Tasmia Barakah Shop
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tasmia Barakah Shop, Beauty, cosmetic & personal care, Dhaka.
আসসালামু আলাইকুম,
Tasmia Barakah Shop
বিশ্বাসযোগ্য অনলাইন স্টোর 💚
অর্গানিক, বিউটি ও লাইফস্টাইল প্রোডাক্টের সমাহার
📦 নিরাপদ অর্ডার, মানসম্মত পণ্য, দ্রুত সাপোর্ট, গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার 🌸
10/07/2026
❖ দ্বীন মানতে গিয়ে আপনাকে একটু চালাক হতে হবে। উচু নিচু ক্লাস তো শুধু দুনিয়াতে নয়, জান্নাতেও আছে।আর এই চালাকি আল্লাহ পাক পছন্দও করবেন। জান্নাতে এতে আপনার মর্যাদাও বাড়বে। চালাকিটা কোথায় দেখাবেন বলি--
◉১. ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়ুন। (প্রতি ওয়াক্তই জামাতের সাথে পড়বেন। কিন্তু এই দুই ওয়াক্ত যেন কোন ভাবেই মিস না হয়)এক হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ইশা ও ফজর জামাতের সঙ্গে পড়ল, সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ল।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৫৬)
অর্থাৎ ঘুমিয়ে থেকে সারারাত ইবাদতের নেকি পেলেন।
◉২. কোন ভাবেই কোন ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পড়া মিস দিবেন না।হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূল (সা.) বলেন-"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পড়বে তার জান্নাতে প্রবেশের মধ্যে কেবল মৃত্যুই একমাত্র বাঁধা।" (সুনানে নাসায়ী, হাদিস: ৯৯২৮)
অর্থাৎ দুনিয়া ও জান্নাতের মধ্যে দূরত্ব শুধুই মৃত্যুর।
◉৩. রাতে ঘুমানোর আগে সুরা মুলক একবার পড়ে নেন।এক হাদিসে এসেছে, ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত,"যে ব্যক্তি প্রতি রাতে তাবারাকাল্লায়ী বিয়াদিহিল মুলক পড়বে, আল্লাহ তাআলা তাকে এই সূরার মাধ্যমে কবরের আযাব থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন।’ (সহিহুত তারগিব ২/২৫৩, হাদিস: ১৫৮৯)
◉৪. তাহাজ্জুদের নিয়তে ঘুমাতে যান।এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আবু দারদা (রা.) বলেন, "রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার নিয়তে বিছানায় আসে, কিন্তু তার চোখগুলো নিদ্রা প্রবল হয়ে যাওয়ায় ভোর পর্যন্ত সে ঘুমিয়ে থাকে, তার জন্য তার নিয়ত অনুসারে সওয়াব লেখা হবে, আর আল্লাহর পক্ষ থেকে তার নিদ্রা তার জন্য সদকাস্বরূপ হয়ে যাবে। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৭৮৭)নিয়ত ঠিক করে ঘুমাতেন যান, আর কি।
◉৫. সন্তানকে কুরআনের হাফেজ/হাফিজা বানান। এটা মুস্তাহাব আমল। কিন্তু কাল আখিরাতে একজন হাফেজের বাবা হিসেবে আপনার মর্যাদা অনেক বাড়িয়ে দিবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কুরআন পড়বে এবং তার ওপর আমল করবে, তার পিতা-মাতাকে কিয়ামতের দিন একটি মুকুট পরানো হবে, যার আলো সূর্যের আলো অপেক্ষা বেশি হবে। যদি সেই সূর্য তোমাদের ঘরে হয়! সুতরাং যে ব্যক্তি নিজে কুরআনের উপর আমল করে তার সম্পর্কে তোমাদের কি ধারণা?!’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৪৫৩)
◉৬. প্রতিদিন দিনে অন্তত ১০০ বার ইস্তেগফার করুন।মুমিন তো গোনাহ নিয়ে বসে থাকতে পারে না।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সবাইকে আমল করার তাউফিক দান করুন©️
