Helth Tips Bengali

Helth Tips Bengali

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Helth Tips Bengali, Health/Beauty, KOLKATA.

17/03/2022

#কোমরে_ব্যাথার_কারন_ও_পতিকার।

শতকরা ৯০ শতাংশ লোক জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কোমর ব্যথায় ভোগে। স্বল্পমেয়াদি ব্যথা এক মাসের কম সময় থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রোনিক ব্যথা এক মাসের অধিক সময় থাকে। উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ৯০ শতাংশ রোগী দুই মাসের মধ্যে ভালো হয়ে যায়।

কারণ

* লাম্বার স্পনডোলাইসিস : কোমরের পাঁচটি হাড় আছে। কোমরের হাড়গুলো যদি বয়সের কারণে বা বংশগত কারণে ক্ষয় হয়ে যায়, তখন তাকে লাম্বার স্পনডোলাইসিস বলে।

* পিএলআইডি : এটিও শক্তিশালী একটি কারণ। এটি সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ বছরের মানুষের ক্ষেত্রে বেশি হয়। মানুষের হাড়ের মধ্যে ফাঁকা জায়গা থাকে। এটি পূরণ থাকে তালের শাঁসের মতো ডিস্ক বা চাকতি দিয়ে। এ ডিস্ক যদি কোনো কারণে বের হয়ে যায়, তখন স্নায়ুমূলের ওপরে চাপ ফেলে। এর ফলে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

* বড় কোনো আঘাতের ইতিহাস থাকলে, কোমর ব্যথার পাশাপাশি বুকে ব্যথা হলে, রোগীর আগে কখনও যক্ষ্মা হয়ে থাকলেও বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে।

* ক্যান্সার, অস্টিওপোরোসিস, এইডস, দীর্ঘকাল স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকলে কোমর ব্যথাকে অবহেলা করা চলবে না।

* ব্যথার পাশাপাশি জ্বর, শরীরের ওজন হ্রাস, অরুচি, অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে এবং ব্যথাটা কোমর ছাড়িয়ে পায়ের দিকে বিশেষ করে এক পায়ের হাঁটুর নিচ পর্যন্ত ছড়ালে অথবা এক পায়ে তীব্র ব্যথা বা অবশভাব হলে সতর্ক হতে হবে।

* প্রস্রাব বা পায়খানার সমস্যা, মলদ্বারের আশপাশে বোধহীনতা, মেরুদণ্ডে বক্রতা, পায়ের দুর্বলতা বা পায়ের মাংসপেশির শুষ্কতা ইত্যাদি উপসর্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। কোমর ব্যথার সঙ্গে উল্লিখিত যে কোনো উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লক্ষণ

* প্রথম দিকে এ ব্যথা কম থাকে এবং ক্রমান্বয়ে তা বাড়তে থাকে।

* অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকলে এ ব্যথা কিছুটা কমে আসে। কোমরে সামান্য নড়াচড়া হলেই এ ব্যথা বেড়ে যায়।

* ব্যথার সঙ্গে পায়ে ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিঁচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যে কোনো এক পায়ে নামতে পারে। কোমরের মাংসপেশি কামড়ানো ও শক্ত ভাব হয়ে যাওয়া।

* প্রাত্যহিক কাজে, যেমন- নামাজ পড়া, তোলা পানিতে গোসল করা, হাঁটাহাঁটি করা ইত্যাদিতে কোমরের ব্যথা বেড়ে যায়।

ব্যথার সময় আর যা হয়

* প্রথমে কোমরে অল্প ব্যথা থাকলেও ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে। অনেক সময় হয়তো রোগী হাঁটতেই পারে না।

* ব্যথা কখনও কখনও কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। পায়ে ঝিনঝিন ধরে থাকে।

