Satsang Bihar Sitai
sajal barman
18/07/2021
একটি ছেলে এসে বলল_ঠাকুর! আমি একটা ময়না পুষেছি।
শ্রী শ্রী ঠাকুর__তাই নাকি? খুব ভাল ক'রে যত্ন করবি।আর নজর রাখবি_যা'তে বিড়াল_টিড়ালে না-ধরে ।
ছেলেটি বলল_আচ্ছা!
শ্রী শ্রী ঠাকুর__কথা বলতে পারে নাকি?
ছেলেটি__একটু একটু ক'রে শেখাচ্ছি।
শ্রী শ্রী ঠাকুর__খুব ভাল ।আর শেখাতে গেলে নানাজনে নানাভাবে শেখাতে নেই।তা'তে শিক্ষা ভাল হয় না।পাখীর ও একটা মর্জি আছে, রুচি আছে।তাই বুঝে বিরক্ত-না-হয় এমনভাবে একজনের হাতে যত্ন ও শিক্ষা হ ওয়া ভাল।এই পাখীটাকে যদি ভাল ক'রে পুষতে পারিস,তা'হলে দেখবি,তার ভিতর দিয়ে তোর বুদ্ধি কত বেড়ে যাবে।পাখী তো আর মনের কথা বলতে পারে না,তাই নজর ক'রে বোঝা লাগবে।
ছেলেটি চ'লে যাবার পর শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন__আজকাল আমরা শিক্ষা বলতেই বুঝি লেখাপড়া, কিন্তু বাস্তব কর্মের ভিতর দিয়ে যে কতখানি শিক্ষা হয়,তা' আর বুঝি না। বাড়িতে গরু, বাছুর, কুকুর,বেড়াল,পাখী ইত্যাদি যা' থাকে, ছেলেপিলেরা যদি সেগুলির আদর-যত্ন করে,তা'হলে তার ভিতর দিয়ে কিন্তু অনেকখানি বোধ বাড়ে। কোন অতিথি বা আত্মীয়-স্বজন আসলে নিজেরা সঙ্গে থেকে ছেলেপেলেদের দিয়ে তাদের সেবাযত্ন করাতে হয়।পাড়ায় হয়তো কোন বাড়িতে কোন ক্রিয়াকর্ম হ'চ্ছে , ছেলেদের সেখানে পাঠিয়ে দিতে হয় সাধ্যমত সাহায্য করতে। বাড়িতে হয়তো একটা বাগান আছে, তরিতরকারী,শাকসব্জী হয়। সেখানে ছেলেপেলেদের সঙ্গে নিয়ে নিজেরা কাজকর্ম করতে হয়। বাজারে যাচ্ছি, ছেলেটা সঙ্গে গিয়ে হয়তো বাজার করা শিখল। একটা রোগীকে সেবা শুশ্রূষা কিভাবে করতে হয়,তা' হয়তো হাতে-কলমে ক'রে শিখল। ঘরটা হয়তো ঝাঁট পাট দিয়ে পরিস্কার করল।একটা পিড়ি থেকে একটা লোহা উঠে গেছে, বললাম,লোহাটা ভাল ক'রে পিটায়ে দে,যা'তে না-ওঠে।ব ইটা ছিঁড়ে যা'চ্ছে, বললাম,ভাল ক'রে শেলাই ক'রে মলাট দিয়ে রাখ।বেড়াটা ভেঙ্গে গেছে, বললাম,আয়! একসঙ্গে বেড়াটা বাঁধি। এইভাবে খুঁটিনাটি কাজ যত করান যায়,তত ই ভাল।হাত,পা, চোখ,কান,মাথা যত মজবুত হয়,তত self-confidence (আত্মবিশ্বাস) বাড়ে।Active habits (সক্রিয়তার অভ্যাস), self-confidence (আত্মবিশ্বাস) ও inquisitive serving tendency(অনুসন্ধিৎসু সেবাপ্রবনতা) যদি থাকে,তা'হলে মানুষ বেকার হয় না। পুঁথি পড়াটাকে আমরা যেদিন শিক্ষার প্রধান অঙ্গ ক'রে নিয়েছি, সেইদিন থেকেই প্রকৃত শিক্ষা থেকে দূরে স'রে যাচ্ছি।
সূত্র__আলোচনা প্রসঙ্গে,