এই সুন্দর চাবির রিং গুলো পেতে আমাদের ইনবক্স করুন ধন্যবাদ Tasmia Barakah Shop ❤️
09/07/2026
মানুষ কবরে উপস্থিত হলে একটা সাইকোলজিক্যাল টেষ্টও থাকবে আল্লাহর পক্ষ থেকে। হাদিস দ্বারা এটি বুঝা যায়, কিন্তু এই প্রশ্নের ব্যাপারে কোনো আলোচনাই হয়না।
আবু দাউদের হাদিসে এসেছে, মাইয়্যেত(মৃত ব্যক্তি) যখনই মারা যাক আর তাকে যখনই কবরস্থ করা হোক না কেন, কবরের মধ্যে তাকে বিশেষ একটা হাল দান করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। কবরের মধ্যে সূর্যটা প্রায় ডুবে যাবার সময় যেমন পরিবেশ থাকে, সেরকম একটা সময় অনুভব করবে সে।
হাদিসের পরিভাষায় আছে, যখন তাকে ফেরেশতা দ্বারা কবরের মধ্যে জাগানো হবে ও উঠে বসানো হবে, সে উঠে দেখবে সূর্যটা যেন ডুবে যাচ্ছে। উঠে বসানোর সাথে সাথে আল্লাহর বান্দা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়বে। তার ভাবখানা এমন হবে যে, ‘হায়হায়, আমি তো ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম! আমার তো খেয়ালই নাই যে আসরের নামায পড়া হয়নি! ওয়াক্ত তো শেষ হয়ে যাচ্ছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য কবরে আসা ফেরেশতাদেরকে সে তখন বলবে, ‘সময় নাই অপেক্ষা করো। আমি কয়টা রাকাত নামাজ পড়ে নেই, আমি একটু নামায পড়ে আসি!’
এই হাদীসের রেফারেন্সে কোরআনের আয়াত এসেছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুরা বাকারার ২৩৮ নং আয়াতে বলেছেন, "তোমরা নামাজকে সংরক্ষণ করো, আর বিশেষ করে তোমরা আসরের নামাজের ব্যাপারে গাফেল হয়ো না"। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যার আসরের নামাজ চলে গেল, তার দুনিয়াটা যেন ধ্বংস হয়ে গেল"। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজি’উন।
আল্লাহর নবীর এই হাদিস দ্বারা বুঝা যায়, মাইয়্যেতকে জাগানোর সময় পরিবেশটা এমনভাবে তৈরি করা থাকবে, যেন সূর্য ডুবে যাচ্ছে, আর সে ঘুম থেকে সদ্য জেগে উঠে আসরের নামাযের জন্য ছটফট করা ব্যক্তি।
আল্লাহর ফেরেশতারা সাথে সাথে বলবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে পরিস্থিতি তৈরি করে তোমাকে যে সাইকোলোজিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে সেটাতে তুমি পাশ করেছো। বারযাখী জীবনে কোন নামাজের প্রয়োজন নেই। আল্লাহু আকবার!!!
এভাবে এই বিশেষ পরীক্ষায় পাশ করা মানে পরীক্ষার হলটা তাঁর জন্য সহজ হয়ে গেলো। এখন একটু ভেবে বলুন তো, যে ব্যক্তি নামাযই পড়ে না ,সাত দিনে একদিন জুমু’আর দিনে পড়ে; যোহর পড়ে তো আসর পড়ে না, আসর পড়ে তো জোহর পড়ে না, জুমুআ পড়ে তো ওয়াক্ত পড়েনা, কতজন আবার আছে নিজেকে এত স্মার্ট ভাবে, বছরে একবার ঈদের নামাজ কিছুতেই ছাড়েনা(সামাজিকতা রক্ষার নামায, আল্লাহকে খুশি করার জন্য পড়েনা)।
তো এই ব্যক্তিরা যখন সেই বিশেষ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে- তাদের কাছে তো নামাযের কোনো মুল্যই নেই। কবরে জেগে উঠে তো তারা নামায পড়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত হবেনা!
একটা ওয়াক্তের নামাজ ছুটে গেলে মনের মধ্যে কি কষ্ট হয়, সেই ফিলিংসটাই তো সে পয়দা করতে পারেনাই। কেমন করে সে এই সাইকোলজিকাল পরীক্ষায় সফল হতে পারবে!