* সকালে ঘুম থেকে উঠে পা ফেলতে সমস্যা হতে পারে।

* পা অবশ ও ভারী হয়ে যায়। পায়ের শক্তি কমে যায়।

* মাংসপেশি মাঝে মধ্যে সংকুচিত হয়ে যায়।

রোগ নির্ণয়

* কোমরের কিছু পরীক্ষা রয়েছে। ফরোয়ার্ড বন্ডিং পরীক্ষা, ব্যাকওয়ার্ড বন্ডিং পরীক্ষা।

* নিউরোলজিক্যাল ডিফিসিয়েন্সি আছে কী না, তা নির্ণয় করা হয়।

* কোমরের এক্স-রে এবং এমআরআই করতে হবে।

* রক্তের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা হয়। ক্যালসিয়ামের পরীক্ষা, ইউরিক এসিডের পরিমাণ, শরীরে বাত আছে কি না এসব পরীক্ষা করতে হয়।

* ক্রনিক ব্যাক পেনের ক্ষেত্রে এইচএলএবি-২৭ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

প্রাথমিক ক্ষেত্রে করণীয়

* সব সময় শক্ত সমান বিছানায় ঘুমাতে হবে। ফোমের বিছানায় ঘুমানো যাবে না এবং ফোমের নরম সোফায় অনেকক্ষণ বসা যাবে না।

* ঝুঁকে বা মেরুদণ্ড বাঁকা করে কোনো কাজ করবেন না।

* ঘাড়ে ভারী কিছু তোলা থেকে বিরত থাকুন। নিতান্তই দরকার হলে ভারী জিনিসটি শরীরের কাছাকাছি এনে কোমরে চাপ না দিয়ে তোলার চেষ্টা করুন।

* নিয়মিত শারীরিক অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। শারীরিক শ্রমের সুযোগ না থাকলে ব্যায়াম অথবা হাঁটার যতটুকু সুযোগ আছে তাকে কাজে লাগাতে হবে।

* মোটা ব্যক্তির শরীরের ওজন কমাতে হবে। সবার ক্ষেত্রেই সবসময় ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

* একই জায়গায় বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা যাবে না।

* ঘুমানোর সময় সোজা হয়ে ঘুমাতে হবে। বেশি নড়াচড়া করা যাবে না। ঘুম থেকে ওঠার সময় যে কোনো একদিকে কাত হয়ে ওঠার চেষ্টা করতে হবে।

গুরুতর অবস্থায় করণীয়

* অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ সেবন করতে হবে।

* চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি চিকিৎসকের দ্বারা রোগীকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি, লাম্বার ট্রাকশন ও বিভিন্ন ব্যায়াম করাতে হবে।

* দীর্ঘদিন মেডিসিন চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর- মেরুদণ্ডের অপারেশন বা সার্জারির প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসা

* হালকা ব্যথা হলে অবহেলা না করে ওষুধ এবং পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে। কোমরে গরম ভাপ দিলে উপকার পেতে পারেন। কোমর ব্যথার বিভিন্ন মলম ব্যবহার করতে পারেন। তবে মালিশ করা যাবে না।

* ব্যথা তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই একজন ফিজিওথেরাপিস্ট কিংবা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। ব্যথা তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি থেকে ফিজিওথেরাপি নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে তিন-চার সপ্তাহ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রাখা হতে পারে।

* কম ব্যথা হলে আউটডোর ফিজিওথেরাপি দেয়া হয়ে থাকে। অনেকেই কোমর ব্যথা হলে বিভিন্ন ব্যথা নাশক ওষুধ খেয়ে ফেলে। এটা একেবারে ঠিক নয়। বিভিন্ন কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করা প্রয়োজন।

* ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও এমন ওষুধ তৈরি হয়নি যে ওষুধ খেলে আপনার মাংসপেশি লম্বা হবে, শক্তিশালী হবে এবং আপনার জয়েন্ট মবিলিটি বেড়ে যাবে।

