Kusumkunja
We believe "Art is inside" and therefore must be expressed as inside out.
"KUSUMKUNJA", the garden of flowers- is an interactive institute for cultivation of soul through aesthetic development by music, painting, dancing and all other creative activities. This garden is not confined through barriers of syllabus, examination but open for art lovers of all age groups so that the breeze of fresh tunes, rhythm, forms, figures of our traditional art forms can nurture the tender buds for blooming. It is deeply rooted into fertile soil of Indian culture & branches heavily over the innovative sky of thoughts to perpetuate the rich humane-aesthetics & core of our tradition.
Cover song - অলির কথা শুনে-न जाओ सैंया छुड़ाके बैंया
As a tribute to the great composer Hemanta Mukherjee, Kusumkunja presents a medley of some of his timeless compositions on 1st October, Thursday, 2026. Please watch this on our Youtube channel and page and leave your valuable comments that inspire us to do better in future.
Stay tuned for the entire song on 1st October, Thursday, at 8pm.
Thanks.
"Kutumkatam" was a great creation of Acharya Abanindranath Tagore to reuse and recycle waste plant products, glue to give shape of an object. No colour is used here. The natural colours appear as it is. Kusumkunja just organized a two days workshop on this and the products are exhibited here. Your blessings and suggestions help us to grow. Thank you.
21/09/2026
কুটুমকাটাম।
গতকাল শেষ হল শিশুদের জন্য আয়োজিত "কুটুমকাটাম"-এর কর্মশালা। পেস্তার খোসা, গাছের শুকনো ডাল, ভুট্টার শুকনো খোসা, প্লাস্টিকের বোতল, মেহগিনি বীজের খোসা, সামান্য কিছু শুকনো কাগজফুল ইত্যাদি দিয়ে রচিত এইসব সৃষ্টিগুলো কাঁচা হাতের মিষ্টি সব কাজ। কেউ ফড়িং বানিয়েছে, কেউ ইকেবানা স্টাইলে ফুলদানি, কেউ আবার পাখি বানিয়েছে। এতে কোন রঙ ব্যবহার করা যায় না। বর্জ্যবস্তু থেকে নিজের মনে এক একটা আকৃতি কল্পনা করে নিতে হয়। বাচ্চাগুলি মনের আনন্দে দিয়ে যে সৃষ্টিগুলো তৈরি করেছে, আপনারা দেখবেন এবং ওদের আশীর্বাদ করবেন।
04/09/2026
কুটুম-কাটাম হলো শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রবর্তিত ফেলে দেওয়া গাছের ডাল, শিকড়, বাঁশের গাঁট, ছাল ও পুরোনো টুকরো জিনিস দিয়ে তৈরি এক অনন্য বিমূর্ত ভাস্কর্য শিল্প। এটি রঙের ব্যবহার ছাড়াই প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ছোট আকারের ভাস্কর্য, যার কোনো প্রতিরূপ বা অনুরূপ সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। ‘কুটুম’ (আত্মীয়) ও ‘কাটাম’ (কাঠামো/রূপ) শব্দ দুটি মিলে এই শিল্পধারার সৃষ্টি। প্রকৃতি ও শিল্পের সংমিশ্রণে রচিত
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই অমর সৃষ্টির সাথে জাপানী ইকেবানাকে মিশ্রণ করে কুসুমকুঞ্জের আয়োজনে শিশুদের জন্য দুদিনের কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
স্থান- কুসুমকুঞ্জ, বিকেল ৪টে, রবিবার ৬ ও ২০ সেপ্টেম্বর।
শিশুদের মনকে আমাদের দেশজ বৈচিত্রপূর্ণ নানা শিল্পধারা সমৃদ্ধ করে তুলুক- এই উদ্দেশ্যেই এই প্রচেষ্টা। কোন শিশু আগ্রহী হলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ধন্যবাদ।
সারাদিন, সারারাত ধরে ঝরিছে শ্রাবনধারা। যদিও এখন ভরা ভাদ্র মাস তবু অবিশ্রান্ত ধারাবর্ষণে আনমনে শূন্যপানে আমরাও চেয়ে থাকি। গাছগুলো দাঁড়িয়ে সারারাত ভিজতে থাকে।মনের মধ্যে কোন সুদূরপারের বিরহের একটানা সুর বেজে চলে....
