arup010

arup010

Share

I am qualified job searcher. need your help to get a good job opening

06/07/2025

Want to buy a flat at dum dum cantonment area, (SDDM) 3Bhk with all other eminities, immediately. RESALE flat owner also welcome. Write me now.... 9830312412

28/04/2025

#ছেলের_অভিমান_Part_1

আজ অনির্বাণের ক্লাসে মন নেই,মনের কোনো যেন কোণে অন্ধকার যেন বাসা বেঁধে রয়েছে।
সকালে যা কান্ড ঘটে গেল,বিকেলে বাড়িতে বোধ হচ্ছে রেহায় মিলবে না,
সদ্য ক্লাস 7th এ পরে সে,বাবা নেই তার,সে যখন এক কি দু বছরের শিশু কার অ্যাকসিডেন্ট এ মারা যান উজান মিত্র,ফেলে যান অঘাদ সম্পত্তি এবং পৈতৃক জমিজমা,উনার শ্যালক জমিজমার দেখভাল করেন,যার দরুন অনির্বাণের পালন পোষণে সুলোচনা দেবীর,বিশেষ একটা অসুবিধের সম্মুখীন হতে হয়নি।

স্বামী মারা যাবার পর জিবনে নিজের ছেলেকে আঁকরে রেখেই সে বেঁচে আছে,প্রথমে একাকিত্ব লাগলেও পরে তিনি মানিয়ে নেন।বয়স্ তরুণ ছিল তখন,কম বয়সি মেয়ে চাইলে আরেকটি বিয়ে করতে পারত সে…
আজ সকালে যখন অনির্বাণ স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল,তার ব্যাগ গুজতে এসে সে একটি প*র্ণ ম্যাগাজিন দেখতে পায়,
মা কে ”আসি মা জানতে” এসে মায়ের চাদের মতো ফর্সা নিটোল মুখে রাগের ছায়া দেখতে পায় অনির্বাণ।
বিশেষ কিছু না বলে মা ব্যাগ এগিয়ে দিয়ে ঘরের ভেতর চলে যায়।

একা পথে হেঁটে অনির্বাণ যাচ্ছে আর ভাবছে সকালের ঘটনাটা, “ঈশ,এই ধ্রুব টার কাছ থেকে ম্যাগাজিন টা যদি না ই নিতাম,আজ সত্যিই মামনি রেহায় দেবে না”
বাড়িতে পৌঁছে দেখে মামনি হাসি মুখে তার জন্য খাবার নিয়ে বসে আছে,বললেন “চোখ মুখ ধুয়ে আয়,আজ মামনি তোকে নিজ হাতে খাইয়ে দেবে”।
মায়ের হাসিতে টোলে পড়া গাল লাল আভা শিক্ত লাল পদ্মের মত হয়ে রয়েছে।সেই চেনা মায়া মাখা মুখ,মা এর কথা ফেলতে পারল না অনির্বাণ, খেয়ে দেয়ে রাতে যখন মায়ের পাশে শুয়ে ছিল তখন,

“কবে থেকে দেখছিস এসব”
অনির্বাণের বুকের রক্ত যেন হিম হয়ে গেল, সে কি বলবে ভেবে পারছে না।
“মামনির কাছে কিছু লুকোতে নেই সোনা,বলে ফেলো”

“না মানে,ইয়ে”

“হ্যা বলো”

কেদো গলায় অনির্বাণ বলে উঠে,”ধ্রুব আমাকে দেখিয়েছিল…বলেছিল এখানে…ল্যাংটো মেয়েদের ছবি রয়েছে রাখ এটা” আমি সত্যি বলছি মা… আমি এটা খুলে দেখার সাহস পাই নি আজ সকালে ভেবেছিলাম ওকে ফিরিয়ে দেব।

“আহা কাদছো কেন,তুমি না স্ট্রং,কাদতে তে নেই,তুমি এখন অদ্ভুদ সময় দিয়ে যাচ্ছ,এসব হবেই কিন্তু নিজেকে সামলে চলবে কেমন”

“হ্যা,মা”

“তুমি যখন 8th এ উঠবে,তোমার স্কুলের স্যারেরা তোমায় এসব বুঝিয়ে দেবে কেমন…,আর এমন বাজে ছেলদের সাথে মিশবে না কেমন”

মা কে জড়িয়ে ফুপিয়ে কাদতে থাকা অনির্বাণ,”হ্যা মামনি।”

সুলোচনা দেবী,ছেলেকে জড়িয়ে মিষ্টি মুখে,
“জানো তুমি যখন ছোট ছিলে,তুমি আমায় এরম ভাবে জড়িয়ে ধরে দুদু খেতে”

অনির্বাণ কথাটা শুনে একটু লজ্জায় সরে গেল,

“আহা সরলে যে বরং” অনির্বাণ কে বুকে টেনে নিয়ে “মায়ের কাছে লজ্জা কীসের?”