থেরাপি বা এক্সারসাইজ-ইজ এ মেডিসিন যা আপনাকে ওই কষ্টগুলো থেকে মুক্তি দেবে। সুতরাং সম্পূর্ণ চিকিৎসা পেতে হলে আপনাকে সঠিক মোবিলাইজেশন, মেনুপুলেশন, স্ট্রেচিং এবং স্ট্রেন্দেনিংয়ের মতো চিকিৎসা করতেই হবে।

17/03/2022
22/06/2021

কিডনির সমস্যা মানেই বিপজ্জনক, জেনে নিন কিভাবে সুস্থ রাখবেন গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ
First Published Mar 11, 2021, 12:30 PM
বিশ্বব্যাপী প্রতি দশ জনের মধ্যে একজন কিডনি বা বৃক্ক রোগে ভুগছেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির সমস্যা ও ঝুঁকি দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরও সতর্কতার প্রয়োজন। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস নিয়মিত করতে হবে। এছাড়াও সময়ে সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিডনিতে সমস্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অনেকগুলি অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হতে শুরু করে। প্রস্রাবে, রক্ত, পা ও চোখ ফোলা, ক্লান্ত বোধ, শ্বাসকষ্ট হওয়া, উচ্চ রক্তচাপ অনুভব করা, প্রস্রাবের পরিমাণ হ্রাস হওয়া এবং শরীরে ফোলাভাব কিডনিতে সমস্যার প্রধান লক্ষণ।

HEALTH
কিডনি কয়েক মিলিয়ন মাইক্রো ফাইবার দিয়ে তৈরি। এই তন্তুগুলিকে নেফ্রন বলা হয়। তাদের কাজ রক্ত ​​পরিশুদ্ধ করা।

নেফ্রনগুলিতে সমস্যা সৃষ্টির কারণে বেশিরভাগ সময় কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়।
নেফ্রনগুলিতে সমস্যা সৃষ্টির কারণে বেশিরভাগ সময় কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়।

যদি কোনও কারণে নেফ্রনগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে রক্ত ​​সঠিকভাবে পরিষ্কার হয় না।
যদি কোনও কারণে নেফ্রনগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে রক্ত ​​সঠিকভাবে পরিষ্কার হয় না।

রক্ত পরিশুদ্ধ হওয়ার সময়, রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকারক উপাদানগুলি এবং দেহে অতিরিক্ত জল ইউরিন হিসাবে ফিল্টার হয়ে যায়।
রক্ত পরিশুদ্ধ হওয়ার সময়, রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকারক উপাদানগুলি এবং দেহে অতিরিক্ত জল ইউরিন হিসাবে ফিল্টার হয়ে যায়।

ইউরেটারের ২ টি টিউব কিডনির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ইউরেটার দিয়ে রক্ত ​​পরিষ্কার হয় এবং তার অবশিষ্টাংশ মূত্রাশয় পর্যন্ত পৌঁছায়।
ইউরেটারের ২ টি টিউব কিডনির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ইউরেটার দিয়ে রক্ত ​​পরিষ্কার হয় এবং তার অবশিষ্টাংশ মূত্রাশয় পর্যন্ত পৌঁছায়।

প্রতিরোধের উপায়-কিডনির সমস্যা এড়ানোর অনেক উপায় রয়েছে। নিয়মিত যোগব্যায়াম করার মাধ্যমে এই রোগের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এছাড়াও, ধূমপান এবং অ্যালকোহল সেবন বন্ধ করতে হবে।
প্রতিরোধের উপায়-

কিডনির সমস্যা এড়ানোর অনেক উপায় রয়েছে। নিয়মিত যোগব্যায়াম করার মাধ্যমে এই রোগের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এছাড়াও, ধূমপান এবং অ্যালকোহল সেবন বন্ধ করতে হবে।

এছাড়া, ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে ডায়েটে। ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে প্রায়শই লোকেরা পেইনকিলার খায়। তবে কিডনিতে সমস্যার ক্ষেত্রে এই ধরনের ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে।
এছাড়া, ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে ডায়েটে। ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে প্রায়শই লোকেরা পেইনকিলার খায়। তবে কিডনিতে সমস্যার ক্ষেত্রে এই ধরনের ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে।

03/03/2021

#শরীরে_খুব_দ্রুত_রক্ত_বাড়ায়_এই_৮টি_খাবার..

