Health and Beauty Tips
We all know that health is the root of all happiness. At present we are all aware of health and beau
11/06/2020
পাতিলেবু আমাদের রান্নাঘরে সবসময়ই থাকে। শুধু খাদ্যে নয়, রূপচর্চায়ও লেবুর অবদান অনেক।
গায়ের রঙ ফর্সা করতে – আগেই বলা হয়েছে লেবুর মধ্যে থাকা ব্লিচিং গুণাগুনের জন্য ত্বকের কালচে ভাব দূর করা সহজেই সম্ভব ।
ব্যবহারবিধি
l লেবুর রসের সাথে বেকিং পাউডার মিশিয়ে ব্রণের দাগ, ত্বকের কালচে ভাব, কনুই ও হাঁটুর কালচে ভাবের উপর লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।
l সপ্তাহে অন্তত দুবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে ত্বকের কালচে ভাব থেকে খুব সহজেই রেহাই পাওয়া যায়।
স্ট্রেচ মার্কস দূরীকরণে – অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির ফলে বা গর্ভবতী মহিলাদের স্ট্রেচ মার্কস একটি খুব সাধারন সমস্যা । এই সমস্যা দূর করার জন্য লেবুর রস নিয়মিত মার্কসের উপর প্রয়োগ করলে স্ট্রেচ মার্কস এর দাগ হালকা হতে শুরু করে।
10/06/2020
ব্রণ প্রতিরোধে – অনিয়মিত জীবন যাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করার ফলে ব্রণ আজকালকার একটি অতি সাধারণ সমস্যা। সাধারণত কম বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি পরিমাণে দেখতে পাওয়া যায় ।এছাড়াও কিছু হরমোনাল কারণ, বাইরের ধূলোবালি , তৈলাক্ত ত্বক ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী। কারণ সে যাই থাকুক না কেন হলুদের মধ্যে থাকা কিছু বিশিষ্ট উপকরণ এই সমস্যার প্রতিরোধে খুব ভালো কাজ করে ।
ব্যবহার বিধি
l হলুদ গুঁড়োর সাথে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে তা শুধুমাত্র ব্রণের ওপর লাগান।
l শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন ।হলুদের মধ্যে থাকা অ্যান্টিসেপটিক গুণগুলি ব্রণ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং লেবুর মধ্যে থাকা ব্লীচিং গুণাগুণ ব্রণের দাগ দূর করে ।
মুখের লোম ওঠাতে সাহায্য করে – মুখে এরকম কিছু অবাঞ্ছিত লোম থাকে যা মুখ কে করে তোলে দৃষ্টিকটু ।
অনেককে তাই থ্রেডিং বা ওয়্যাক্সিং এর পন্থা অবলম্বন করে। এক্ষেত্রেও হলুদের নিয়মিত ব্যবহার লাভদায়ক।
ব্যবহার বিধি
l হলুদের সাথে সামান্য জল মিশিয়ে একটি পুরু মিশ্রণ তৈরি করে অবাঞ্ছিত লোমের ওপর লাগান ।
l শুকিয়ে গেলে লোমের গ্রোথের উল্টো দিকে মাসাজ করুন। দেখবেন অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যা অনেকটাই কমে গেছে।
চোখের তলায় কালো ভাব এবং রিংকেলস কমায় – অত্যধিক চিন্তা, পরিশ্রম এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা গুলোর আমাদের সবাইকেই সম্মুখীন হতে হয় । এক্ষেত্রেও হলুদ কাজে লাগে ।
ব্যবহার বিধি
l হলুদের সাথে মাখন এবং আখের রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন।
l রাতে শোবার আগে মধ্যমার সাহায্যে চোখের তলায় এবং সারা মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করুন
09/06/2020
বেজায় গরমেও ত্বক থাকুক ফুরফুরে see more.https://bit.ly/3cK0xzt
Blogger Free weblog publishing tool from Google, for sharing text, photos and video.
