Bushra talicom

Bushra talicom

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bushra talicom, Nail salon, jatrabari, Dhaka.

Photos 05/05/2017
Photos 04/07/2016

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েবসাইট!!

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ওয়েবসাইট!! বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটিতে ‘‘জেলা তথ্য বাতায়ন‘‘ নামে ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে সরকার । নিচে প্রত্যেকটির জেলার ওয়েব সাইট বিভাগওয়ারী আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম । প্রত্যেকটা সাইট বাংলায় । এই সাইটগুলোর মাধ্যমে জেলাগুলো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে । প্রতিটি ওয়েব সাইটে আছে জেলা, জেলার পটভূমি, ভৌগলিক প্রোফাইল, শিল্প ও বাণিজ্য, পত্র পত্রিকা, খেলাধূলা ও বিনোদন, ভাষা ও সংস্কৃতি, খনিজ সম্পদ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব, জন প্রতিনিধি, উপজেলা ও ইউনিয়ন সম্পর্কিত তথ্য । এছাড়া রয়েছে স্হানীয় স্কুল কলেজের তালিকা ভর্তি ও ফলাফল তথ্য এবং কৃষি বিভাগে রয়েছে সার পরিবেশকের তালিকা, খাদ্য উৎপাদন ই-কৃষি, ব্লক সুপারভাইজারের তালিকা । পর্যটন ও ঐতিহ্য লিংকে আছে হোটেল ও আবাসন দর্শনীয় স্থান, জেলার ঐতিহ্য জেলার মানচিত্র । স্বাস্থ্য বিভাগে রয়েছে হাসপাতাল ও ক্লিনিক, ডাক্তারের ও স্বাস্থ্য কর্মীর তালিকা, স্বাস্থ্য কর্মসূচী । আপনার জেলার স্হানীয় সরকারের, নাগরিক সুবিধার তথ্য ও সরকারী অফিস সূমহের বিশদ বিবরণ আছে । তাছাড়া আপনি আপনার মন্তব্য ও সচরাচর জিজ্ঞাস্যাও করতে পারবেন উত্তর দিবে কিনা আল্লাহ-ই মালুম !! যাই হোক সাইটগুলোর নিরাপত্তা দূর্বল হলেও (কিছুদিন আগে ১৯টি সাইট হ্যাকারের কবলে পড়েছিল) প্রতিটি জেলা তথ্য প্রযূক্তির ছোঁয়ায় আসাতে ভাল লাগল । নিজ নিজ জেলার অজানা তথ্যগুলো জানতে পারবেন । তবে সাইটগুলোকে আপডেট রাখতে হবে আর না হলে প্রযূক্তির ছোঁয়া আশায় গুঁড়েবালিতে পরিণত হবে । বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মানচিত্র ঢাকা বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (১৬) ০১. ঢাকা সদর : http://www.dcdhaka.gov.bd/ ০২. গাজীপুর : http://www.dcgazipur.gov.bd/ ০৩. ফরিদপুর : http://www.dcfaridpur.gov.bd/ ০৪. জামালপুর : http://www.dcjamalpur.gov.bd/ ০৫. গোপালগঞ্জ : http://www.dcgopalganj.gov.bd/ ০৬. কিশোরগঞ্জ : http://www.dckishoreganj.gov.bd/ ০৭. মাদারীপুর : http://www.dcmadaripur.gov.bd/ ০৮. মানিকগঞ্জ : http://www.dcmanikganj.gov.bd/ ০৯. নরায়নগঞ্জ : http://www.dcnarayanganj.gov.bd/ ১০. মুন্সিগঞ্জ : http://www.dcmunshiganj.gov.bd/ ১১. ময়মনসিংহ : http://www.dcmymensingh.gov.bd/ ১২. নরসিংদী : http://www.dcnarsingdi.gov.bd/ ১৩. রাজবাড়ী : http://www.dcrajbari.gov.bd/ ১৪. শরিয়তপুর : http://www.dcshariatpur.gov.bd/ ১৫. শেরপুর : http://www.dcsherpur.gov.bd/ ১৬. টাঙ্গাইল : http://www.dctangail.gov.bd/ চট্টগ্রাম বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (১১) ০১. চট্টগ্রাম সদর : http://www.dcchittagong.gov.bd/ ০২. বাহ্মনবাড়িয়া : http://www.dcbrahmanbaria.gov.bd/ ০৩. চাঁদপুর : http://www.dcchandpur.gov.bd/ ০৪. লক্ষীপুর : http://www.dclakshmipur.gov.bd/ ০৫. কুমিল্লা : http://www.dccomilla.gov.bd/ ০৬. কক্সবাজার : http://www.dccoxsbazar.gov.bd/ ০৭. ফেনী : http://www.dcfeni.gov.bd/ ০৮. নোয়াখালী : http://www.dcnoakhali.gov.bd/ ০৯. বান্দরবান : http://www.dcbandarban.gov.bd/ ১০. রাঙ্গামাটি : http://www.dcrangamati.gov.bd/ ১১. খাগড়াছড়ি : http://www.dckhagrachhari.gov.bd/ রাজশাহী বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (৮) ০১. রাজশাহী সদর : http://www.dcrajshahi.gov.bd/ ০২. দিনাজপুর : http://www.dcdinajpur.gov.bd/ ০৩. জয়পুরহাট : http://www.dcjoypurhat.gov.bd/ ০৪. বগুড়া : http://www.dcbogra.gov.bd/ ০৫. চাপাইনবাবগঞ্জ : http://www.dcchapainawabganj.gov.bd/ ০৬. কুড়িগ্রাম : http://www.dckurigram.gov.bd/ ০৭. লালমনিরহাট : http://www.dclalmonirhat.gov.bd/ ০৮. পাবনা : http://www.dcpabna.gov.bd/ রংপুর বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (৮) ০১. নীলফামারী : http://www.dcnilphamari.gov.bd/ ০২. গায়বান্ধা : http://www.dcgaibandha.gov.bd/ ০৩. পঞ্চগড় : http://www.dcpanchagarh.gov.bd/ ০৪. নাওগাঁ : http://www.dcnaogaon.gov.bd/ ০৫. নাটোর : http://www.dcnatore.gov.bd/ ০৬. সিরাজগঞ্জ : http://www.dcsirajganj.gov.bd/ ০৭. রংপুর : http://www.dcrangpur.gov.bd/ ০৮. ঠাকুরগাঁও : http://www.dcthakurgaon.gov.bd/ ১৭. নেত্রকোনা : http://www.dcnetrokona.gov.bd/ খুলনা বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (১০) ০১. খুলনা সদর : http://www.dckhulna.gov.bd/ ০২. বাগেরহাট : http://www.dcbagerhat.gov.bd/ ০৩. চুয়াডাঙ্গা : http://www.dcchuadanga.gov.bd/ ০৪. কুষ্টিয়া : http://www.dckushtia.gov.bd/ ০৫. যশোর : http://www.dcjessore.gov.bd/ ০৬. ঝিনাইদহ : http://www.dcjhenaidah.gov.bd/ ০৭. মাগুরা : http://www.dcmagura.gov.bd/ ০৮. মেহেরপুর : http://www.dcmeherpur.gov.bd/ ০৯. নড়াইল : http://www.dcnarail.gov.bd/ ১০. সাতক্ষীরা : http://www.dcsatkhira.gov.bd/ সিলেট বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (৪) ০১. সিলেট সদর : http://www.dcsylhet.gov.bd/ ০২. মৌলভীবাজার : http://www.dcmoulvibazar.gov.bd/ ০৩. হবিগঞ্জ : http://www.dchabiganj.gov.bd/ ০৪. সুনামগঞ্জ : http://www.dcsunamganj.gov.bd/ বরিশাল বিভাগ : এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলাসমূহ হলোঃ (৬) ০১. বরিশাল সদর : http://www.dcbarisal.gov.bd/ ০২. বরগুনা : http://www.dcbarguna.gov.bd/ ০৩. ভোলা : http://www.dcbhola.gov.bd/ ০৪. ঝালকাঠি : http://www.dcjhalakathi.gov.bd/ ০৫. পটুয়াখালী : http://www.dcpatuakhali.gov.bd/ ০৬. ফিরোজপুর : http://www.dcpirojpur.gov.bd/