প্রায় সব বয়সী মানুষ রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। রক্তে লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা কমে গেলে রক্তস্বল্পতা দেখা যায়। এ সময় শরীরে রক্ত বৃদ্ধির জন্য প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। আসুন জেনে নিই যে ৮টি খাবার নিয়মিত খেলে দেহে রক্ত বাড়বে।
১.ফল
সবধরনের রসালো সাইট্রাস ফল, যেমন, আম, লেবু এবং কমলা ভিটামিন সি-র সবচেয়ে ভালো উত্‍স। আর দেহে আয়রন দ্রুত শুষে নেওয়ার জন্য ভিটামিন সি সবচেয়ে জরুরি। এর ফলে রক্ত উত্‍পাদনের গতিও বাড়ে। স্ট্রবেরি, আপেল, তরমুজ, পেয়ারা এবং বেদানাতেও প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে।
২.সামুদ্রিক খাদ্য
সামুদ্রিক খাদ্যে আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ পুষ্টি উপাদান আছে প্রচুর পরিমাণে।
সুতরাং অ্যানেমিয়া বা রক্তশুন্যতার রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অয়েস্টার, ক্লামস এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর সামুদ্রিক খাদ্য রাখতে হবে।
৩.কলাই বা শুটিজাতীয় খাদ্য
সয়াবিন, ছোলা এবং বিনজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। সয়াবিন বর্তমানে সবজিভোজীদের জনপ্রিয় একটি খাদ্য। এ থেকে সুস্বাদু সব খাবার তৈরি হয় এবং শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়।
৪.সবজি
প্রতিদিন তাজা সবজি খেলে আয়রন ও অন্যান্য খনিজ পুষ্টি এবং নানা ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি মিটবে। আলু, ব্রকলি, টমেটো, কুমড়া এবং বিটরুট আয়রনের ঘাটতি মেটাতে সক্ষম। এছাড়া স্পিনাক সহ অন্যান্য সবজিও বেশ আয়রন সমৃদ্ধ।
৫.ডিম
ডিম হলো আরেকটি জনপ্রিয় খাদ্য যাতে আছে উচ্চমাত্রার আয়রন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। ডিমের হলুদ কুসুমে আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পুষ্টি এবং ভিটামিন। আর এ কারণেই দুর্বল লোকদেরকে প্রতিদিন সেদ্ধ ডিম খেতে বলা হয়।
৬.বাদাম
যে কোনো ধরনের বাদামই মানবদেহের জন্য উপকারী বলে বিবেচিত হয়। যে কারণে তরুণদেরকে কাজু বাদাম, হিজলি বাদাম, চীনা বাদাম এবং আখরোট খেলে রক্ত বাড়ে।
৭.ডার্ক চকোলেট
শিশুদের প্রিয় খাবার ডার্ক চকোলেটেও থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। আর এ কারণেই এমনকি ডাক্তাররাও ডার্ক চকোলেট খেতে বলে।
এই সবগুলো খাদ্যই দেহে আয়রনের ঘাটতি মিটিয়ে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। সুতরাং নিয়মিতভাবে এই খাবারগুলো খেয়ে দেহে রক্তের পরিমাণ, জীবনী শক্তি এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে থাকুন।

03/03/2021

শরীর সুস্থ রাখার দায়িত্ব আপনার

03/03/2021

শরীর সুস্থ রাখার দায়িত্ব আপনার।

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Website

Address


Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Helth Tips Bengali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in KOLKATA.