Sojol kharitee
Sojol
❤︎𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐅𝐫𝐢𝐝𝐚𝐲 •☾︎✯️🥀
♡︎ 𝐓𝐨 𝐀𝐥𝐥 𝐦𝐮𝐬𝐥𝐢𝐦.🤲❣️
••• 𝐌𝐚𝐲 𝐀𝐥𝐥𝐚𝐡 𝐫𝐞𝐦𝐨𝐯𝐞 𝐚𝐥𝐥 𝐲𝐨𝐮𝐫 𝐩𝐚𝐢𝐧 ••••
♣••||| 𝐀𝐧𝐝 𝐀𝐜𝐜𝐞𝐩𝐭 𝐚𝐥𝐥 𝐲𝐨𝐮𝐫 𝐬𝐢𝐥𝐞𝐧𝐭 𝐩𝐫𝐚𝐲𝐞𝐫' 𝐬 |||
👉 𝐉𝐮𝐦𝐦𝐚 𝐌𝐮𝐛𝐚𝐫𝐚𝐤 ___||•••• ❤🕋
🕌🌹🌺السلام عليكم ورحمۃالله وبركاته🌺🌹🕌
[━━━━ ﷽━━━━]
22/04/2022
18/03/2022
- #পুলসিরাতের ভয়াবহতা।
হাশরের মাঠে সবাই নিজেকে নিয়ে থাকবে ব্যতিব্যস্ত। সবার মুখেই জারি থাকবে ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।
হায়! আমার কি অবস্থা হবে? হাশরের মাঠে মানুষের আমলনামার ওজন এবং হিসাব-নিকাশের পর
সবাইকে বলা হবে, তোমরা এখন নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাও।
হাশরের মাঠ থেকে বের হয়ে গন্তব্যে যেতে একটি পুল
স্থাপন করা হবে। আরবিতে পুলকে বলা হয় সিরাত। এটি হাশরের ময়দান থেকে জাহান্নামের ওপর দিয়ে
জান্নাত পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে এবং অনেক ভয়ঙ্কর হবে।
ফেরেশতারা আল্লাহর নির্দেশে পুলসিরাত দেখিয়ে দিয়ে
বলবেন ❛এটা তোমাদের গন্তব্যে পৌঁছার পথ। এ পুল পেরিয়েই তোমাদের যেতে হবে।❜ কিন্তু সবার জন্য
পেরিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। পাপী বান্দারা সেটাকে চুল থেকেও চিকন দেখতে পাবে। তাদের জন্য সেটি
হবে অত্যন্ত ধারালো। তারা ওই পুলে আরোহণ করা মাত্রই তাদের পা কেটে নিম্নস্থ জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।
আর নেককারদের জন্য হবে সুপ্রশস্ত সুগম পথ। তারা তাদের নেকির তারতম্য অনুযায়ী গতিতে জান্নাতে
পৌঁছে যাবে।
➤ পুলসিরাত অতিক্রমের ভয়াবহতা...
পুলসিরাত হচ্ছে জান্নাতে যাওয়ার পথে চূড়ান্ত পরীক্ষা।
জাহান্নামিদের জন্য হাশরের মাঠ থেকে সরাসরি জাহান্নামের পথে নিয়ে যাওয়া হবে। আর যারা জান্নাতে
যাবে তাদের জন্য এই ভয়ঙ্কর পথ অতিক্রমের পরীক্ষা হবে। মুমিন ও মুনাফিকদের এই পরীক্ষার
সম্মুখীন হতে হবে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন ❛তোমার রবের কসম❜ আমি অবশ্যই তাদের ও শয়তানদের (হাশরের মাঠে) সমবেত
করব, অতঃপর জাহান্নামের চারপাশে নতজানু অবস্থায় তাদের উপস্থিত করব। তারপর প্রত্যেক দল
থেকে পরম করুণাময়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবাধ্যকে আমি টেনে বের করবই।
আমি পরিপূর্ণ অবগত তাদের সম্পর্কে, যারা জাহান্নামে
দগ্ধীভূত হওয়ার অধিকতর যোগ্য এবং তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যাকে এই পুলসিরাত পার হতে
হবে না। এটা তোমার প্রতিপালকের অবধারিত ফয়সালা। সেদিন আমি তাকওয়া অবলম্বনকারীদের
নাজাত দেব। আর জালিমদের আমি সেখানে রেখে দেব নতজানু অবস্থায়।(সুরা মারয়াম-(৬৮-৭২)
➤ নবীদের প্রার্থনা...