Photos 04/07/2016

অত্যন্ত লাভজনক ফসল পটোল

কৃষি প্রতিবেদক \ পটোল বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় সবজি। এটি সারা বছরই কমবেশি পাওয়া যায়। পটোল উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের সব জেলাই মোটামুটি উপযোগী। আয়-ব্যয়ের বিবেচনায় এটি অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল। হেক্টর প্রতি প্রায় এক- সোয়া লাখ টাকা লাভ হয়। পটোল সহজে হজমযোগ্য এবং হৃদরোগীদের জন্য উপকারী একটি সবজি। জাতভেদে পটোলের ফলন প্রতি হেক্টরে চার টন থেকে ১৫ টন পাওয়া যায়।

জাতঃ বিভিন্ন অঞ্চলে পটোলের বিভিন্ন জাত দেখা যায়। জাতের ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন প্রকার পটোল লক্ষ করা যায়। যেমন- লম্বা ও চিকন, খাটো ও মোটা, গাঢ় সবুজ থেকে হালকা সবুজ। ডোরা কাটা ও ডোরা কাটা বিহীন, পুরু ত্বক থেকে হালকা ত্বক। ফরিদপুর অঞ্চলে কানাই বাঁশি নামে একটি উন্নত জাতের পটোল পাওয়া যায়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দু’টি পটোলের জাত উদ্ভাবন করেছে। বারি পটোল-১, বারি পটোল-২ যার ফল হেক্টর প্রতি ৩০-৩৮ টন।

বংশবিস্তারঃ এটি কান্ড এবং টিউবারের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে। শাখা কলমের ক্ষেত্রে পরিপক্ক কান্ড ব্যবহার করা হয়। এদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কান্ড মরে গেলেও শিকড় জীবিত থাকে। ফলে এই শিকড় থেকেই আবার গাছ জন্মে। রোপণের আগে পটোলের শিকড় গজিয়ে নিলে বেশি ভালো হয়।

জলবায়ু ও মাটিঃ পটোলের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু দরকার। এ জন্য খরিপ মৌসুমে পটোল ভালো হয়। উঁচু, মাঝারি উঁচু, বন্যা মুক্ত ও সুষ্ঠু পানি নিষ্কাশনযুক্ত বেলে দো-আঁশ, দো-আঁশ মাটি পটোলের জন্য উত্তম। বেলে মাটিতেও পটোল জন্মে, তবে ফলন কম হয়।

রোপণ সময়ঃ অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর অথবা ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাস পটোল রোপণের উপযুক্ত সময়। পটোল চাষের কথা চিন্তা করলে অক্টোবর মাসের আগেই জমি তৈরি করতে হবে। মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা না থাকলে শাখা কলম শুকিয়ে মারা যায়। এ ক্ষেত্রে পলিব্যাগে শাখা কলম লাগানোর মাধ্যমে চারা গজিয়ে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এতে তীব্র শীত পড়ার আগেই গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধি হয়। ফলে মোট জীবনকাল বেশি হলে আগাম ফলন পাওয়া যায় এবং যার বাজার মূল্য তুলনামূলক অনেক বেশি পাওয়া যায়। কারণ এগুলো ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে বাজারে চলে আসে। ডিসেম্বর মাসেও পটোল পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পলিব্যাগে চারা তৈরি করে অবশ্যই আগস্ট মাসে তা জমিতে লাগাতে হবে। অন্য দিকে খরিপ মৌসুমের জন্য যেগুলো ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে লাগানো হয় সেটা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং জীবনকাল তুলনামূলক কম হয়। এদের ফলন তুলনামূলক বেশি হয়।

জমি তৈরি ঃ পটোলের জন্য জমি গভীর করে চার থেকে পাঁচটি চাষ ও মই দেয়ার পর বেড তৈরি করে নিতে হয়। এতে পানি নিষ্কাশনের জন্য সুবিধা হয়। দুই বেডের মাঝে ২০ সেন্টিমিটার গভীর এবং ৩০ থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার প্রসেত্মর সেচ/নিষ্কাশন নালা রাখতে হবে। সাধারণ বেড চওড়ায় ২৬০ সেন্টিমিটার করা হয়। প্রতি বেডে ২০০ মিটার দূরে দুই সারিতে ৫০ সেন্টিমিটার পর পর ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার গভীরে শাখা কলম লাগাতে হবে।