সুতরাং, আপনি নিয়মিত বিশুদ্ধভাবে নামায পড়লে আপনার জন্য সুসংবাদ। আপনি এই মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষাটা ধরতে পারবেন আর সেই অনুযায়ী নামায পড়ার জন্য উদ্যোগী হয়ে যাবেন আর আল্লাহই আপনাকে সেই পরীক্ষায় পাশ করতে সাহায্য করবেন ইন শা আল্লাহ। দুনিয়াতে থাকাকালীন নামাযের প্রতি আপনার ভালবাসার উপহারস্বরূপ এই পরীক্ষায় পাশ করার নিয়ামত পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ।
কিন্তু, বেনামাযী হলে কোনো উপায় নেই। সেদিন আল্লাহর সাহায্য পাবেন না। কারণ দুনিয়াতে আপনি নামাযকে ভালোবাসেননি। ঐখানে গিয়েও নামাযের সময় 'চলে যাচ্ছে যাচ্ছে' পরিস্থিতি দেখে আপনার নামায পড়ার তাড়না থাকবেনা। আর আপনি পরীক্ষায় ধরা খেয়ে যাবেন।
সুতরাং, যত দুনিয়াতে বড় জ্ঞানী, নামীদামী ব্যক্তিই হোন না কেন, আপনি যদি নামাজী না হন,নামাজের প্রতি যদি দরদ না থাকে, হতবুদ্ধি হয়ে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়বে, কিন্তু নিজেকে ধিক্কার দেয়া ছাড়া সেদিন আর কিছুই করার থাকবেনা।
তো, যারা এখনো নামায পড়েন না, তারা একটু ভেবে দেখবেন কি? প্লিজ! সেই ভয়াবহ দিনটায় নামাযবিহীন অবস্থায় গেলে কবরের চাপ সহ্য করতে পারবেন তো?
Written by: Rubayat E Raihan
একটা পবিত্র উদ্দেশ্য সামনে রেখে একই দিনে এই আমলগুলো করুন, ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই উত্তম ফলাফল পাবেন।
১. দরুদ ১০০ বার পাঠ করুন
২. ইসতিগফার ১০০ বার
৩. সদকাহ (সামর্থ অনুযায়ী)
৪. সালাতুল হাজত (২ রাকাত)
৫. রাতে তাহাজ্জুদ (যত রাকাত পারেন)
৬. তাহাজ্জুদের পর দোয়া
পরীক্ষিত এবং বড় বড় আল্লাহওয়ালা বুজুর্গানে দ্বীন এই আমলগুলো করতেন এবং এই আমলগুলো করার প্রতি অন্যদের উৎসাহিতও করতেন।
06/07/2026
প্রতিটি সফল নারীর পেছনে শুধু তার নিজের পরিশ্রমই নয়, অনেক সময় একজন সহযোগী শাশুড়ি, একজন উৎসাহদাতা শ্বশুর এবং একটি সহানুভূতিশীল পরিবারও থাকে।
যে শ্বশুরবাড়ি বলে, "পড়াশোনা চালিয়ে যাও, নিজের স্বপ্নগুলো পূরণ করো"— সেই মেয়েটি শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন করে না; সে নিজের পরিচয় গড়ে তোলে, পরিবারকে গর্বিত করে, সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।
একজন বউকে থামিয়ে নয়, বরং এগিয়ে যেতে সাহায্য করলেই সে ব্যক্তি জীবন, কর্মজীবন, ক্যারিয়ার—সব ক্ষেত্রেই অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।
একজন মেয়ের স্বপ্নকে সম্মান করুন। কারণ শিক্ষিত ও আত্মনির্ভর একজন নারী শুধু নিজের জীবনই বদলায় না, একটি পরিবার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও আলোকিত করে। 🤍🌸
02/07/2026