তা়ং_২৬শে আষাঢ়, সোমবার,১৩৫১(ইং_১০/০৭/১৯৪৪)
08/07/2021
👉 কল্কি__অবতারের__মতন__কেউ__আসবে__সব শেষ__করে__দেবে
#কলিযুগ হচ্ছে বাঁচা বাড়ার প্রয়াসী যুগ
শ্রীশ্রীঠাকুর বলেন ----যখন মানুষ হিসাব-নিকাশ করে বাঁচা বাড়ার প্রয়াসী হয়ে একত্রে মিলিত হয়ে ওঠে তাকেই বলে কলিযুগ।
(নানা প্রসঙ্গে তৃতীয় খন্ড )
"কলি "শব্দের আরেকটা মানে হল ----কলহ,, পাপ ইত্যাদি। কলিযুগে কলহ এবং পাপের আধিক্য চূড়ান্ত। শুধু পাপ কলহ নয়,, কলিযুগে বিজ্ঞান,, সাহিত্য,, শিল্প, ইত্যাদির চরম উন্নতি।
আবার হিংসা পাশবিকতা ইত্যাদি বিস্তর বিকাশ। কলিযুগের ধর্ম একপাদ একটা স্তম্ভের উপর ধর্ম দাঁড়িয়ে আছে।
'কলির পরই আসে সত্য যুগ ------- এ যুগে মানুষ বাঁচা --- বাড়ায় উপনীত হয়। '
মহারাজ পরীক্ষিতের রাজত্বকাল থেকেই পৃথিবীতে কলির আবির্ভাব।পরীক্ষিত হলেন অর্জুন পুত্র অভিমন্যু ও এবং বিরাট রাজপুত্রি উত্তরারপুত্র। পরীক্ষিতের পুত্র জনমেজয়।
পাণ্ডবগণ ইহাকে শৈশবেই রাজ্যভার দিয়ে মহাপ্রস্থানে গমন করেন।আর একটু বিশদ ভাবে বলা যায় যে যুগ চতুষ্টয়ের( সত্য,ত্রেতা,দ্বাপর,কলি) যুগ। শেষ হলো কলিযুগ।
৩১০১ খ্রীষ্টপূর্বে এই কলিযুগের আরম্ভ হয়েছে এরূপ অভিধানের (জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাশের রচিত )বর্ণিত আছে।
তখন রাজা পরীক্ষিতের সময়কাল থেকেই হিসাব করে বলা যায় বা বলা যেতে পারে যে ৩১০১খ্রিস্টপূর্ব + ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ = ৫১১০ বছর পূর্ব থেকে কলিকাল শুরু।এখনো অবধি তাই চলছে।
কলিকালে ব্যভিচার এবং শয়তান যতই বড় হোক না কেন তাকে শায়েস্তা করার জন্য দৈবশক্তি বা ভগবানের শক্তি সেখানেই তো প্রবল এবং দুর্দান্ত। তাই সৃষ্টাশাসন বিধান অভিযানের সব প্রশমিত শীতল হয়ে যায।
় যিনি এই অভিযানের যাত্রী তিনি হলেন এক কথায় কল্কি অবতার।
তিনি ম্লেচ্ছ (বাঁচাবার অপসংস্কারী যারা )নিধনকারী তিনি মনুষ্যত্বের সর্বোত্তম বিকাশ।
তিনি কুল মালিক অর্থাৎ সব কিছুর মালিক এবং সন্ত সদ্গুরুর নামে বর্ণিত।
আধুনিক ঘনীভূত রুপই হল ঐ সন্ত সদ্ গুরু।
ওই ধ্বনি তাঁর নিজ নাম।
শ্রী শ্রী ঠাকুর -----'মহাপ্রলয় হবে তাতে আমি এই বুঝি,,যতসব বিভিন্নতা একার্দশে প্রকৃষ্ট রূপে মিলে যাবে, আর এমনতর মিলে গেলেই এই আদর্শের (কল্কি অবতারের ) আচরণে একাচার হওয়াই তো স্বাভাবিক '।
( নানা প্রসঙ্গে, তৃতীয় খণ্ড,, পৃষ্ঠা ১৫৪)
08/06/2021
JOY GURU
SATOKOTI PRONAM DADA TOMAR RANGA RATUL CHARONE
05/04/2021