সারের মাত্রা ও প্রয়োগঃ

হেক্টর প্রতি গোবর বা কম্পোস্ট ১০ হাজার কেজি, ইউরিয়া ৩০০ কেজি, টিএসপি ২০০ কেজি, এমওপি ১৫০ কেজি, জিপসাম ৬০ কেজি এবং জিঙ্ক সালফেট ৮ কেজি। গোবর, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম ও জিঙ্ক সালফেট শতকরা ৫০ ভাগ জমি তৈরির সময় এবং বাকি ৫০ ভাগ মাদায় প্রয়োগ করা হয়। মাদায় সব সার দেয়া হয় না। কেননা, পটোলের মূল মাদার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সব বেডে ছড়িয়ে পড়ে। ইউরিয়া সার চারা গজানোর ২০ দিন পর তিন কিস্তিতে সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়। শেষের দিকে পটোলের ফলন ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে তখন ২০ থেকে ৩০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০ থেকে ৩৫ গ্রাম টিএসপি, ২০ থেকে ২৫ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করলে নতুন ফুল আসে এবং ফলন অনেক বৃদ্ধি পায়।

মাচা তৈরিঃ পটোল লতানো প্রকৃতির উদ্ভিদ, তাই এগুলো মাটির ওপর কিংবা খড় বিছিয়ে উৎপাদন করলে গায়ে সাদা সাদা ফ্যাকাসে বা হলুদ বর্ণের হয়ে পড়ে। এতে পটোলের বাজার মূল্য এবং রফতানিযোগ্যতা কমে যায়। মাচা সাধারণত দু ধরনের হয়- বাঁশের আনুভূমিক মাচান ও রশি দিয়ে তৈরি উলম্ব মাচা।

আগাছা দমনঃ পটোলের জমিতে আগাছা দেখামাত্রই দমন করতে হবে। আগাছা দমন না করলে ফলন অনেক কমে যায়।

অঙ্গ ছাঁটাইঃ পটোলগাছ মাচায় ওঠার আগ পর্যন্ত পার্শ্বশাখা ছাঁটাই করে দিতে হয়। না হলে মোট ফলন কম হয়।

পরাগায়নঃ পটোলের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পটোলের ফলন নির্ভর করে এর ওপর। পটোলের পুরুষ ও স্ত্রী গাছ ভিন্ন হয়। ১০ ভাগ পুরুষ গাছ জমিতে সুষম দূরত্বে থাকলে অধিক পরাগায়ন হয়। পরাগায়ন না হলে ফুল শুকিয়ে ঝরে যায়। পরাগায়নের সময়কাল ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা। কৃত্রিম পরাগায়ন করতে পারলে ফলন অনেক বেড়ে যায়। পুরুষ ফুল সংগ্রহ করে পুংরেণু স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে লাগিয়ে কৃত্রিম পরাগায়ন করা যায়। এছাড়া পুরুষ ফুলের পরাগরেণু পানিতে মিশিয়ে ড্রপার দিয়ে একফোঁটা করে প্রতি স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে লাগিয়েও ভালো ফল পাওয়া যায়। পুরুষ ফুল স্ত্রী ফুলের ১৫ থেকে ২৯ দিন পর জন্মায়। তাই পুরুষ গাছ স্ত্রী গাছের ১৫ থেকে ২০ আগে লাগানো উচিত। এতে ফলন প্রভাবিত হয়।

অন্যান্য পরিচর্যাঃ অন্যান্য ফসলের মতো পটোলের আন্ত:পরিচর্যা জরুরি। গাছের গোড়ায় চার দিকে মাটি আলগা করে দিতে হবে। মাচাতে ঠিকভাবে লতা ওঠার ব্যবস্থা করতে হবে।

04/07/2016

দারুচিনি

দারুচিনি চিরসবুজ বৃক্ষ ।উচ্চতা ৮ -১৬ মিটার পর্যন্ত হয় ।পাতা বড় ,ডিম্বাকৃতি এবং মোটা ও পুরু ।দেখতে অনেকটা তেজপাতা গাছের মতো ।এর ছাল মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।দারুচিনি খাবারে সুগন্ধ হয় ,খাবারকে সুস্বাদু করে তোলে ।শুধু তাই না ,অনেক রোগের ঔষধ হিসেবেও দারুচিনি ব্যবহৃত হয় ।

ব্যবহার

*একগ্রাম পরিমাণ দারুচিনি থেঁতো করে এক কাপ গরম পানিতে সারা রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে খেলে এবং সেই সঙ্গে দুই গ্রাম পরিমাণ দারুচিনি ,এক মুঠো দুর্বা এক টুকরা হলুদ একসঙ্গে বেটে গোসলের এক ঘন্টা আগে গায়ে মাখলে চামড়ার উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয় ।