29/08/2026
জৈন কল্পসূত্রের আঙ্গিকে "রামায়ণ" চিত্রাবলী।
সম্প্রতি কুসুমকুঞ্জে অনুষ্ঠিত হল চারমাস ব্যাপী জৈন পুঁথিচিত্রের কর্মশালা। শিক্ষার্থীরা বিপুল আগ্রহে অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে এই সূক্ষাতিসূক্ষ মিনিয়েচারগুলি রচনা করল। কল্পসূত্র একটি জৈন গ্রন্থ। জৈনতীর্থঙ্কর মহাবীরের নির্বাণলাভের দেড়শো বছর পর এই গ্রন্থটি অর্ধমগধি প্রাকৃত ভাষায় কাব্যে ও গদ্যে রচনা করেন ভদ্রবাহু। এই গ্রন্থে জৈন তীর্থঙ্করদের জীবনী পাওয়া যায়। তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথ ও মহাবীরের জীবনী এই গ্রন্থে বিশেষভাবে আলোচিত।
এই গ্রন্থটির পাতায় পাতায় লেখার পাশাপাশি আঁকা হত রঙিন ছবি। সেই ছবিগুলিই পশ্চিমভারতে একটা শিল্পধারা তৈরি করে।
এই শিল্পধারার বিষয়বস্তু কেবলমাত্র জৈন তীর্থঙ্করদের জীবনীতেই সীমাবদ্ধ ছিল। সপ্তদশ শতকে সামান্য কিছু ছবি কৃষ্ণের বাল্যলীলাকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে কল্পসূত্র একেবারেই লুপ্ত। আমাদের শিক্ষার্থীরা ওই শৈলিকে অক্ষুন্ন রেখে রামায়ণের মুল ঘটনাগুলি এঁকেছে। আপনারা দেখবেন।
সেখানে দুর্বা ও শিশুচারা সুরের মতো বেয়ে ওঠে আকাশের দিকে, সেখান থেকে আনন্দের আশ্বাস আসে। আজকের প্রার্থনায় তাই নতুন জন্মকালে সুরসাধনারই সমর্পণ। মাতৃদুগ্ধের মতো সঙ্গীতের সুরে যেন নবজাতক পরিপুষ্ট হয়।
গত ৯ই আগস্ট বেহালা শরৎসদনে অনুষ্ঠিত দশম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান থেকে আরও একটি নিবেদন ধরা রইল।
জন্মদিন পালন।
আজ কুসুমকুঞ্জের ১০ বছরের জন্মদিন। বিগত সময় ধরে নাচ, গান ও ছবির নিরন্তর চর্চা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত আমরা শিখছি। এতদিনে যারা মিলে কুসুমকুঞ্জকে রূপদান করেছে, সকলকে অভিনন্দন। মানুষের অন্তরের সাথে অন্তরকে যুক্ত করার এই চেষ্টা, আজ যেটুকু সম্ভব হয়েছে, তাতে সকলের কাছে সকলেই আমরা ঋণি। গানের ভিতর দিয়েই আমাদের সাংস্কৃতিক জীবনচর্চা।
গত রবিবার, ৯ই আগস্ট বেহালা শরৎসদনে ছিল আমাদের দশম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান।
রবীন্দ্রনাথের গানে বাণী-সুরের সমন্বয় নিয়ে রচিত গীতিআলেখ্য "বহিয়া যায় সুরের সুরধূনী" থেকে এই পরিবেশনাটি ধরা রইল। আমাদের ছেলেমেয়েদের একনিষ্ঠ নিবেদন। আশীর্বাদ করবেন ওরা যেন আরও ভাল, আরও নিখুঁত হয়ে ওঠে।
Contact the business
Telephone
Website
Address
764A, Vidya Sagar Sarani, Thakurpukur
Kolkata
700063
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Kusumkunja posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