#অনুশাসনবাদ_মানতে_মানতে_তাঁর_প্রতি_ভালবাসা_আসবে,
#তাঁকে_ভাল_বাসতে_বাসতে_সব্বাইকে_ভালবাসতে_শিখব ।
মন্দির করে রাখলাম বিশ-পঁচিশ -হাজার টাকা দিয়ে ,তারপর সময়মতো পূজা হলো না,প্রদীপ দেওয়া হল না ,মন্দিরে কুকুর বিড়াল ঢোকে তাহলে চলবে না । তাই উদ্দেশ্য হচ্ছে ,ঠাকুরকে কেন্দ্র করে চলবে । আমাদের চলনা দেখে লক্ষ লক্ষ লোক সুন্দর শান্ত জীবন যাপন করবে। ঠাকুর সংসারী সন্ন্যাসী চেয়েছেন। সংসারে থেকে তাঁর স্বার্থপ্রতিষ্ঠায় ব্রতী হব ।আত্মকেন্দ্রিকতা ছেড়ে দিয়ে ইষ্টস্বার্থপ্রতিষ্ঠা নিয়ে চলব। মন্দির করার উদ্দেশ্যে সম্বন্ধে সংক্ষেপে এই কথা বলা যায় ।
আমরা ঠাকুরের অনুশাসনবাদ মেনে চলব ,অনুশাসনবাদ মানতে মানতে তাঁর প্রতি ভালবাসা আসবে,তাঁকে ভাল বাসতে বাসতে সব্বাইকে ভালবাসতে শিখব ।
""You are for the Lord
Not for others :
You are for the Lord
and so for others, ""
__ এটাও তখন আমাদের মধ্যে চরিত্রগত হয়ে উঠবে । এর মধ্যেই সমস্ত ism মূর্ত হয়ে ওঠে । সবচেয়ে বড় ism হল ভালবাসার ism, প্রমের ism . সেক্রেটারি বা প্রেসিডেন্ট করি কাজকে expeditie ( ত্বরান্বিত) করার জন্য , সুশৃঙ্খলভাবে করার জন্য ।যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিপালন, পরিপোষণ ও পরিচালনা হয় সেজন্য। তাঁর উপর ভালোবাসা না থাকলে টিকতেই পারবে না ।
ভালবাসায় সব সম্ভব। আগে এখানেই কেউ কেউ ঠাকুরের প্রতিকৃতিকে ঘুরিয়ে রেখে বিড়ি-সিগারেট খেত ।এখন তোমরা বিড়ি সিগারেট ছেড়ে দিয়েছো । কত youngman (যুবক ছেলে) ছেড়ে দিয়েছে । এ থেকে বুঝা যায় আমরা সবাই ঠাকুরের দিকে আগাচ্ছি ।
(ইষ্টপ্রসঙ্গে/ পৃষ্ঠা - ৭৫/৭৬)
✍️ Nirmallya Chowdhury
30/03/2021
MANDIR TEAM
13/03/2021
"যতক্ষণ শ্বাস থাকে ততক্ষণ নাম করতে হয় মনে মনে। যতক্ষণ বাত্ (বাকশক্তি) থাকে ততক্ষণ তাঁর কথা বলতে হয়। আর যতক্ষণ মন থাকে তাঁকে স্মরণ -- মননে রাখতে হয়। sincerely (অকপটে) যদি এসব করা যায় তাহলে হাতে হাতে ফল পাওয়া যায়। অভ্যাস ক'রে নিতে হয়। চলছি ফিরছি, মনে মনে নাম জপ করছি। প্রত্যেক নিশ্বাস- প্রশ্বাসের সঙ্গে নাম করাটাই সাধনা। এই সাধনায় সিদ্ধি লাভ করলে পর ঠাকুরের সঙ্গ পাওয়া যায় সব সময়।"
--------------------------------------
-----পরমপুজ্যপাদ শ্রীশ্রী বড়দা, ইষ্ট প্রসঙ্গে-৪
12/03/2021
★★★মাঙ্গলিক যজ্ঞ "ইষ্টভৃতি"★★★
ইষ্টভৃতি সম্বদ্ধে শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন - ইষ্টভৃতি জবর
