Green angel
Health & beauty tips
14/06/2026
নিজের মতো করে বাঁচতে শেখো
নিজের জন্য বাঁচতে শিখো
14/06/2026
যেসব খাবার দ্রুত শক্তি যোগাতে সাহায্য করে
যেসব খাবার দ্রুত শক্তি যোগায়
13/06/2026
দেখে নিন খাবারের সঠিক বিকল্প
জেনে নিন সরিষার তেলের উপকারিতা
11/06/2026
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু সাধারণ এবং অসচেতন ভুলের কারণে মুখে ব্রণের সমস্যা অনেক গুণ বেড়ে যেতে পারে। নিচে এমন কিছু প্রধান ভুলের তালিকা দেওয়া হলো, যেগুলো আমরা অনেকেই নিয়মিত করে থাকি:
১. হাত দিয়ে ব্রণ খোঁটা বা নখ দিয়ে গালা
এটি সবচেয়ে বড় এবং সাধারণ ভুল। ব্রণে হাত দিলে বা নখ দিয়ে গাললে হাতের ব্যাকটেরিয়া ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে আসেপাশে আরও নতুন ব্রণ তৈরি হয়। এছাড়া খোঁটাখুঁটি করলে ত্বকে স্থায়ী কালো দাগ এবং গর্ত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
২. বারবার মুখে হাত দেওয়া
আমরা সারাদিনে মোবাইল, টাকা, দরজার হ্যান্ডেলসহ নানা কিছু স্পর্শ করি, যাতে প্রচুর জীবাণু থাকে। সেই হাত দিয়ে বারবার মুখ চুলকালে বা হাত মুখে রাখলে জীবাণুগুলো সরাসরি ত্বকের লোমকূপে চলে যায় এবং ব্রণ সৃষ্টি করে।
৩. ভুল স্কিনকেয়ার বা প্রসাধনী ব্যবহার করা
ত্বকের ধরন না বুঝে যেকোনো ক্রিম, লোশন বা মেকআপ ব্যবহার করা। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বকে ভারী বা তেলযুক্ত (Oil-based) পণ্য ব্যবহার করলে লোমকূপ বন্ধ হয়ে ব্রণ বাড়ে। পণ্য কেনার সময় তা "Non-Comedogenic" (যা লোমকূপ বন্ধ করে না) কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত।
৪. মেকআপ বা সানস্ক্রিন না ধুয়ে ঘুমিয়ে পড়া
সারাদিন বাইরে থাকার পর বা মেকআপ করার পর রাতে অলসতা করে মুখ না ধুয়ে ঘুমিয়ে পড়া ব্রণের অন্যতম বড় কারণ। মেকআপ, ধুলোবালি এবং ত্বকের নিজস্ব তেল সারারাত লোমকূপে আটকে থেকে মারাত্মক ইনফেকশন তৈরি করে।
৫. অতিরিক্ত মুখ ধোয়া বা স্ক্রাব করা
অনেকে ভাবেন বারবার মুখ ধুলে তেল কমবে এবং ব্রণ ভালো হবে। কিন্তু বাস্তবে অতিরিক্ত মুখ ধুলে বা জোরে জোরে স্ক্রাব (Scrub) করলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। তখন ত্বক নিজেকে রক্ষা করতে আরও বেশি তেল (Sebum) তৈরি করে, যা ব্রণ আরও বাড়িয়ে দেয়। দিনে ২ বারের বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়।
৬. অপরিষ্কার বালিশের তোশক বা ওড়না ব্যবহার
আমরা প্রতিদিন যে বালিশে ঘুমাই, তাতে আমাদের মাথার তেল, ঘাম এবং মরা চামড়া লেগে থাকে। বালিশের কভার নিয়মিত (সপ্তাহে অন্তত ১ বার) না পাল্টালে সেখানে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, যা ঘুমানোর সময় মুখে লেগে ব্রণ তৈরি করে। একইভাবে মুখ মোছার নোংরা তোয়ালে বা অপরিষ্কার ওড়নাও দায়ী।
৭. চুলে অতিরিক্ত তেল দেওয়া
চুলে অতিরিক্ত তেল দিয়ে তা সারারাত রেখে দিলে বা তেল গড়িয়ে কপালে ও মুখের চারপাশে লাগলে সেখানে দ্রুত ব্রণ বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
সংক্ষেপে: ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখা, ব্রণে হাত না দেওয়া এবং ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক প্রসাধনী বেছে চললে এই সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