*দারুচিনির পানি সেবন সেই সঙ্গে দারুচিনিচূর্ণ দুধের সরের সঙ্গে মিশিয়ে মেছতায় লাগালে মেছতা যায় ।

*দারুচিনি লবঙ্গ ও আদার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ইনফ্লুয়েঞ্জা সেরে যায় ।

*দারুচিনির তেল দাঁতের রোগ নিরাময়ে কার্যকর ।

*দারুচিনি সর্দি ,কাশি ও আমাশয় রোগ উপশম করে এবং কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে ।

04/07/2016

এলাচি

এলাচি একটি বহুবর্ষজীবী হার্বজাতীয় উদ্ভিদ ।মূল থেকে অনেক শাখা -প্রশাখা বের হয় ।গাছ দেড় থেকে পাঁচ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয় ।কাণ্ডের গোড়া থেকে লম্বা শীষ বের হয় ।তাতে অনেক ফুল ফোটে ।ফুলের রঙ সাদা ।ফল ত্রিকোণাকার ক্যাপসুল আকৃতির ।ফলের ওপর পাতলা পিচ্ছিল বাদামি রঙের আবরণ থাকে ।ফল মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।এছাড়া ঔষধ হিসেবেও এর রয়েছে বহুল ব্যবহার ।

ব্যবহার

*এক গ্রাম এলাচি বীজ সমপরিমাণ পিপূলচুর্ণ ও একটু গাওয়া ঘিসহ সেবন করলে হৃদরোগ ও হৃদরোগজনিত হাঁপানি উপশম হয় ।

*এলাচি বেটে গায়ে লাগালে চুলকানি ও দুর্গন্ধ চলে যায় ।

*এলাচি বীজ ব্রঙ্কাইটিস ,অর্শ ,মূত্রপাথর ও কিডনিপাথর রোগে উপকারী ।

*এলাচি হজমশক্তি বাড়ায় এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করে ।

04/07/2016

লবঙ্গ

লবঙ্গের আর এক নাম লং ।লবঙ্গ একটি চিরসবুজ গাছ ।বহুসংখ্যক নরম ও নিম্নগামী দল চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে ।গাছ প্রায় ৩০ -৪০ ফুট উঁচু হয় ।কচি পাতার রং লালচে ।ফল পাকার আগেই বৃতিসহ ফুলের কুঁড়ি সংগ্রহ করা হয় ।আর শুকিয়ে তৈরি করা হয় আমাদের পরিচিত লবঙ্গ ।লবঙ্গ খুবই ঝাঁঝালো ঘ্রাণময় একটি মসলা ।তবে ঔষধি হিসেবেও রয়েছে এর যথেষ্ট গুরুত্ব ।

ব্যবহার

*লবঙ্গ পিষে মধুসহ খেলে রক্তের শ্বেতকণিকার পরিমাণ বাড়ে ।

*এটি খাবারের রুচি ও খিদে বাড়ায় এবং বমি বমি ভাব দূর করে ।

*লবঙ্গ দাঁতের ব্যাথা ও পায়োরিয়া সারাতে কার্যকর ।

*চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে লবঙ্গ পিষে লাগালে ত্বকের যেকোনো সমস্যা দূর হয় ।

*লবঙ্গ কফ ও কাশি নিরাময় করে ।

*লবঙ্গের তেলে রয়েছে এন্টিবায়োটিক ক্ষমতা ।এটি গলার সংক্রমণ রোধক হিসেবে কাজ করে এবং হাঁপানির মাত্রা কমায় ।

*এটি শরীরে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে এবং সৃজনশীলতা বাড়ায় ।

04/07/2016

মৌরি

মৌরি ঝোপালে আকৃতির এক ধরনের বর্ষজীবী উদ্ভিদ ।প্রায় এক মিটার উঁচু হয় ।পাতা পালকের মতো ঘন ।এর বীজ মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।এ মসলাটি শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না ,এটি আমাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায়ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ।

ব্যবহার

*স্বল্প পরিমাণ বেলের চুর্ণের সঙ্গে মৌরি মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় ।

*মৌরি ও মিশ্রি ভালো করে পিষে সকাল -সন্ধ্যা এক চামক করে খেলে চোখের জ্যোতি বাড়ে ।

*মধুর সঙ্গে মৌরি মিশিয়ে খেলে পুরানো কাশি নিরাময় হয় ।

*মাথাব্যাথা ,সন্ধিব্যাথা ও বাটব্যাথায় মৌরির বীজের তেল আক্রান্ত স্থানে দিনে ৩-৪বার লাগালে ব্যাথা সেরে যায় ।