“আচ্ছা মা আমি তোমাকে জড়িয়ে কেরকম করে দুদু খেতাম,কারণ তখন তো আমি ছোটো ছিলাম,আমার হাত তো এত্ত বড় ছিল না”

“খেতে,খেতে তুমি আমার উপর শুয়ে জোরে জোরে চুষে চুষে দুধ খেতে…সবটুকু…আমার দুদু দুটো লাল করে দিতে””

অনির্বাণ যেন লজ্জায় মায়ের বুকে গোলে যায়।

“এই দুদুখাওয়া ছেলে,এত জররাচ্ছ কেনো,দুদু খাবে বুঝি”

অনির্বাণ বলল,”ধ্যাৎ,এখন কি আমি থরী ই তোমার দুদু খেতে পারি”

“কেন পারবে না,দুদু তে মুখ দিলেই….

“অনির্বাণ মায়ের ব্লাউসের ওপর দিয়েই একটা দুধের বোঁটায় মুখ পুড়ে দিল”

“এই,এই কি করছ,দুষ্টু”
“না ওরকম করে না,আঃ লাগছে তো”মৃদু ঠেলে অনির্বাণ কে সরিয়ে,
“এরম করে খেতে হয় বুঝি”
“Sorry মামনি”
“খেতে ইচ্ছে করছে যখন,এই এসো কাছে”

ব্লাউসের হুক খুলে,ছেলেকে কাছে টেনে একটা দুধ মুখে তুলে “নাও খাও”

মাস দু এক এর সদ্যোজাত শিশুর মত অনির্বাণ মা এর দুধ চুষতে লাগল,যদিও দুধ বের হচ্ছিল না,কিন্তু কোনো এক অজানা রহস্য না রোমাঞ্চ তাকে ঘিরে ধরল।
সুলোচনা দেবী,অনির্বাণের মাথায় বুলি কাটতে কাটতে,তাকে যতো পারছে তত নিজের বুকে জড়িয়ে ধরে নিচ্ছে।

এই তো,তার এতদিন বেঁচে থাকার কারণ,এই সে অনির্বাণ,যাকে সে হাতছাড়া হতে দিতে চায় না।
বাইরের জগৎ যে বড় নিষ্ঠুর,চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রচুর পেত্নী,রাক্ষসী ডাইনি এরা।

——————————————————————————-

ছয় টি বছর কেটে গিয়েছে।অনির্বাণ এখন বি.এ সেকেন্ড ইয়ারে এ ভূগোল অনার্স।
দেখতে সুদর্শন ও বলিষ্ট চেহারার অধিকারী বছর ২১ এর যুবক।
সুলোচনা দেবী এখনও,সেই লাজুক গৃহবধূ,পৃথিবীতে আপন বলতে এক অনীই।
ছেলেটা ঠিক আগের মতোই রয়েছে,ঠিক মা এর বাধ্য।
সম্পর্ক তাদের আগের মতোই মধূর,মা ছেলের,শুধু…

অনীর মনে তার মা এর প্রতি সেই বুকভরা ভালোবাসার মধ্যেই মিশে রয়েছে কামনা মাখা আবেগ!
৭বছর আগে হওয়া ঘটনার পর ছেলেটা ধীরে ধীরে বদলে যায়,পড়াশোনার প্রতি তার মনোযোগ বেশী,সে স্কুলে তার বন্ধুদের সাথে বেশী একটা মিশতো না,না মেশা টা ধীরে ধীরে একদমই বন্ধ হয়ে গেছে।বাড়িতেই নিজের ঘরে বেশির ভাগ সময় কাটায়,স্কুলে গুরুত্তপূর্ণ কাজ ছাড়া যেত না,বন্ধু বলতে ছিল তিন জনই,আবির,কৌশিক ও সৌগত।অনির্বাণের মা এদের বলেছিল যেন তারা সব সময় অণীর পাশে থাকে,এদের এখন সাথেই রাতে একটু স্টেশন ধরে চা খেতে যায় অনির্বাণ।

সে এখন সম্পূর্ণ এক ইন্ট্রোভার্ট, সমবয়সি মেয়েদের সাথে মিশতে ভালো লাগে না তার।
সব সময় বাড়িতেই থাকে,ফলে সবসময় সামনে ঘোরাফেরা করে বেড়াতো,তার মাতৃরূপ দেবী সুলোচনা।
কখন যে তার মনে,নিজের মায়ের প্রতি এরকম কামনার জন্ম দিয়ে ফেলেছিল সে বুঝতে পারেনা
অনির্বাণ প্রচুর চেষ্টা করেছিল ক্লাসের মেয়েদের এমন কি ক্লাসের ম্যাডামদেরও কিছুতেই তার বী*র্যপাত হইনি।
বিভিন্ন চটি সাইট,প*র্ণ সাইট ঘেঁটে সে পেল একটি ট্যাগ “মা ছেলে”।
প্রথমে তার বিষয়টা কুরুচিকর,বিকৃতিকর লেগেছিল।ভেবেছিল এও কি সম্ভব এই পৃথিবীতে,কোনো ছেলে কি সত্যি পারে নিজের মা এর সঙ্গে যৌ*নসঙ্গম করতে,

