Megh Creation
At Megh Creation, we celebrate the rich tapestry of creativity and craftsmanship.
ভূতের রাজার বর পেলে, এখন হাততালি দিয়ে কি খাবার এনে খেতে তুমি ?
29/07/2026
` `
*
28/07/2026
পিড়ি
আজকাল মন বিষন্ন থাকে, তেমন রাঁধাবাড়া হয়না, আষাঢ় মাসের দিনগুলো, আকাশ ধূসর, আবছা, বিষন্নতায় চলে গেছে। শ্রাবণ এর ধারা এলে মাটি আবার সতেজ হবে, ধানের চারা বোনার সময়, ক্ষেত লক্ষ্মীর পুজো হয়, হয় শ্রাবণ এর গৌরী ব্রতের প্রস্তুতি, সে ব্রতও ধরিত্রী মায়ের জন্য, তার উর্বরতার জন্য।
রান্নাঘরে সামান্য আয়োজন। হয় লেবুর কাজি, পুঁই পাতায় মাছের ডিমের বড়া।
কাঁঠালদানা সেদ্ধ করে, পিষে নিয়ে রাখি, তেলে জিরা, তেজপাতা, শুকনো লংকা ফোরন, তাতে আদা আর রসুনের বাগার, ছোট চিংড়ি ভেজে কাঁঠালদানা দিই, নুন, মিষ্টি মিশিয়ে, কাঁচা লংকা আর ঘি, চমৎকার এই ডাল, কালোনুনিয়া চালের ভাতের সাথে খাওয়া হয়, আর হয় অনাবাদি শাকের ভাজা। অকিঞ্চিৎকর রাঁধুনি জীবনের রান্নাঘরে।
২ রা শ্রাবণ, ১৪৩৩
গুরুগ্রাম
নমস্কার 🙏
যে বাড়িতে বেল গাছ থাকে সেই গৃহের উপর এবং ওই বাড়ির বসবাসকারী সদস্যদের প্রতি মহাদেবের কৃপা থাকে। সেই সঙ্গে বাড়িতে দেবী লক্ষ্মীর অধিষ্ঠান হয়ে যায় বলে মনে করা হয়। শিব পুরান অনুসারে যে স্থানে বেল গাছ লাগানো হয় সেই স্থানটি তীর্থ স্থানের মত পবিত্র ও পূজার স্থানে পরিণত হয়। বেলপত্র কখনো বাসি হয় না। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে বাড়ির উত্তর-পশ্চিম দিকে বেল গাছ লাগালে বাড়ি সদস্যরা অলসতা ত্যাগ করে সক্রিয় এবং শক্তিমান হয়। বাস্তুশাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এই গাছটি বাড়ির আঙিনায় থাকলে কোন অশুভ শক্তি গৃহে প্রবেশের সাহস করে না । এই পবিত্র গাছ পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করে । বেল গাছ সর্বদা ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বজায় রাখে । কেউ যদি অন্যায় ভাবে কোন জীবন্ত বেল গাছ কর্তন করে তবে ক্রমেই তার বংশ নির্বংশ হয়ে যায়।
03/07/2026
এই দেখো আমার 🥚 shell diy craft দেখে এই পুচকু টা কি সুন্দর কাজ করেছে 😀🤗🖌️🎨
কেমন হলো জানিও ♥️
আমার তো ভীষণ ভীষণ আনন্দ হয়েছে 🤗🎨♥️♥️🖌️
Jhinkan Chatterjee
মহামায়ার সংসারে কিছুই ফেলা হয়না। পুরোনো শাড়ি কাঁথা হয়, ভাঙা হাত পাখা শাড়ির পাড়ে মুড়ে নতুন হয়। তার রান্নাঘরে কুলোয় চাল ঝাড়লে রোজ এক দু মুঠ করে ভাঙা চাল হয়, তাই জড়ো করে রাখেন মাখনবালা, একটা আলাদা হাঁড়িতে, যেদিন অবসর হয় সেদিন তারা খুদ টালা করেন, মাটির হাঁড়িতে খুদের ভাতের স্বাদ পাওয়া যায়, সেদিন সংসারের কাজ কম, খুদের ভাত আর কিছু একটা বাটা কি সেদ্ধ, ফুরসত সেদিন দুই বোনের, ভাতের পালা সাঙ্গ হলে তারা পুরোনো পেঁজে যাওয়া শাড়ির পাড় ছাড়ান, পাড়ের নকশা বড় ভালো, বেলপাতা, ডুমুর লতা, শঙ্খ মানিক, কত তাদের নাম, কাঁথার চারিদিক মোড়া হবে এই পাড় দিয়ে। রান্না খাওয়া সেরে শীতলপাটি বিছিয়ে দুই বোন কাঁথা সেলাই করেন।
মহামায়ার নাতি ঘরে ফেরে,যাযাবরের ঘর, তার চালের খুদ আনে ফরিদা মাসি, প্রতিবার, তাই দিয়ে সে রাঁধে খুদটালা, আলু মাখে সরষের তেলে, আগের দিনের করমচা দেওয়া ডাল শুকিয়ে নেয়, শুকনো লংকা ভেঙে মাখে,শীলে বাটে ফুল চিংড়ি, ঝাল তাতে বেশ, শীলে দু দলা ভাত মেখে খায়। মৃদুল সেই কবে ক্ষেতের সাদা তিল পাঠিয়েছিলো, তাও বাটা হয়। হয় আরো রান্না, আজ রান্নাঘরে ম্যালা কাজ, হয় খেজুরছড়ি চালের ভাত, এই ভাত মোটা লাল চালের, সাথে মান বাটা,তাতে সরষে নারকেল আর লংকা। হয় কুমড়ো ডগা কাঁঠালদানা দিয়ে।
আবার ফেরা মহাময়ার রান্নাঘরে, জলের দিন আসছে, শোয়ার ঘর থেকে রান্নাঘরে আসতে উঠোনময় জল, ছোট ছোট ব্যাঙ লাফায়, রাত থাকতে সেই জলে পা দিতে হয় সাবধানে, সাপের ভয়, রান্নাঘরে এই সময় সঞ্চয়ের ভরসা, সেই খরদিনে হাঁড়িতে ছাতু, চিঁড়া সব যোগাড় করে মুখ বেঁধে রাখা, ছেলেপিলে স্কুলে যাবে, তাদের জন্য ছাতু মুড়ি দিয়ে দিলেই হবে, সকালে এখন উনুন ধরানো এক হ্যাপা, মাঝেমধ্যেই ঘুঁটে জলে ভিজে যায়, একটু বেলা হলে মাখনবালা সুস্থির হন, জলের দিনে তার বাতের বেদনা বাড়ে, রোদ উঠলে তিনি রান্নাঘরে আসেন, আজ ভাতের হাঁড়িতে খিচুড়ি হয়, মহামায়া গাছের কুল দিয়ে গুড় দিয়ে আচার বানিয়ে রেখেছেন, খিচুড়ি দিয়ে খাওয়া হবে। আজ তাড়াতাড়ি কাজ সেরে কাঁথাখানা শেষ করতে হবে।
১৩ ই আষাঢ়, ১৪৩৩
My son and I cut out cardboard and made this for arts and crafts.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Durgapur
