Abdulla Bin Robiul

Abdulla Bin Robiul

Share

Robiul

07/04/2025

গল্পের নাম: "তোমার নামে লিখেছি হৃদয়টা"
পর্ব ১: হেমন্তের হাওয়া আর আরিব

বিকেলের শেষ আলোটুকু গাছের পাতায় পাতায় খেলে যাচ্ছে। গ্রামের নাম উত্তরবিল—পুকুরঘেরা, কাঁচা রাস্তায় ধুলোমাখা, আর কাশবনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া এক টুকরো স্বপ্ন। এখানে এখনো সন্ধ্যার পর হারিকেনের আলোয় গল্প হয়, আর মানুষ এখনো চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে।

আরিব—আঠারো পেরুনো তরুণ, দস্যি হলেও চোখে এক ধরনের শান্ত ছায়া। সে গ্রামেরই ছেলে, বাবার ছোট্ট একটি জমির ওপর দিন চলে কোনোমতে। কিন্তু আরিবের স্বপ্ন অনেক বড়—সে লিখে। হ্যাঁ, সে চুপচাপ খাতায় কিছু না কিছু লেখে। কেউ জানে না ঠিক কী লিখে, তবে সে লেখে কোনো একটা নামকে উদ্দেশ্য করে। প্রতিবার লেখা শেষে শুধু লেখে—"তোমার নামে লিখেছি হৃদয়টা..."

ওপারে থাকে রাত্রি। কলেজে পড়ে, ছুটিতে গ্রামে এসেছে। শহরের মেয়ে হলেও তার মনে টান গ্রামের দিকে। নরম স্বভাবের, কিন্তু ভেতরে ভেতরে খুব জেদি। তার হেঁটে যাওয়া দেখে পুকুরপাড়ের কচুরিপানাও যেন একটু থমকে থাকে।

সেদিন বিকেলে প্রথমবার আরিবের চোখে পড়ে রাত্রি। পুকুরপাড়ে বসে সাদা জামা পরা মেয়েটি পানিতে পা ডুবিয়ে রেখেছে, আর হাওয়ায় উড়ছে চুল। আরিব দূর থেকে তাকিয়েই থাকতে থাকে। মনে হয় এই মেয়েটার জন্যই বুঝি এতদিন সে নামহীন চিঠিগুলো লিখেছে।

বন্ধুরা তোমরা চাইলে। দ্বিতীয় পর্ব খুব তাড়াতাড়ি দিয়ে দিব।।

07/04/2025

গল্প: জান্নাতের পথে একসাথে

রাইহান আর হুমায়রা—দুইজনের বিয়ে হয়েছে মাত্র এক বছর। খুব ধুমধাম কিছু ছিল না, শুধু দুই পরিবারের সম্মতি আর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়ত। বিয়ের পর হুমায়রা প্রায়ই রাইহানকে জিজ্ঞেস করতো,
"তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো?"

রাইহান একটু হেসে বলত,
"যতটা জান্নাত পেতে চাই।"

হুমায়রা অবাক হতো।
"মানে?"

রাইহান বলত,
"তোমাকে আমি হালালভাবে পেয়েছি, আল্লাহর নামে। এখন চাচ্ছি, এই ভালোবাসা যেন শুধু দুনিয়ায় না থাকে, আখিরাতেও একসাথে থাকি।"

হুমায়রা চুপচাপ চোখের পানি মুছে বলত,
"তাহলে আমিও জান্নাতের পথে তোমার হাত ধরে হাঁটবো ইনশাআল্লাহ।"

তাদের ভালোবাসা ছিল সাদামাটা, কিন্তু পবিত্র। রাইহান ফজরের আগে হুমায়রাকে ডেকে তুলত তাহাজ্জুদের জন্য, আর হুমায়রা ইফতারের সময় রাইহানের পছন্দের খানা রান্না করত। তাদের প্রতিটা ভালোবাসার প্রকাশে ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টির ছোঁয়া।

একদিন হুমায়রা বলল,
"তোমার জীবনে আমি কি?"

রাইহান হাতে কুরআন তুলে দিয়ে বলল,
"এই কিতাবের পর যদি কাউকে রাখতে হয়, তবে তুমিই। কারণ তুমি সেই পথের সাথী, যে পথ আল্লাহর দিকে যায়।"

07/04/2025

তাকদীরের ছোঁয়া"

রাফি আর মেহরিন—দুজন দুই দুনিয়ার মানুষ। একজন সাদামাটা, বই আর নামাজের মাঝে ডুবে থাকা ছেলে; আরেকজন প্রাণবন্ত, হাসিখুশি, আকাশছোঁয়া স্বপ্নে ঘেরা মেয়ে। পরিচয়টা হয় একটা ইসলামিক ক্লাসে, যেখানে দুজনই এসেছিল ‘ভালো মানুষ’ হওয়ার চেষ্টায়।

প্রথমদিকে শুধুই আলাপ, বিনয়ী কিছু কথা। তারপর একদিন রাফি সাহস করে বলে—"আমি দোয়া করি যেন আল্লাহ যদি আমাদের জন্য কিছু ভালো রেখেই থাকেন, তাহলে সেটা যেন হালাল পথে আসে।"

মেহরিন অবাক হয়। কোনো ছেলেকে সে আগে এমন করে বলতে শোনেনি। ওর চোখে সেই দিন থেকে রাফি আলাদা হয়ে যায়।

মাস যায়, বছর পেরোয়। দুজনেই নিজের পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেয়। কিন্তু দুজনেই নিয়ম করে তাহাজ্জুদের নামাজে একে অপরের জন্য দোয়া করে। অবশেষে একদিন, রাফি তার মাকে নিয়ে যায় মেহরিনদের বাসায়। কথা হয়, পরিবারে সম্মতি আসে—কারণ এখানে প্রেমটা ছিল সম্মান আর দোয়ার উপর গড়া।

আজ ওরা সুখে সংসার করছে। মেহরিন বলে—"ভালোবাসা তো অনেকেই পায়, কিন্তু যার ভিতরে আল্লাহর ভয় আর ধৈর্য থাকে, সেই ভালোবাসাই আসল বরকত হয়।"

07/04/2025

গ্রামের মেঠোপথ, বিকেলের রোদ পড়েছে হালকা হালকা।
ছেলেটা সাইকেলে যাচ্ছে, মেয়েটা হেঁটে স্কুল থেকে ফিরছে। দূর থেকে চোখে চোখ পড়ে।
দুজনেই থমকে যায় একটু।
মেয়েটা লাজুক হাসি দিয়ে মুখ নামিয়ে নেয়, আর ছেলেটা একটু মাথা নিচু করে পাশ কাটিয়ে চলে যায়।
কিন্তু দুজনের মনেই বাজতে থাকে সেই একটাই গান—
"ও চোখের ইশারায় তুমি যে কত কথা বলো, আমি তো বুঝি সব..."

26/07/2023

আমার ছায়ার পাশে আরেকটি ছায়া হোক,, তার সাথে আমার বিচ্ছেদ নয়,, আটকে রাখার মায়া হোক!!!🙃❤️

19/07/2023

শুনলাম তুমি নাকি অনেক শিক্ষিত🤔
তাহলে বলতো online এর বাংলা কি??

18/07/2023

_ ৪ বছর আগে ক্রাশ আমাকে "হাই" বলেছিলো যা এই যুগে বিয়ের প্রস্তাবের সমান🫠🥲

24/05/2022

Category

Telephone

Website

Address


Gazipor
Gazipur
MAWNA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdulla Bin Robiul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Gazipur.