পুলসিরাতের কঠিন পরীক্ষায় সবাই খুব পেরেশান
থাকবে। নবীরাও সেদিন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে থাকবেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে
একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তাতে রয়েছে, নবীজি (সা.) বলেছেন ❛আল্লাহ তায়ালা সব মানুষকে
একত্র করে বলবেন, দুনিয়ায় তোমরা যে যে জিনিসের উপাসনা করেছিলে, সে তার সঙ্গে চলে যাও।
অতএব সূর্যের উপাসনাকারী সূর্যের সঙ্গে, চন্দ্রের
উপাসনাকারী চন্দ্রের সঙ্গে এবং মূর্তিপূজারি মূর্তির সঙ্গে চলে যাবে। অবশিষ্ট থাকবে এই উম্মতের
লোকেরা। তাদের মধ্যে মুনাফিকরাও থাকবে।
তখন জাহান্নামের ওপর পুলসিরাত স্থাপন করা হবে। সেদিন সর্বপ্রথম আমি সেই পুলসিরাত অতিক্রম করব।
আর সেদিন সব রাসুলের দোয়া হবে ❛আল্লাহুম্মা সাল্লিম❜ আল্লাহুম্মা সাল্লিম❜ অর্থাৎ ❛হে আল্লাহ! রক্ষা
কর, রক্ষা কর।
(বুখারি-(৬২০৪) মুসলিম-(১৯৫)
➤ কেমন হবে পুলসিরাত...
পুলসিরাত হবে অনেক ভয়ঙ্কর। চুলের মতো সূত্র ও
চিকন হবে। তরবারির মতো ধারালো হবে। নিচে থাকবে জাহান্নাম। দুই পাশে থাকবে লোহার তপ্ত
শলাকা।
কোনো আলোর ব্যবস্থা থাকবে না। যার যার আমলের আলো দিয়ে সে পথ অতিক্রম করতে হবে।
হজরত আবু সায়িদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলকে (সা.) জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া
রাসুলুল্লাহ! পুলসিরাত কেমন হবে? নবীজি বললেন, তা মসৃণ ও পিচ্ছিল হবে, তাতে থাকবে অসংখ্য লৌহ
শলাকা ও আংটা। আর থাকবে অসংখ্য কাঁটাযুক্ত দাঁতালো মাথা।(বুখারি-(৭৪৩৯) মুসলিম-(১৮৩)।
মুনাফিকদের এবং যেসব ঈমানদার গুনাহ করেছে তাদের জাহান্নাম থেকে উত্থিত সেসব শলাকা টেনে
জাহান্নামে নিয়ে যাবে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন ❛পুলসিরাতের দুই
প্রান্তে অসংখ্য আংটা যুক্ত করা থাকবে। আল্লাহ যাকে আদেশ করবেন তাকেই সে টেনে ধরবে এবং জাহান্নামে
ফেলে দেবে।
(মুসলিম-(১৯৫)
পুরো পুলসিরাত জুড়েই থাকবে অসংখ্য লৌহ শলাকা। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত
নবীজি (সা.) বলেছেন ❛পুলসিরাতে থাকবে কাঁটাযুক্ত বৃক্ষের মতো অসংখ্য আংটা।
তোমরা কি কাঁটাযুক্ত বৃক্ষ দেখনি? সাহাবারা বললেন,
অবশ্যই ইয়া রাসুলুল্লাহ! নবীজি বললেন, অবশ্যই সেসব আংটা হবে কাঁটাযুক্ত বৃক্ষের মতো। তার পরিমাণ
সম্পর্কে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
(বুখারি-(৭৪৩৭) মুসলিম-(১৮২)
ভয়ঙ্কর এই পুল হবে তরবারির ধারের মতো চিকন। হজরত সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.)