09/06/2020
বেজায় গরমেও ত্বক থাকুক ফুরফুরে
গরম আসা মানেই ত্বকের হাজার একটা সমস্যা। অ্যাকনে, ঘামাচি, র্যাশ, কিছু না কিছু লেগেই থাকে। তবে কয়েকটা নিয়ম মেনে চললে এগুলোর মোকাবিলা করা কোনও ব্যাপারই নয়। রইল ‘ওবেলা’র টিপ্স।
এক্সফোলিয়েট করুন নিয়মিত
দিনে দু’বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোওয়ার কথা সকলেই জানেন। কিন্তু গরমে সেটাই যথেষ্ট নয়। একটা ভাল ফেস স্ক্রাব দিয়ে ত্বক এক্সফোলিয়েট না করলে ধুলো-ময়লা জমে ত্বকের কোষগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এতেই অ্যাকনের সমস্যা বেড়ে যায়। তাছাড়া বাতাসে আর্দ্রতা বাড়লে মুখ বারবার ঘেমে ফ্যাকাসে দেখাবে। তাই মৃত কোষগুলো সরিয়ে ফেলার জন্যেও স্ক্রাবিং প্রয়োজন। কোনও একটা মাইল্ড ফেস স্ক্রাব ব্যবহার করবেন। হয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে মুখে টোনার লাগান। স্পর্শকাতর ত্বক হলে অ্যালকোহল-ফ্রি টোনার ব্যবহার করাই ভাল। তারপর ময়েশ্চারাইজার অবশ্যই লাগাবেন। অনেকে ভাবেন গরমে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ধারণাটা ভুল। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় না রাখতে পারলে সমস্যা আরও বেড়ে যাবে। যদি আপনার কাছে কোনও ব্যাটারি অপারেটেড ফেস ক্লিনার থাকে, তাহলে সপ্তাহে একদিন স্ক্রাব না করে কোনও ফোম ফেসওয়াশ লাগিয়ে এই ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। এতেই ত্বক ভালভাবে পরিষ্কার হবে
বেশি পরিমাণে পানীয়
গরমে জল বেশি খাওয়া প্রয়োজন, সেটা কোনও নতুন কথা নয়। তবে দিনে ২.৫ লিটার জল খাওয়া ছাড়াও শরীরে আরও পানীয় যাওয়া দরকার। ফলের রস খেতে পারেন। বিশেষ করে তরমুজ বা আনারসের। তাছাড়া রোজ সকালে নিজেই ডিটক্স ওয়াটার বানিয়ে নিন। এক লিটার জলে কয়েকটা শসার গোল করে কাটা টুকরো, একটা লেবুর রস আর কিছু পুদিনা পাতা ভিজিয়ে রাখুন। সারাদিনে অল্প অল্প করে খাবেন। এতে হজমক্ষমতাও বাড়বে। চাইলে দু’টুকরো তরমুজও দিতে পারেন এতে।
08/06/2020
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় অপরিষ্কার দাঁত।
আমাদের অনেকের অভ্যাস ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করা। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলেছে, ঘুমানোর আগে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে হবে। আর এবার বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা কিংবা না করার সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক। প্রতিদিন কমপক্ষে দু'বার দাঁত ব্রাশ না করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মুখের স্বাস্থ্যের সঙ্গে মারাত্মক রোগের সম্পর্কে ধারণা উনিশ শতকেই প্রচলিত ছিল সেটি এবার প্রমাণিত হলো বৈজ্ঞানিক গবেষণায়।
দাঁতের সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক নিয়ে প্রথমবারের মতো এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে। ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা স্কটল্যান্ড এর প্রায় 12000 প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর এই গবেষণা চালান। এতে তারা লক্ষ্য করেন যে, দাঁত এবং মুখের পরিচর্যার ক্ষেত্রে যারা কম মনোযোগী তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় 70 গুণ।
অন্যদিকে যারা প্রতিদিন কমপক্ষে দু'বার দাঁতব্রাশ করেন তাদের জন্য এই ঝুঁকি নেই। অবশ্য এ গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের 62 শতাংশ জানিয়েছেন যে, তারা প্রতি 6 মাসে একবার দাঁতের চিকিৎসকের কাছে গেছেন এছাড়া তাদের 71% দুইবার দাঁত ব্রাশ করেন বলে জানান।
বিশেষ করে দাঁতের মাড়িতে যাদের অসুখ রয়েছে তাদের হূদরোগ এবং ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি।দাঁত ব্রাশ না করার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি 70 শতাংশ বাড়লেও ধূমপানের কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে 135 শতাংশ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Magura
Satkhira
9400