যারা দৈনিক অনেক ইস্তেগফার করতে চান কিন্তু শুয়ে বসে ফোনে বেহুদা সময় কাটান কিন্তু তবুও টার্গেট পরিমাণ ইস্তেগফার করতে পারেন না তাদের জন্য এই পোস্টটা হেল্পফুল হবে ইনশাআল্লাহ।
২০২১ - ২০২২ সালের দিকে দৈনিক ৮ থেকে ১০ হাজার ইস্তেগফার করতে পারতাম আলহামদুলিল্লাহ! অনুপ্রেরণা ছিল এক ব্রেস্ট ক্যান্সার আক্রান্ত ডাক্তার বোনের ক্যান্সার থেকে সুস্থ হতে চেয়ে দৈনিক ৫ হাজার করে দুরুদ এবং ইস্তেগফারের। আপুটা সুস্থ হয়েছিলেন আলহামদুলিল্লাহ কল্পনার চেয়েও সহজ উপায়ে, বিনা অপারেশনে।
যাইহোক, সেসময় টু ডু লিস্টে ইস্তেগফার লিখে ১হাজার, ২ হাজার থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত ১০টা অপশন বানাতাম। দিন শেষে যতো হাজার পড়া হয়েছে সেই ঘরে টিক দিতাম। ঐ সময় তারিখ দিয়ে দু'আ জার্নালও বানিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ প্রায় সব কবুলই হয়েছে, যা হয়নি তা কেন হয়নি তারজন্য কৃতজ্ঞতার কারণও আল্লাহ খুব ভালো করে বুঝিয়ে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।
তো কাহিনি হলো, আমি সেই দৈনিক ৮-১০ হাজার ইস্তেগফারের নিয়ামত হারিয়ে ফেলেছিলাম কিছু কথায়। যেমন,
"এতবার পড়ার চেয়ে কম করে বুঝে জেনে পড়া ভালো" টাইপ কথাবার্তা আরকি। খুব ডিমোটিভেটেড হয়েছিলাম।
অল্প করে পড়তে গিয়ে পড়া হতো কিন্তু গুনাহ বেড়ে গিয়েছিল যেমন : স্ক্রিনটাইম, গিবত টাইম এসব কারণ।
৮-১০ হাজার পড়ার জন্য সারাদিন পড়তে হতো। কাজ আর ইস্তেগফার। ভুগিচুগির সময় নাই৷ সেসব বেড়ে গেল কিন্তু ফেইক আত্মতৃপ্তিতে ভুগছি বুঝে বুঝে ইস্তেগফার হচ্ছে। এমন করে ৩ বছর পর যেন আবার আল্লাহ আমাকে ইস্তেগফারের তাওফিক দেয়া শুরু করছেন আজ থেকে। মাঝে মাঝে, শুক্রবারে ১ হাজারের বেশি হতো কিন্তু সোনালী অতীত আমায় পোড়াত৷
আলহামদুলিল্লাহ, এর মধ্যে শারিন সফি অদ্রিতা আপু অনুদিত 'নামাজে মন ফেরানো' পড়া হল, রিসেন্টলি বাসিরা মিডিয়ায় দুরুদের উপর (বুঝে যিকির নিয়ে) শর্ট লেকচার আসে সেটা শুনি৷ তবুও মাঝে ৫-৬ মাস চলে যায়।
এরপর ১৫ দিন - ১ মাস আগে একটা লেখা পড়ি নামাজের পর চুপচাপ বসে থাকলেও ফেরেশতারা সে নামাজীর জন্য ক্ষমার দু'আ করতে থাকেন। নিজেকে ক্ষমা করানোর সবচেয়ে সহজ তরিকা পেলাম আরকি। তবুও নামাজ শেষ করেই উঠে যেতে মন চায়। কেমন যেন অস্থির আর আনকন্ট্রোলড নাফস একটা। ধরে পুঁতা দিয়ে ছেঁচতে মন চাইত৷ তবুও জোর করে নিজেকে বসিয়ে রাখতে পারতাম না।
আলহামদুলিল্লাহ আজ, একটা সুন্দর প্ল্যান মাথায় এলো যে নামাজের ১৫ মিনিট আগে ফোন ধরব না এবং নামাজের পর ১৫ মিনিট জায়নামাজে বসে হাতে গুনে ১০০০ ইস্তেগফার কমপ্লিট করব। তাহলে ৫ ওয়াক্তে ৫ হাজার ইজিলি হয়ে যাবে। আলহামদুলিল্লাহ ইট ওয়ার্কস আফটার টু থ্রি ইয়ার্স। আমি আবার আমার হাজারী ইস্তেগফার ইরায় ফেরত যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।
– তো আবার বলি, হ্যাকটা কী?