*পাঁচ গ্রাম মৌরি ২কাপ পানিতে সিদ্ধ করে অর্ধেক থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে সকাল বিকাল খেলে অজীর্ণ ও পেট ফাঁপায় উপকার পাওয়া যায় ।

*মৌরির বীজ চূর্ণ ৫-৭গ্রাম পরিমাণ সকালে খালি পেটে ও রাতে খাবার পর কুসুমগরম পানিসহ খেলে মহিলাদের রজোনিঃসারক হিসেবে কাজ করে ।

*প্রসূতি মায়েদের স্তনের দুগ্ধবর্ধক হিসেবে মৌরি কার্যকরী ।

*কোন করণে পেট ব্যাথা হলে মৌরি চিবিয়ে খেলে পেট ব্যাথা সেরে যায় ।

*মস্তিষ্কের যে কোন রোগ নিরাময়ে মৌরি উপকারী ।

*মৌরি খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় ।

04/07/2016

ধনিয়া

ধনিয়া বাংলাদেশের নিত্য ব্যবহৃত মসলাসমূহের অন্যতম ।এটি একটি বর্ষজীবী বীরুৎ ।গাছ ৪০ -৯০ সেমি. পর্যন্ত উঁচু হয় ।ধনিয়ার পাতা বিভিন্ন তরকারী ,সালাদ ,স্যুপ ,পিঠা ,চাটনি এসবের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় ।এছাড়া ধনিয়ার পাতা ও বীজ ভিটামিন -এ সমৃদ্ধ এবং এদের রয়েছে যথেষ্ট ভেষজগুণ ।

ব্যবহার

*ধনিয়া বীজ দিয়ে তৈরি চা মধু মিশিয়ে খেলে অজীর্ণ ,এসিডিটি ,ঢেকুর ওঠা ,কোষ্ঠকাঠিন্য উপশম হয় ।

*ধনিয়া ও জিরার বীজ সিদ্ধ করা পানি নিয়মিত খেলে শরীর ঠাণ্ডা , রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল মাত্রা কমে ,ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ে ,রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে ।

*ছয় গ্রাম ধনিয়ার বীজ আধা লিটার পানিতে সিদ্ধ করে চিনি মিশিয়ে গরম থাকতে খেলে মহিলাদের অতিস্রাবজনিত সমস্যা সেরে যায় ।

*ধনিয়া শরীরের লোহিত কণিকা ও শুক্রাণু তৈরিতে সহায়ক ।

*ধনিয়া বৃহদন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং জলবসন্ত প্রতিরোধ করে ।

*ধনিয়া মূত্রনালীর প্রদাহ এবং আর্থ্রাইটিস নিরাময় করে ।

*ধনিয়া মুখের ক্ষত নিরাময় করে ও দুর্গন্ধ দূর করে ।

*ধনিয়া পাতার রস হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে মুখের ব্রণ ও কালো দাগ সেরে যায় ।

04/07/2016

জিরা

জিরা শাখা -প্রশাখাযুক্ত একপ্রকার বর্ষজীবী বীরুৎ ।গাছ ৩০ -৫০ সে.মি উঁচু হয় ।জিরার বীজ মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।বীজে রয়েছে অত্যাবশ্যকীয় তেল ,ভিটামিন ,আয়রন এবং ক্যালসিয়াম ।বিভিন্ন রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধে এর রয়েছে মূল্যবান ঔষধিগুণ ।

ব্যবহার

*জিরা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পেট ব্যাথা নিরাময় করে ।

*কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ ও অর্শরোগ নিরাময়ে জিরা কার্যকরী ।

*জিরা অন্ত্রনালীর ক্ষত নিরাময় করে এবং বৃহদন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ।

*শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা এজমা ব্রঙ্কাইটিস ও রোগে জিরা উপকারী ।

*জিরা রক্তশূন্যতা দূর করে এবং প্রসূতি মায়েদের স্তনদুগ্ধ বৃদ্ধি করে ।

* ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে সাধারণ ঠাণ্ডা থেকে শরীরকে রক্ষা করে ।

*জিরা ব্রণ ও ফোঁড়া প্রতিরোধ করে এবং ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে ।

Category

Telephone

Address


Jatrabari
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bushra talicom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.