“না বরং অঙ্কগুলো কষে ফেলি,সন্ধে এ স্যার আসবে”
হঠাৎ তার মনটা গেল তার কম্পিউটারের দিকে।

মাথায় আসল চটি সাইটে পাওয়া সেই ট্যাগটি,তবে দেখবেই কি সে।

হাত বাড়িয়ে সে কিবোর্ড টিপে দেখেই ফেলল,অর্জন করল এক নতুন রোমাঞ্চ,একটা গল্প পড়তে পড়তে কখন যে সে নিজের প্যান্ট হাত রেখে নিজের ধোনটা কচলাতে শুরু করে ফেলেছে সে জানে না।গল্পের ক্লাইম্যাক্স এ এসে তার মনে হতে লাগলো যে তার ধোনটা উপতপ্ত হয়ে
উঠছে,এই যেনো সেই জ্বালামুখ হতে বেরিয়ে আসবে গলিত লাভা।

স্বাদ উপভোগ করল জীবনের প্রথম বী*র্যপাতের।

এরপর অভ্যেসে পরিণত হতে লাগল,রোজ রাতে চটি পড়া,ধীরে ধীরে প*র্ণ, হেন্টাই, দৌজিনস সব কিছুই সরল শান্ত অনির্বাণ কে খেয়ে ফেলল।

আজ সাতটি বছর পরেও তার সেই অভ্যেস বদলায় নেই,যদিও তার পড়াশুনো সব ঠিক,কলজের উজ্জ্বল ছাত্রদের মধ্যে এক।
কিন্তু কলেজ যেতে পছন্দ করে না,ইচ্ছে করেনা রোজ মানুষের ভিড়ে নিজেকে ঠেলে দিতে,কতই না মেয়ের ক্রাশ সে।
তবুও তিনবন্ধু দের টানাটানিতে যেতে হয় তাকে। কতই না মেয়ে তার সাথে বন্ধুত্ব করতে চায়,কিন্তু অনী তাদের দিকে চোখ তুলেও তাকায় না,আসলে সে অ্যাটিটিউড নিয়ে চলে না,সে জাস্ট পারে না, কোনোও এক অজানা কারণে।

বাড়িতে মায়ের রাতের নাইটি,ব্লাউস,সায়ার মধ্যে যো*নী অঙ্গ এর জায়গা সুকে সুকে নিজের ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলত সে।একদিন লুকিয়ে লুকিয়ে মায়ের স্নান দেখতে গিয়ে প্রায় সে ধরা পরে গিয়েছিল।

অবশ্য সুলোচনা দেবী বুঝতে পেরেছিল কিছুটা,কিন্তু সম্পূর্ণ ব্যাপার সে পরে বোঝে।

অনির ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে সে এক একদিন বিভিন্ন অভিজ্ঞতা পেত, সে কোনো এক অজানা কারণ কিংবা ভয়ে কোনো কাজের মেয়ে রাখিনি সে।

সে দেখত ছেলে বিছানার চাদরে সাদা ঘন বী*র্যের দাগ,চাদর দিয়ে পেত সে বী*র্যের ঘন গন্ধ,নিজেই নিজের উপর হেসে বলত,আমার কচি খোকা এখন বড় হয়ে গিয়েছে,
সে মাঝে মধ্যে ছেলের আন্ডারওয়্যার শুঁকে শুঁকে দেখত,আর অজানা এক ঘন কুয়াশায় হারিয়ে যেত,
তবে কি সে নিজের ছেলের প্রতি দূর্ব…

“নানা এ হতে পারে না,এ অজাচার বর্বরতা আমি সত্যিই এক ব্যর্থ মা,ছি: আমি শেষে কি না নিজের ছেলের প্রতি ছি…”

“…দীর্ঘ 21 বছর কুমারীদের মতো শেষে কি না ছি..”

18/04/2025

Dakho to bondhura kemon lage onake. Amar porichito

10/04/2025

40 is a very vital age for women

Photos from arup010's post 04/04/2025

Amr Gf eta tomra bolo kemon dekte

01/04/2025
31/03/2025

বাংলা প্রীতি

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in KOLKATA?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


SH-1
Kolkata
700011