– নামাজের আগের এবং পরের ১৫ মিনিট রিজার্ভ থাকবে।
▪️ নামাজ শুরুর আগের ১ম ১৫ মিনিট আজান ও ইকামতের মাঝে দু'আয় কাজে লাগবে।
▪️নামাজের পরের ২য় ১৫ মিনিট সময় জায়নামাজে বসে থাকার আমল।
শুরুতে যদি আপনার ইস্তেগফার করতে মন নাও চায় আপনি জাস্ট ফরজ নামাজের পর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, তাসবিহে ফাতেমী পড়ে ১৫ মিনিট বসার অভ্যাস করেন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ সহজ করবেন।
:
সংগৃহীত
01/07/2026
মডারেটর ❎
জাউরা ✅
30/06/2026
আল্লাহর কাছে কিছু ক্যাশ টাকা চেয়েছিলাম, কত হতে পারে ধারণা করতে পারেন?
আমি যখন আল্লাহর কাছে কিছু চাই, তখন সেটা পাওয়ার জন্য পুরো একটা strategy বানিয়ে ফেলি।
আমার framework-টা এরকম:
- কেন চাই, তা নির্ধারণ করা।
- কত দিনের মধ্যে চাই, তা নির্ধারণ করা।
- কীভাবে চাই, তা নির্ধারণ করা।
- তারপর দোয়া কবুলের সময় ও স্থান খুঁজে বের করে সেই সময় আল্লাহর কাছে এই তিনটি বিষয় বলা।
সাথে leverage হিসেবে ব্যবহার করি সূরা বাকারার ২৬১ নম্বর আয়াতের ফর্মুলা।
ফর্মুলাটা বুঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আল্লাহ বলেছেন:
“যারা আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ব্যয় করে, তাদের (দানের) তুলনা সেই বীজের মতো, যেখান থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেক শীষে একশত করে দানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন। বস্তুত আল্লাহ প্রাচুর্যের অধিকারী, সর্বজ্ঞ।”
বুঝার সুবিধার জন্য সূত্রটা এভাবে দেখি:
👉১ টাকা সদকা = ৭ × ১০০ = ৭০০ গুণ বা তারও বেশি প্রতিদান।
এরপর আমি দোয়া কবুলের সময় ও স্থানে গিয়ে আল্লাহকে বলি,
“আল্লাহ, আপনি সূরা বাকারার ২৬১ নম্বর আয়াতে বলেছেন, আপনার পথে একটি টাকা খরচ করলে আপনি ৭০০ গুণ বা তারও বেশি প্রতিদান দেন। আমার মোট এত টাকা প্রয়োজন। তাই আমি সেই টাকার ৭০০ ভাগের এক ভাগ সদকা করছি। আল্লাহ, আপনি আমার এই সদকা এবং আমার দোয়া দুটোই কবুল করুন।”
দোয়ার আগে এবং পরে আল্লাহর রাসুল ﷺ-এর উপর দরূদ পড়ে নিলে বিষয়টা আরও সুন্দর হয়।
এখন আমি শুধু আল্লাহর সাহায্য আসার জন্য রাস্তা তৈরি করছি।
ধরুন, আমি যদি একটি বড়শি দিয়ে মাছ ধরি,
তাহলে একবারে কয়টা মাছ ধরতে পারবো?
সহজ উত্তর একটা।
কিন্তু যদি জাল নিয়ে মাছ ধরতে যাই, তখন কয়টা মাছ পাব?
এখন আমি মাছ ধরার জন্য জাল নিয়ে বের হয়েছি।
মাছ দিবেন আল্লাহ।
দোয়া করবেন আমার জন্য, যেন বেশি করে মাছ পাই।
Md ziaul kader
ফ্যাক অর্ডার দিয়ে
পার্সেল রিটার্ন করে ভাবতেছেন আপনি জিতে যাচ্ছেন..? ভুল করতেছেন। কুরিয়ার চার্জ,প্যাকেজিং এবং অন্যন্য খরচের টাকাগুলো হাশরের ময়দানে দিয়ে এরপর পুলসিরাত পার হইয়েন।🙂
কি রাগ করলা!? 🙂
27/06/2026
এই সুন্দর চাবির রিং গুলো কিন্তু এখনো পেয়ে যাবেন,,,,, স্টক শেষ হওয়ার আগেই কনফার্ম করুন পরে কিন্তু পাবেন না আর,,,,,,,,😘
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka
