলের (Dr. Andrew Weil) ৪-৭-৮ নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করবেন। ইউটিউব সার্চ দিলেই ডাঃ ওয়েলের ভিডিও পাবেন। এই ব্যায়াম আপনার স্ট্রেস কমিয়ে দিবে। ঘুম ভালো হবে। মনে রাখবেন, শুধু ওজন কমানোর জন্য নয়, সুস্থ থাকতে ভালো ঘুমানো খুব জরুরী।
নিয়ম ৩ টি অনুসরন করুন। ওজন কমিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করুন। পোস্ট শেয়ার করে অন্যদের সহায়তা করুন।
দীর্ঘমেয়াদী কোনো রোগ থাকলে বা ডায়েটে বড় পরিবর্তন আনার আগে একজন ফিজিশিয়ানের পরামর্শ নিতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216