জিনিস । ইষ্টভৃতি মানেই ইষ্টভরণ। যখনই কোন লোক
ইষ্টভৃতি বন্ধ করে দেয়, প্রায়ই দেখা যায় সেখানে কোন
না কোন বিপর্য্যয় এসে ধরে । প্রত্যহ ইষ্টভৃতি করে ৩০
দিনের দিন তা' নিজে সশরীরে গিয়ে অথবা ডাক-যোগে
ইষ্টসকাশে পাঠিয়ে দিতে হয়।এতে জীবন গতিশীল হয়ে
ওঠে । অনেক বিপদ-আপদের হাত থেকে রেহাই পাওয়া
যায়। তবে কোন শর্ত নিয়ে বা কিছু পাওয়ার লোভে
ইষ্টভৃতি করলে লাভ হয় না ।
শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন ----
বিপদ-আপদ বেড়াজালে
শক্তিই যদি পেতে চাস,
শ্রদ্ধাভরে ইষ্টভৃতি
নিত্য পালিস কাটবে পাশ ;
নিত্য করিস ইষ্টভৃতি
প্রানপণে যা' পারিস,
দৈনন্দিন এই করাটাই
আনবে ব'য়ে আশিষ --- ;
ধর্ম-কর্ম যতই করিস
ইষ্টভৃতি ফেলে,
সবই জানিস হ'ল ব্যর্থ
ওরে আর্য্য ছেলে ।
(অনু: ১ম)
তাই কিছু দিলে সেটা যা'তে নিজের কাছেও তৃপ্তিপদ হয়
সেটাও দেখা উচিত এবং দিয়ে যা'তে তৃপ্তি পাওয়া যায়
সেই চেষ্টাও করা উচিত , কারণ----
*একজন জিজ্ঞাসা করলেন -- দৈনন্দিন আহার-অনুপাতে
তো ইষ্টকে দেওয়া উচিত ?
শ্রীশ্রীঠাকুর--- তোমাদের যোগ্যতা বাড়িয়ে সুখে
থেকে যদি দাও, সেই আমার ভাল লাগবে । পেটের উপর
বানিজ্য ক'রে দিলে আমার ভাল লাগে না । ইষ্টভৃতি
করাটা খুব ভাল, ওটা আমাদের পরম মঙ্গলদায়ক ।
(আ.প্র ২০/১৬.৫.৫১)
* ইষ্টভৃতি যার যেমন ক্ষমতা, তেমনভাবে যদি করি, তা
আমার জীবন বেধে রাখবে । আপদবিপদের মধ্য দিয়ে
বাঁচিয়ে নিয়ে চলবে । (আ.প্র ২০/১৬.৪.৫১)
* শ্রীশ্রীঠাকুর সুকুমার ভাইকে বললেন --- নৌকা যেমন
গুণে টেনে নিয়ে যায়, ইষ্টভৃতি তেমনি মানুষকে টেনে
নিয়ে যায় । (আ.প্র ২০/ ৪.৪.৫১)
ঘোরতর বিপদের সময় আমরা বেসামাল হয়ে পড়ি কিন্তু
নিয়মমত আমরা যদি আমরা ইষ্টভৃতি পালন ক'রে চলি, তা'
আমাদের তখন রক্ষা করেই করে ।
"উইলিয়াম জেমস" বলেছেন -- "He will stand like a tower
when everything rocks around him and when his softer fellow-
mortals are winnowed like chaff in the blast." (যখন সবকিছুর
অস্তিত্ব টলায়মান হ'য়ে উঠবে, এবং শক্তিহীন নির্জীব
লোকগুলি ঝড়ের আগে তুষের মতো উড়ে যাবে, তখন সে
একটা স্তম্ভের মত নিজের শক্তিতে অটল হ'য়ে দাঁড়িয়ে
থাকবে) ।
শ্রীশ্রীঠাকুর --- হ্যাঁ ! সত্যিই তাই । আর তা' তোমরা
বাস্তবে দেখতে পাবে । " স্বল্পমপ্যস্য ধর্মস্য ত্রায়তে
মহতো ভয়াৎ" । এতটুকুও করেছে যারা,করে যারা, তারা
মহাভয় থেকে ত্রাণ পাবে ।
(আ.প্র২/১৭.১২.৪১)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dinhata