বলেছেন ❛পুলসিরাত হবে ধারালো তরবারি মাথার মতো সূত্র ও তীক্ষ্ণ।
(মুসতাদরাকে হাকেম-(৪/৬২৯)
➤ মুমিনদের আলো দেওয়া হবে...
হাশরের মাঠ থেকে রওনা হওয়ার সময় সবাইকে
বিশেষ আলো দেওয়া হবে। প্রত্যেকেই যার যার আমল অনুপাতে আলো পাবে। সবাইকে তাদের নূর পথ
দেখিয়ে নিয়ে যাবে। রাসূল (সা.) বলেছেন ❛ঈমানদার ও মুনাফিক সবাইকে একটি করে নূর ও আলো দেওয়া
হবে। প্রত্যেকেই যার যার আলো দিয়ে পুলসিরাত অতিক্রম করবে।
(মুসলিম-(১৯১)
প্রত্যেকেই যার যার আমলনামা অনুযায়ী নূর দেওয়া হবে। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল
(সা.) বলেছেন ❛সবাইকে সবার আমল অনুপাতে নূর দেওয়া হবে। কারও সামনে পাহাড় পরিমাণ নূর দেওয়া
হবে। কারও হাতে মশাল পরিমাণ নূর দেওয়া হবে। কারও নূর হবে একটি বৃক্ষের পরিমাণ।
এভাবে সবচেয়ে কম নূর যাকে দেওয়া হবে তার নূর
হবে পায়ের একটা আঙুলের মাথা পরিমাণ। একবার জ্বলবে একবার নিভবে। যখন আলো জ্বলবে তখন পথ
চলবে, আর যখন নিভে যাবে তখন দাঁড়িয়ে থাকবে।
(মুসতাদরাকে হাকেম-(৩৪২৪)
➤ পুলসিরাতের কঠিন অবস্থা...
যাদের আমলের পরিমাণ বেশি তারা অতিদ্রুত চোখের
পলকের মতো পুলসিরাত পার হয়ে যাবে। আর যার আমল কম তারা হামাগুড়ি দিয়ে পার হবে। আল্লাহ
তায়ালা বলেছেন ❛সেদিন তুমি ঈমানদার পুরুষ ও নারীদের দেখতে পাবে যে, তাদের সামনে ও ডান পাশে
তাদের নূর ছোটাছুটি করছে।
বলা হবে ❛আজ তোমাদের সুসংবাদ হলো জান্নাত, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হয়, সেখানে
তোমরা চিরস্থায়ী হবে। এটাই হলো মহাসাফল্য।
সেদিন মুনাফিক পুরুষ ও নারীরা ঈমানদারদের বলবে ❛তোমরা আমাদের জন্য একটু অপেক্ষা কর,
তোমাদের নূর থেকে আমরা একটু নিয়ে নেই❜ বলা হবে ❛তোমরা তোমাদের পিছনে ফিরে যাও এবং নূরের
সন্ধান কর❜ তারপর তাদের মাঝখানে একটি দেয়াল তুলে দেওয়া হবে, যাতে একটি দরজা থাকবে। তার
ভেতরের দিকে থাকবে রহমত আর বাইরের দিকে থাকবে আজাব।
মুনাফিকরা মুমিনদেরকে ডেকে বলবে ❛আমরা কি
তোমাদের সঙ্গে ছিলাম না? তারা বলবে ❛হ্যাঁ❜ কিন্তু ❛তোমরা নিজেরাই নিজেদেরকে বিপদগ্রস্ত করেছ।
আর তোমরা অপেক্ষা করেছিলে এবং সন্দেহ পোষণ
করেছিলে এবং আকাক্সক্ষা তোমাদেরকে প্রতারিত করেছিল, অবশেষে আল্লাহর নির্দেশ এসে গেল। আর
মহা প্রতারক তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত করেছিল।
সুতরাং আজ তোমাদের কাছ থেকে কোনো মুক্তিপণ
গ্রহণ করা হবে না এবং যারা কুফরি করেছিল তাদের কাছ থেকেও না। জাহান্নামই তোমাদের আবাসস্থল।
সেটাই তোমাদের উপযুক্ত স্থান। আর কতই না নিকৃষ্ট সেই গন্তব্যস্থল!
(সুরা হাদিদ-(১২/১৫)
➤ পুলসিরাত অতিক্রমের গতিবেগ...
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ❛সেদিন কেউ বিদ্যুতের গতিতে, কেউ বাতাসের গতিতে, কেউ ঘোড়ার গতিতে,
কেউ আরোহীর গতিতে, কেউ দৌড়িয়ে, আবার কেউ হাঁটার গতিতে পুলসিরাত অতিক্রম করবে।
(তিরমিজি-(৩১৫৯)
উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ❛জাহান্নামের ওপর
একটি পুল আছে, যা চুলের চেয়েও বেশি চিকন আর তরবারির চেয়েও বেশি ধারালো। এর ওপর লোহার
শিকল ও কাঁটা থাকবে।
মানুষ এর ওপর দিয়েই গমন করবে। কেউ চোখের পলকে, কেউ বিদ্যুৎ গতিতে, কেউ বায়ুবেগে আর কেউ
উত্তম ঘোড়া ও উটের গতিতে পুলসিরাত পার হবে। আর ফেরেশতারা বলতে থাকবে, হে প্রভু!
সহিসালামতে অতিক্রম করাও, হে প্রভু! নিরাপদে পার
করাও। কেউ নাজাত পাবে, কেউ আহত হবে, কেউ উপুড় হয়ে পড়ে যাবে আর কেউ অধঃমুখী হয়ে
জাহান্নামে পড়ে যাবে।
(মুসনাদে আহমদ-(২৪৮৪৭)
➤ মুনাফিকদের ভয়াবহ পরিণাম...
পৃথিবীতে যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য
কোরআন ও হাদিসের বিধান অনুসারে জীবন পরিচালনা করেছে, তারা সহজেই সে ভয়ঙ্কর
পুলসিরাত অতিক্রম করে জান্নাতে পৌঁছতে সক্ষম হবে।
কিন্তু মুনাফিক ও পাপী বান্দারা সে পথ অতিক্রম
করতে পারবে না। তারা পুলসিরাত থেকে পড়ে গিয়ে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। হজরত আবু বাকরা (রা.)
থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন ❛কেয়ামতের দিন মানুষকে পুলসিরাতের ওপর অতিক্রম করতে বলা
হবে।
তখন অপরাধীরা পুলসিরাতের দুই প্রান্তে জাহান্নামের অতলে একজনের ওপর আরেকজন পড়ে যেতে
থাকবে। এভাবে জাহান্নামের শয্যা রচিত হতে থাকবে।
(মুসনাদে আহমাদ-(২০৪৫৭) মাজমাউজ জাওয়ায়েদ-(১০/৩৬২)
নপরে গুনাহগার ঈমাদারদেরক গুনাহ অনুপাতে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করার পর জান্নাতে প্রবেশের
অনুমতি দেওয়া হবে। আর মুনাফিকরা চিরকালের জন্য জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে থাকবে।
(আন নিহায়া, ইবনুল আসির-(৪/২৪)
সবার শেষে যে পুলসিরাত অতিক্রম করবে তার ব্যাপারে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত,
রাসূল (সা.) বলেছেন ❛অতঃপর তোমাদের সর্বশেষ ব্যক্তি পেটে ভর করে করে পুলসিরাত অতিক্রম করবে।
সে বলতে থাকবে, হে রব! আমাকে এত বিলম্ব করানো হলো কেন? তখন আল্লাহ বলবেন, আমি কেন
তোমাকে বিলম্ব করাব? তোমাকে তো তোমার আমল বিলম্ব করিয়েছে।(মুসতাদরাকে হাকেম-(৮৫১৯)
সারা বিশ্বে পাঁচ জন লোক বিনা অনুমতিতে কাবা
শরিফে প্রবেশ করতে পারে! তাদের মধ্যে আল্লামা
দিলোয়ার হোসেন সাইদি সাহেব একজন!
আল্লামা সাইদি সাহেবের প্রথম মাহফিলে প্রথম
বছর চট্টগ্রামে ছুড়া ফাতেহার তাফছির শুনে ৪৬ জন অমুসলিম ইসলাম গ্রহন করেছিলেন!