11/06/2026
মুখে ব্রণ (Pimple/Acne) হওয়ার পেছনে বেশ কিছু সাধারণ এবং প্রধান কারণ রয়েছে। আমাদের ত্বকে ছোট ছোট লোমকূপ থাকে, যেগুলোর নিচে থাকে সেবাম (Sebum) বা তেল উৎপাদনকারী গ্রন্থি। যখন এই গ্রন্থি অতিরিক্ত তেল তৈরি করে এবং তার সাথে মরা চামড়া ও ধুলাবালি জমে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়, তখনই ব্রণ তৈরি হয়।
নিচে ব্রণ হওয়ার প্রধান কারণগুলো তুলে ধরা হলো:
১. অতিরিক্ত তেল এবং মরা চামড়া
ত্বকের সেবাম গ্রন্থি থেকে যখন অতিরিক্ত তেল বের হয়, তখন তা বাইরের ধুলাবালি ও ত্বকের মরা চামড়ার (Dead cells) সাথে মিশে লোমকূপ ব্লক বা বন্ধ করে দেয়। এটিই ব্রণের প্রাথমিক ধাপ।
২. ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ
লোমকূপ যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন সেখানে Propionibacterium acnes নামক এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে শুরু করে। এর ফলে ত্বকে ইনফেকশন বা প্রদাহ (Inflammation) হয় এবং জায়গাটা লাল হয়ে ফুলে ওঠে ও পুঁজ জমে।
৩. হরমোনের পরিবর্তন
বয়ঃসন্ধিকালে (Puberty), মাসিকের সময়, গর্ভাবস্থায় কিংবা হরমোনজনিত কোনো সমস্যা (যেমন: PCOS) থাকলে শরীরে অ্যান্ড্রোজেন (Androgen) হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই হরমোন ত্বকের তেল গ্রন্থিগুলোকে অতিরিক্ত সক্রিয় করে তোলে, ফলে ব্রণ বেশি হয়।
৪. ভুল প্রসাধনী বা স্কিনকেয়ার পণ্যের ব্যবহার
ত্বকের ধরন না বুঝে অতিরিক্ত তৈলাক্ত ক্রিম, মেকআপ বা লোশন ব্যবহার করলে লোমকূপ বন্ধ হয়ে ব্রণ হতে পারে। এগুলোকে 'কমেডোজেনিক' (Comedogenic) পণ্য বলা হয়। এছাড়া মেকআপ ঠিকমতো পরিষ্কার না করে ঘুমানোও একটি বড় কারণ।
৫. খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা
অতিরিক্ত মিষ্টি ও তৈলাক্ত খাবার: মিষ্টি, চকলেট, ফাস্টফুড, ডেইরি প্রোডাক্ট (দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার) এবং অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার অনেকের ত্বকে ব্রণ বাড়িয়ে দেয়।
মানসিক চাপ (Stress): অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে শরীর থেকে 'কর্টিসল' হরমোন নিঃসৃত হয়, যা তেল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে ব্রণ তৈরি করে।
পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব: ঠিকমতো না ঘুমালে শরীরের স্বাভাবিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
৬. বংশগত কারণ
পরিবারে যদি বাবা-মা বা ভাই-বোনের অতিরিক্ত ব্রণ হওয়ার ইতিহাস থাকে, তবে জিনগত কারণে আপনারও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে।
ছোট একটি টিপস: ব্রণ হলে তা বারবার হাত দিয়ে খোঁটা বা নখ দিয়ে গালা একদম উচিত নয়। এতে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে ত্বকে আরও নতুন ব্রণ হয় এবং স্থায়ী কালো দাগ বা গর্ত তৈরি হতে পারে। #ব্রন
11/06/2026
With Puja Roy – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
11/06/2026
With Nokshi Konna – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