আল্লামা সাইদি সাহেব বিশ্বের ৫২ টি দেশে কোরআনের তাফসির করেছেন!
আল্লামা সাইদি সাহেব ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর পবিত্র হজ পালন করেছেন!
কাবা শরিফের ইমাম আল্লামা সাইদি সাহেবের কপালে চুমু দিয়েছেন!
সৈদির বাদশার আমন্ত্রণে আল্লামা সাইদি সাহেব সয়ং কাবা একবার সৈয়দি বাদশার আমন্ত্রণে সারা
বিশ্ব থেকে বাছাই করা এক হাজার আলেমদের মধ্যে হরকত ছাড়া একটি কোরআন প্রতিযোগিতা
হয়েছিলো!
সেখানে ৯৯ নম্বার পেয়ে আল্লামা সাইদি সাহেব প্রথম হয়েছিলো!
আজ সেই বিশ্ব জয়ি কোরআনের পাখিটি জেল
খানায় বন্ধি হ্যা এটাই মোদের সোনার বাংলা!
১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন...
জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??
আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।
জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।
আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জনান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''
জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব
এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!
এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।
আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?
আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন।
আমিন..
মৃত্যুর পরবর্তী প্রথম ধাপ হবে কবর যা সবার জন্য পার হওয়া অনেক ভয়াবহ এবং কঠিন হবে।
তাই আল্লাহ কাছে আগে থেকেই সেটা পার হওয়া এবং ক্ষমা চাইতে হবে। আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন আযাবিল ক্ববর।
হে আল্লাহ কবরের ভয়ংকর ভয়াবহ আযাব থেকে আমাকে মুক্তি দিন,বা আশ্রয় চাই।
(সহিহ বুখারী হাদিস নং ৮৩৩)
সকল কে বলে যাওয়ার অনুরোধ রইলো
সাতক্ষীরা জেলার ইউনিয়ন লিস্ট-
Satkhira District-আপনার বাসা কোথায়?
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা-
১. আগরদাড়ী (সাতক্ষীরা সদর)
২. আলিপুর (সাতক্ষীরা সদর)
৩. কুশখালী (সাতক্ষীরা সদর)
৪. ঘোনা (সাতক্ষীরা সদর)
৫. ঝাউডাঙ্গা (সাতক্ষীরা সদর)
৬. ধুলিহর (সাতক্ষীরা সদর)
৭. ফিংড়ি (সাতক্ষীরা সদর)
৮. বৈকারী (সাতক্ষীরা সদর)
৯. বাঁশদহ (সাতক্ষীরা সদর)
১০. বল্লী (সাতক্ষীরা সদর)
১১. ব্রক্ষ্মরাজপুর (সাতক্ষীরা সদর)
১২. ভোমরা (সাতক্ষীরা সদর)
১৩. লাবসা (সাতক্ষীরা সদর)
১৪. শিবপুর (সাতক্ষীরা সদর)
আশাশুনি উপজেলা
১. আনুলিয়া (আশাশুনি)
২. আশাশুনি (আশাশুনি)
৩. কাদাকাটি (আশাশুনি)
৪. কুল্যা (আশাশুনি)
৫. খাজরা (আশাশুনি)
৬. দরগাহপুর (আশাশুনি)
৭. প্রতাপনগর (আশাশুনি)
৮. বুধহাটা (আশাশুনি)
৯. বড়দল (আশাশুনি)
১০. শ্রীউলা (আশাশুনি)
১১. শোভনালী (আশাশুনি)
দেবহাটা উপজেলা
১. কুলিয়া (দেবহাটা)
২. দেবহাটা (দেবহাটা)
৩. নওয়াপাড়া (দেবহাটা)
৪. পারুলিয়া (দেবহাটা)
৫. সখিপুর (দেবহাটা)
তালা উপজেলা
১. সরুলিয়া (তালা)
২. মাগুরা (তালা)
৩. নগরঘাটা (তালা)
৪. ধানদিয়া (তালা)
৫. তেতুলিয়া (তালা)
৬. তালা (তালা)
৭. জালালপুর (তালা)
৮. খেশরা (তালা)
৯. খলিশখালী (তালা)
১০. খলিলনগর (তালা)
১১. কুমিরা (তালা)
১২. ইসলামকাটি (তালা)
কলারোয়া উপজেলা
১. কুশোডাংগা (কলারোয়া)
২. কেঁড়াগাছি (কলারোয়া)
৩. কেরালকাতা (কলারোয়া)
৪. কয়লা (কলারোয়া)
৫. জালালাবাদ (কলারোয়া)
৬. যুগিখালী (কলারোয়া)
৭. লাঙ্গলঝাড়া (কলারোয়া)
৮. সোনাবাড়িয়া (কলারোয়া)
৯. হেলাতলা (কলারোয়া)
১০. চন্দনপুর (কলারোয়া)
১১. দেয়ারা (কলারোয়া)
১২. জয়নগর (কলারোয়া)
কালিগঞ্জ উপজেলা
১. কুশুলিয়া (কালিগঞ্জ)
২. চাম্পাফুল (কালিগঞ্জ)
৩. তারালী (কালিগঞ্জ)
৪. দক্ষিণ শ্রীপুর (কালিগঞ্জ)
৫. ধলবাড়িয়া (কালিগঞ্জ)
৬. নলতা (কালিগঞ্জ)
৭. বিষ্ণুপুর (কালিগঞ্জ)
৮. ভাড়াশিমলা (কালিগঞ্জ)
৯. মথুরেশপুর (কালিগঞ্জ)
১০. রতনপুর (কালিগঞ্জ)
১১. মৌতলা (কালিগঞ্জ)
১২. কৃষ্ণনগর (কালিগঞ্জ)
শ্যামনগর উপজেলা
১. আটুলিয়া (শ্যামনগর)
২. ইশ্বরীপুর (শ্যামনগর)
৩. কৈখালী (শ্যামনগর)
৪. কাশিমাড়ী (শ্যামনগর)
৫. নুরনগর ইউনিয়ন (শ্যামনগর)
৬. পদ্মপুকুর ইউনিয়ন (শ্যামনগর)
৭. বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন (শ্যামনগর)
৮. ভুরুলিয়া ইউনিয়ন (শ্যামনগর)
৯. মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন (শ্যামনগর)
১০. রমজাননগর ইউনিয়ন (শ্যামনগর)
১১. শ্যামনগর (শ্যামনগর)
১২. গাবুরা
সুলায়মান (আঃ) ও এক গরিব মহিলার বিস্ময় কর ঘটনা
------❤----------❤--------❤-----------❤-------❤----
আল্লাহর নবী হযরত সুলায়মান (আঃ)একদা আল্লার কাছে আরোজ করলে, হে আমার প্রভু।আমাকে এমন কিছু ক্ষমতা দান করেন, যে ক্ষমতা আমার আগে না কেউ পেয়েছে, আর না আমার পরে কেউ পাবে। তখন মহান আল্লাহ তালা হযরত সুলায়মান (আঃ) এর আবেদন মঞ্জুর করলেন এবং তার প্রিয় নবী সুলায়মানের জন্য এমন এক অলৌকিক ক্ষমতা প্রদান করেছিলেন, যার বদৌলতে সকল জ্বীন ,পরী ,পোকা মাকড়, পশুপাখি, মাছ ,মানুষ জাতী সকলেই তার কথা মানতে। এমন কি সিংহাসন তাকে ভাসমান অবস্থায় নিয়ে বেড়াত।যার ফলে তিনি যেখানে খুশি মূহুর্তের মধ্যে চলে যেতে পারতেন। একদা হযরত সুলায়মান (আঃ) তার বাজ্যয় গতিবিধি জানার জন্য আকাশে ঘুরে বেড়াছিলেন। হঠাৎ তিনি নীচে মাটির দিকে তাকালেন। সেখানে তিনি দেখলেন এক জন মহিলা কে। সে মহিলা ছিল খুবই গরীব।খাদ্য সংগ্রহের জন্য সে বাগানে কাঠ কুড়াতে গিয়েছিল। তাই তার গোটা গায়ে ধুলো বালি লাগানো ছিল। হযরত সুলায়মান (আঃ) একটু নিচে নেমে এলেন, তখন সেই মহিলা পাগলের মত হযরত সুলায়মান (আঃ) কে দেখছিলেন। হযরত সুলায়মান (আঃ ) তাকে দেখে বললেন, তুমি এত নোংরা কেন? তিনি আরো বলেন, এই গরীব মেয়ে টি কে, কে বিয়ে করবে, সে তো খুবই নোংরা। তার গোটা গায়ে ধুলো বালি মাখা। একথা বলে সুলায়মান (আঃ ) সেখানে থেকে চলে গেলেন। হযরত সুলায়মান (আঃ ) এই কথাটি আল্লাহর মোটেই পছন্দ হয়নি। আল্লাহ তালা তার উপর খুবই রেগে গিয়েছিলেন। সুলায়মান (আঃ ) যখন আকাশের উপর উড়তে উড়তে সমুদ্রে উপর দিয়ে যাচছিলেন, ঠিক এমন সময় তার আংটি টি তার হাতের আঙ্গুল থেকে খুলে সমুদ্র পরে যায়।যখনি তার আংটি টা তার হাত থেকে পড়ে যায় তখন সকল পশুপাখি, জীবজন্তু, গাছ পালা, জ্বীন পরী, সকলেই তার আদেশ অমান্য করা শুরু করে দিল। ফলে ক্ষমতা হীন হয়ে তিনি ধীরে ধীরে আকাশ থেকে মাটিতে নেমে এলেন। যখন তিনি মাটিতে নেমে এলেন তখন আল্লাহর নবী সুলায়মান (আঃ ) হয়রান হয়ে গেলেন এই ভেবে যে এটা আমার সাথে কি হচ্ছে? সে গাছ পালাকে হুকুম দিলো, কিন্তু গাছ পালা তার আদেশ অমান্য করলো। সে জ্বীন পরী কে ডাকলো কিন্তু তার ও তার কথায় কোনো গেণ্য পাত করল না। সে সকল মাকলুকাতের সাথে কথা বলতে চাইলো, কিন্তু কেউই তার কথায় কান দিলো না। তিনি হয়রান পেরেশান হয়ে এদিকে ওদিকে ঘুরা ঘুরি করতে শুরু করেন তিনি বুঝাতে পারছিলেন না যে ঠিক তার সাথে কি কি হচ্ছে
𝄞⋆⃝🌺😘
প্রিয়্যু ⋆⃝𝄞♡-😻💛
🥰❥༊━━❝༉"অনুভুতির༅༎অন্তরালে༅༎ভালোবাসা༅༎টাহ
___"-༅༎তুই''!!😍
❥༊আমার༅༎হৃদয়༅༎অনুভূতী༅༎দিয়েই༅༎ইচ্ছে༅༎করে༅༎
🥰❥༊━━❝তোকে༅༎ছুই"!!༆༉
💓══❥ⵗⵗ̥̥̊̊ⵗ̥̥̥̥̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̊̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̊̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̥̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̥̥̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̥̥̥ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̥̥̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̥̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̥̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̥̊̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̥̊̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̥̊̊̊̊ⵗ̥̥̥̥̊̊̊ⵗ̥̥̊̊══❥💓
...........................
♥
❥༊━━❝༅"প্রিঁয়্যুঁ ঁত্যাঁহ্"🥰•❥🥀
❥┄┉❈❥❝যঁতোঁইঁদূঁরেঁ༅༎যাঁওঁ༅༎নাঁ━❝কেঁনোঁ༅༊🥀
🦋"༆━❝༅😘🥀༅༎আঁছিঁ༅༎তোঁমাঁরঁ༅༎পাঁশেঁ!☺️🌺"❥━━❝༅༊🥀
❥┄┉❈❥❝যেঁমঁনঁ༅༎কঁরেঁ༅༎বৃঁষ্টিঁরঁ━❝༅༊ফোঁটাঁ🥀
🦋"༆━❝༅😘🥀༅༎জঁরিঁয়েঁ!🥰🖤❥━━❝থাঁকেঁ༅༊ঘাঁসেঁ🥀
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Satkhira
0185972
